Generated by Rank Math SEO, this is an llms.txt file designed to help LLMs better understand and index this website. # StarNews24: starnews24 ## Sitemaps [XML Sitemap](https://starnews24bd.com/sitemap_index.xml): Includes all crawlable and indexable pages. ## Posts - [পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে চবিতে ‘গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম’ অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/11008): আ ফ ম বোরহন: বিশ্ব পরিবেশ দিবস-২০২৬ এবং হযরত শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর ২০০তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) জলবায়ু সচেতনতা ও আধ্যাত্মিক দর্শনের এক অপূর্ব মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়েছে। চবি’র ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগ এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি)-এর যৌথ উদ্যোগে গত বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের কনফারেন্স কক্ষে দিনব্যাপী বিশেষ “গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম অন ওয়ার্ল্ড এনভায়রনমেন্ট ডে-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে। সিম্পোজিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) ও রুটিন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. নুরুল ইসলাম। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সভাপতি প্রফেসর ড. কাজী মো. বরকত আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম, চবি জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ.এম. মাসুদুল আজাদ চৌধুরী এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ডিরি) ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও চেয়ারম্যান শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী। সিম্পোজিয়ামে কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন চবি ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ইকবাল সরোয়ার এবং কো-কনভেনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক। প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আল-আমীন আয়োজকদের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, “বিশ্ব পরিবেশ দিবসের এই আয়োজনে জলবায়ু পরিবর্তনের পাশাপাশি সুফিজম তথা আধ্যাত্মিকতাকে যুক্ত করার ধারণাটি অত্যন্ত চমৎকার ও সময়োপযোগী। পরিবেশ রক্ষা এবং ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন’-এর ক্ষেত্রে বৈজ্ঞানিক ও আধ্যাত্মিক উভয় দৃষ্টিভঙ্গিই সমান গুরুত্বপূর্ণ।” নিজের দীর্ঘ গবেষণার অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমি নব্বইয়ের দশক থেকে জলবায়ু পরিবর্তন ও জিআইএস নিয়ে গবেষণা করছি। তবে দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অনেক রিসার্চ পেপার লিখলেও মাঝে মাঝে আফসোস হয় যে, পরিবেশের অবক্ষয় রোধে মানুষকে সহজে জাগানো যাচ্ছে না। আমাদের দেশের মানুষের স্বভাব হলো, যতক্ষণ নিজের গায়ে বিপদ না পড়ে, ততক্ষণ তারা সচেতন হয় না।” তিনি শিক্ষার্থীদের চমৎকার পোস্টার প্রেজেন্টেশন ও সচেতনতামূলক কার্যক্রমের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং পরিবেশ রক্ষার এই বার্তা সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর ড. মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, “বর্তমান পৃথিবীতে মানব অস্তিত্বের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি হলো জলবায়ু পরিবর্তন। ভৌগোলিক কারণে বাংলাদেশ এই ঝুঁকিতে বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ দেশ। বৈশ্বিক উষ্ণতা বৃদ্ধির ফলে আমাদের নিম্নভূমিগুলো পানিতে তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে, যদিও এই সংকটের জন্য আমরা নিজেরা দায়ী নই। নির্বিচারে বন উজাড় ও কার্বন নিঃসরণের কারণেই আজ তাপমাত্রা বাড়ছে।” এই সংকট মোকাবিলায় সরকারি কর্মসূচির পাশাপাশি ব্যক্তিগত পর্যায়েও সবাইকে বেশি বেশি গাছ লাগানোর আহ্বান জানান তিনি। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন অনুষ্ঠানের আহবায়ক প্রফেসর ড. মো. ইকবাল সরোয়ার। ডিরি’র পক্ষে বক্তব্য রাখেন মেম্বার সেক্রেটারি ড. কাজী সাইফুল আচফিয়া। উপস্থাপিত মূল প্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. অলক পাল, প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মুহিবুল্লাহ ও প্রফেসর ড. মো. আতিকুর রহমান; উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের প্রফেসর ড. শেখ বখতিয়ার উদ্দীন; মনোবিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মো. শাহীনুর রহমান; বন ও পরিবেশবিদ্যা ইনস্টিটিউটের প্রফেসর ড. এ.এইচ.এম রায়হান সরকার; মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের সভাপতি মোহাম্মদ শের মাহমুদ; বাংলা বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী এবং ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মুনমুন নেছা চৌধুরী। ভূগোল ও পরিবেশবিদ্যা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. তাজ সুলতানা ও প্রভাষক মোহাম্মদ আলীর যৌথ সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, গবেষক এবং বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। সিম্পোজিয়ামের অন্যতম মূল আকর্ষণ ছিল শিক্ষার্থীদের পোস্টার প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা। প্রতিযোগিতাটি দুটি মূল থিমে বিভক্ত ছিল, প্রথমটি 'পরিবেশগত চ্যালেঞ্জ, দুর্যোগ ঝুঁকি হ্রাস এবং জলবায়ু অভিযোজন' এবং দ্বিতীয়টি 'সুফিবাদ, পরিবেশবিদ্যা এবং সবুজ ভবিষ্যৎ'। এর অধীনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং ইকো-সুফিবাদ ও পরিবেশগত নৈতিকতার মতো গভীর ও ব্যতিক্রমী বিষয়গুলো গবেষকদের পোস্টারে চমৎকারভাবে ফুটে ওঠে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রতিটি থিম থেকে সেরা তিনটি পোস্টারকে আকর্ষণীয় পুরস্কারে ভূষিত করা হয় এবং সিম্পোজিয়ামের সার্বিক বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে একটি প্রসিডিংস প্রকাশিত হয়।   - [৯২ বছরে প্রথম নকআউটে মিশর, অপেক্ষায় ইরান](https://starnews24bd.com/news/11005): স্টার নিউজ ডেস্ক: ফুটবল বিশ্বকাপে গ্রুপ ‘জি’ থেকে নক আউট পর্ব নিশ্চিত করেছে মিশর। গ্রুপ পর্বে নিজেদের তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে আজ ইরানের সাথে ১-১ গোলে ড্র করে রানার্সআপ হিসেবে নকআউট পর্বে উঠেছে মিশর। ১৯৩৪ সালে অভিষেকের পর এই প্রথম নকআউট পর্বে খেলার যোগ্যতা অর্জন করল মিশর। ইনজুরি সময়ে ভিডিও সহকারী রেফারির (ভিএআর) মাধ্যমে অফসাইডের কারনে গোল বাতিল হওয়ায় ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় ইরানকে। ৩ ম্যাচে ৩ ড্র’তে ৩ পয়েন্ট নিয়ে এই গ্রুপ থেকে তৃতীয় দল হিসেবে নকআউটে ওঠার আশা বাঁচিয়ে রেখেছে ইরান। শেষ ৩২-এ জায়গা নিশ্চিত কিনা সেটির জন্য রোববার পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে ইরানকে। বর্তমানে তৃতীয় দলের তালিকায় ৬ নম্বরে অবস্থান করছে তারা। গ্রুপ আই, জে ও কে-এর দিকে তাকিয়ে থাকতে হবে ইরানকে। এই তিন গ্রুপ থেকে তিন নম্বরে থাকা দু’টি দল নক আউটে খেলার সুযোগ পেলে, পরের রাউন্ডের টিকিট পাবে ইরান। তবে তিন গ্রুপ থেকে তিন দলই যদি নক আউট পর্বের টিকিট পায়, তাহলে গ্রুপ পর্ব থেকে বিদায় নিতে হবে ইরানকে। ৩ ম্যাচে ১ জয় ও ২ ড্রতে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ রানার্স-আপ হয়ে নক আউটে উঠল মিশর। এই গ্রুপ থেকে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বেলজিয়াম। ৩ ম্যাচে ৫ পয়েন্ট নিয়ে গোলগড়ে এগিয়ে থাকায় টেবিলের শীর্ষে থেকে সেরা ৩২’এ খেলবে বেলজিয়াম। যুক্তরাষ্ট্রের সিয়াটলে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরুতে এগিয়ে যায় মিশর। পঞ্চম মিনিটে মোহাম্মদ সালাহর শট ইরানের গোলরক্ষক আলিরেজা বেইরানভান্দ ঠিকঠাকভাবে সামাল দিতে পারেননি। ফিরতি বলে বুদ্ধিমত্তার সাথে বল জালে পাঠান মাহমুদ সাবের। ফলে ১-০ গোলে এগিয়ে যায় মিশর। বিশ্বকাপের ইতিহাসে এটি মিশরের দ্রুততম গোল। নবম মিনিটে ম্যাচে সমতা ফেরানোর সুযোগ পায় ইরান। মেহদি তারেমিকে বক্সের মধ্যে ফাউল করেন মিশরের ডিফেন্ডার আবদেলমোনহেম। সাথে-সাথে পেনাল্টির বাঁশি বাজান রেফারি। কিন্তু স্পট কিক থেকে গোল করতে পারেননি তারেমি। তারেমির শট বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়ে দারুণ দক্ষতায় রুখে দেন মিশরের গোলরক্ষক শোবেইর। তবে বেশিক্ষণ পিছিয়ে থাকতে হয়নি ইরানকে। ১৪ মিনিটে ম্যাচে ১-১ সমতা ফেরায় তারা। মোহাম্মাদির শট শোবেইর ফিরিয়ে দিলে ফিরতি বলে গোল করেন রামিন রেজাইয়ান। এই সমতা নিয়ে ম্যাচের প্রথমার্ধ শেষ করে মিশর ও ইরান। দ্বিতীয়ার্ধের শুরু থেকে পাল্টাপাল্টি আক্রমণ করে দুই দল। ৪৭ মিনিটে ইরানের এজাতোলাহির দূরপাল্লাার শট মিশরের পোস্টের উপর দিয়ে চলে যায়। ৪৯ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুন করার সুযোগ পেয়েছিল মিশর। সালাহর পাস থেকে ট্রেজেগুয়েতের শট রুখে দেন ইরানের গোলরক্ষক বেইরানভান্দ। এরপর ৮৯ মিনিটে কর্নার থেকে উড়ে আসা বলে তারেমির হেড পোস্টে লেগে ফিরে আসে। নির্ধারিত ৯০ মিনিট শেষে ম্যাচের ইনজুরি সময়ে নাটকের জন্ম হয়। ৯৩ মিনিটে মিশরের বিপদ সীমানায় বল পেয়ে গোল করেন খালিজাদেহ। ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যাওয়ায় আনন্দ উল্লাসে মেতে উঠে ইরানি খেলোয়াড় ও সমর্থকরা। কিন্তু ভিএআর পর্যালোচনায় অফসাইডের কারণে গোলটি বাতিল করা হয়। শেষ পর্যন্ত ১-১ গোলের ড্র নিয়েই মাঠ ছাড়ে দু’দল। - [চট্টগ্রামে ১৪ লাখ শিশুকে খাওয়ানো হবে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল](https://starnews24bd.com/news/11002): স্টার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনের আওতায় রোববার চট্টগ্রামে ১৪ লাখের বেশি শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে। চট্টগ্রাম জেলা ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) এলাকায় মোট ১৪ লাখ ৪ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে স্বাস্থ্য বিভাগ ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে বলে নিশ্চিত করেছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। স্বাস্থ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চট্টগ্রাম জেলায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯৬ হাজার ৭৯ জন শিশু এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৭ লাখ ৪৬ হাজার ৯০ জন শিশুসহ মোট ৮ লাখ ৪২ হাজার ১৬৯ জন শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য চট্টগ্রাম জেলায় ১৭টি স্থায়ী ও ৪ হাজার ৮০০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র স্থাপন করা হয়েছে। শিশুদের জন্য ১ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ১ লাখ ২ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল ও ২ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ৭ লাখ ৫৫ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল মজুত রাখা হয়েছে। অন্যদিকে, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন এলাকায় ৬ থেকে ১১ মাস বয়সী ৯২ হাজার শিশু ও ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সী ৪ লাখ ৭০ হাজার শিশুসহ মোট ৫ লাখ ৬২ হাজার শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সিটি করপোরেশন এলাকায় এ কার্যক্রম বাস্তবায়নের জন্য ৪১টি স্থায়ী ও ১ হাজার ২৮০টি অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এছাড়া, ১ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ১ লাখ ৫ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল এবং ২ লাখ আইইউ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪ লাখ ৯১ হাজার ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল সরবরাহ করা হয়েছে। চট্টগ্রাম জেলার ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন শিশুদের রাতকানা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ও অপুষ্টিজনিত ঝুঁকি কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ৬ থেকে ৫৯ মাস বয়সী সব শিশুকে নির্ধারিত কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর মাধ্যমে এ কর্মসূচি সফল করতে হবে। রোববার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চট্টগ্রাম জেলা ও সিটি করপোরেশনের নির্ধারিত টিকাদান কেন্দ্রগুলোতে এ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। স্বাস্থ্য বিভাগ আশা করছে, সবার সহযোগিতায় শতভাগ লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হবে। - [যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে শান্তিচুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ ইরানের](https://starnews24bd.com/news/10999): স্টার নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শেষ করার জন্য দুই পক্ষের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তিচুক্তির ‘প্রকাশ্য লঙ্ঘনের’ জন্য ইরান শনিবার যুক্তরাষ্ট্রকে অভিযুক্ত করেছে। দেশটিতে সর্বশেষ মার্কিন হামলার পর এই অভিযোগ করা হয়। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইরানের উপকূলীয় নজরদারি কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো এই নৃশংস হামলাগুলো যুদ্ধ শেষ করার সমঝোতা স্মারকের একটি স্পষ্ট লঙ্ঘন।’ অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার তারা ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সংরক্ষণাগার এবং উপকূলীয় রাডার স্থাপনাগুলোর ওপর হামলা চালিয়েছে। তাদের দাবি, ইরান হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী একটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা করার পর, এই পাল্টা পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। - [এইচএসসি পরীক্ষায় প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ শিক্ষামন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/10997): স্টার নিউজ ডেস্ক: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন আসন্ন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষাকে কেন্দ্র করে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন সকল পরীক্ষা কেন্দ্রে সিকিউরিটি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন। আজ রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগার মিলনায়তনে কেন্দ্র সচিবদের সঙ্গে ভার্চুয়ালী আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। এ সময় আ ন ম এহছানুল হক মিলন আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সুষ্ঠু, সুশৃঙ্খল ও নকলমুক্ত পরিবেশে সম্পন্ন করার জন্য কেন্দ্রের সচিবদের প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান করেন। একই সঙ্গে তিনি পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রতিটি কক্ষে সিকিউরিটি ক্যামেরা নিশ্চিতের জন্য নির্দেশ দেন। সভায় উপস্থিত ছিলেন— রাজশাহী জেলা প্রশাসক কাশী শহিদুল ইসলাম ও রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরীসহ পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিববৃন্দ। রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. শামীম আরা চৌধুরী জানান, এবার রাজশাহী বোর্ডের অধীনে ৮টি জেলায় মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২০৮টি এবং পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ৪০ হাজার ৮৩০ জন। - [খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশকে ১.১ বিলিয়ন ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক](https://starnews24bd.com/news/10994): স্টার নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব বাজারে সার ও জ্বালানির দামের অস্থিরতা মোকাবিলা, খাদ্য নিরাপত্তা বজায় রাখা এবং দ্রুত পরিস্থিতি সামাল দিতে বাংলাদেশকে ১ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। দু’টি পৃথক প্রকল্পের আওতায় এই অর্থ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। আজ বিশ্বব্যাংকের ঢাকা অফিস থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ডিভিশন ডিরেক্টর জঁ পেসমে বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংকটের কারণে খাদ্য, সার ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি রাজস্ব আয় সংকুচিত হওয়ায় বাংলাদেশের অর্থনীতি চাপে পড়েছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে ক্ষুদ্র কৃষক এবং দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর ওপর। তিনি বলেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংক তাৎক্ষণিক সহায়তা নিয়ে এগিয়ে এসেছে। অনুমোদিত প্রকল্পগুলো ধান উৎপাদনের জন্য সারের সরবরাহ নিশ্চিত করতে, সাধারণ মানুষের কর্মসংস্থান ও জীবিকা সুরক্ষায় সহায়তা করতে এবং জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে। অনুমোদিত তহবিলের মধ্যে ‘ইমার্জেন্সি সাপোর্ট ফর ফুড সিকিউরিটি’ বা খাদ্য নিরাপত্তা জরুরি সহায়তা প্রকল্পের আওতায় মিলবে ৩০ কোটি ডলার। এই অর্থ দিয়ে ২০২৬ সালের জুলাই-অক্টোবরের আমন মৌসুম এবং ২০২৬ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত বোরো মৌসুমের জন্য প্রয়োজনীয় সার আমদানি করা হবে। চাহিদার প্রায় ৮৫ শতাংশের বেশি সার আমদানি করে থাকে বাংলাদেশ। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ৬ লাখ মেট্রিক টন জরুরি সার আমদানি করা সম্ভব হবে, যার অর্ধেকই হবে ইউরিয়া সার। এর ফলে ক্ষুদ্র কৃষকদের অধীনে থাকা প্রায় ১৪ লাখ হেক্টর জমির ধান চাষ নিশ্চিত হবে। প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার এবং বিশ্বব্যাংকের লিড ইকোনমিস্ট সুলেইমান কুলিবালি বলেন, বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা মূলত আমন ও বোরো মৌসুমের ওপর নির্ভরশীল, যা দেশের মোট ধান উৎপাদনের প্রায় ৯০ শতাংশ। এছাড়া, দেশের প্রায় অর্ধেক জনগোষ্ঠী কৃষি খাতের সঙ্গে জড়িত। ফলে সারের সরবরাহে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন শুধু খাদ্য নিরাপত্তাকেই হুমকির মুখে ফেলবে না, বরং দারিদ্র্য বাড়াবে এবং কর্মসংস্থান সংকুচিত করবে। ‘কন্টিনজেন্ট ইমার্জেন্সি রেসপন্স প্রজেক্ট’ বা জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা প্রকল্পের আওতায় ৭১৩ মিলিয়ন ডলার দ্রুত বিতরণ করা হবে। এ অর্থ দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার এবং ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোকে নগদ অর্থ সহায়তা ও জীবিকা নির্বাহের অনুদান দেওয়া হবে, যা সংকটের সময়ে তাদের আয় স্থিতিশীল রাখতে এবং কর্মসংস্থান ধরে রাখতে সাহায্য করবে। এছাড়া খাদ্য, ওষুধ ও চিকিৎসা সরঞ্জাম, জ্বালানি ও পানির মতো জরুরি সেবাগুলো সচল রাখতে এটি অর্থায়ন করবে। এই প্রকল্পের অর্থ ২০২৬ সালের ৩০ জুনের মধ্যে বিতরণ করা হবে। প্রকল্পটির টাস্ক টিম লিডার এবং বিশ্বব্যাংকের লিড ডিজাস্টার রিস্ক ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট লেসলি জিন ইউ কর্ডেরো বলেন, বিশ্বব্যাংকের ‘ক্রাইসিস প্রিপেয়ার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স টুলকিট’-এর মাধ্যমে এই প্রকল্প বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবে তহবিল ব্যবহারের সুযোগ করে দেবে। মূলত চলমান বিভিন্ন প্রকল্পের অব্যবহৃত অর্থ দিয়ে এই নতুন তহবিলের সংস্থান করা হয়েছে, যাতে সংকটের মুহূর্তে সবচেয়ে প্রয়োজনীয় খাতগুলোতে সরাসরি সম্পদ বণ্টন করা যায় এবং মানুষ ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে বড় ধরনের ধাক্কা থেকে রক্ষা করা সম্ভব হয়।   - [প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আর নেই](https://starnews24bd.com/news/10991): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের (সিইআইটিসি) উপদেষ্টা ও সাবেক ম্যানেজিং ট্রাস্টি ও দেশের প্রখ্যাত চক্ষু বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন আর নেই। বার্ধক্যজনিত কারণে শনিবার দুপুর সাড়ে ১২টায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৯০ বছর। তিনি দুই পুত্র ডা. রাজীব হোসেন ও রিয়াজ হোসেন, নাতি-নাতনি ও আত্মীয়-স্বজনসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বাদ এশা চট্টগ্রাম জমিয়তুল ফালাহ ময়দানে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেনের প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হবে। রোববার সকাল ৯টায় চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল প্রাঙ্গণে দ্বিতীয় জানাজা ও মীরসরাইয়ের কাঠাছড়ায় বাদ জোহর তৃতীয় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হবে। মীরসরাইয়ের সমাজসেবক ডা. আহমেদুর রহমান ও ওয়াহিদুন্নেসার একমাত্র সন্তান অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন দেশের চক্ষু চিকিৎসা ব্যবস্থার অন্যতম পথিকৃৎ ছিলেন। ১৯৭৩ সালে বাংলাদেশ জাতীয় অন্ধ কল্যাণ সমিতি প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী ভ্রাম্যমাণ চক্ষু শিবির পরিচালনা করেন। তার উদ্যোগে প্রায় ১০ লাখ মানুষের চোখের অপারেশন ও প্রায় ৮ লাখ শিক্ষার্থীর দৃষ্টিশক্তি পরীক্ষা করা হয়। ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে রবিউল হোসেন ১৩০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক চট্টগ্রাম চক্ষু হাসপাতাল ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার অন্যতম আধুনিক চক্ষু চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিত। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ইনস্টিটিউট অব কমিউনিটি অফথালমোলজি প্রতিষ্ঠায়ও অধ্যাপক রবিউল হোসেন মুখ্য ভূমিকা পালন করেন। এ ছাড়া তার উদ্যোগে চার বছর মেয়াদি ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন অপটোমেট্রি কোর্স চালু হয় এবং বিশ্বমানের ৩৫০ শয্যার ইম্পেরিয়াল হাসপাতাল ও নার্সিং ট্রেনিং সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৫ সালের অক্টোবরে প্রকাশিত হয় ডা. রবিউল হোসেনের আত্মজীবনী ‘প্লেজার অ্যান্ড পেইন’। কর্মজীবনে অধ্যাপক ডা. রবিউল হোসেন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে অসংখ্য সম্মাননা অর্জন করেন। এর মধ্যে রয়েছে ফেডারেল রিপাবলিক অব জার্মানির ‘দ্য অর্ডার অব মেরিট’, ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর প্রিভেনশন অব ব্লাইন্ডনেসের ‘লাইফ লং সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’, এশিয়া প্যাসিফিক একাডেমি অব অফথালমোলজির ‘ডিস্টিংগুইশড সার্ভিস অ্যাওয়ার্ড’ ও স্বর্ণপদক, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড, অনারারি ডক্টরেট ও দ্য ডেইলি স্টার অ্যাওয়ার্ডসহ বহু দেশি-বিদেশি সম্মাননা। চক্ষু চিকিৎসা ও জনস্বাস্থ্য উন্নয়নে তার অসামান্য অবদান দেশের চিকিৎসা অঙ্গনে দীর্ঘদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে।   - [বিদেশ সফরে দেশের মানুষের স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10988): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের মানুষ আমাদের দায়িত্ব দিয়েছে তাদের স্বার্থ দেখার। মালয়েশিয়া ও চীন সফরে আমি দেশের ও দেশের মানুষের স্বার্থ নিয়ে কথা বলেছি এবং সেই স্বার্থ রক্ষার চেষ্টা করেছি। তিনি বলেন, এখানে আমাদের ব্যক্তিগত কোনো বিষয় নেই। এ সফরে যদি ভালো কিছু অর্জিত হয়ে থাকে, তবে সেটি বাংলাদেশের অর্জন। এটি দেশের মানুষের অর্জন। আজ শনিবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় অধিবেশন (বাজেট অধিবেশন)-এর ১৬তম কার্যদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মালয়েশিয়া ও চীন সফরের অভূতপূর্ব সাফল্যের জন্য উত্থাপিত ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাব সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলে সংসদ নেতা এসব কথা বলেন। বেলা ১১টায় শুরু হওয়া সংসদের বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম সভাপতিত্ব করেন। গত ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়া ও চীনে তাঁর প্রথম সরকারি ছয় দিনের সফর সফলভাবে শেষ করেন। জাতীয় সংসদের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর সফল রাষ্ট্রীয় সফরের জন্য তাঁকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ জানানো হয়। জবাবে প্রধানমন্ত্রী সংসদ সদস্যদের আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। তিনি বলেন, ‘যে কারণে সংসদের পক্ষ থেকে আমাকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে, সে জন্য আমি সকল সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দলের অবস্থান থেকে আমরা একটি স্লোগান ব্যবহার করি সেটি হলো, ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট বা বাংলাদেশ প্রথম।’ প্রধানমন্ত্রী সংসদের সব সদস্যকে, বিশেষ করে বিরোধীদলীয় নেতাকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, ‘বিরোধীদলীয় নেতাকেও ধন্যবাদ জানাই। তিনিও দেশের মানুষের পক্ষে কাজ করার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন।’ এর আগে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ধন্যবাদ জ্ঞাপন প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে প্রস্তাবটি সংসদে বিস্তারিত আলোচনার পর কণ্ঠভোটে গৃহীত হয়। প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সফরটিকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেন। আলোচনায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর ২১ থেকে ২৬ জুনের দুই দেশ সফরের কৌশলগত গুরুত্ব তুলে ধরেন। প্রস্তাবটি কণ্ঠভোটে দেওয়ার আগে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বলেন, ‘আলোচনাগুলো স্পষ্টভাবে ইঙ্গিত দেয় যে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে।’ প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানের ২১ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত মালয়েশিয়া ও চীন সফরের ‘অভূতপূর্ব সাফল্যের’ স্বীকৃতি হিসেবে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিক্রমে একটি ধন্যবাদ প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আজ সকালের অধিবেশনের শুরুতে প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম প্রস্তাবটি ভোটে দিলে তা সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। স্পিকার বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক মালয়েশিয়া ও চীন সফর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। এ সফরের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরও সুদৃঢ় হবে। তিনি উল্লেখ করেন, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে বাংলাদেশের উন্নয়নের পক্ষে এই সফর ছিল অত্যন্ত বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। সফরে দেশের নিরাপত্তা প্রশ্নে বিশ্ববাসীরও দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। ১৯৭১ সালে জাতি ত্যাগ ও তিতিক্ষার বিনিময়ে স্বাধীনতা অর্জন করেছে, এরপর বহু কঠিন সময় অতিক্রম করতে হয়েছে। অতীতে এমন সরকারও ছিল যারা স্বাধীনতার সার্বভৌমত্ব রক্ষায় কোনো প্রচেষ্টা গ্রহণ করেনি। স্পিকার বলেন, বর্তমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ফলে দেশবাসী আশান্বিত হয়েছেন এবং সাধারণ মানুষও সফরটি সফলভাবে সম্পন্ন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাচ্ছেন। প্রস্তাব উত্থাপন করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, দীর্ঘ ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলনের নেতৃত্ব দিয়ে গঠিত গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধান হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এ সফর বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মালয়েশিয়া ও চীনের সঙ্গে সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হয়েছে এবং পারস্পরিক মর্যাদা ও স্বার্থের ভিত্তিতে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে। মন্ত্রী জানান, সফরকালে চীনের সঙ্গে ১৭টি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এছাড়া দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বিনিয়োগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ বিভিন্ন বিষয়ে ইতিবাচক অগ্রগতির ভিত্তি তৈরি হয়েছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিদেশ সফরে যাওয়া ও ফিরে আসার সময় জাঁকজমকপূর্ণ সংবর্ধনার প্রচলিত সংস্কৃতি বন্ধ করে রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে ইতিবাচক পরিবর্তনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী আলোচনায় বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এ সফর বাংলাদেশের স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতির মৌলিক নীতিমালা- পারস্পরিক সম্মান, পারস্পরিক স্বার্থ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং কৌশলগত স্বায়ত্তশাসনের বাস্তব প্রতিফলন। তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়ার সঙ্গে শ্রমবাজার, জ্বালানি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ এবং চীনের সঙ্গে অবকাঠামো উন্নয়ন ও বাণিজ্য ভারসাম্য নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা হয়েছে। বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমান প্রস্তাবের প্রতি সমর্থন জানিয়ে বলেন, স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি বাস্তবায়নে বিরোধী দল সরকারের প্রতি পূর্ণ সহযোগিতা করবে। তিনি আরও বলেন, মালয়েশিয়া ও চীন বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। ভবিষ্যতে যেকোনো গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি সংসদে উপস্থাপন করা হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী হবে। শফিকুর রহমান বলেন, দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে পারস্পরিক সম্মান ও সমতার ভিত্তিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক পরিচালনা করতে হবে এবং সংসদকেই রাষ্ট্রের সকল গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে হবে।     - [চবি’তে ‘বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬’ উপলক্ষ্যে গ্র্যাজুয়েট সেমিনার অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/10984): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ‘কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট’ বা রূপান্তরযোগ্য টাকা হিসাব খোলার সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক](https://starnews24bd.com/news/10976): প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য 'কনভার্টিবল টাকা অ্যাকাউন্ট' বা রূপান্তরযোগ্য টাকা হিসাব খোলার সুবিধা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। মূলত রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ার কারণে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কোনো প্রবাসী চাইলে এ হিসাবে জমা করা অর্থ সুদ বা বিনিয়োগের মুনাফাসহ ফেরত নিতে পারবেন। - [রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ : অ্যাটর্নি জেনারেল](https://starnews24bd.com/news/10973): স্টার নিউজ ডেস্ক: অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ। সাতজন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল (ডিএজি) ও ১১ জন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল (এএজি) তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেল এক প্রতিক্রিয়ায় এ কথা বলেন। রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে পরে শুধু দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়নকে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বাসসকে বলেন, রাষ্ট্রের সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করে দলীয় এজেন্ডা বাস্তবায়ন দুঃখজনক। পদত্যাগের কারণ হিসেবে ১৮ আইন কর্মকর্তার উল্লেখ করা বক্তব্য তাদের রাজনৈতিক মতাদর্শের প্রকাশ। তাদের পদত্যাগপত্রের বক্তব্য প্রমাণ করে তারা তাদের পেশাদারিত্বে অবিচল ছিলেন না। অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, আমি মনে করি রাষ্ট্রের এরকম গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠাকে গুরুত্ব দেওয়া দরকার। এর আগে, ৭ জন ডিএজি) ও ১১ জন এএজি আজ তাদের পদত্যাগপত্র জমা দেন। এরা সবাই সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী। পদত্যাগ করা ৭ ডিএজি হলেন : অ্যাডভোকেট ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট শফিকুর রহমান, অ্যাডভোকেট আবদুল করিম, অ্যাডভোকেট ফরিদ উদ্দিন খান, অ্যাডভোকেট গোলাম রহমান ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আসাদ উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম। পদত্যাগ করা ১১ জন এএজি হলেন : অ্যাডভোকেট ইমরুল কায়েছ রানা, অ্যাডভোকেট হুমায়ুন কবির তানিম, অ্যাডভোকেট আবদুল কাইয়ুম ভুঁইয়া, অ্যাডভোকেট আবদুল্লাহিল মারফ ফাহিম, অ্যাডভোকেট জোয়াদুর রহমান, অ্যাডভোকেট শামসিল আরেফিন, অ্যাডভোকেট মাহাবুবা আক্তার রলি, অ্যাডভোকেট নূর নবী উজ্জ্বল, অ্যাডভোকেট আল রেজা আমির, অ্যাডভোকেট রেজাউল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট জাকির হোসেন।   - [বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে : শিক্ষামন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10970): স্টার নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করতে হবে। আজ চট্টগ্রাম কলেজ অডিটোরিয়ামে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা ২০২৬ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড, চট্টগ্রাম অঞ্চলের মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতা কালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি বলেন, আমাদের দেশের শিক্ষাক্ষেত্রে পরিবর্তন আনতেই হবে, যাতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনের সময় অপচয় না হয়। ইতোমধ্যে আমরা ২০২৭ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার রুটিন দিয়ে দিয়েছি। যাতে তারা যথাযথ প্রস্তুতি নিতে পারে। এরপর থেকে আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি প্রক্রিয়াও সমন্বয় করব। শিক্ষাক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তনের কোনো বিকল্প নেই। এজন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪ বছরের কোর্স ৪ বছরের মধ্যেই শেষ করতে। তিনি আরো বলেন, জাতি গঠনে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম। তাই আগামী প্রজন্ম গঠনে শিক্ষকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। শিক্ষকদের মাঝে স্বতঃপ্রনোদনা থাকতে হবে। শিক্ষকদের নিজেদের সম্মান অর্জন করে নিতে হবে। মন্ত্রী বলেন, এখন পরীক্ষায় নকলের ধরন পরিবর্তন হয়েছে। অনেকে ডিজিটাল যন্ত্র ব্যবহার করে নকল করার চেষ্টা করে। তাই এ বিষয়ে কেন্দ্র সচিবদের সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বচ্ছভাবে পরীক্ষা গ্রহণ করতে হবে। তিনি বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা গ্রহণের মাধ্যমে দেশের সকলকে ঐক্যবদ্ধ করা সম্ভব। সারাদেশের মতো পার্বত্য অঞ্চলেও শিক্ষাক্ষেত্রে ব্যাপক কাজ করতে হবে। চট্টগ্রামের মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর আব্দুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। - [গোল্ডেন বুট নিয়ে ভাবছেন না এমবাপ্পে](https://starnews24bd.com/news/10967): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরাকের বিপক্ষে ফ্রান্সের ৩-০ গোলে জয়ের ম্যাচে জোড়া গোল করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এর আগে সেনেগালের বিরুদ্ধে ৩-১ গোলে জয়ী প্রথম ম্যাচেও এমবাপ্পে দুই গোল করেছিলেন। দুই ম্যাচে চার গোল করা এমবাপ্পে বিশ^কাপে গোল্ডেন বুট ট্রফি নিয়ে কিছুই ভাবছেন না বলে মন্তব্য করেছেন। ফরাশি এই ফরোয়ার্ড গতকাল ম্যাচ শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে এই বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন। চার গোল করে তিনি নরওয়েজিয়ান আর্লিং হালান্ডের সাথে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন। প্রথম ম্যাচে হ্যাটট্রিকসহ আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি দুই ম্যাচে করেছেন পাঁচ গোল। এমবাপ্পে বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমি এই বিষয়টা নিয়ে কিছুই ভাবছি না। আমি মনে করি এখন আমাদের দলের প্রতি মনোযোগী হওয়া উচিৎ। টুর্নামেন্টে এগিয়ে যাবার জন্য একটি দল হিসেবে আমাদের পারফর্ম করতে জবে। এর অর্থ হচ্ছে আমাদের নিজেদের শক্তিমত্তার উপর আস্থা রাখতে হবে। আমি বিশ^কাপে সবসময়ই গোল করেছি। সে কারনেই এই বিষয়টি নিয়ে আমি চিন্তিত নই। কিন্তু আমি যা বলতে চাচ্ছি আমাদের সকলের এখন দলকে নিয়ে চিন্তা করতে হবে। কারন আমরা সবাই জানি টুর্নামেন্ট যত এগিয়ে যাবে ততই কঠিন হবে, চ্যালেঞ্জ বাড়বে। বিশ^কাপে শিরোপা জিততে হলে প্রতি ম্যাচে প্রতিপক্ষকে হারাতে হবে। সে কারনেই এই কাজটা অত্যন্ত কঠিন।’ ২০২২ কাতার বিশ^কাপে গোল্ডেন বুট জয় করেছিলেন এমবাপ্পে। চার বছর আগে সাত ম্যাচে তিনি আট গোল করেছিলেন। এর মধ্যে ফাইনালে ছিল হ্যাটট্রিক। ২০১৮ সালে যৌথভাবে শীর্ষ গোলদাতার তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন। ঐ আসরে গোল্ডেন বুট জয় করেছিলেন ইংলিশ অধিনায়ক হ্যারি কেন। গতকালকের ম্যাচে দুই গোল করে এমবাপ্পে তার বিশ^কাপের গোলসংখ্যা ১৬’তে নিয়ে গেছেন। বিশ^কাপের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় কাল মিরোস্লাভ ক্লোসাকে ছাড়িয়ে শীর্ষে উঠেছেন মেসি। তার গোলসংখ্যা এখন ১৮। এমবাপ্পে ক্লোসাকে স্পর্শ করেছেন। এমবাপ্পে আরও বলেন, ‘আমি গতকালকেও বলেছি লিও সবসময়ই গোল পায়। সে গোল করেই চলেছে। লিও যা করছে সেদিকে না তাকালে আমি আরও ভাল করতে পারবো। সে কারনেই সে যা করছে সেদিকে আমি নজড় দেইনা। আমি আমার দলকে সহযোগিতা করার ওপর গুরুত্ব দেই। আমি নিশ্চিত আমি আমার দলের অংশ, আমি সবসময়ই আমার দলের জন্য খেলতে চাই। তবে একটি কথা বলতে চাই এখনও আমাদের আরো অনেকদুর যেতে হবে। যা খুবই কঠিন। বিশ^কাপের শেষ পর্যন্ত যেতে যা যা করতে হবে সেটাই এখন আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি।’   - [‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার: তথ্য প্রতিমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10964): তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেছেন, চলচ্চিত্র বা অভিনয়সহ সাংস্কৃতিক অঙ্গনে মেধাবীদের খুঁজে পেতে শিগগিরই ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম শুরু করবে সরকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (এফডিসি) ও বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) যৌথভাবে এই কাজ করবে। বর্তমান সংস্কৃতিবান্ধব সরকার এফডিসি’র হারানো গৌরব ও স্বর্ণযুগ ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এফডিসি’র আয় বৃদ্ধি ও চলচ্চিত্র শিল্পের সামগ্রিক আধুনিকায়নে সরকার নানামুখী বাস্তবসম্মত ও বৈপ্লবিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আজ বিএফডিসি প্রাঙ্গণে অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের আনুতোষিক ও ছুটি নগদায়নের চেক বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তথ্য প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, এফডিসি’র বিদ্যমান নীতিমালায় পেনশন সুবিধা না থাকায়, দীর্ঘ কর্মজীবন শেষে প্রভিডেন্ট ফান্ড ও গ্রাচুইটির অর্থই কর্মকর্তা-কর্মচারীদের একমাত্র সম্বল। অতীতে এই পাওনা টাকা কিস্তিতে পরিশোধ করা হলেও, বর্তমান সরকার সেই নিয়মে পরিবর্তন এনেছে। অবসরপ্রাপ্তরা যেন এই অর্থ ভালোভাবে কোথাও বিনিয়োগ করে সম্মানের সাথে জীবন নির্বাহ করতে পারেন, সেজন্য এবার পুরো টাকা এককালীন পরিশোধ করা হচ্ছে। ইয়াসের খান চৌধুরী আরও বলেন, বর্তমানে তহবিলে কিছুটা অর্থসংকট থাকলেও, পর্যায়ক্রমে পরবর্তী বছরগুলোতে অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা-কর্মচারীদের পাওনাও দ্রুত পরিশোধ করা হবে। এফডিসি’র আয় বৃদ্ধি ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, দ্রুততম সময়ে ‘বিএফডিসি কমপ্লেক্স’-এর নির্মাণ কাজ শেষ করে এটি চালু করা হবে, যা হবে এফডিসির আয়ের অন্যতম বড় উৎস। এছাড়া প্রশাসনিক ভবনের পেছনের খালি জায়গায় একটি আধুনিক ‘মিনি মার্কেট’ নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, গাজীপুরের কবিরপুরে অবস্থিত ‘বাংলাদেশ ফিল্ম সিটি’র দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজও খুব শীঘ্রই শুরু হচ্ছে, যা দেশের চলচ্চিত্র শিল্পের ইতিহাসে এক বিশাল মাইলফলক হয়ে থাকবে। এর পাশাপাশি এফডিসি’র সকল ভূসম্পত্তির সর্বোত্তম বাণিজ্যিক ব্যবহারের মাধ্যমে একে পুনরায় একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের জোর প্রচেষ্টা চলছে। চলচ্চিত্র শিল্পের আধুনিকায়নে সরকারের বৈপ্লবিক উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, প্রযোজকদের লগ্নি করা টাকার স্বচ্ছতা ও স্বার্থ রক্ষায় অচিরেই ‘ই-টিকেটিং এবং সেন্ট্রাল সার্ভার’ স্থাপন করা হবে। এফডিসিতে বিশ্বমানের চলচ্চিত্র নির্মাণযন্ত্রাদি নিশ্চিতকরণ ও পোস্ট-প্রোডাকশন স্টুডিওগুলোকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে সাজানো হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি । একই সাথে গ্রাহকদের হয়রানিমুক্ত ও দ্রুততম সময়ে সেবা নিশ্চিত করতে অনতিবিলম্বে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ ‘বিজনেস অটোমেশন ব্যবস্থা’ চালু করা হবে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী। চলচ্চিত্রের নতুন প্রতিভা অন্বেষণ প্রসঙ্গে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, তৃণমূলের প্রতিভাবান অভিনেতা-অভিনেত্রী ও দক্ষ কলাকুশলীদের মূল ধারার চলচ্চিত্রে তুলে আনার লক্ষ্যে সরকার ‘প্রতিভার সন্ধানে’ কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে । প্রতিমন্ত্রী এ সময় দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, এই সব বাস্তবমুখী উদ্যোগ বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিএফডিসি তার হারানো জৌলুস ফিরে পাবে এবং এই প্রাঙ্গণ থেকেই আবারও কালজয়ী ও বিশ্বজয়ী সব চলচ্চিত্র নির্মিত হবে । এফডিসি’র ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা রহমান তানি স্বাগত বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘদিনের জমে থাকা মানুষের পাওনা আমরা ধারাবহিকভাবে পরিশোধ করছি। আগে মানুষ টাকা পেত ধাপে ধাপে। এখন আমরা একসাথে টাকা দেয়ার ব্যবস্থা করেছি। তিনি আরও বলেন, আর মাত্র ৪৯ জন মানুষের পাওনা পরিশোধ করতে পারলেই মানুষের দীর্ঘদিনে যন্ত্রণা লাঘব হবে। মাসুমা রহমান তানির সভাপতিত্বে এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন— তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রচার) মো. শাহ আলম, অবসরে যাওয়া কর্মকর্তা সালাহ উদ্দিন আহমেদ, এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাধারণ সম্পদাক জিএম সাঈদ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক অভিনেতা হেলাল খান, গায়ক সাজ্জাদ হোসেন পলাশ, জাসাস কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক থালেদ এনাম মুন্না ও চিত্র পরিচালক মো. শাহীন প্রমুখ। - [জুলাই যোদ্ধাদের যেকোনো ধরনের আইনি সুরক্ষা দিতে সরকার প্রস্তুত : আইনমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10961): তার এমন বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আইনমন্ত্রী সংসদে এ ব্যাখ্যা দেন। - [অনলাইন জুয়া নিয়ন্ত্রণে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল-২০২৬’ সংসদে উত্থাপন](https://starnews24bd.com/news/10958): স্টার নিউজ ডেস্ক: অনলাইন জুয়া, ডিজিটাল বেটিং প্ল্যাটফর্ম এবং ম্যাচ ফিক্সিংয়ের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে ‘জুয়া প্রতিরোধ বিল, ২০২৬’ আজ জাতীয় সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। বিলটিতে জুয়া-সংক্রান্ত বিভিন্ন অপরাধের জন্য কারাদ- ও আর্থিক জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। সভাপতিমণ্ডলির সদস্য জয়নুল আবেদীনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত অধিবেশনে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বিলটি সংসদে উত্থাপন করেন। বিলটি উত্থাপনকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রযুক্তিনির্ভর জুয়া কার্যক্রমের দ্রুত বিস্তার মোকাবিলায় নতুন আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে। বর্তমানে স্মার্টফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং অনলাইন পেমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমে জুয়া কার্যক্রম পরিচালিত হওয়ায় প্রচলিত আইন দিয়ে এসব নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, ঔপনিবেশিক আমলের ‘পাবলিক গ্যাম্বলিং অ্যাক্ট, ১৮৬৭’ আধুনিক বাস্তবতায় আর কার্যকর নয়। তাই বিদ্যমান আইনকে যুগোপযোগী ও আধুনিক করার লক্ষ্যে নতুন বিলটি প্রণয়ন করা হয়েছে। প্রস্তাবিত আইনে ডিজিটাল জুয়া প্ল্যাটফর্ম, অনলাইন ও দূরবর্তী জুয়া, বেটিং ও ওয়েজারিং, ডিজিটাল সম্পদ ও ওয়ালেট, টোটালাইজেটর, পেশাদার বুকমেকার, ম্যাচ ফিক্সিং এবং স্পট ফিক্সিংয়ের মতো নতুন ধারণাগুলোর আইনি সংজ্ঞা অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। সরকারের মতে, প্রযুক্তিগত অগ্রগতির ফলে জুয়ার ধরন ও পরিসর ব্যাপকভাবে পরিবর্তিত হয়েছে, যা জনশৃঙ্খলা, সামাজিক স্থিতিশীলতা, মানসিক স্বাস্থ্য এবং আর্থিক নিরাপত্তার জন্য নতুন ঝুঁকি সৃষ্টি করেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও সাইবার অপরাধ তদন্তকারীরা দীর্ঘদিন ধরে বিদেশভিত্তিক ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন মেসেজিং অ্যাপের মাধ্যমে পরিচালিত অনলাইন বেটিং নেটওয়ার্কের বিস্তার নিয়ে সতর্ক করে আসছেন। