
স্টার নিউজ ডেস্ক:
ইয়েমেনের রাজধানী সানায় সৌদি আরবের বিমানা হামলায় ১১ জন নিহত হয়েছেন। যারমধ্যে নারী ও শিশু আছে বলে জানিয়েছে হুথি বিদ্রোহী সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমগুলো।
বার্তাসংস্থা সানা হতাহতের সংখ্যা নিয়ে বলেছে, “সানা প্রদেশের আল-সারিয়াহতে সৌদি শত্রুদের বিমান হামলায় ১১ জন শহীদ হয়েছেন। যারমধ্যে নারী ও শিশুও আছেন। আহত ও নিহতদের উদ্ধারে অভিযান চলছে। তবে এরমধ্যে প্যারামেডিকদের ওপর দুইবার হামলা হয়েছে।”
এরআগে গতকাল ইয়েমেনের তাইজের একটি বাজারে সৌদির বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন নিহত হন বলে জানায় হুথি বিদ্রোহীরা। তবে পরবর্তীতে ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকার দাবি করে, ওই বাজারে হুথিরা মিসাইল ছুড়েছে। এতে সেখানে ৩০ জন নিহত হয়েছেন।
হামলার শিকার বাজারটির অবস্থান তাইজের আল-ওয়াজিয়া শহরে। এ শহরটি ইরানের মদতপুষ্ট ইয়েমেনি গোষ্ঠী হুথিদের নিয়ন্ত্রণাধীন।
পুরো ইয়েমেনের নিয়ন্ত্রণ নিতে গত সেপ্টেম্বর মাস থেকে ইরান-সমর্থিত এই গোষ্ঠীটি বড় আকারে সামরিক অভিযান শুরু করেছে হুথি গোষ্ঠী। পাল্টা অভিযান পরিচালনা করছে সৌদি আরবের সমর্থন পুষ্ট এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত প্রেসিডেন্সিয়াল কাউন্সিল সরকার, বর্তমানে যারা ইয়েমেনের দক্ষিণাঞ্চল নিয়ন্ত্রণ করছে। দু’পক্ষের এ তীব্র লড়াইয়ের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে তাইজ প্রদেশ।
বর্তমানে ইয়েমেনের উত্তরাঞ্চল ও রাজধানী সানা নিয়ন্ত্রণকারী হুথি সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আনিস আল-আসাবাহি শক্রবারের হামলার পর তাদের নিজস্ব সংবাদ সংস্থা সাবা-কে বলেছেন, “সৌদি শত্রু বিমান আল-ওয়াজিয়া শহরের বাজারে বেশ কয়েকটি হামলা চালিয়েছে।”
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, হামলায় ৩০ জন নিহত ও ৮ জন আহত উদ্ধারকারী দল ধ্বংসস্তূপের নিচে মরদেহের সন্ধান চালাচ্ছে, ফলে নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
হুথিদের সামরিক মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইয়াহইয়া সারি জানিয়েছেন, শুক্রবার সৌদি আরবের খামিস মুশাইত ঘাঁটি থেকে উড্ডয়ন করা একটি বিমান থেকে এই হামলা চালানো হয়েছে।
সূত্র: এএফপি




