কাতারে মাইজভাণ্ডারী ব্লাড ডোনার্স গ্রুপের রক্তদান কর্মসূচি

স্টার নিউজ ডেস্ক:
কাতারের প্রাক্তন আমির ফাদার আমির শেখ হামাদ বিন খলিফা আল থানির স্মরণে এবং গাউছুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর দ্বিশত জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে কাতারে রক্তদান কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) কাতারের সময় দুপুর থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত দোহায় অবস্থিত কাতার ন্যাশনাল ব্লাড ডোনেশন সেন্টারে এই মহতী উদ্যোগের আয়োজন করা হয়। প্রবাসীদের অংশগ্রহণে এই রক্তদান কর্মসূচির আয়োজন করে মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ কাতার ইউনিট। কর্মসূচিটির সার্বিক সহযোগিতা এবং সহ-আয়োজক হিসেবে যুক্ত ছিল কাতার ন্যাশনাল ব্লাড ডোনেশন সেন্টার। আয়োজকরা জানিয়েছেন, কাতারে এটি তাদের ৭ম ধারাবাহিক আয়োজন।
এই রক্তদান কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি) এর ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান, নায়েব সাজ্জাদানশীন এবং মোন্তাজেমে দরবার আলহাজ্ব শাহ সুফি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কাতারের দোহায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রথম সচিব (শ্রম) শোয়াইব আহমদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খান এগ্রো গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব সৈয়দুল হক খান, আওলাদে গাউছুল আজম শাহজাদা সৈয়দ এরহাম হোসাইন এবং শাহজাদা সৈয়দ মানাওয়ার হোসাইন।
এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট মুহাম্মদ সোহেল চৌধুরী, আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কাতার শাখার সাধারণ সম্পাদক কাজী জহির উদ্দীন বাবার, ব্লাড ডোনার্স কাতার ইউনিট কমিটির আহবায়ক হাবিবুর রহমান এবং সদস্য সচিব সাজ্জাদুল হক এবং সংগঠনের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ।
সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব শাহ সুফি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী এই সফল আয়োজনের জন্য কাতার ন্যাশনাল ব্লাড ডোনেশন সেন্টার এবং মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদীয়া ব্লাড ডোনার্স গ্রুপ কাতার ইউনিটকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। একইসাথে তিনি আগামী দিনেও এমন মহতী উদ্যোগের ধারা অব্যাহত রেখে নিবেদিতপ্রাণ হয়ে মানবতার কল্যাণে কাজ করে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
এই কর্মসূচিতে প্রবাসী বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন স্তরের মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে রক্তদানে অংশগ্রহণ করেন। আয়োজকদের দেওয়া তথ্যমতে, এবারের ক্যাম্পেইন থেকে সফলভাবে মোট ২৩৪ ব্যাগ রক্ত এবং ১৭ ব্যাগ প্লাজমা সংগ্রহ করা হয়েছে। মানবসেবামূলক এই বিশাল অর্জন কাতারের স্বাস্থ্যখাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।