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আন্তর্জাতিক জুয়া প্ল্যাটফর্মে স্থানীয় ব্যবহারকারী যুক্ত করার অভিযোগে বিভিন্ন অবৈধ বেটিং চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করেছে কর্তৃপক্ষ। তদন্তে মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস ও ডিজিটাল পেমেন্ট চ্যানেল ব্যবহারের তথ্যও পাওয়া গেছে। সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মতে, অধিকাংশ অনলাইন জুয়া অপারেটর সীমান্ত পেরিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করে, ফলে বিদ্যমান আইনি কাঠামোর আওতায় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এ প্রেক্ষাপটে প্রস্তাবিত আইনে শুধু জুয়া খেলা নয়, বরং অবৈধ জুয়া আয়োজন, পরিচালনা, প্রচার, সহায়তা প্রদান কিংবা প্রযুক্তিগত সহযোগিতাকেও শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, ফুটবল লিগ ও ই-স্পোর্টস প্রতিযোগিতাকে কেন্দ্র করে তরুণদের মধ্যে অনলাইন বেটিংয়ের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত জুয়া আর্থিক সংকট, পারিবারিক বিরোধ, উদ্বেগ ও অন্যান্য মানসিক সমস্যার কারণ হতে পারে। অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ব্যক্তিগতভাবে জুয়া খেলার কারণে আসক্তি শনাক্ত করাও কঠিন হয়ে পড়ে। খসড়া আইনে ম্যাচ ফিক্সিং ও স্পট ফিক্সিংকে পৃথকভাবে সংজ্ঞায়িত করে অপরাধ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, অবৈধ বেটিং বাজার প্রতিযোগিতার ফলাফল প্রভাবিত করার সুযোগ তৈরি করে এবং খেলাধুলার প্রতি জনআস্থা ক্ষুণ্ন করে। খসড়া অনুযায়ী, অপরাধের ধরন ও মাত্রা অনুযায়ী দোষীদের জরিমানা, কারাদ- অথবা উভয় দ-ে দ-িত করা যাবে। আইন প্রণয়নের পর্যালোচনা প্রক্রিয়ায় শাস্তির বিস্তারিত কাঠামো চূড়ান্ত করা হবে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী বলেন, 'অনলাইন জুয়া এখন আর কেবল সামাজিক সমস্যা নয়, এটি সাইবার নিরাপত্তা ও আর্থিক অপরাধেরও বড় উদ্বেগের বিষয়। অনেক প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীদের সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহ করে এবং অর্থপাচারের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারে। তাই আইনের কার্যকর বাস্তবায়ন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।' বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু আইন প্রণয়ন যথেষ্ট নয়। অনলাইন জুয়া নেটওয়ার্ক মোকাবিলায় আর্থিক নিয়ন্ত্রক সংস্থা, টেলিযোগাযোগ কর্তৃপক্ষ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। অবৈধ জুয়া ওয়েবসাইট বন্ধ করা, সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেন পর্যবেক্ষণ, ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা গড়ে তোলার মতো পদক্ষেপও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন। বিলটি আইনে পরিণত হলে এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর বাংলাদেশের জুয়া-সংক্রান্ত আইনি কাঠামোয় বড় ধরনের সংস্কার ঘটবে, যা ক্রমবর্ধমান ডিজিটাল জুয়া ব্যবস্থার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় সরকারের প্রচেষ্টার প্রতিফলন হবে। বিলটি উত্থাপনের পর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য প্রেরণ এবং আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে সংসদে প্রতিবেদন দাখিলের প্রস্তাব করেন। পরে সর্বসম্মতিক্রমে তা গৃহীত হয়। - [প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্ট ও সিইও’র সাক্ষাৎ](https://starnews24bd.com/news/10955): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) প্রেসিডেন্ট ও সিইও আলোইস জভিংগি। মঙ্গলবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টায় চীনের দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাৎকালে আলোইস জভিংগি সরকারপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের ঝুঁকিতে থাকা বাংলাদেশের মতো অন্যান্য ডেল্টা রাষ্ট্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির ঝুঁকিতে থাকা দেশগুলোর সহযোগিতায় ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামকে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ আগামী পাঁচ বছরে ২৫০ মিলিয়ন বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। পাশাপাশি প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার নদী ও খাল পুনঃখননের মাধ্যমে পানির প্রবাহ পুনরুদ্ধার, বন্যার ঝুঁকি হ্রাস এবং পরিবেশ সুরক্ষায় বাংলাদেশের উদ্যোগের কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে উৎসাহ প্রদানের অংশ হিসেবে বাংলাদেশ সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনে কর-সুবিধা প্রদান করেছে এবং ২০৩০ সালের মধ্যে মোট বিদ্যুৎ চাহিদার ২০ শতাংশ নবায়নযোগ্য উৎস থেকে উৎপাদনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। আলোইস জভিংগি জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অভিজ্ঞতা ও উদ্যোগকে বৈশ্বিক পরিসরে কাজে লাগানোর বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন। আলোইস জভিংগি বলেন, বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন উদ্যোগ আন্তর্জাতিক অর্থায়নকারী প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ তৈরি করবে। তিনি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপিত বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনার আশ্বাস দিয়ে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। আলোইস জভিংগি প্রধানমন্ত্রীকে সুইজারল্যান্ডের দাভোসে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। এ সময় পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন উপস্থিত ছিলেন। - [বিশ্বায়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং আঞ্চলিক সংগঠন: প্রসঙ্গ সীতাকুণ্ড সমিতি](https://starnews24bd.com/news/10946): আ ফ ম বোরহান - [হাইতিকে বিদায় করে ব্রাজিলের প্রথম জয়](https://starnews24bd.com/news/10942): স্টার নিউজ ডেস্ক: ম্যাথেউস কুনহার জোড়া গোলে হাইতিকে ৩-০ ব্যবধানে হারিয়ে ব্রাজিল তাদের বিশ্বকাপ অভিযানকে নতুন গতি দিয়েছে। একইসাথে শেষ ৩২’পর্বে ওঠার পথে অনেকটাই এগিয়ে গেছে। মরক্কোর বিপক্ষে উদ্বোধনী ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করার পর ব্রাজিলের পারফরম্যান্স ব্যাপক সমালোচিত হয়েছিল। তবে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা হাইতির বিপক্ষে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে। এই পরাজয়ে ফলে ২০২৬ বিশ্বকাপ থেকে প্রথম দল হিসেবে বিদায় নিল হাইতি। ফিলাডেলফিয়ায় প্রথমার্ধের মাঝামাঝি সময়ে কুনহা গোলে ব্রাজিল এগিয়ে যায়। পরে তিনি আরও একটি গোল করেন। বিরতির আগেই ভিনিসিয়াস জুনিয়র তৃতীয় গোল যোগ করে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ২৪ জুন মিয়ামিতে গ্রুপ ‘সি’-এর শেষ ম্যাচে ব্রাজিলের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। অন্যদিকে ১৯৭৪ সালের পর প্রথমবার বিশ্বকাপে খেলা হাইতির অভিযান শেষ হবে আটলান্টায় মরক্কোর বিপক্ষে ম্যাচের মাধ্যমে। বর্তমানে গোল ব্যবধানে মরক্কোর চেয়ে এগিয়ে টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ব্রাজিল। গ্রুপের শীর্ষস্থান ধরে রাখতে পারলে পরবর্তী রাউন্ডে তাদের মুখোমুখি হতে পারে গ্রুপ ‘এফ’-এর রানার্স-আপ দল হিসেবে নেদারল্যান্ডস, জাপান অথবা সুইডেন। পেশীর চোট থেকে সেরে ওঠার প্রক্রিয়ায় থাকায় নেইমার দলের সঙ্গে সফরে যাননি। এ নিয়ে ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভা মজা করে বলেন, নেইমার “দূর থেকে কাজ করছেন”। মরক্কোর বিপক্ষে হতাশাজনক পারফরম্যান্সের পর প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী কোচ কার্লো আনচেলত্তি দলে পরিবর্তন আনেন। ইগর থিয়াগোর পরিবর্তে কুনহকে আক্রমণভাগে সুযোগ দেন এবং রাইট-ব্যাকে রজার ইবানিয়েজের বদলে দানিলোকে খেলান। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার কারণে হাইতি থেকে সমর্থকেরা আসতে না পারলেও যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বিপুল সংখ্যক হাইতিয়ান অভিবাসী দর্শক গ্যালারির প্রায় অর্ধেক অংশ পূর্ণ করেন এবং নিজেদের দলকে জোরালো সমর্থন দেন। গত সপ্তাহে স্কটল্যান্ডের কাছে ১-০ গোলে হেরে পয়েন্ট না পাওয়ায় হতাশ হাইতির কোচ সেবাস্তিয়ান মিগনে তার খেলোয়াড়দের বিশ্বকাপে ব্রাজিলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ উপভোগ করতে উৎসাহিত করেছিলেন। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে দুই দলের মধ্যে ব্যবধান ৭৭ ধাপ। শুরু থেকেই ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় ব্রাজিল। রাফিনিয়া বল জালে পাঠালেও অফসাইডের কারণে গোল বাতিল হয়। তবে সেটিই ছিল ব্রাজিলের এগিয়ে যাবার ইঙ্গিত। ২৩তম মিনিটে ব্রাজিল এগিয়ে যায়। মাঝমাঠে বল কেড়ে নিয়ে আক্রমণের সূচনা করেন কুনহা। ভিনিসিয়াসের শট গোলরক্ষক প্রতিহত করার পর হাইতির ডিফেন্ডার হ্যানেস ডেলক্রোয়ারের ক্লিয়ারেন্স কুনহার গায়ে লেগে জালে প্রবেশ করে। এরপর আবারও ভিনিসিয়াস ও কুনহার সমন্বয়ে আসে দ্বিতীয় গোল। ভিনিসিয়াসের চমৎকার এ্যাসিস্টে হাইতির রক্ষণভাগ ভেঙে বাম পায়ের শক্তিশালী শটে গোল করেন কুনহা। ম্যাচের মধ্যে চোট পেয়ে মাঠ ছাড়েন রাফিনিয়া। তবে বিরতির আগে ব্রাজিল আরও একটি গোল করে। লুকাস পাকেতার উঁচু পাস ধরে ভিনিসিয়াস এগিয়ে যান এবং গোলরক্ষক জনি প্লাসিদের দুই পায়ের মাঝ দিয়ে বল জালে পাঠান। দ্বিতীয়ার্ধে হাইতি ৫২ বছরের মধ্যে তাদের প্রথম বিশ্বকাপ গোলের খুব কাছে পৌঁছে যায়। কর্নার থেকে রিকার্দো আদের হেড গোলরক্ষক আলিসন বেকার অসাধারণ দক্ষতায় ঠেকিয়ে দেন। তবে এটিই ছিল হাইতির পুরো ম্যাচে কয়েকটি ভাল মুহূর্তের একটি। আনচেলত্তি বেঞ্চ থেকে ১৯ বছর বয়সী এন্দ্রিককে মাঠে নামালে ব্রাজিল সমর্থকদের উচ্ছ্বাসে স্টেডিয়াম মুখর হয়ে ওঠে। বদলি খেলোয়াড় গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেল্লির শট ক্রসবাওে না লাগলে ব্যবধান বাড়তে পারতো। এন্দ্রিকের গোল অফসাইডের কারনে বাতিল হয়। তবুও হাইতি শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যায়। ম্যাচের শেষ দিকে এ্যালিসন আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ সেভ করে ব্রাজিলের ব্যবধান ধরে রাখেন। এর ফলে টানা সাত ম্যাচ পর প্রথমবারের মতো ক্লিন শিট অর্জন করে ব্রাজিল। বিশ্বকাপের হতাশাজনক সূচনাকে পেছনে ফেলে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে সামনে এগিয়ে যাবার ইঙ্গিত দিয়েছে। - [ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি](https://starnews24bd.com/news/10939): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইসরাইল ও হিজবুল্লাহ শুক্রবার যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। লেবাননে দুই পক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের পর, এই যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে। এদিকে মাত্র দুই দিন আগে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তিকে কেন্দ্র করে গঠিত শান্তি প্রক্রিয়ায় আবারও চাপ সৃষ্টি হয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। লেবাননের কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইসরাইলি বিমান হামলায় ৪৭ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে ইসরাইল জানিয়েছে, তাদের চার সেনা নিহত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চুক্তির পর এটিই এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বড় যৌথ প্রাণহানির ঘটনা। শান্তি চুক্তিটিকে আরও এগিয়ে নিতে এবং এর একটি স্থায়ী সমাধানের লক্ষ্যে সুইজারল্যান্ডে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নির্ধারিত আলোচনা স্থগিত করা হয়েছে। বৈঠকের নতুন কোনো তারিখ ঘোষণা করা হয়নি। তবে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও লেবাননের প্রেসিডেন্ট জোসেফ আউন টেলিফোনে কথা বলেছেন। লেবাননের প্রেসিডেন্ট দপ্তর জানায়, আউন যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তার জন্য রুবিওকে ধন্যবাদ জানান ও জোর দিয়ে বলেন, ‘লেবাননের ভূখণ্ডে ইসরাইলি হামলা বন্ধ করতে হবে এবং একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধবিরতি নিশ্চিত করতে হবে।’ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের বরাতে জানানো হয়, এ সময় রুবিও লেবাননের হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র করার প্রচেষ্টাকে গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন। এক মুখপাত্র বলেন, তারা পরবর্তী দফার আলোচনার বিষয় নিয়ে কথা বলেছেন। বৈঠকটি ২৩ থেকে ২৫ জুন ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে দুইটি সার্বভৌম সরকার দীর্ঘস্থায়ী শান্তির দিকে অগ্রগতি অর্জনের চেষ্টা করবে। তিনি আরও বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও আবারও জোর দিয়ে বলেছেন যে হিজবুল্লাহকে নিরস্ত্র ও পুরো লেবাননের ভূখণ্ডে সরকারের পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরাইলের রাষ্ট্রদূত ইয়েচিয়েল লাইটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক পোস্টে জোর দিয়ে বলেছেন যে, ইসরাইল লেবাননে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির পক্ষে। তবে এর জন্য হিজবুল্লাহকে চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হামলা বন্ধ করতে হবে। এই সপ্তাহে স্বাক্ষরিত যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের মধ্যে হয়। এই চুক্তির লক্ষ্য ছিল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া যুদ্ধের অবসান ঘটানো। যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইল হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যা করা হয়। এই চুক্তির আরেকটি উদ্দেশ্য ছিল লেবাননের যুদ্ধ বন্ধ করা। ইরান সব সময় জোর দিয়ে বলে এসেছে যে এই সংঘাতকে যে কোনো চুক্তির আওতাভুক্ত করতে হবে। সেখানে ইসরাইলের চলমান অভিযান ওয়াশিংটনের জন্য জটিল ও অস্বস্তিকর হয়ে উঠেছে। ইসরাইলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শুক্রবার তারা লেবাননে হিজবুল্লাহর ৮০টিরও বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ও সংগঠনটির বহু সদস্যকে হত্যা করেছে। - [পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে বদলে যাবে ২৪ জেলার দৃশ্যপট, কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা](https://starnews24bd.com/news/10936): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের দীর্ঘদিনের উন্নয়নের স্বপ্নযাত্রায় এবার যোগ হয়েছে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে বদলে যাবে ২৪টি জেলার দৃশ্যপট। নদী ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রায় আসবে বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ বিষয়ে পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বাসসকে বলেন, পদ্মা ব্যারাজ শুধু নদীকেন্দ্রিক প্রকল্প নয়, এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কোটি মানুষের জীবন-জীবিকার সঙ্গে জড়িত। দীর্ঘদিনের নাব্যতা সংকট ও সীমিত ব্যবস্থাপনার কারণে এর পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগানো যায়নি। তিনি বলেন, প্রকল্পটি বাস্তবায়নের মাধ্যমে নদী ব্যবস্থাপনা, পানি সংরক্ষণ, সেচ সুবিধা সম্প্রসারণ, নদীভাঙন রোধ এবং বন্যা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পরিবর্তন আসবে। প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে ২৪টি জেলার ১৬১টি উপজেলার পাঁচ কোটি মানুষের কৃষি উৎপাদন বাড়বে, কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে এবং আঞ্চলিক অর্থনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে। এর সুফল সরাসরি ও পরোক্ষভাবে পৌঁছাবে সারাদেশের মানুষের কাছে। নদীভাঙন, শুষ্ক মৌসুমে সেচ সংকট ও আঞ্চলিক বৈষম্যের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নতুন আশার নাম হয়ে উঠছে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পটির পূর্ণাঙ্গ উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ বাস্তবায়িত হলে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতি, কৃষি উৎপাদন, কর্মসংস্থান, পরিবেশ ও মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে। কৃষিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে প্রায় ২ লাখ হেক্টরের বেশি এক ফসলি জমি দুই ফসলি জমিতে এবং ১ লাখ হেক্টরের বেশি জমি তিন ফসলি জমিতে রূপান্তরিত হতে পারে। সাগরের লবণাক্ত পানি বদলে কৃষকের কাছে পৌঁছবে মিঠা পানি, যা কৃষি জমির উর্বরতা বৃদ্ধির পাশাপাশি খাদ্য উৎপাদনে বিরাট বিপ্লব এনে দেবে। এতে বছরে অতিরিক্ত কয়েক মিলিয়ন টন খাদ্যশস্য উৎপাদনের সুযোগ সৃষ্টি হবে। বর্তমানে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে বোরো ধানের গড় উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ৪.৫ থেকে ৫ টন। নিরবচ্ছিন্ন সেচ এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে এটি ৬ থেকে ৭ টন পর্যন্ত উন্নীত করা সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি গবেষকরা। একইভাবে গমের উৎপাদন প্রতি হেক্টরে ৩.৫ টন থেকে ৪.৫ টন, ভুট্টার উৎপাদন ৮ টন থেকে ১০-১২ টন এবং আলুর উৎপাদন ২৫ টন থেকে ৩০-৩৫ টন পর্যন্ত বাড়তে পারে। পদ্মা পাড়ের জেলা রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের সংসদ সদস্য ও সরকারের সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম বাসসকে বলেন, পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নে বুক বেঁধে আছে পদ্মা পাড়ের জনগণ। তারা এই প্রকল্পের সুফল পেতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কাছে রাজবাড়ীসহ দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২৪ জেলার জনগণ বিশেষভাবে কৃতজ্ঞ। কারণ প্রধানমন্ত্রীর আন্তরিকতা ছাড়া এ প্রকল্প কখনোই হয়তো পাস হত না। ইতোমধ্যে এ প্রকল্প একনেকে পাস হয়েছে। এজন্য তিনিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশের নদী ব্যবস্থাপনা ও কৃষি উৎপাদনে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প এখন আর কোনো স্বপ্ন নয়, দৃশ্যমান বাস্তবতা। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের নদীভাঙন ও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে বলে মনে করছেন পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞরা। দীর্ঘদিন ধরে পদ্মা পাড়ের জেলাগুলোতে নদীভাঙন, আকস্মিক বন্যা এবং নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে হাজার হাজার পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। প্রকল্পের আওতায় নদী ব্যবস্থাপনার আধুনিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে এ ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পানিসংকট দূর করতে এবং মৃতপ্রায় নদীগুলোকে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকার প্রায় ৩৪ হাজার ৪৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছে। সম্পূর্ণ নিজস্ব অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই মেগা প্রকল্পের কাজ ২০৩৩ সালের জুনের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষের জীবিকা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে উপকৃত হবে। কৃষকের আয় গড়ে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য পরিবহন, সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন খাতে নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, পদ্মা নদীর বাংলাদেশ অংশের দৈর্ঘ্য প্রায় ৩৪১ কিলোমিটার। এর মধ্যে প্রতিবছর বিভিন্ন স্থানে নদীভাঙনের কারণে কয়েকশ হেক্টর কৃষিজমি নদীগর্ভে বিলীন হয়। গত দুই দশকে পদ্মা নদী বিধৌত বিভিন্ন এলাকায় আনুমানিক ৮ থেকে ১০ হাজার হেক্টরের বেশি কৃষিজমি নদীভাঙনের কবলে পড়েছে। পদ্মা নদীর তীরবর্তী জেলাগুলোতে প্রতিবছর গড়ে ১০ থেকে ১৫ হাজার পরিবার প্রত্যক্ষভাবে নদীভাঙনের ঝুঁকির মুখে পড়ে। অনেক ক্ষেত্রে বসতভিটা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, গ্রামীণ সড়ক এবং ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। এতে স্থানীয় অর্থনীতিতে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রকল্পের আওতায় নদীর নাব্যতা রক্ষায় নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম, তীর সংরক্ষণ বাঁধ নির্মাণ এবং নদীর প্রবাহ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে নদীভাঙনের হার ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমিয়ে আনা সম্ভব হতে পারে। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে জিওব্যাগ, কংক্রিট ব্লক ও স্থায়ী প্রতিরক্ষা অবকাঠামো নির্মাণের মাধ্যমে হাজার হাজার হেক্টর কৃষিজমি সুরক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হবে। পানি সম্পদ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন পরিকল্পনায় অতিরিক্ত পানি সংরক্ষণ, নিয়ন্ত্রিত পানি প্রবাহ এবং দ্রুত নিষ্কাশনের ব্যবস্থা রাখা হলে বন্যার তীব্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব হবে। বিশেষ করে নদীর পানিধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পেলে আকস্মিক বন্যার ঝুঁকি ২০ থেকে ৩০ শতাংশ পর্যন্ত হ্রাস পেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া নদী ব্যবস্থাপনার উন্নয়নের মাধ্যমে প্রায় ২০ থেকে ২৫ লাখ মানুষকে বন্যা ও নদীভাঙনের ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেওয়া সম্ভব হতে পারে। একই সঙ্গে হাজার হাজার কোটি টাকার কৃষি উৎপাদন, সড়ক, সেতু, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বসতভিটা রক্ষা পাবে। পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্প বাস্তবায়িত হলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান ও গ্রামীণ অর্থনীতিতেও ব্যাপক ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদ ও উন্নয়ন বিশ্লেষকরা। তাদের মতে, এ মেগা প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প, পরিবহন, বিপণন এবং সেবা খাত মিলিয়ে লাখ লাখ নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেচব্যবস্থা সম্প্রসারণের ফলে কৃষিযন্ত্র, বীজ, সার, কীটনাশক, কৃষিপণ্য পরিবহন ও বিপণন খাতেও নতুন বিনিয়োগ বাড়বে। কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় গুদামজাতকরণ, হিমাগার এবং খাদ্য প্রক্রিয়াজাত শিল্পের চাহিদাও বাড়বে। ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ১ হাজারের বেশি ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) এবং অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের তথ্য অনুযায়ী, কৃষিভিত্তিক শিল্পে প্রতি ১ কোটি টাকা বিনিয়োগে গড়ে ২০ থেকে ৩০ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। সেই হিসেবে প্রকল্প-সংশ্লিষ্ট এলাকায় বিনিয়োগের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদে এক থেকে দুই লাখ অতিরিক্ত কর্মসংস্থান তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় স্থানীয় বাজারে অর্থের প্রবাহও বাড়বে। প্রকল্প এলাকার প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে অর্থনৈতিক সুবিধা পেতে পারে। পাশাপাশি কৃষকের আয় গড়ে ২৫ থেকে ৪০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন গতি সঞ্চার হবে এবং দারিদ্র্য হ্রাসে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। - [মাতারবাড়ী হতে যাচ্ছে মুক্ত বাণিজ্যিক অঞ্চল](https://starnews24bd.com/news/10931): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চবিতে হচ্ছে গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম](https://starnews24bd.com/news/10925): ঐ - [উম্মী’ (الْأُمِّيِّ): আখেরি নবীর অন্যতম মু’জিজা](https://starnews24bd.com/news/10920): উম্মী' (الْأُمِّيِّ) আরবি শব্দ, যার আভিধানিক অর্থ 'মা' থেকে জন্ম নেওয়া প্রাকৃতিক অবস্থাপন্ন বা নিরক্ষর। কেউ কেউ ইমাম (امام) শব্দ থেকে উম্মী শব্দের উৎপত্তি বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন। ইসলামিক পরিভাষায় এটি আখেরি নবী মুহাম্মদুর রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে নির্দেশ করে, যিনি পার্থিব কোনো মানুষের কাছে শিক্ষা গ্রহণের অমুখাপেক্ষী ছিলেন। কোনো পার্থিব শিক্ষকের সাহায্য ছাড়া সম্পূর্ণ মানবজাতির শিক্ষক হয়ে পথনির্দেশ প্রদান করা ছিল তাঁর মু'জিজা (অলোকিক ঘটনা)। আমরা যারা সাধারন মানুষ তাদের জন্য বিদ্যা অর্জন করতে হলে মাধ্যমের স্মরনাপন্ন হওয়া ছাড়া গতি নেই। অক্ষরজ্ঞানের মাধ্যম ব্যতীরেকে জ্ঞান অর্জনের বিষয়টি আমাদের কল্পনারও অতীত এক অসম্ভব বিষয়। অথচ আমাদের প্রাণপ্রিয় নবীজীকে(সঃ) আল্লাহতালা বিশেষ নেয়ামত প্রদান হিসেবে অক্ষর জ্ঞানের অমুখাপেক্ষী রূপে সৃষ্টি করেছেন। এটি খাতামুননাবিয়্যিন, সাহেবে শরাহ, রাহমাতাল্লিল আলামিন রসুলে পাক হযরত মোহাম্মদ মোস্তফা আহম্মদ মুজতবা (সঃ) এর একটি অন্যতম শ্রেষ্ঠ মর্যাদা। উম্মী শব্দের অর্থ মূর্খ নয় বরং এর আসল অর্থ হলো যিনি অক্ষরজ্ঞানের অমুখাপেক্ষী। - [সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা](https://starnews24bd.com/news/10915): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [চট্টগ্রামে হ্যাকার ইকবাল সহ গ্রেফতার দুইজন](https://starnews24bd.com/news/10910): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের ক্যাম্প, ফাঁড়ি ও তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জদের সাথে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/10905): সরকার নিউজ ডেস্ক : - [ডা. গোলাম মূর্তাজা হারুন চিকিৎসকদের আদর্শ হয়ে থাকবেন : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন](https://starnews24bd.com/news/10900): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, ডা. গোলাম মূর্তাজা হারুন শুধু একজন চিকিৎসক ছিলেন না, তিনি ছিলেন চট্টগ্রামের অন্যতম একজন অভিভাবক। কারণ চট্টগ্রামের অনেক ক্রান্তিকালে তিনি সবার আগে এগিয়ে এসেছেন। বিএমএ ও ড্যাবের শীর্ষ নেতৃত্বে থেকে তিনি চট্টগ্রামের চিকিৎসা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং চিকিৎসকদের মর্যাদা রক্ষায় আজীবন কাজ করে গেছেন। শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরীর মাধ্যমে চট্টগ্রামে আধুনিক চিকিৎসাসেবা ও ডায়াগনস্টিক সুবিধাকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে তার অবদান চিরস্মরণীয়। তিনি রবিবার (৩১ মে) বাদে আসর কাতালগঞ্জ কাতালশাহ (রঃ) জামে মসজিদে বিএমএ চট্টগ্রাম শাখা ও ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাবেক সভাপতি এবং শেভরণ ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরীর সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. এ এ গোলাম মূর্তাজা হারুনের ৫ম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত এক স্মরণসভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। চট্টগ্রামে চিকিৎসকদের কাছে বিপদের বন্ধু নামে পরিচিত ছিলেন ডা. গোলাম মর্তুজা হারুন। যেকোন সংকটে সবার আগে তিনিই এগিয়ে এসেছেন। শুধু চিকিৎসকেরাই নয়, সাধারণ মানুষও আজ তার অবদানের কথা স্বীকার করতে বাধ্য। কারণ তার হাত ধরেই চট্টগ্রামে চিকিৎসা ল্যাবরেটরি আজ এতোটা উন্নত। তিনি ১৯৮৪ সালে চট্টগ্রামে প্রথম আন্তর্জাতিক মানের রোগ নিরুপণী কেন্দ্র শেভরন ক্লিনিক্যাল ল্যাবরেটরী প্রতিষ্ঠা করেন। ডা. শাহাদাত বলেন, মানুষের বিপদে যে মানুষটি সবার আগে এগিয়ে আসতেন তিনি হলেন ডা. গোলাম মর্তুজা হারুন। তিনি ছিলেন একজন মহৎ মানুষ। তার বিরুদ্ধে কেউ কোনদিন অভিযোগ করেননি। তার ভাল গুণগুলোকে যদি আমরা আমাদের জীবনে কাজে লাগাতে পারি তাহলে ডা. গোলাম মর্তুজা হারুনের আত্মা পাবে শান্তি। তিনি বলেন, জনকল্যাণমুখী ও সেবামূলক কাজে ডা. গোলাম মূর্তাজা হারুনের যে নিষ্ঠা ছিল, তা বর্তমান প্রজন্মের চিকিৎসকদের জন্য একটি বড় আদর্শ। তিনি আমাদের মাঝে বেঁচে না থাকলেও তার কর্ম ও আদর্শ চট্টগ্রামের চিকিৎসা অঙ্গনে আজীবন অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। চিকিৎসকদের আদর্শ হয়ে থাকবেন ডা. গোলাম মূর্তাজা হারুন। অনুষ্ঠানে মরহুমের আত্মার মাগফিরাত এবং দেশের কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করা হয়। মোনাজাত শেষে উপস্থিত নেতৃবৃন্দ মসজিদ সংলগ্ন কবরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত করেন। মৃত্যুবার্ষিকী উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা. তমিজ উদ্দীন আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব ডা. এস এম সারোয়ার আলমের পরিচালনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ড্যাব চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ শাখার সভাপতি অধ্যাপক ডা. মো. জসিম উদ্দিন, বিএমএ চট্টগ্রাম শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক ডা. খুরশীদ জামিল চৌধুরী, ড্যাব চট্টগ্রামের উপদেষ্টা ডা. মো. আবুল কালাম, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুল মোত্তালিব, ডা. মর্তুজা রেজা হাসান, ড্যাব চট্টগ্রাম জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. বেলায়েত হোসেন ঢালী, মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ডা. ইফতেখারুল ইসলাম লিটন, ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, মরহুমের ছোট ভাই গোলাম ফারুক মামুন ও সন্তান তাসাদ্দক মূর্তাজা, অধ্যাপক ডা. আনিসুল হোসেন বাবুল, ড্যাব চমেক শাখার যুগ্ম সম্পাদক ডা. মিনহাজুল আলম, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. তানভীর হাবিব তান্না, জেলা ড্যাবের সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. মোদ্দাচ্ছির রহমান, ডা. সাইফুদ্দিন আজাদ, প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক ডা. মোনায়েম ফরহাদ, ডা. সাদ্দাম হোসেন, ডা. তারেকুল ইসলাম জনি, ডা. ইয়াসির আরাফাত প্রমুখ।   - [রামিসা হত্যার বিচারকে দীর্ঘসূত্রতায় ফেলতে আরো নাম আসছে: জামায়াত আমির](https://starnews24bd.com/news/10897): স্টার নিউজ ডেস্ক: শিশু রামিসা আক্তার হত্যার বিচার দ্রুত শেষ করার দাবি তুলে জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, বিচারকে ‘দীর্ঘসূত্রতায়’ ফেলতে অভিযুক্তরা এখন আরো নাম বলছে; তার ভাষায় এটি একটি ‘চক্রান্ত’। সোমবার বিকেলে রাজধানীতে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রামিসার বাবার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তার খোঁজখবর নেন জামায়াত আমির। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে সোমবার সকালে হাসপাতালে ভর্তি হন রামিসার বাবা হান্নান মোল্লা। পরে সাংবাদিকদের শফিকুর রহমান বলেন, “আমরা বাংলাদেশের জনগণের পক্ষ থেকে দাবি জানাই, রামিসা হত্যাকাণ্ডের বিচার অতি দ্রুত সম্পন্ন করতে হবে। কোনো আলামতের প্রয়োজন নেই, আলামত স্পষ্ট। অভিযুক্ত ও তার স্ত্রী কোনভাবেই রেহাই পেতে পারে না। এ দুজনকে বিচারের আওতায় আনতে হবে। “এখন ধানাই পানাই করে আরো কারো নাম বলতে পারে বিচারকে দীর্ঘসূত্রিতায় ফেলতে। এটি একটি চক্রান্ত। রামিসার বিচার নিয়ে কোনো তামাশা করা হোক, আমরা তা চাই না।’ সোমবারই সকালে হজ শেষে সৌদি আরব থেকে দেশে ফেরেন শফিকুর রহমান। বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আগামী ৭ জুন বাজেট অধিবেশন শুরু হবে। ওই দিন রামিসা হত্যার বিচার দ্রুত করার বিষয়টি তিনি সংসদে উত্থাপন করবেন। তিনি বলেন, “আমাদের দাবি স্পষ্ট–যারা এ ধরনের ঘৃণ্য ও বর্বরোচিত কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া যাবে না। যারা এভাবে আত্মস্বীকৃত ধর্ষণকারী ও হত্যাকারী এদের বিচার লম্বা হওয়া মানে হলো, এদেরকে সহযোগিতা করা। অন্যায়ের পক্ষ নেওয়া, দুস্কৃতকারীর পক্ষ নেওয়া। “শুধু রামিসার জন্য না, এ দেশের প্রত্যেকটি মেয়ের বাবা, দাদা ও নানা হয়ে আমি দাঁড়াব, ইনশাআল্লাহ। লড়াই চলবে, এ লড়াইয়ে মানবতার বিজয় হবে।’ গত ১৯ মে দুপুরে পল্লবীর ১১ নম্বর সেকশনের বি ব্লকের একটি ভবনের ফ্ল্যাট থেকে শিশু রামিসার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। সেই ঘটনা সারা দেশে ব্যাপক ক্ষোভের জন্ম দেয়। পুলিশ বলেছে, ওইদিন সকালে পাশের ফ্লাটের বাসিন্দা ৩২ বছরের সোহেল শিশুটিকে গলা কেটে হত্যার পর মাথা শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলে। এরপর ফ্ল্যাটের সাবলেট এই ভাড়াটে গ্রিল কেটে পালিয়ে যান। তবে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ঘরেই ছিলেন। পুলিশ বাসা থেকে স্বপ্নাকে আটক করে। পরে সন্ধ্যায় সোহেলকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেদিনই রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা করেন। আসামি সোহেল রানা ‘দোষ স্বীকার করে’ আদালতে জবানবন্দি দেন। পাঁচ দিন তদন্ত করেই গত ২৪ মে দুজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্লবী থানার এসআই অহিদুজ্জামান। এরপর সোমবার ঢাকা মহানগরের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনাল সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে তাদের বিচার শুরুর আদেশ দেন। সোহেল আদালতে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে বলেন, তিনি শুধু রামিসাকে ‘দুই টুকরো’ করেছেন। ধর্ষণ এবং হত্যা করেছে ডলার নামে মিরপুরের এক ব্যক্তি। জামায়াত আমির আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, “আত্মস্বীকৃত এ ধরনের অপরাধীর পক্ষে কোনো আইনজীবী যেন আদালতে না দাঁড়ায়। আমি আহ্বান জানাব, এ বিষয়টি নিয়ে কেউ যেন কোনো ধরনের রাজনীতি না করেন। এটা আমাদের ইজ্জত বাঁচানোর লড়াই। এই মেয়ে আমাদের ক্ষমা করবে না, যদি বিচার সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন না হয় এবং রায় কার্যকর না করা হয়।” রাসিমার বাবাকে দেখতে যাওয়ার সময় জামায়াত আমিরের সঙ্গে ছিলেন দলের ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির সেলিম উদ্দিন, নির্বাহী পরিষদ সদস্য মোবারক হোসাইন, আবদুল বাতেন এমপিসহ অন্যান্য নেতারা। - [শহীদ জিয়ার ‘উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি’ই আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভিত্তি: ড. মঈন খান](https://starnews24bd.com/news/10894): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেছেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত অর্থনীতি ও গণতন্ত্রহীন বাংলাদেশকে একটি সুদৃঢ় অর্থনৈতিক কাঠামোর ওপর দাঁড় করিয়েছিলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান। তাঁর প্রবর্তিত ‘উন্নয়ন ও উৎপাদনের রাজনীতি’ কেবল তৎকালীন সংকটই দূর করেনি, বরং আজকের আধুনিক বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির সুদূরপ্রসারী পথও তৈরি করে দিয়েছে। ৩০ মে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বাসস’কে দেওয়া একান্ত এক সাক্ষাৎকারে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা এসব কথা বলেন। মাত্র সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একটি ‘বাস্কেট কেস’ (তলাবিহীন ঝুড়ি) থেকে ‘সাকসেস কেস’ (সফল রাষ্ট্র)-এ রূপান্তর করেছিলেন বর্ণনা করে ড. মঈন খান বলেন, ‘স্বাধীনতার পরবর্তী নিয়ন্ত্রিত অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে এসে তিনি মুক্তবাজার অর্থনীতির ধারণা প্রবর্তন করেন এবং এদেশের কোটি কোটি মানুষের মেধা ও উদ্ভাবনী শক্তিকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন। তার খাল খনন কর্মসূচি এবং কৃষিতে বিপ্লবের মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রথমবারের মতো খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে এবং উদ্বৃত্ত চাল বিদেশে রপ্তানি করার সক্ষমতা অর্জন করে।’ তিনি বলেন, ‘আজকের বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান দুই চালিকাশক্তি- তৈরি পোশাক শিল্প (আরএমজি) এবং প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের যে ভিত্তি, তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সুদূরপ্রসারী চিন্তাধারারই ফসল। পোশাক শিল্পের জন্য ব্যাক-টু-ব্যাক এলসি সুবিধাসহ বিভিন্ন যুগান্তকারী উদ্যোগ গ্রহণ করে তিনি এই খাতকে বিশ্ববাজারে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলেছিলেন। জিয়াউর রহমান কেবল অবকাঠামোগত উন্নয়নই নয়, বরং সামাজিক ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের ওপরও সমান গুরুত্ব দিয়েছিলেন উল্লেখ করে বিএনপির এই সংসদ সদস্য বলেন, ‘জিয়াউর রহমান তৎকালীন বিশ্ব প্রেক্ষাপটে নারী ও শিশুর অধিকারের গুরুত্ব অনুধাবন করে ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়’ প্রতিষ্ঠা করেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির গুরুত্ব উপলব্ধি করে তিনি রাষ্ট্রপতির সচিবালয়ে বিশেষ বিভাগ খোলার পাশাপাশি গবেষকদের আধুনিক গবেষণায় উদ্বুদ্ধ করেছিলেন। এছাড়া শিক্ষা ক্ষেত্রে নিরক্ষরতা দূরীকরণে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করে তিনি একটি সামাজিক বিপ্লবের সূচনা করেছিলেন।’ ড. মঈন খান বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের শাসনামলে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ভারত ও সোভিয়েত ইউনিয়ন বলয় থেকে বেরিয়ে এসে আমেরিকা এবং চীনের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করে। একইসঙ্গে মুসলিম বিশ্বের সাথেও বাংলাদেশের সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ হয়। মুসলিম দেশগুলোর সাথে ইসলামী সংহতির ভিত্তিতে সম্পর্ক জোরদার করার জন্য তিনি বাংলাদেশের সংবিধানে একটি অনুচ্ছেদও যুক্ত করেন।’ তিনি জানান, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর জোট ‘সার্ক’ গঠনের ক্ষেত্রে তিনি অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। এছাড়া জিয়াউর রহমানের শাসনামলেই বাংলাদেশ জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে অস্থায়ী সদস্য হিসেবে নির্বাচিত হয়। ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান আমাদের ছেড়ে চলে যাওয়ার পর দীর্ঘ ৪৫ বছর অতিবাহিত হয়েছে। এর মধ্যে যে নতুন প্রজন্ম এসেছে, তারা জিয়াউর রহমান সম্পর্কে অনেক কিছুই জানে না। এ কারণেই তাদের সামনে জিয়াউর রহমানের জীবনের সত্যিকারের দর্শন তুলে ধরতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে? সেটা দেশের মানুষ সবাই জানেন। তবে তাঁকে সরাসরি জানার সুযোগ আমারও হয়নি। আমি তাঁকে জেনেছি দ্বিতীয় প্রজন্মের মাধ্যমে। প্রথম প্রজন্মে জিয়াউর রহমানকে সরাসরি চিনেছিলেন আমার বাবা আব্দুল মোমেন খান, যিনি জিয়াউর রহমানের সময়কালে খাদ্যমন্ত্রী ছিলেন। তবে দেশের বর্তমান তৃতীয় প্রজন্মের নাগরিকরা জিয়াউর রহমান সম্পর্কে এখনো পুরোপুরি জানার সুযোগ পায়নি।’ জিয়াউর রহমানের সঙ্গে প্রথম সাক্ষাতের স্মৃতি চারণ করে বিএনপির এই প্রবীণ নেতা বলেন, ‘আমার সঙ্গে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের যখন প্রথম সাক্ষাৎ হয়, আমি তখন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি টিমকে বঙ্গভবনে ডেকে বলেছিলেন, আপনাদের এখানে ডেকেছি আমাকে একটি পরামর্শ দেওয়ার জন্য। অসীম ক্ষমতাবান একজন রাষ্ট্রপতি হয়েও তিনি শিক্ষকদের কাছে পরামর্শ চেয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, আপনারা আমাকে পরামর্শ দেবেন বাংলাদেশের এনআরবি পলিসি (প্রবাসী বাংলাদেশি বিষয়ক নীতিমালা) কী হওয়া উচিত। সে সময় আমরা তাকে এনআরবি বিষয়ে কিছু পরামর্শ দিয়েছিলাম, যা তিনি সানন্দে গ্রহণ করেছিলেন। এতেই প্রমাণিত হয়, ক্ষমতার অহঙ্কার তার একেবারেই ছিল না। জিয়াউর রহমানকে কাছ থেকে দেখা বিএনপির সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বীর উত্তমকে আমরা হারিয়েছি এমন এক সময়ে, যখন দেশের কল্যাণ প্রত্যাশী জনগণ তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্বে উন্নয়ন ও শান্তি অর্জনের কর্মযজ্ঞে সক্রিয় ছিল এবং একটি নিশ্চিত ইতিবাচক পরিবর্তনের প্রত্যাশায় উজ্জীবিত ছিল। দেশ-বিদেশে যখন বাংলাদেশ মর্যাদা ও আত্মনির্ভরশীলতা অর্জন করতে শুরু করেছিল, ঠিক তখনই জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে ১৯৮১ সালের ৩০ মে শুধু জিয়াউর রহমানকে কেড়ে নেওয়া হয়নি; এ দেশের উন্নয়ন-অগ্রগতির জোয়ারও থামিয়ে দেওয়া হয়েছিল। লাখ লাখ অশ্রুসিক্ত মানুষের উপস্থিতিতে তাঁর যে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল, তা তাঁকে যে অতুলনীয় মর্যাদায় অভিষিক্ত করেছে; তা অতিক্রম করার সৌভাগ্য আর কারও হবে কিনা, তা শুধুই ভবিষ্যৎ বলতে পারবে।’ তিনি বলেন, ‘পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংস হত্যাযজ্ঞে বিপর্যস্ত এ দেশের মানুষ একাত্তরের ২৭ মার্চ প্রথমবার ‘আমি মেজর জিয়া বলছি’ শুনে যেমন উদ্বুদ্ধ ও সাহসী হয়েছিল; ঠিক তেমনি ’৭৫-এর ৭ নভেম্বর দেশের আরেক ভয়াবহ দুঃসময়ে ‘আমি মেজর জেনারেল জিয়া বলছি’ শুনে আশ্বস্ত ও নিশ্চিন্ত হয়েছিল। সবাই এসব সত্য জানে বলেই শহীদ জিয়ার স্মৃতি মানুষের মন থেকে মুছে ফেলা যায়নি এবং কখনো মুছে ফেলা যাবেও না।’ জিয়াউর রহমানের প্রবর্তিত ‘স্বনির্ভর বাংলাদেশ’-এর ধারণা আজও সমানভাবে প্রাসঙ্গিক উল্লেখ করে ড. মঈন খান বলেন, ‘বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান নিজের কিংবা পরিবারের জন্য কিছুই রেখে যাননি। এমন একজন মহাপ্রাণ দেশপ্রেমিক বীর মুক্তিযোদ্ধা, মাতৃভূমিতে শান্তি প্রতিষ্ঠাকারী, দীর্ঘমেয়াদি সমৃদ্ধির সোপান রচনাকারী, মহান মুক্তিযুদ্ধের সুবর্ণ ফসল বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠাকারী এবং বাসযোগ্য ও মর্যাদাবান একটি রাষ্ট্র গঠনে তিনি ছিলেন জনগণের নির্ভরযোগ্য ও প্রত্যাশার বাতিঘর। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তিনি দায়িত্ব নিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন।’ - [গণমাধ্যমের পেশা চর্চায় অনৈতিক বাধা মোকাবিলায় ‘জিরো টলারেন্স’ : তথ্যমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10891): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমদানি করা হচ্ছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের আরও দুটি চালান। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে আসছে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজ। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি আগামী বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে, গত ৩ এপ্রিল জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয়। বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। বিপিসি আরও জানায়, একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের একটি জাহাজও দেশে আসছে। সেটিও বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। এছাড়া, চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের জাহাজটি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামের আরও দুটি জাহাজ বন্দরে আসে। ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে। বিপিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি সচেষ্ট। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি আসছে নিয়মিতভাবে। - [ঈদের পর সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) বিশেষ প্রচার চালাচ্ছে।](https://starnews24bd.com/news/10885): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [গরমে বাড়ছে ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি, নিজেকে সুস্থ রাখতে যা করবেন](https://starnews24bd.com/news/10882): গরমে বাড়ছে ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি, নিজেকে সুস্থ রাখতে যা করবে স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশজুড়ে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যাচ্ছে খাদ্যবাহিত রোগ ও ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অতিরিক্ত গরমে খাবারে দ্রুত ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও অন্যান্য জীবাণু জন্ম নেয়, যা খাবারকে দূষিত করে মানুষের শরীরে নানা ধরনের অসুস্থতার কারণ হতে পারে। বিশেষ করে রাস্তার খোলা খাবার, দীর্ঘ সময় ধরে বাইরে রাখা রান্না করা খাবার, অপরিষ্কার পানি ও সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা খাদ্য গ্রহণের ফলে ফুড পয়জনিংয়ের ঘটনা বাড়ে। শিশু, বয়স্ক ব্যক্তি এবং যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা তুলনামূলক কম, তারা এ ধরনের সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন। চিকিৎসকদের মতে, ফুড পয়জনিং হলে সাধারণত বমি, বমি বমি ভাব, পাতলা পায়খানা, পেটব্যথা, জ্বর, দুর্বলতা এবং শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। কেন বাড়ে ঝুঁকি? গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া ব্যাকটেরিয়ার বংশবিস্তারের জন্য অত্যন্ত অনুকূল পরিবেশ তৈরি করে। খাবার দীর্ঘ সময় স্বাভাবিক তাপমাত্রায় থাকলে সালমোনেলা, ই-কোলাই এবং স্ট্যাফাইলোকক্কাসের মতো ক্ষতিকর জীবাণু দ্রুত বৃদ্ধি পায়। ফলে খাবার দেখতে স্বাভাবিক মনে হলেও তা স্বাস্থ্যের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। নিজেকে সুস্থ রাখতে যা করবেন ১. তাজা ও নিরাপদ খাবার খান রান্না করা খাবার দীর্ঘ সময় বাইরে না রেখে দ্রুত খেয়ে ফেলুন। বাসি খাবার খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন। ২. নিরাপদ পানি পান করুন ফুটানো বা বিশুদ্ধ পানি পান করুন। বাইরে বের হলে বোতলজাত নিরাপদ পানি ব্যবহার করা ভালো। ৩. রাস্তার খোলা খাবার এড়িয়ে চলুন ধুলাবালি ও মাছির সংস্পর্শে থাকা খাবারে জীবাণু থাকার আশঙ্কা বেশি থাকে। ৪. ফল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে খান খাওয়ার আগে পরিষ্কার পানি দিয়ে ফলমূল ও সবজি ভালোভাবে ধুয়ে নিন। ৫. হাত পরিষ্কার রাখুন খাওয়ার আগে এবং টয়লেট ব্যবহারের পর সাবান দিয়ে অন্তত ২০ সেকেন্ড হাত ধুয়ে নিন। ৬. খাবার সঠিকভাবে সংরক্ষণ করুন দুধ, মাছ, মাংস ও অন্যান্য দ্রুত নষ্ট হওয়া খাবার ফ্রিজে সংরক্ষণ ছকরুন। বিদ্যুৎ চলে গেলে দীর্ঘ সময় ফ্রিজের দরজা খোলা থেকে বিরত থাকুন। ৭. পানিশূন্যতা রোধ করুন প্রচুর পানি পান করুন এবং প্রয়োজনে ওরস্যালাইন গ্রহণ করুন। কখন চিকিৎসকের শরণাপন্ন হবেন? ফুড পয়জনিংয়ের কারণে যদি বারবার বমি হয়, উচ্চ জ্বর দেখা দেয়, মলে রক্ত আসে, তীব্র পানিশূন্যতা দেখা দেয় অথবা উপসর্গ ২৪ ঘণ্টার বেশি স্থায়ী হয়, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সামান্য সচেতনতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে গরোমের সময় ফুড পয়জনিংয়ের ঝুঁকি অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব। নিরাপদ খাদ্যাভ্যাসই হতে পারে সুস্থ থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায়। - [চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচনে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের নিরঙ্কুশ জয়](https://starnews24bd.com/news/10877): স্টার নিউজ ডেস্ক: এক যুগ পর ভোটে ফিরল চট্টগ্রাম চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রিজ, ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা নতুন নেতৃত্ব গতি পাবে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ। চট্টগ্রামের ব্যবসায়ী সমাজে দীর্ঘদিন পর প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ হয়েছে। দেশের অন্যতম প্রভাবশালী ব্যবসায়ী সংগঠন চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে ২৪টি পরিচালক পদের সবকটিতেই জয় পেয়েছে ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম। শনিবার (২৩ মে) বিকেলে নগরীর আগ্রাবাদস্থ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার-এ ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফল ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোয়ারা বেগম। এ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে প্রায় এক যুগ পর সরাসরি ভোটের মাধ্যমে চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলো। ২০১৩ সালের পর থেকে টানা কয়েকটি মেয়াদে সমঝোতার ভিত্তিতে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় কমিটি গঠিত হয়ে আসছিল। ফলে এবারের নির্বাচন ব্যবসায়ী মহলে ব্যাপক আগ্রহ ও উৎসাহের সৃষ্টি করে। চেম্বার সূত্রে জানা যায়, এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ৬ হাজার ৭৮০ জন। এর মধ্যে ভোট প্রদান করেন ২ হাজার ৭২৫ জন ভোটার, যা মোট ভোটারের প্রায় ৪০ শতাংশ। যদিও ভোটার উপস্থিতি প্রত্যাশার তুলনায় কম ছিল, তবুও দীর্ঘদিন পর সরাসরি ভোটের সুযোগ পাওয়ায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে। <span;>সাধারণ শ্রেণিতে ভোটার ছিলেন ৪ হাজার ১ জন। এ শ্রেণিতে ভোট পড়েছে ১ হাজার ৮৪৩টি, যা প্রায় ৪৬ শতাংশ। অন্যদিকে সহযোগী শ্রেণিতে মোট ২ হাজার ৭৬৪ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৮৮২ জন, যা প্রায় ৩২ শতাংশ। <span;>নির্বাচনে মোট ১৭টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। সাধারণ শ্রেণির একজন ভোটার ১২টি এবং সহযোগী শ্রেণির একজন ভোটার ৬টি করে ভোট দেন। সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের সমর্থকেরা দিনভর চেম্বার এলাকায় অবস্থান করে প্রচারণা চালান। চেম্বার বিধি অনুযায়ী সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন ও ট্রেড গ্রুপ শ্রেণি থেকে ৩ জন করে মোট ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হন। তবে টাউন ও ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণির ৬ জন পরিচালক আগেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় কার্যত পুরো পরিচালনা পর্ষদই ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। সাধারণ শ্রেণিতে নির্বাচিত পরিচালকদের মধ্যে রয়েছেন কামাল মোস্তফা চৌধুরী, এএসএম ইসমাইল খান, আবু হায়দার চৌধুরী, মো. আমজাদ হোসাইন চৌধুরী, নাসির উদ্দিন চৌধুরী, আসাদ ইফতেখার, আমান উল্লা আল ছগির, মো. গোলাম সরওয়ার, মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, মোহাম্মদ শফিউল আলম এবং মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম চৌধুরী। বিজয়ীদের মধ্যে কামাল মোস্তফা চৌধুরী সর্বোচ্চ ১ হাজার ৪০৫ ভোট লাভ করেন। সহযোগী শ্রেণিতে নির্বাচিত হয়েছেন মো. জাহিদুল হাসান, মো. নুরুল ইসলাম, মো. সেলিম নুর, সরোয়ার আলম খান, মোহাম্মদ মশিউল আলম এবং মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ। এছাড়া ট্রেড গ্রুপ শ্রেণিতে মোহাম্মদ আখতার পারভেজ, মোহাম্মদ আমিরুল হক ও এস এম সাইফুল আলম এবং টাউন অ্যাসোসিয়েশন শ্রেণিতে আফসার হাসান চৌধুরী, মোহাম্মদ মনির উদ্দিন ও মোহাম্মদ সজ্জাদ উন নবাজ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় পরিচালক নির্বাচিত হন। নির্বাচন শেষে এখন চেম্বারের সভাপতি, জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি ও সহসভাপতি নির্বাচনকে ঘিরে ব্যবসায়ী মহলে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে। চেম্বার সূত্র জানিয়েছে, আগামী সোমবার (২৫ মে) সকাল সাড়ে ১১টায় প্রেসিডিয়াম নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে নির্বাচিত পরিচালকেরা নিজেদের মধ্য থেকে সভাপতি ও দুইজন সহসভাপতি নির্বাচন করবেন। ব্যবসায়ী মহলের ধারণা, এবারের নির্বাচনের মাধ্যমে চট্টগ্রামের শিল্প, বন্দর, রপ্তানি, আমদানি এবং বিনিয়োগ সংশ্লিষ্ট নানা ইস্যুতে নতুন নেতৃত্ব আরও সক্রিয় ভূমিকা পালন করবে। বিশেষ করে করনীতি, ব্যাংকিং সংকট, ডলার সংকট, এলসি জটিলতা, বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং শিল্পাঞ্চলের অবকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে নতুন পর্ষদের কাছে ব্যবসায়ীদের প্রত্যাশা অনেক বেশি। ইউনাইটেড বিজনেস ফোরামের দলনেতা ও নবনির্বাচিত পরিচালক মোহাম্মদ আমিরুল হক বলেন, “আমরা শুরু থেকেই চেয়েছি ব্যবসায়ীরা যেন ভোটের মাধ্যমে তাদের নেতৃত্ব নির্বাচন করতে পারেন। দীর্ঘদিন পর সেই সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। ব্যবসায়ীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ আমাদের অনুপ্রাণিত করেছে।” তিনি আরও বলেন, নতুন পর্ষদ চট্টগ্রামের ব্যবসা-বাণিজ্যের উন্নয়ন, বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ সৃষ্টি এবং ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করবে। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখা চট্টগ্রামের বাণিজ্যিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করতে এ নির্বাচন নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে। প্রতিদ্বন্দ্বী গ্রুপ নির্বাচন বর্জন করে সংবাদ সম্মেলন করে জানান মামলা মোকদ্দমাকে তোয়াক্কা না করে নির্বাচন কমিশন তড়িঘড়ি করে স্বল্প সময়ের নোটিশে নির্বাচন করায় এবং বিপুল সংখ্যক ভোটার হজ্বব্রত পালন করতে দেশের বাইরে থাকায় তারা ভোট প্রয়োগ করতে পারেনি। তারা এই নির্বাচনকে একতরফা ও প্রহসনের নির্বাচন আখ্যায়িত করে ঈদের পর নতুন নির্বাচন দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানান। - [ইউকে প্রধানমন্ত্রী স্টারমার্ক সরকারের পতন আসন্ন](https://starnews24bd.com/news/10853): জ্যেষ্ঠ ক্যাবিনেট মন্ত্রীরা প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারকে পদত্যাগের একটি সময়সূচী প্রস্তুত করতে বলেছেন। - [নির্বাচনে বাংলাদেশী বৃটিশদের লন্ডন জয়](https://starnews24bd.com/news/10812): যুক্তরাজ্যের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে এবার ব্রিটিশ-বাংলাদেশি কমিউনিটি তাদের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় সাফল্য অর্জন করেছে। পূর্ব লন্ডনের চারটি প্রধান বরো—টাওয়ার হ্যামলেটস, নিউহাম, রেডব্রিজ এবং বার্কিং অ্যান্ড ড্যাগেনহামে একযোগে ৮০ জন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত প্রার্থী কাউন্সিলর নির্বাচিত হয়েছেন। 📍🇬🇧🇧🇩 - [প্রতিবন্ধী ওয়াকিলের গাড়িতে চড়লেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান](https://starnews24bd.com/news/10803): কলেজছাত্র শারীরিক প্রতিবন্ধী ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কারে চড়ে উৎসাহ দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (৯ মে) সকালে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি করা বিশেষ স্মার্ট কার পরিদর্শন করেন তিনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন, ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু), শাহাদাৎ হোসেন স্বাধীনসহ আরও অনেকেই উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন। - [ডাক্তার জাফরুল্লাহ চৌধুরী ছিলেন দরদি সমাজ বিনির্মাণের কারিগর](https://starnews24bd.com/news/10796): চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হলে বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. জাফরুল্লাহ পরিষদ আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নুরু এমপি। - [আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে- ইরানকে ট্রাম্প](https://starnews24bd.com/news/10784): আ ফ ম বোরহন: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও ইরানকে তার দেওয়া মঙ্গলবারের সময়সীমার মধ্যে একটি চুক্তিতে পৌঁছানোর জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, সংঘাত নিরসনে কোনো চুক্তি না হলে আজ রাতেই একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে। ট্রুথ সোশ্যাল-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, আজ রাতে একটি গোটা সভ্যতার মৃত্যু হবে, যা আর কখনো ফিরিয়ে আনা যাবে না। আমি চাই না এমনটা ঘটুক, কিন্তু সম্ভবত তাই ঘটবে। বিশ্বের দীর্ঘ ও জটিল ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এক মুহূর্তে, আজ রাতেই আমরা তা জানতে পারব। ট্রাম্পের বিবৃতির পর, ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স বলেছেন যে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে তার সামরিক উদ্দেশ্যগুলো মূলত অর্জন করেছে। এদিকে, পাকিস্তানে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত, যিনি ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে মধ্যস্থতা করছেন, বলেছেন যে যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টা একটি “গুরুত্বপূর্ণ” পর্যায়ে পৌঁছেছে। রাষ্ট্রদূত রেজা আমিরি মোগাদ্দাম এক্স-এ বিস্তারিত কিছু না জানিয়ে লিখেছেন, “যুদ্ধ বন্ধ করার জন্য সদিচ্ছা ও মধ্যস্থতার ইতিবাচক এবং ফলপ্রসূ প্রচেষ্টা একটি গুরুত্বপূর্ণ, সংবেদনশীল পর্যায়ে পৌঁছেছে।” মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে হরমুজ প্রণালী নৌচলাচলের জন্য খুলে দিতে বা গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলার মুখোমুখি হওয়ার যে সময়সীমা বেঁধে দিয়েছিলেন, তার কয়েক ঘণ্টা আগেই এই বার্তাটি আসে। মঙ্গলবার পরে, ইরানের একজন ঊর্ধ্বতন সূত্র রয়টার্সকে জানায় যে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের সাথে যেকোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং যেকোনো আলোচনা একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির ভিত্তিতে হওয়ার দাবি জানিয়েছে। কুয়েতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মঙ্গলবার উপসাগরীয় দেশগুলোকে একটি “বিপর্যয়” এড়ানোর উপায় খুঁজে বের করার আহ্বান জানিয়েছেন। এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সান্ধ্যকালীন সময়সীমা ঘনিয়ে আসছিল, যেখানে ইরানকে একটি চুক্তিতে সম্মত হতে অথবা বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলার মুখোমুখি হতে বলা হয়েছিল। মোহাম্মদ তুতুনজি বলেন, “আমরা আশা করি, এই অঞ্চলের দেশগুলো তাদের সমস্ত কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সক্ষমতা ব্যবহার করে এই অঞ্চলে এমন একটি বিপর্যয় ঘটা প্রতিরোধ করবে।” এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার ঠিক আগে তেহরান হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলতে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তি মেনে নিতে দৃঢ়ভাবে অস্বীকৃতি জানালে মঙ্গলবার ইরান ও ইসরায়েল একে অপরের ওপর পাল্টা আক্রমণ চালায়। ট্রাম্পের দেওয়া সময়সীমার মধ্যে ইরানকে হয় তার দাবি মেনে নিতে হবে, নয়তো “নির্মূল” হতে হবে। পরিকল্পনা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্র অনুসারে, ইরান এর আগে পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি মার্কিন প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল। ওই প্রস্তাবে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতি এবং প্রণালীর ওপর থেকে কার্যকর অবরোধ তুলে নেওয়ার কথা বলা হয়েছিল, যার পরে ১৫ থেকে ২০ দিনের মধ্যে একটি বৃহত্তর শান্তি নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনার কথা ছিল। ইরানের জবাবে ১০টি শর্ত ছিল, যার মধ্যে রয়েছে এই অঞ্চলে সংঘাতের অবসান, হরমুজ প্রণালী দিয়ে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য একটি প্রোটোকল, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং পুনর্গঠন, জানিয়েছে দেশটির সরকারি সংবাদ সংস্থা ইরনা। সোমবার ট্রাম্প বলেন, “পুরো দেশটাকে এক রাতেই নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া যেতে পারে, এবং সেই রাতটা হয়তো আগামীকাল রাতই হতে পারে।” তিনি হুমকি দেন যে, নির্ধারিত সময়সীমার আগে তেহরান রাজি না হলে তিনি ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অবকাঠামো ধ্বংস করে দেবেন। ট্রাম্প বলেন, কোনো চুক্তি না হলে বুধবার মধ্যরাত (ইডিটি) (০৪০০ জিএমটি)-এর মধ্যে “ইরানের প্রতিটি সেতু গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে” এবং “ইরানের প্রতিটি বিদ্যুৎকেন্দ্র অচল হয়ে যাবে, সেগুলো জ্বলবে, বিস্ফোরিত হবে এবং আর কখনো ব্যবহার করা যাবে না।” ইরান পূর্বশর্ত আরোপ করেছে মঙ্গলবার রয়টার্সকে একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্থায়ী শান্তি আলোচনার জন্য ইরান কিছু পূর্বশর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে রয়েছে অবিলম্বে হামলা বন্ধ করা, ভবিষ্যতে আর হামলা না চালানোর নিশ্চয়তা এবং ক্ষয়ক্ষতির জন্য ক্ষতিপূরণ প্রদান। ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যেকোনো অস্থায়ী যুদ্ধবিরতি তেহরান প্রত্যাখ্যান করে। তিনি আরও বলেন, একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তিতে ইরানকে হরমুজ প্রণালী দিয়ে যাতায়াতকারী জাহাজের জন্য মাশুল দাবি করার অনুমতি দেওয়া উচিত, যা জাহাজের ধরন, তার পণ্য এবং বিদ্যমান পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভিন্ন ভিন্ন হবে। যুদ্ধের তীব্রতা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাওয়ার ‘কাছে’ রয়েছে অঞ্চলটির সতর্কতা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালী পুনরায় খোলার জন্য ইরানকে একটি সময়সীমা বেঁধে দেওয়ার পর মঙ্গলবার কাতার সতর্ক করে বলেছে, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ এমন এক পর্যায়ে পৌঁছেছে যা আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না।“আমরা ২০২৩ সাল থেকে সতর্ক করে আসছি যে, উত্তেজনা বৃদ্ধি যদি নিয়ন্ত্রণহীন থাকে, তবে তা আমাদের এমন এক পরিস্থিতিতে নিয়ে যাবে যা আর নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না এবং আমরা সেই বিন্দুর খুব কাছাকাছি চলে এসেছি। আর একারণেই আমরা সব পক্ষকে একটি সমাধান খুঁজে বের করার জন্য এবং খুব দেরি হয়ে যাওয়ার আগেই এই যুদ্ধ শেষ করার একটি উপায় বের করার জন্য আহ্বান জানিয়ে আসছি,” বলেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি। যুদ্ধ অব্যাহত মঙ্গলবার ভোরে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, তারা তেহরান ও অন্যান্য এলাকায় ইরানি সরকারি অবকাঠামো লক্ষ্য করে এক দফা বিমান হামলা সম্পন্ন করেছে। ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করতে তারা আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা পরিচালনা করছিল। সৌদি আরব তার পূর্বাঞ্চলের দিকে আসা ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে এবং এর ধ্বংসাবশেষ জ্বালানি স্থাপনার কাছে পড়েছে বলে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে। তবে কারা এই ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিক্ষেপ করেছে তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার পর থেকে সৌদি আরব শত শত ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের হামলার শিকার হয়েছে, যার বেশিরভাগই প্রতিহত করা হয়েছে। মঙ্গলবার সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং বাহরাইন একযোগে জননিরাপত্তা সতর্কতা জারি করেছে। ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞা যুদ্ধাপরাধের শামিল হবে কিনা, এমন প্রশ্ন ট্রাম্প উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই সম্ভাবনা নিয়ে তিনি ‘একদমই’ চিন্তিত নন।“আমি আশা করি আমাকে এটা করতে হবে না।   - [বুধবার ৫১ হাজার টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে আসছে দুটি জাহাজ](https://starnews24bd.com/news/10781): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের জ্বালানি চাহিদা মেটাতে আমদানি করা হচ্ছে অকটেন ও ফার্নেস অয়েলের আরও দুটি চালান। জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে মালয়েশিয়া থেকে মোট ৫১ হাজার মেট্রিক টন অকটেন ও ফার্নেস অয়েল নিয়ে দুটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের পথে রয়েছে। বুধবার (৮ এপ্রিল) জাহাজ দুটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) সহকারী ব্যবস্থাপক (গণসংযোগ) ফারজিন হাসান মৌমিতা গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বিপিসি সূত্র জানায়, মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার টন পরিশোধিত অকটেন নিয়ে আসছে ‘এমটি সেন্ট্রাল স্টার’ নামের জাহাজ। আইসল্যান্ডের পতাকাবাহী এই জাহাজটি আগামী বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। এর আগে, গত ৩ এপ্রিল জাহাজটি মালয়েশিয়া থেকে রওনা দেয়। বর্তমানে আন্দামান সাগরে অবস্থান করছে। বিপিসি আরও জানায়, একই দিনে মালয়েশিয়া থেকে ২৫ হাজার মেট্রিক টন ফার্নেস অয়েল নিয়ে ‘এমটি ইস্টার্ন কুইন্স’ নামের একটি জাহাজও দেশে আসছে। সেটিও বুধবার চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অন্যদিকে, এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী আরও দুটি জাহাজ ইতোমধ্যে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে। নাইজেরিয়া থেকে আসা ‘কুল ভয়েজার’ জাহাজে রয়েছে এলএনজি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইন্টারপোর্ট। এছাড়া, চীন থেকে এলপিজি নিয়ে এসেছে ‘গ্যাস জার্নি’ নামের জাহাজটি, যার স্থানীয় এজেন্ট ইউনাইটেড শিপিং। খালাস শেষে জাহাজ দুটি বুধবার বন্দর ত্যাগ করবে বলে জানা গেছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম জানিয়েছেন, বর্তমানে বন্দরের জলসীমায় এলপিজি ও এলএনজি বহনকারী দুটি জাহাজ অবস্থান করছে এবং মোট চারটি জাহাজ থেকে জ্বালানি খালাস কার্যক্রম চলছে। এর মধ্যে গত ৩১ মার্চ ভারত থেকে এলপিজি নিয়ে ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ এবং ৩ এপ্রিল মালয়েশিয়া থেকে ডিজেল নিয়ে ‘শ্যান গ্যাং ফা শিয়ান’ নামের আরও দুটি জাহাজ বন্দরে আসে। ‘গ্যাস চ্যালেঞ্জার’ থেকে ভাটিয়ারিতে এলপিজি খালাস করা হচ্ছে। বিপিসি’র সহকারী ব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতিতেও দেশের জ্বালানি তেলের আমদানি ও সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক রাখতে বিপিসি সচেষ্ট। এর অংশ হিসেবে বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি আসছে নিয়মিতভাবে। - [হত্যা চেষ্টা মামলায় সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী কারাগারে](https://starnews24bd.com/news/10778): স্টার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদের সাবেক স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে, তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন ঢাকার একটি আদালত। চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে রাজধানীর লালবাগ থানা এলাকায় আশরাফুল নামে এক ব্যক্তিকে হত্যা চেষ্টার অভিযোগে করা মামলায়, তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) শিরীন শারমিন চৌধুরীকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য, তাকে দুই দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের পরিদর্শক মোহসীন উদ্দীন। অপর দিকে তার আইনজীবী তার জামিন চেয়ে আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জুয়েল রানা শিরীন শারমিন চৌধুরীর রিমান্ড ও জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে, তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ৮/এ রোডের একটি বাসা থেকে ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করা হয়।মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, চব্বিশের আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই লালবাগ থানাধীন আজিমপুর সরকারি কলোনির ভিতরে মিছিল করছিলেন ভুক্তভোগী মো. আশরাফুল ওরফে ফাহিম। ঘটনার দিন আসামিদের ছোড়া গুলিতে ভুক্তভোগীর বাম চোখ নষ্ট হয়ে যায়। এ ঘটনায় ২০২৫ সালের ১৭ জুলাই লালবাগ থানায় ভুক্তভোগী আশরাফুল বাদী হয়ে একটি হত্যা চেষ্টা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শিরীন শারমিন চৌধুরীর এজহার নামীয় তিন নাম্বার আসামি। - [বিসিবির নতুন অ্যাডহক কমিটি গঠন করল এনএসসি](https://starnews24bd.com/news/10775): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পূর্বের কমিটি ভেঙে ১১ সদস্যের অ্যাডহক কমিটি গঠন করেছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। অ্যাডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনিত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। আজ এ কথা জানিয়েছেন এনএসসির পরিচালক (ক্রীড়া) আমিনুল এহসান। এই অ্যাডহক কমিটিকে ৯০ দিনের মধ্যে নতুন নির্বাচন আয়োজনের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। গত বছরের ৬ অক্টোবর অনুষ্ঠিত বিসিবি নির্বাচন নিয়ে এনএসসির তদন্তের পর এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। তদন্তে ঐ নির্বাচনে বেশ কিছু অনিয়ম পাওয়া যায়। আজ এক সংবাদ সম্মেলনে তদন্তের কমিটির প্রতিবেদন তুলে ধরেন আমিনুল এহসান। তদন্ত প্রতিবেদন এবং অ্যাডহক কমিটি গঠন বিষয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলকে (আইসিসি) জানিয়েছে এনএসসি। তামিমের নেতৃত্বাধীন কমিটিতে আছেন রাশনা ইমাম, মির্জা ইয়াসির আব্বাস, সৈয়দ ইব্রাহিম আহমেদ, ইসরাফিল খসরু, মিনহাজুল আবেদিন নান্নু, আতহার আলী খান, তানভীর চৌধুরী, সালমান ইস্পাহানি, রফিকুল ইসলাম বাবু ও ফাহিম সিনহা। - [জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কাজ করছে সরকার: বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10772): স্টার নিউজ ডেস্ক: বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে অস্থিরতা থাকা সত্ত্বেও দেশে সব ধরনের জ্বালানির স্বাভাবিক সরবরাহ বজায় রাখতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘সরকার সম্ভাব্য সব উৎস অনুসন্ধান করছে এবং দেশে সব ধরনের জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুত রেখে স্বাভাবিক সরবরাহ নিশ্চিত করছে।’আজ মঙ্গলবার সংসদে মৌলভীবাজার-২ আসনের সদস্য মো. শওকতুল ইসলামের কার্যপ্রণালি বিধির ৭১ বিধিতে আনীত জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ নোটিশের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। জ্বালানির দাম বাড়ানো হবে কি না? শওকতুল ইসলামের এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয়ের জন্য একটি আইন রয়েছে এবং সেই অনুযায়ী প্রতি মাসে দাম সমন্বয় করা হয়। গত মাসে দাম সমন্বয় করা হয়নি, তবে চলতি মাসে পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রয়োজন হলে মন্ত্রিসভায় আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের ভূরাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ হওয়ায় বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা বিঘ্নিত হয়েছে। এতে জ্বালানির পরিবহন ব্যয় অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে এবং আন্তর্জাতিক নৌপথে নিরাপত্তা ঝুঁকিও বৃদ্ধি পেয়েছে।’ মজুদের চিত্র তুলে ধরে তিনি জানান, বর্তমানে ডিজেলের মজুত রয়েছে ১ লাখ ৬৪ হাজার ৬৪৪ মেট্রিক টন এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরও ১ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন আসবে। অকটেনের মজুত ১০ হাজার ৫০০ মেট্রিক টন এবং ৩০ এপ্রিলের মধ্যে আরও ৭১ হাজার ৫৪৩ মেট্রিক টন আসবে। পেট্রলের মজুত রয়েছে ১৬ হাজার মেট্রিক টন এবং এপ্রিলের মধ্যে আরও ৩৬ হাজার মেট্রিক টন সরবরাহ হবে। মন্ত্রী বলেন, ‘মধ্যপ্রাচ্যের সংকটের কারণে দক্ষিণ এশিয়ার সব দেশ জ্বালানি সরবরাহে চাপে রয়েছে। পাকিস্তান জ্বালানির দাম ৫০ শতাংশ বাড়িয়েছে, শ্রীলঙ্কা রেশনিং ও কর্মঘণ্টা কমিয়েছে, আর ভারত, আফগানিস্তান, ভুটান, মালদ্বীপ ও নেপাল ইতোমধ্যে দাম বৃদ্ধি করেছে।’অবৈধ মজুত রোধে জেলা প্রশাসনকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি জেলা পর্যায়ে মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। দেশীয় সম্পদের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে গ্যাসক্ষেত্র থেকে প্রাপ্ত কনডেনসেট ব্যবহার করে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেল উৎপাদনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান। অবৈধ মজুত প্রতিরোধে গত ৩ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ৩৪২টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। এতে ২ হাজার ৪৫৬টি মামলা দায়ের এবং ৩১ জনকে কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।   - [ইরান বিষয়ে বুধবার জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন ট্রাম্প](https://starnews24bd.com/news/10765): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প মঙ্গলবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র দুই থেকে তিন সপ্তাহের মধ্যে ইরান ত্যাগ করবে। ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের পারমাণবিক হুমকি নির্মূল করেছে। তিনি বলেন, “আমরা তাদের যা করেছি, তা পুনর্গঠন করতে তাদের ১৫-২০ বছর সময় লাগবে। ট্রাম্প বুধবার রাত ৯টায় (ইটি) এই যুদ্ধ নিয়ে জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। এর আগে দিনের শুরুতে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বলেন, এই সংঘাতের আগামী দিনগুলো হবে নির্ণায়ক এবং গত ২৪ ঘণ্টায় ইরানের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রের সংখ্যা এই যুদ্ধের মধ্যে সর্বনিম্ন। হেগসেথ জয়েন্ট চিফস অফ স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের সঙ্গে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে মার্কিন মিত্রদের তীব্র সমালোচনা করার এবং ইরানের কাছ থেকে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ কেড়ে নেওয়ার জন্য তাদের নিজস্ব অভিযান শুরু করতে চাপ দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই এই মন্তব্যগুলো আসে। বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস জর্জ এইচ.ডব্লিউ. বুশ এবং এর সহযোগী যুদ্ধজাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হচ্ছে এবং এই অঞ্চলে থাকা অন্য দুটি মার্কিন ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপের সাথে যোগ দিচ্ছে। - [হামের প্রাদুর্ভাব ও নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে কাজ শুরু করেছে আইসিডিডিআরবি](https://starnews24bd.com/news/10763): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশে সাম্প্রতিক হামের প্রাদুর্ভাব ও নিউমোনিয়াজনিত শিশুমৃত্যু রোধে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ শুরু করেছে আইসিডিডিআরবি। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে মন্ত্রণালয়ে, তার দপ্তরে এ বিষয়ে আজ সকালে এক বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ, সিনিয়র সায়েন্টিস্ট ড. জুবায়ের চিশতী এবং শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক উপস্থিত ছিলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অফিসার মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়েছে। বৈঠকে আইসিডিডিআরবির পক্ষ থেকে বর্তমান পরিস্থিতি মোকাবেলায় উদ্ভাবনী ও সাশ্রয়ী 'বাবল সিপ্যাপ' প্রযুক্তি ব্যবহারের প্রস্তাব দেওয়া হয়, যা শিশুদের শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। আইসিডিডিআরবির নির্বাহী পরিচালক ড. তাহমিদ আহমেদ মন্ত্রীকে জানান, বর্তমানে আক্রান্তদের মধ্যে ৬ মাস থেকে ৩ বছর বয়সী শিশুদের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়া হাম আক্রান্তদের প্রায় ৩০ শতাংশ নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছে। এই সংকট উত্তরণে আইসিডিডিআরবির নিজস্ব উদ্ভাবন 'বাবল সিপ্যাপ' ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বিশ্বখ্যাত চিকিৎসা সাময়িকী 'দ্য ল্যানসেট'-এ প্রকাশিত আইসিডিডিআরবির গবেষণা অনুযায়ী, এই প্রযুক্তিটি প্রচলিত মেকানিক্যাল ভেন্টিলেটরের তুলনায় অনেক বেশি সাশ্রয়ী-যার প্রতিটি ইউনিটের নির্মাণ খরচ মাত্র ৩০০ টাকার মতো। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ এবং ইথিওপিয়ার গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, এটি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সুপারিশকৃত সাধারণ অক্সিজেন পদ্ধতির চেয়ে অনেক বেশি কার্যকরভাবে শিশুর প্রাণ বাঁচাতে সক্ষম। আইসিডিডিআরবির এই প্রস্তাবের প্রেক্ষিতে স্বাস্থ্য মন্ত্রী দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন। এদিকে, আজ দুপুরে এই পরিকল্পনা ও উদ্যোগ বাস্তবায়নে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশের ৩০টিরও বেশি সরকারি হাসপাতালের পরিচালক ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত বিশেষ সভায় ড. জুবায়ের চিশতী 'বাবল সিপ্যাপের' বৈজ্ঞানিক শ্রেষ্ঠত্ব ব্যাখ্যা করেন। এ সময় অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হক এবং অধ্যাপক ডা. মো. মুজিবুর রহমান (পরিচালক আইসিএমএইচ মাতুয়াইল) তাদের নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানে এই প্রযুক্তি ব্যবহারের সফল অভিজ্ঞতা ও জীবন রক্ষাকারী দিকগুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী, আগামী বৃহস্পতিবার ২ এপ্রিল থেকে শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হকের তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মুহাম্মদ মুস্তাফিজুর রহমান এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (হাসপাতাল) ডা. আবু হোসাইন মো. মইনুল আহসান সামগ্রিক কার্যক্রমের সমন্বয় করবেন। জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় এবং শিশুদের জীবন বাঁচাতে আইসিডিডিআরবি নিরলসভাবে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও অধ্যাপক ডা. মো. মাহবুবুল হকের টিমের সঙ্গে কাজ করে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে। - [জনগণের প্রত্যাশার পথেই এগোচ্ছে বাংলাদেশ : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10760): স্টার নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, অনেক চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে বাংলাদেশ এখন জনগণের মালিকানা ও প্রত্যাশার পথেই প্রবাহিত হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘অবাধ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার গঠনের ফলে স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত দেশের মানুষের যে আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা বাস্তবায়নের পথ সুগম হয়েছে।’ বেসরকারি স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল ‘বাংলাভিশন’-এর ২১তম বর্ষে পদার্পণ উপলক্ষ্যে আজ বাংলাভিশন অফিসে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের ইতিহাস নানাবিধ উত্থান-পতন ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে এগিয়ে চলছে। আমরা মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা আদায় করি যে, অনেক বাধার মধ্য দিয়ে হলেও শেষ পর্যন্ত মানুষের জয় হয়েছে অনিবার্যভাবে।’ তিনি আরও বলেন, গত জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে দেশ যে ধারায় ফিরেছে, সেখানে জনগণের মালিকানাই মুখ্য। মাঝপথে আসা সকল বাধা-বিপত্তিকে এদেশের মানুষ তাদের দীর্ঘ সংগ্রাম ও আন্দোলনের মাধ্যমে সফলভাবে দূর করেছে। বাংলাভিশনের প্রশংসা করে মন্ত্রী বলেন, ‘২১ বছরে পদার্পণ করা বাংলাভিশন জন্মের পর থেকেই বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ নিয়ে মানুষের পাশে ছিল। বাকি সময়ও তারা একইভাবে মানুষের পাশে থাকবে— এটাই জনগণের পক্ষ থেকে আমাদের প্রত্যাশা।’ জহির উদ্দিন স্বপন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বাংলাভিশন পরিবার ও সংশ্লিষ্ট সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান।   - [মেট্রোপলিটন এলাকায় অনলাইন ক্লাস নেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে : শিক্ষামন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10757): স্টার নিউজ ডেস্ক: মেট্রোপলিটন এলাকায় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সংবাদিকদের এ কথা বলেন। শিক্ষা মন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে সরকার আগামীতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কিভাবে ক্লাস নেয়া হবে এবং শিক্ষা ব্যবস্থা কিভাবে চালানো হবে তা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করছে। তিনি বলেন, সারাদেশ তো আছে বিশেষ করে মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে যেহেতু বাসে করে আসা-যাওয়ার বিষয়টি আছে। সেহেতু মেট্রোপলিটন এলাকাগুলোতে অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার চিন্তাভাবনা করা হচ্ছে। তবে তা এখনো চূড়ান্ত নয়। মন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমানে বিশ্বে যুদ্ধ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে আমরা শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে এক গুচ্ছ প্রস্তাব মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠাবো। সেখান থেকে অনুমোদন আসার পর আমরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেব।’ শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আজ প্রধানমন্ত্রী আমাদেরকে শিক্ষা ব্যবস্থার চলমান গতি অব্যাহত রাখার ব্যাপারে কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা দিয়েছেন। আমরা সেগুলো বাস্তবায়ন করবো। মন্ত্রী বলেন, ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিসের কারণে আমরা ভাবছি যে কি প্ল্যানিং করা যায়। এমনিতেই রোজার ছুটিতে এবং বিভিন্ন রকমের দেশের আন্দোলন সব মিলিয়ে তো আমাদের স্কুল আওয়ার অনেক নষ্ট হয়েছে সেটাও আমাদেরকে দেখতে হবে।’ তিনি বলেন, কমপ্লিটলি অনলাইনে যদি যাওয়া হয় তা হলে আমরা আবার আনসোসাল হয়ে যাব। তাই ভেবেচিন্তেই আমাদেরকে আগামীতে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।   - [সব ধরনের সংস্কার সংবিধানের কাঠামোর ভেতরেই পরিচালিত হবে: আইনমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10754): স্টার নিউজ ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, দেশের সব ধরনের সংস্কার কার্যক্রম সংবিধানের কাঠামোর ভেতরেই পরিচালিত হবে এবং ‘জুলাই সনদ’ সেই প্রক্রিয়ায় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিকনির্দেশনা হিসেবে কাজ করবে। তিনি বলেন, বিরোধী দলের অনেক সদস্য একদিকে ১৯৭২ সালের সংবিধান অস্বীকার করছেন, অন্যদিকে একই সংবিধানের অধীনেই নির্বাচনে অংশ নিয়ে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছেন, যা একটি সাংঘর্ষিক অবস্থান। সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংসদের অধিবেশন আহ্বানসহ বর্তমান কার্যক্রম সম্পূর্ণ সাংবিধানিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। তিনি আজ সংসদে কার্যপ্রণালি বিধির ৬২ ধারায় জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে এসব কথা বলেন। প্রস্তাবটি সংসদে উত্থাপন করেন বিরোধী দলীয় নেতা মো. শফিকুর রহমান (ঢাকা-১৫)। আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই সনদের বিভিন্ন অনুচ্ছেদে সংবিধান সংশোধনের মাধ্যমে সংস্কার বাস্তবায়নের কথা স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে। তাই সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে নয়, বরং সেটিকে সামনে রেখেই পরিবর্তন আনতে হবে। তার ভাষায়, সংসদে উত্থাপিত প্রায় প্রতিটি প্রশ্নই সংবিধান সংস্কারের সঙ্গে সম্পর্কিত। বিরোধী দলের সমালোচনা করে তিনি বলেন, তারা জুলাই সনদের কথা বললেও বাস্তবে তার প্রতিফলন ঘটায়নি। নারী প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে সনদের নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও তা মানা হয়নি এবং ডেপুটি স্পিকার পদ গ্রহণের প্রস্তাবও তারা প্রত্যাখ্যান করেছে। এতে তাদের অবস্থানের অসংগতি স্পষ্ট হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। অধ্যাদেশ ও আইনের বৈধতা প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, সংবিধানের ৯৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জারি করা অধ্যাদেশ আইনের মর্যাদা পায়। ১৮৯৭ সালের জেনারেল ক্লজেস অ্যাক্টের উল্লেখ করে তিনি বলেন, যথাযথ আইনি ক্ষমতার ভিত্তিতে জারি করা আদেশ ও অধ্যাদেশ বৈধ হিসেবে গণ্য হয়, তবে সাংবিধানিক ভিত্তি ছাড়া কোনো আদেশ আইনের মর্যাদা পেতে পারে না। আইনমন্ত্রী সংবিধান সংশোধনের জন্য একটি বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, সব দলের অংশগ্রহণে আলোচনা ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংশোধনী আনা সম্ভব হবে। বিরোধী দলীয় নেতাও পরোক্ষভাবে এই প্রস্তাবে সম্মতি দিয়েছেন বলে উল্লেখ করে তিনি স্পিকারকে দ্রুত কমিটি গঠনের আহ্বান জানান। তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংবিধানই রাষ্ট্র পরিচালনার মূল ভিত্তি এবং জুলাই সনদের আলোকে প্রয়োজনীয় সংস্কার অবশ্যই সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই সম্পন্ন হবে। - [স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10752): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীতে স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে শিক্ষামন্ত্রীকে বিকল্প খুঁজতে বলেছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, আজ সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ. ন. ম. এহছানুল হক মিলন এবং গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সাক্ষাৎ করেন। তিনি আরো বলেন, ‘রাজধানীতে স্কুলের সময়ে যেভাবে যানজট হয়, তা কীভাবে নিরসন করা যায় এবং এ ব্যাপারে বিকল্প ব্যবস্থা কী কী হতে পারে— তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়কে প্রস্তাবনা তৈরি করে উপস্থাপন করতে বলেছেন।’ অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরো বলেন, ‘উদাহরণ হিসেবে দেখা গেছে— রাজধানীর একটি স্কুলে ১৫০ শিক্ষার্থীর জন্য ১০০ গাড়ি স্কুলের সামনে ভিড় করে। এতে ব্যাপক যানজট সৃষ্টি হয়। শিক্ষার্থীরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসতে বেগ পেতে হয়। সমস্যাগুলো অ্যাড্রেস করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বিকল্প খুঁজতে মন্ত্রীকে পরামর্শ দিয়েছেন।’ শিক্ষামন্ত্রীর পরে জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু ও প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ ইসলাম অমিত প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেন। পরে নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাৎ করেছেন বলেও জানান অতিরিক্ত প্রেস সচিব।   - [চসিক উদ্যোগে শুরু হয়েছে ১৯ দিনব্যাপী স্বাধীনতা বইমেলা](https://starnews24bd.com/news/10749): চসিকের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও সচিব মো. আশরাফুল আমিনের সভাপতিত্বে আয়োজনে অংশ নেন চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, উপ কমিশনার হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূঁইয়া, অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার নুসরাত সুলতানা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পাঠান মো. সাইদুজ্জামান, মুক্তিযুদ্ধ গবেষক বীর মুক্তিযোদ্ধা ডা. মাহফুজুর রহমান, প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা একরামুল করিম চৌধুরী, বীর মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার শাহাবুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চসিকের প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা ড. কিসিঞ্জার চাকমা, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা সরোয়ার কামাল, সমাজকল্যাণ কর্মকর্তা মামুনুর রশীদ মামুন। স্বাগত বক্তব্য দেন সৃজনশীল প্রকাশক পরিষদের সভাপতি শাহাবুদ্দিন হাসান বাবু। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন কুসুম কুমারী স্কুলের সহকারী শিক্ষক রূমিলা বড়ুয়া। মোনাজাত পরিচালনা করেন চসিকের মাদরাসা পরিদর্শক মাওলানা হারুনুর রশিদ। অনুষ্ঠানে চসিক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেয়। - [জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিরোধীদলীয় নেতার শ্রদ্ধা নিবেদন](https://starnews24bd.com/news/10743): স্টার নিউজ ডেস্ক: মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এমপি। আজ বৃহস্পতিবার ভোরে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া করেন। বিরোধীদলীয় নেতা স্বাধীনতা যুদ্ধে নিহত সকল শহীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ কামনা করে দোয়া করেন। এ সময় বিরোধীদলীয় নেতার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের নায়েবে আমির এটিএম আজহারুল ইসলাম এমপি, সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি মিয়া গোলাম পরওয়ার, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল এমপি, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সেক্রেটারি ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ এমপি, বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম এমপি, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি কামাল হোসাইন এমপি এবং কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও ঢাকা জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা দেলোয়ার হোসাইন। - [স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10740): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ শেষে সশস্ত্র বাহিনীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। দীর্ঘ ১৮ বছর পর মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে এই বর্ণাঢ্য কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় রাজধানী ঢাকার তেজগাঁওয়ে পুরাতন বিমানবন্দরে স্বাধীনতা দিবসে সশস্ত্র বাহিনীর বর্ণাঢ্য এ কুচকাওয়াজ শুরু হয়। প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান। এবারের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান দেশপ্রেম, শৃঙ্খলা ও সামরিক সক্ষমতার এক অনন্য প্রদর্শনীতে পরিণত হয়। এমন চমৎকার আয়োজনে মুদ্ধতা প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠান শেষে প্যারেড স্কয়ার ত্যাগের সময় উপস্থিত সশস্ত্র বাহিনী সদস্যদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এসময় উপস্থিত ছিলেনু প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান, বিমানবাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন ও প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। উল্লেখ্য, কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে সালাম গ্রহণ করেন। - [যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদ্যাপিত](https://starnews24bd.com/news/10736): স্টার নিউজ ডেস্ক: যথাযোগ্য মর্যাদায় আজ পালিত হচ্ছে দেশের ৫৬তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস।এ উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর উপকণ্ঠে সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান। এ সময় প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সদস্যগণ, তিন বাহিনীর প্রধানগণ, বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাবৃন্দ, শহীদ পরিবারের সদস্যবৃন্দ, কূটনীতিক, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চের ‘কালরাতে’ নিরস্ত্র মানুষের ওপর নৃশংস হামলার পর ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে স্বাধীনতার সশস্ত্র সংগ্রাম আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। সেই থেকে দিনটি স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস হিসেবে পালিত হচ্ছে।দীর্ঘ নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধে ৩০ লাখ শহীদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর অর্জিত হয় কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা। আজ সরকারি ছুটির দিন। দিবসটি যথাযথ মর্যাদায় পালনে দেশব্যাপী ব্যাপক কর্মসূচি নিয়েছে সরকার। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান পৃথক বাণী দিয়েছেন। দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রগুলো বিশেষ নিবন্ধ, সাহিত্য সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করেছে। ঢাকাসহ দেশের সব জেলা ও উপজেলায় ভোরে তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে দিনের কর্মসূচি শুরু হয়। সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও উত্তোলন করা হয় বড় আকারের জাতীয় পতাকা। একই সঙ্গে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন ভবন ও বহুতল ভবনেও পতাকা ওড়ানো হয়। বিকেলে বঙ্গভবনে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবার ও খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা দেবেন রাষ্ট্রপতি। জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৮টায় বিভাগ, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। এরপর জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শোভাযাত্রা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। পাশাপাশি দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিদেশে বাংলাদেশ মিশনগুলোতেও স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের ওপর আলোচনা সভা আয়োজন করা হয়েছে। সকাল ৯টা থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড-এর জাহাজ। এসব জাহাজ চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা, পায়রা বন্দর, ঢাকার সদরঘাট, নারায়ণগঞ্জের পাগলা এবং বরিশালে বিআইডব্লিউটিসির ঘাটে অবস্থান করছে। এছাড়া চাঁদপুর ও মুন্সীগঞ্জে কোস্ট গার্ডের জাহাজও উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। এ উপলক্ষে বুধবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে স্মারক ডাকটিকিট অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে ফুটবল, টি-টোয়েন্টি ক্রিকেট, কাবাডি ও হাডুডুসহ বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে। বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেল ও বেতার কেন্দ্র মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় ইতিহাসভিত্তিক বিশেষ অনুষ্ঠান সম্প্রচার করছে। ঢাকাসহ জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের সিনেমা হলে বিনামূল্যে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক চলচ্চিত্র প্রদর্শন করা হচ্ছে। জাদুঘরগুলো সারাদিন জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে। শিশুদের জন্য খোলা রয়েছে সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনকেন্দ্র। দেশের বিভিন্ন পর্যটনকেন্দ্রে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হচ্ছে। শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের আত্মার মাগফিরাত, জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং দেশের শান্তি, সমৃদ্ধি ও অগ্রগতি কামনায় মসজিদে বিশেষ মোনাজাত করা হচ্ছে। পাশাপাশি মন্দির, গির্জা, প্যাগোডাসহ অন্যান্য উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হয়েছে। দেশব্যাপী সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, পুনর্বাসন কেন্দ্র ও বিভিন্ন কল্যাণ প্রতিষ্ঠানে বিশেষ খাবারের আয়োজন করা হয়েছে।     - [সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী গ্রেফতার](https://starnews24bd.com/news/10733): স্টার নিউজ ডেস্ক: ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেফতার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গতকাল দিবাগত রাতে রাজধানীর বারিধারা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার শফিকুল ইসলাম। সংবাদ সম্মেলনে কমিশনার শফিকুল ইসলাম জানান, গ্রেফতারকৃত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফেনী জেলায় ছয়টি এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পাঁচটিসহ মোট ১১টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ফেনী জেলার তিনটি বিচারাধীন হত্যা মামলায় তার বিরুদ্ধে আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃত মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ফেনী জেলায় আরও তিনটি এবং ঢাকা মেট্রোপলিটন এলাকায় পাঁচটিসহ আটটি মামলা তদন্তাধীন রয়েছে। এছাড়া তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগে (সিআইডি) তদন্তাধীন একাধিক অভিযোগ রয়েছে। ডিবি প্রধান জানান, গ্রেফতারকৃতের বিরুদ্ধে রাজধানীর পল্টন, বনানী, কোতয়ালী, মিরপুর মডেল ও হাতিরঝিল থানায় হত্যা, হত্যাচেষ্টা, মানব পাচার প্রতিরোধ আইন ও মানিলন্ডারিং সংক্রান্ত গুরুতর অপরাধের মামলা রয়েছে। গ্রেফতারকৃতকে ডিএমপির ডিবির তদন্তাধীন পল্টন থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। একইসাথে তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে। - [বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রে মানসম্মত অনুষ্ঠান প্রচারের আহ্বান তথ্য প্রতিমন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/10730): স্টার নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) চট্টগ্রাম কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের সময়োপযোগী, আকর্ষণীয় ও মানসম্মত অনুষ্ঠান প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে চলমান প্রকল্পের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করে কেন্দ্রটিকে আধুনিক ডিজিটাল সরঞ্জামে সমৃদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছেন। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্র পরিদর্শনকালে তথ্য প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং সরকারের জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন কর্মসূচি জনগণের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে সৃজনশীল ও বিনোদনধর্মী অনুষ্ঠান পরিকল্পনা ও প্রচারেরও নির্দেশ দেন। পরিদর্শনকালে তিনি কেন্দ্রের সম্মেলন কক্ষে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে বৈঠক করেন এবং কেন্দ্রের সার্বিক কার্যক্রম সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। কেন্দ্রের মহাব্যবস্থাপক মো. ইমাম হোসেন প্রতিমন্ত্রীকে বিটিভি চট্টগ্রাম কেন্দ্রের নিয়মিত ও বিশেষ অনুষ্ঠান সূচি, চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি, অনুমোদিত জনবল কাঠামোর তুলনায় জনবল সংকট এবং রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ সম্পর্কে অবহিত করেন। প্রতিমন্ত্রীকে আরো অবহিত করা হয়, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম কেন্দ্রকে পূর্ণাঙ্গ টিভি স্টেশনে রূপান্তর (প্রথম পর্যায়)’ শীর্ষক ২৭ কোটি টাকার প্রকল্পের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং বাকি কাজ আগামী ছয় মাসের মধ্যে শেষ হওয়ার আশা করা হচ্ছে। প্রকল্পের প্রধান কাজের মধ্যে রয়েছে- একটি ১০ তলা বহুমুখী ভবন নির্মাণ, যেখানে একটি মাল্টিপারপাস স্টুডিও ও একটি নিউজরুম স্টুডিও স্থাপন করা হবে। এছাড়া আধুনিক ও হাই-ডেফিনিশন সম্প্রচার যন্ত্রপাতি স্থাপন করা হবে, যাতে কেন্দ্রটি স্বাধীনভাবে ২৪ ঘণ্টা সম্প্রচার কার্যক্রম চালাতে পারে। দর্শকদের চাহিদা অনুযায়ী অনুষ্ঠান মানোন্নয়নের জন্য বিদ্যমান জনবল ও প্রযুক্তিগত সুবিধার সর্বোচ্চ ব্যবহার এবং জনপ্রিয় শিল্পীদের সম্পৃক্ত করার পরামর্শ দেন প্রতিমন্ত্রী। এ সময় তিনি কেন্দ্রের যৌক্তিক সমস্যাগুলো সমাধানে মন্ত্রণালয় কার্যকর পদক্ষেপ নেবে বলে আশ্বাস দেন। পরবর্তীতে প্রতিমন্ত্রী কেন্দ্রের বিভিন্ন স্থাপনা পরিদর্শন করেন এবং প্রায় সম্পন্ন প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি প্রত্যক্ষ করেন।   - [জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়ার অধ্যাদেশ গ্রহণ করবে সরকারি দল : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10727): স্টার নিউজ ডেস্ক: জুলাই যোদ্ধাদের দায়মুক্তি দেওয়ার অধ্যাদেশ সরকারি দল গ্রহণ করবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আজ (মঙ্গলবার) সকালে সংসদে বিশেষ কমিটির বৈঠকে যোগ দেওয়ার আগে সাংবাদিক এ তথ্য জানান তিনি। মন্ত্রী আরও বলেন, ‘অধ্যাদেশগুলোর বিষয়ে ফয়সালা করতেই সংসদের বিশেষ কমিটি বৈঠক আজ। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের অধ্যাদেশগুলো নিয়ে আলোচনাও হবে।' তিনি বলেন, জনপ্রত্যাশা অনুযায়ী জুলাই গণঅভ্যত্থানের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে আমরা ধারণ করব। কিছু অধ্যাদেশ আছে যেখানে জুলাই যোদ্ধাদেরকে যেই নামে অভিহিত করা হয়েছে এবং গণঅভ্যত্থানে যারা নেতৃত্ব দিয়েছে ও অংশগ্রহণ করেছে তাদের ইনডেমনিটি দেওয়ার বিষয় আছে, সেগুলোকে আমরা গ্রহণ করব। আরও কিছু বিষয়ে আছে। যেমন বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নামকরণ করা হয়েছিল তাদের নেতাদের নামে এবং বিভিন্ন নামে সেগুলো বিলুপ্ত করা হয়েছে এগুলোকে আমরা গ্রহণ করব। সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, আরও অনেক অধ্যাদেশ রয়েছে। সেগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে কোনটা কিভাবে গ্রহণ করা যায়; কোনটা সংশোধনীসহ গ্রহণ করা যায় আবার কোনটাতে পরে আরও সংশোধনী আনতে হবে সেটা সেভাবেই ফয়সালা করতে হবে। মন্ত্রী বলেন, সময় সংক্ষিপ্ত। এসব ৩০ দিনের মধ্যে ফয়সালা করার বাধ্যবাধকতা আছে। আমাদের প্রথম অধিবেশন গত ১২ তারিখ বসেছিল। পরবর্তী অর্ধবেশন আগামী ২৯ তারিখ। এর মধ্যে প্রায় ১৫ দিনের মত সময় অতিবাহিত হয়ে যাবে। বাকি ১৫ দিনের মধ্যে যা করা যায় তার ব্যবস্থা করব। বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনে এই বিশেষ কমিটির বৈঠক বসে। বৈঠকে ১৩৩ টি অধ্যাদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। সবগুলো অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে আগামী ২ এপ্রিল মধ্যে এই কমিটিকে সংসদে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ১৩৩টি অধ্যাদেশ উপস্থাপন করেন। পরে তার প্রস্তাবে অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়। এই কমিটির সভাপতি বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা জয়নুল আবেদীন। অন্য সদস্যরা হলেন-মির্জা আব্বাস, সালাহউদ্দিন আহমদ, মো. নুরুল ইসলাম, মো. আসাদুজ্জামান, মুহাম্মদ ওসমান ফারুক, এএম মাহবুর উদ্দিন, আব্দুল বারী, মুহাম্মদ নওশাদ জমির ও ফারাজানা শারমীন। এছাড়াও রয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর মো. মজিবুর রহমান, রফিকুল ইসলাম খান ও জিএম এম নজরুল ইসলাম। মির্জা আব্বাস সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন থাকায় আজকের বৈঠকে অংশগ্রহণ করতে পারেননি।   - [ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসেই সচিবালয়ে অফিস করছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10725): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঈদের ছুটির পর প্রথম কর্মদিবসে সচিবালয়ে অফিসে করছেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, প্রধানমন্ত্রী আজ (মঙ্গলবার) সকাল ৯টা ১ মিনিটে সচিবালয়ে তাঁর দফতরে আসেন। এর আগে সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে তিনি গুলশানের বাসা থেকে বের হন। অফিসে এসে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। এরপর প্রধানমন্ত্রী তাঁর দাফতরিক কাজ শুরু করেন। তিনি আরও জানান, এসময় প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী; বেসামরিক বিমান পরিবহন প্রতিমন্ত্রী রশিদুজ্জামান মিল্লাত; প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহাদি আমিন; মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণি এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আবদুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। দিনের কর্মসূচীর শুরুতে ছিল আন্তর্জাতিক মুদ্র তহবিল (আইএমএফ) এশিয়া ও প্যাসিফিক বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ। সকালে তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি। এসময় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সেখানে উপস্থিত ছিলেন।   - [ইরান ও উপসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পর বৈরুতে চার ইরানি কূটনীতিককে হত্যা করেছে ইসরায়েল](https://starnews24bd.com/news/10721): আ ফ ম বোরহন: ইরান অভিযোগ করেছে যে বৈরুতে "ইচ্ছাকৃত সন্ত্রাসী হামলা" চালিয়ে চার ইরানি কূটনীতিককে হত্যা করেছে, যখন ইরানি লক্ষ্যবস্তু এবং মিত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যাপক ইসরায়েলি ও মার্কিন সামরিক অভিযান সমগ্র অঞ্চলে প্রতিধ্বনিত হয়েছে। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাইদ ইরাভানি জাতিসংঘের মহাসচিব এবং জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ও সাধারণ পরিষদের সভাপতিদের কাছে একটি জরুরি চিঠিতে এই অভিযোগ জানিয়েছেন। ইরানের তাসনিম নিউজ এজেন্সি অনুসারে, তিনি বলেছেন যে ৮ মার্চ মধ্য বৈরুতের রামাদা হোটেলে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কূটনীতিকরা নিহত হয়েছেন। চিঠিতে ঘটনাটিকে ইসরায়েলের "ইচ্ছাকৃত সন্ত্রাসী হামলা" হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় রামাদা হোটেল ভবনের একটি অ্যাপার্টমেন্টে হামলায় চারজন নিহত এবং দশজন আহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, যা ক্রমবর্ধমান সংঘাতের সবচেয়ে গুরুতর প্রভাবগুলির মধ্যে একটি। যদিও ভবনের সমস্ত বাসিন্দার অবস্থা সম্পূর্ণরূপে স্পষ্ট করা হয়নি, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম হতাহতের ঘটনাকে ইরানি কূটনৈতিক মিশনের সাথে যুক্ত করেছে, যা তেহরানের দাবি ইচ্ছাকৃতভাবে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। বৈরুতের উপর হামলা বিচ্ছিন্ন ছিল না। মঙ্গলবার পরে, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমানগুলি বোর্জ এল বারাজনেহের লাইলাকি, জামুস এবং বাজোর স্ট্রিট সহ দক্ষিণের বেশ কয়েকটি শহরতলিতে আক্রমণ করে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জামুসের উপর হামলাটিকে "বিশেষভাবে শক্তিশালী" বলে বর্ণনা করেছেন, যেখানে কালো ধোঁয়ার ঘন কুণ্ডলী এলাকা থেকে উপরে উঠে আসছে। আরও হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে লেবাননের কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি পাওয়া যায়নি। স্থানীয় সময় দুপুর ১.৩০ টার দিকে হারেত হরেক, ঘোবেইরি, লাইলাকি, হাদাথ, বোর্জ এল বারাজনেহ, তাহভিতাত আল গাদির এবং চিয়াহের বাসিন্দাদের জন্য ইসরায়েলি সেনাবাহিনী কর্তৃক জারি করা সরে যাওয়ার সতর্কতার পরে এই হামলাগুলি করা হয়েছিল। বোমাবর্ষণটি বৈরুতের বাইরেও বিস্তৃত হয়েছিল। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে টায়ার জেলার ক্লাইলেহে একটি গাড়িতে ড্রোন হামলায় দুইজন নিহত হয়েছে। আরেকটি হামলায় জৌইয়া শহরের মেয়র এবং একজন পৌর কাউন্সিল সদস্য নিহত হয়েছেন, অন্যদিকে নাবাতিহের কফারজুজ গোলচত্বরের কাছে একজন লেবানিজ ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। লিটানি নদীর দক্ষিণে বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার নির্দেশ অনুসরণ করে এই হামলাগুলি করা হয়েছে। এই সংঘাত ইরান এবং মার্কিন-ইসরায়েলি জোটের মধ্যে তীব্রতর শত্রুতার সাথে মিলে যায়। তেহরান অভিযোগ করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কেশম দ্বীপে একটি মিঠা পানির ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট সহ গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে, যার ফলে ৩০টি গ্রামের পানি সরবরাহ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ইরানি মিডিয়া তেহরান এবং আলবোর্জ অঞ্চলের আশেপাশের পাঁচটি তেল স্থাপনায় বিমান হামলার খবরও দিয়েছে। ন্যাশনাল ইরানিয়ান অয়েল প্রোডাক্টস ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির সিইও কেরামাত ভেইসকারামি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে বলেছেন যে সুবিধাগুলি "ক্ষতিগ্রস্ত" হয়েছে কিন্তু "আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে।" এই পটভূমিতে, প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প শত্রুতাকে সম্বোধন করেছেন, অবকাঠামোগত হামলা সম্পর্কে প্রশ্নগুলিকে এড়িয়ে এবং ইরানের নেতৃত্বের নিন্দা করেছেন। তার মন্তব্যে, তিনি শিশুদের হত্যার বিষয়ে একটি দাবি পুনরাবৃত্তি করেছেন যা তখন থেকে ব্যাপকভাবে খণ্ডন করা হয়েছে: "তারা পৃথিবীর সবচেয়ে খারাপ মানুষদের মধ্যে একজন, তারা শিশুদের মাথা কেটে ফেলে, তারা মহিলাদের অর্ধেক কেটে ফেলে, তারা কী করেছে, তারা কী করেছে, ৭ই অক্টোবরের দিকে একবার নজর দিন... যদি তারা একটি ডিস্যালিনেশন প্ল্যান্ট সম্পর্কে অভিযোগ করে, তাহলে আমরা অভিযোগ করছি যে তাদের শিশুদের মাথা কেটে ফেলা উচিত নয়, ঠিক আছে?" ৭ অক্টোবরের হামলায় ইরান জড়িত ছিল না। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং মিত্রবাহিনীর অভিযান সমুদ্র ও আকাশপথে বিস্তৃত হয়েছে। ট্রাম্প বলেছেন যে ইরান মাইন অপসারণে ব্যর্থ হলে "অভূতপূর্ব সামরিক পরিণতির" সতর্ক করে আমেরিকান বাহিনী হরমুজ প্রণালীতে "১০টি নিষ্ক্রিয় মাইন-বিছানো নৌকা এবং/অথবা জাহাজ" ধ্বংস করেছে। প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথ বলেছেন যে মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড "নির্মম নির্ভুলতার সাথে" অভিযান পরিচালনা করেছে। পেন্টাগনের মুখপাত্র শন পার্নেল জানিয়েছেন যে অভিযান শুরু হওয়ার পর থেকে ১৪০ জন মার্কিন সেনা আহত হয়েছেন, যার মধ্যে আটজনের অবস্থা গুরুতর। তিনি বলেছেন যে ১০৮ জন দায়িত্বে ফিরে এসেছেন এবং গুরুতর আহত আটজন "সর্বোচ্চ স্তরের চিকিৎসা সেবা" পাচ্ছেন। এই সংখ্যা আটজন সেনা নিহত হওয়ার পাশাপাশি, যা ট্রাম্প সংঘাতের মধ্যে প্রত্যাশিত বলে বর্ণনা করেছেন। তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলায় ইসরায়েল এবং মার্কিন ঘাঁটি এবং বাহিনী হোস্টিং উপসাগরীয় দেশগুলিকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। সৌদি আরব, বাহরাইন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত ইরান থেকে ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র এবং ইউএভি প্রতিরোধের কথা জানিয়েছে। সৌদি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন যে শায়বাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে দুটি ইউএভি ভূপাতিত করা হয়েছে, প্রিন্স সুলতান বিমান ঘাঁটিতে লক্ষ্য করে ছয়টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করা হয়েছে, পূর্ব দিকে আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত করা হয়েছে এবং হাফার আল বাতিনে দুটি ড্রোন নিষ্ক্রিয় করা হয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত নিশ্চিত করেছে যে তাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয়ভাবে হুমকির জবাব দিচ্ছে, নাগরিক এবং অঞ্চল রক্ষার জন্য "পূর্ণ প্রস্তুতি" বজায় রাখছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত থাকায় তেহরান, ইসফাহান এবং তাবরিজেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে, যদিও কোনও হতাহতের বিবরণ প্রকাশ করা হয়নি। কূটনৈতিক দিক থেকে, রাশিয়া তার স্থাপনাগুলিতে হামলার বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা বলেছেন যে সপ্তাহান্তে কাছাকাছি একটি হামলায় ইসফাহানে তাদের কনস্যুলেট জেনারেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, জানালা ভেঙে গেছে এবং কর্মীদের উপর বিস্ফোরণের প্রভাব পড়েছে, যদিও কোনও হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। মস্কো কূটনৈতিক মিশনে হামলাকে আন্তর্জাতিক আইনের "স্পষ্ট লঙ্ঘন" হিসেবে নিন্দা জানিয়েছে এবং অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। ইতিমধ্যে, ইরান ইসরায়েলি ও মার্কিন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আরেকটি ঢেউ ঘোষণা করেছে। ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস জানিয়েছে যে তারা তাদের "ট্রু প্রমিজ ৪" অভিযানের ৩৫তম ধাপের অংশ হিসেবে "বড় আকারের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র হামলা" চালিয়েছে, যার মধ্যে ফাত্তাহ, এমাদ, খেইবার শেকান, খোরামশাহর এবং কদর সহ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। ইসরায়েলি মিডিয়া জানিয়েছে যে জেরুজালেমের পশ্চিমে বেইত শেমেশের কাছে একটি জনবসতিহীন এলাকায় একটি ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে, যার ফলে জেরুজালেম এলাকা এবং উপকূলীয় সমভূমি জুড়ে সাইরেন বেজে উঠেছে, হাইফায় অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। ইসরায়েল পুলিশ ধ্বংসাবশেষ এবং প্রজেক্টাইলের জন্য ব্যাপক অনুসন্ধান চালিয়েছে। তবে, ইসরায়েল, ইতিমধ্যে, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় শহরের আকাশরেখা দেখানো সরাসরি সম্প্রচার, ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাতের স্থান চিহ্নিতকারী ছবি বা সামরিক পরিকল্পনা এবং বিমান প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত তথ্যের মতো সরাসরি নিরাপত্তা হুমকি হিসেবে বিবেচিত বিষয়বস্তু প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ক্রমবর্ধমান সংঘাত আন্তর্জাতিক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ বলেছেন যে রাশিয়ার কথা তিনি মেনে নেবেন, ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের আশ্বাসের পর যে মস্কো ইরানের সাথে গোয়েন্দা তথ্য ভাগাভাগি করছে না। উইটকফ মন্তব্য করেছেন: "আমরা তাদের কথা মেনে নিতে পারি। আশা করি তারা তথ্য ভাগাভাগি করছে না," তবে স্বীকার করেছেন যে স্বাধীন যাচাইকরণ "ইন্টেলের লোকদের জন্য একটি ভাল প্রশ্ন।" ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি নিশ্চিত করেছেন যে রাশিয়া ইরানকে "বিভিন্ন দিকে" সামরিক সহায়তা দিচ্ছে, তবে মার্কিন বাহিনীর গোয়েন্দা তথ্য অন্তর্ভুক্ত কিনা তা উল্লেখ না করেই এটি করা হয়েছে। - [ইরানের হামলার নিন্দায় জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের নিন্দাকে স্বাগত জানায় মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ](https://starnews24bd.com/news/10718): স্টার নিউজ ডেস্ক: বুধবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের একটি প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছে মুসলিম ওয়ার্ল্ড লীগ, উপসাগরীয় দেশ এবং জর্ডানের উপর ইরানের হামলার নিন্দা জানিয়ে এবং প্রতিবেশী দেশগুলির বিরুদ্ধে যেকোনো হুমকি বা উস্কানি অবিলম্বে এবং নিঃশর্তভাবে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে। এক বিবৃতিতে, সংস্থাটি বলেছে যে প্রস্তাবের প্রতি ব্যাপক সমর্থন "ইরানের হামলাকে প্রত্যাখ্যান করার একটি স্পষ্ট বার্তা পাঠায়, যা তুচ্ছ যুক্তির উপর ভিত্তি করে এবং বিশৃঙ্খলা ছড়িয়ে দেওয়া এবং সংঘাত বৃদ্ধির লক্ষ্যে পরিচালিত।" লীগ সতর্ক করে দিয়েছে যে এই ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ এবং আন্তর্জাতিক শান্তির জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করে। এছাড়াও, এটি হামলার লক্ষ্যবস্তুভুক্ত দেশগুলির প্রতি তার সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছে এবং আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা বজায় রাখার জন্য তাদের দায়িত্ব পালনের জন্য নিরাপত্তা পরিষদের সদস্যদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটি ইরানকে আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রাসঙ্গিক জাতিসংঘের প্রস্তাবের অধীনে তার বাধ্যবাধকতা সম্পূর্ণরূপে মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে। এর আগে, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ উপসাগরীয় দেশ এবং জর্ডানের উপর ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার নিন্দা জানিয়ে এবং এগুলিকে আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হিসেবে বর্ণনা করে প্রস্তাব ২৮১৭ গ্রহণ করেছে। - [আমেরিকা থেকে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরে পৌঁছেছে](https://starnews24bd.com/news/10715): স্টার নিউজ ডেস্ক: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের আলোকে নগদ ক্রয় চুক্তির অধীনে আমেরিকা থেকে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম নিয়ে জাহাজ মোংলা বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে। ক্রয় চুক্তি নন্বর জি টু জি -০৩ এর আওতায় এই গম এসেছে। বুধবার খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ইতোমধ্যে সরকার টু সরকার ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম শুরু করছে। চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সকল গম দেশে পৌঁছেছে। এখানে উল্লেখ্য, চুক্তি-১ মোতাবেক ২,৩৭,৮৪৫ মেট্রিক টন এবং চুক্তি-২ মোতাবেক ২,৩০,০৩৯ মেট্রিক টন মোট: ৪,৬৭,৮৮৪ মেট্রিক টন গম ইতোমধ্যে দেশে এসেছে । দেশে মোট গমের চাহিদা কম বেশি ৭০ লাখ মেট্রিক টন। দেশে উৎপাদন হয় কম বেশি ১০ লাখ মেট্রিক টন। চাহিদা পূরণের জন্য সরকারি বেসরকারি পর্যায়ে অবশিষ্ট গম বিদেশ থেকে আমদানি করা হয়। জাহাজে রক্ষিত গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। দ্রুত গম খালাসের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে ।   - [কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের উদ্যোগ দোহা দূতাবাসের](https://starnews24bd.com/news/10713): স্টার নিউজ ডেস্ক: উপসাগরীয় অঞ্চলে চলমান উত্তজনার মধ্যে কাতারে আটকে পড়া বাংলাদেশিদের দেশে ফেরাতে বিশেষ ফ্লাইটের ব্যবস্থা করছে দোহাস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস। এ বিষয়ে তারা কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে কাজ করছে। ১১ মার্চ জারি করা এক জরুরি বার্তায় দূতাবাস জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভ্রমণ সহজ করতে তারা কাতার সরকার ও কাতার এয়ারওয়েজের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ রক্ষা করছে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশে ফিরতে চাওয়া যাত্রীদের মধ্যে পরিবার, নারী, শিশু এবং বয়স্কদের এই বিশেষ ফ্লাইটে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। দূতাবাস আরও জানায়, আগ্রহী যাত্রীদের তালিকা তৈরির জন্য তাদের অফিশিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে একটি ‘গুগল ফর্ম’ লিংক প্রকাশ করা হয়েছে। এই বিশেষ ব্যবস্থায় দেশে আসার জন্য আটকে পড়া বাংলাদেশিদের যত দ্রুত সম্ভব ওই ফর্মের মাধ্যমে নিজেদের তথ্য জমা দেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে। উপসাগরীয় অঞ্চলের কিছু অংশে নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে এই নির্দেশনা জারি করা হয়। পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করে বিদেশে অবস্থানরত নিজ দেশের নাগরিকদের সহায়তা দিতে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো সমন্বয় চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশি জনশক্তির অন্যতম প্রধান গন্তব্য কাতার। দেশটির নির্মাণ ও সেবা খাতসহ বিভিন্ন খাতে বিপুল সংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশি কর্মরত রয়েছেন। জরুরি অবস্থা বা ভ্রমণ বিঘ্নিত হওয়ার মতো পরিস্থিতিতে নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে বা বিশেষ ভ্রমণ সহায়তা দিতে বাংলাদেশের কূটনৈতিক মিশনগুলো প্রায়ই সংশ্লিষ্ট দেশের সরকার ও এয়ারলাইন্সগুলোর সাথে সমন্বয় করে কাজ করে।   - [ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু: সংসদকে যুক্তি-তর্ক ও জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10710): স্টার নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় সংসদকে তিনি সকল যুক্তি, তর্ক এবং জাতীয় সমস্যা সমাধানের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে চান। আজ বৃহস্পতিবার সকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের শুরুতে তিনি ভাষণ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদের নির্মমতার শিকার অসংখ্য মানুষের কান্না ও হাজারো প্রাণের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আবারও জনগণের ভোটে জনগণের কাছে জবাবদিহিমূলক একটি সত্যিকারের জনপ্রতিনিধিত্বশীল জাতীয় সংসদের যাত্রা শুরু হচ্ছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের রাজনীতির এই ঐতিহাসিক মুহূর্তে তিনি মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করছেন, যার অশেষ রহমতে একটি ন্যায়ভিত্তিক, গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন যাত্রা শুরু করা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা রক্ষার সংগ্রাম পর্যন্ত গণতন্ত্র ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা শহীদ হয়েছেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রালগ্নে তিনি তাঁদের কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, এসব আন্দোলন-সংগ্রামে যেসব মায়েরা সন্তান হারিয়েছেন, যেসব সন্তান তাঁদের প্রিয়জন হারিয়েছেন, যেসব পরিবার স্বজন হারিয়েছে এবং যেসব আহত মানুষ স্বাভাবিক জীবন হারিয়েছেন, তাঁদের অবদান তিনি কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি আরও বলেন, নির্যাতন, নিপীড়ন, রাজনৈতিক হয়রানি কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়ে যারা সর্বস্ব হারিয়েছেন, দেশের ছাত্র-জনতা, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, আইনজীবী, কামার-কুমার, জেলে-তাঁতি, গাড়িচালক, ব্যবসায়ী, সরকারি-বেসরকারি চাকরিজীবী, গৃহিণীসহ দেশের সর্বস্তরের মানুষ যারা গুম, খুন, হত্যা, নির্যাতন, নিপীড়ন এবং মিথ্যা হামলা-মামলার শিকার হয়েছেন কিংবা জীবন্ত মানুষ কবরস্থানের মতো বর্বর বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর মতো পরিস্থিতির মধ্যেও যাদের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে রুখে দেওয়া যায়নি, তাদের সাহসী ভূমিকায় দেশে পুনরায় গণতন্ত্র ফিরে এসেছে। প্রধানমন্ত্রী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের এই যাত্রালগ্নে দেশের স্বাধীনতাপ্রিয় গণতান্ত্রিক বীর ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানান। ভাষণে তিনি বলেন, দেশনেত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠায় দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এবং সেটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিয়েছিলেন। কিন্তু পরে সেই গণতন্ত্রকে প্রহসনে পরিণত করে জাতীয় সংসদকে হাস্যরসের খোরাকে পরিণত এবং দেশে তাঁবেদারি শাসন-শোষণ কায়েম করা হয়। তিনি বলেন, দেশের সংসদীয় গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য বেগম খালেদা জিয়া জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত লড়াই করেছেন এবং জীবনে কখনো স্বৈরাচার কিংবা ফ্যাসিবাদের সঙ্গে আপস করেননি। আজ থেকে দেশে আবারও সেই কাঙ্ক্ষিত সংসদীয় গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংসদীয় রাজনীতির প্রতিষ্ঠাতা বেগম খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের এই সাফল্যের মুহূর্তটি দেখে যেতে পারেননি। তাই জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে তিনি দেশ ও জনগণের স্বার্থে আপসহীন নেতৃত্বের অধিকারী, স্মরণীয় ও অনুকরণীয় রাজনীতিবিদ মরহুমা খালেদা জিয়াকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। তিনি বলেন, দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বলেছিলেন—‘জনগণই যদি রাজনৈতিক দল হয়, তাহলে আমি সেই দলেই আছি’। অর্থাৎ ব্যক্তি বা দলের স্বার্থ নয়, জনগণের স্বার্থই সবচেয়ে বড়—এটাই বিএনপির রাজনীতি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি প্রথমবারের মতো বিএনপি থেকে জাতীয় সংসদ সদস্য এবং সংসদীয় দলের নেতা নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি বলেন, জাতীয় সংসদে দলের প্রতিনিধিত্ব করলেও প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন এবং দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে দেশের জনগণের প্রতিনিধিত্ব করছেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্রতিটি পরিবারকে স্বনির্ভর করার মাধ্যমেই বিএনপি একটি স্বনির্ভর, সমৃদ্ধ, নিরাপদ ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করতে চায়। এই লক্ষ্য অর্জনে তিনি গণতান্ত্রিক জনগণের সমর্থন ও সহযোগিতা কামনা এবং জাতীয় সংসদের সকল দলের নির্বাচিত সদস্যদের সমর্থন প্রত্যাশা করেন। তিনি বলেন, দল বা মত কিংবা কর্মসূচি ভিন্ন হতে পারে, কিন্তু তাঁবেদারমুক্ত, ফ্যাসিবাদমুক্ত, স্বাধীন, সার্বভৌম, নিরাপদ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কোনো বিরোধ থাকতে পারে না। প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় সংসদকে জাতীয় কর্মকাণ্ডের কেন্দ্রবিন্দু না করে বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট সরকার সংসদকে অকার্যকর করে ফেলেছিল। তিনি বলেন, নতুন সংসদের যাত্রা শুরু করার সময় সংসদের সাবেক স্পিকার কিংবা ডেপুটি স্পিকার উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও পতিত ও পরাজিত সরকারের জনবিরোধী কর্মকাণ্ডের কারণে সৃষ্ট জনরোষের ফলে তাদের খুঁজে পাওয়া যায়নি। তাদের কেউ কারাগারে, কেউ নিখোঁজ কিংবা কেউ পলাতক রয়েছে। তিনি বলেন, দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী ও তাঁবেদারি শাসন-শোষণের পর জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের নিয়ে এক বিশেষ পরিস্থিতিতে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে সংবিধান ও সংসদের কার্যপ্রণালি বিধির বিধান অনুসরণ করে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সভাপতিত্ব করার জন্য তিনি প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও পাঁচবারের নির্বাচিত জাতীয় সংসদ সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের নাম প্রস্তাব করেন। তিনি বলেন, সংসদীয় রীতিনীতির ইতিহাসে এ ধরনের পরিস্থিতি নজিরবিহীন নয়। ১৯৭৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ মুজিবুর রহমান ওই সংসদের সদস্য মাওলানা আব্দুর রশিদ তর্কবাগীশের নাম প্রস্তাব করেছিলেন এবং তার সভাপতিত্বে বাংলাদেশের প্রথম সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল।   - [সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন](https://starnews24bd.com/news/10708): স্টার নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের জন্য পাঁচ সদস্যের সভাপতিমণ্ডলীর মনোনয়ন দেয়া হয়েছে। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) আজ এ মনোনয়ন দেন। সভাপতিমণ্ডলীর সদস্যরা হচ্ছেন, মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ (ঢাকা-৮), গয়েশ্বর চন্দ্র রায় (ঢাকা-৩), ড. আব্দুল মঈন খান (নরসিংদী-২), মো. মনিরুল হক চৌধুরী (কুমিল্লা-৬) এবং এটিএম আজহারুল ইসলাম (রংপুর-২)। তাঁরা স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের অনুপস্থিতিতে তালিকার অগ্রবর্তীতা অনুযায়ী বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন। - [শপথ নিলেন স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার](https://starnews24bd.com/news/10705): স্টার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় সংসদের স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামাল শপথ গ্রহণ করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার পর জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে আয়োজিত শপথ অনুষ্ঠানে তাদের শপথবাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান উপস্থিত ছিলেন। সংসদ সচিবালয়ের সচিব কানিজ মওলা শপথ অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন। এর আগে সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার নির্বাচিত হন ভোলা-৩ আসনের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম) এবং ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হন নেত্রকোনা-১ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। পরে সংসদের অধিবেশন ৩০ মিনিটের জন্য মুলতবি করে তাদের শপথ পড়ানো হয়। জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। হাফিজ উদ্দিন আহমদ এতদিন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এবং কায়সার কামাল ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। - [গণতন্ত্র শক্তিশালী করতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান মোশাররফের](https://starnews24bd.com/news/10702): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা শক্তিশালী করা, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং জবাবদিহিতা বজায় রাখতে সংসদ সদস্যদের একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রবীণ সংসদ সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন। তিনি আজ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। সংসদে সভাপতি হিসেবে স্পিকারের চেয়ারে আসন গ্রহণ করে তিনি সংসদ সদস্যদের উদ্দেশ্যে দেয়া বক্তব্যে এই আহ্বান জানান। উদ্বোধনী অধিবেশনে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের স্বাগত ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনের পর নতুন সংসদ দেশের গণতান্ত্রিক যাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে সংসদ সদস্যরা সংসদে এসেছেন এবং দেশের সেবা করার বড় দায়িত্ব তাদের ওপর ন্যস্ত রয়েছে। তিনি বলেন, ‘সব সদস্যের সক্রিয় ও দায়িত্বশীল অংশগ্রহণ গণতন্ত্রের নবযাত্রাকে আরও গতিশীল ও সমৃদ্ধ করবে।’ এ প্রসঙ্গে তিনি জনগণের প্রত্যাশা পূরণ এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সম্মিলিত প্রচেষ্টার ওপর জোর দেন। সাবেক এই মন্ত্রী তাঁকে ত্রয়োদশ সংসদের ঐতিহাসিক প্রথম অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার সুযোগ দেওয়ায় সংসদ সদস্যদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। বক্তৃতার শুরুতে তিনি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের শহীদ, ভাষা আন্দোলনের শহীদ এবং দীর্ঘ গণতান্ত্রিক সংগ্রামে জীবন উৎসর্গকারীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদেরও স্মরণ করেন এবং বলেন, তাদের ত্যাগ জাতিকে মনে করিয়ে দেয় যে স্বাধীনতা রক্ষা করতে হলে অবিরাম অঙ্গীকারের প্রয়োজন। সাম্প্রতিক জাতীয় নির্বাচনকে তিনি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি ‘মাইলফলক’ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, অনেক বছর পর নাগরিকরা স্বাধীনভাবে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পেরেছেন। তিনি সরকার গঠন করার জন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলকে অভিনন্দন জানান। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানান তিনি। প্রথমবারের মতো সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা গ্রহণ করায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীকেও তিনি অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাঁর বক্তব্যে তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-এর প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং তাঁকে স্বাধীনতার ঘোষক ও বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার অন্যতম প্রধান ব্যক্তিত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও স্মরণ এবং রাজনৈতিক প্রতিকূলতা ও কারাবরণ সত্ত্বেও গণতন্ত্রের জন্য তাঁর সংগ্রাম ও দেশে সংসদীয় ব্যবস্থা পুনঃপ্রবর্তনে তাঁর ভূমিকার প্রশংসা করেন। মোশাররফ বলেন, নতুন সংসদের উচিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগের বিচার নিশ্চিত করা, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা শক্তিশালী করা এবং মুক্তিযুদ্ধের নিরপেক্ষ ইতিহাস সংরক্ষণ করে একটি মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গঠনে কাজ করা। আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, ত্রয়োদশ সংসদ পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও সহযোগিতার মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন এবং দেশের অগ্রযাত্রায় গঠনমূলক ভূমিকা পালন করবে। তিনি বলেন, ‘ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের যাত্রা আজ শুরু হলো। আমরা বাংলাদেশকে উন্নয়ন ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিয়ে যাব।’   - [শাহ এমদাদীয়া চট্টগ্রাম মহানগরের আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/10699): স্টার নিউজ ডেস্ক: আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম মহানগর কার্যকরী সংসদের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ও বিশেষ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১১ মার্চ) নগরীর খুলশীস্থ মাইজভাণ্ডারী খানকা শরীফে এই মাহফিল সম্পন্ন হয়। চট্টগ্রাম মহানগর কার্যকরী সংসদের সভাপতি শফিউল আলম ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) কেন্দ্রীয় কার্যকরী সংসদের যুগ্ম-সচিব অধ্যাপক মেজবাউল আলম ভুঁইয়া শৈবাল। সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের সাধারণ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ। আলোচনা সভায় স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন চট্টগ্রাম মহানগর কার্যকরী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক মুহাম্মদ সোহেল চৌধুরী। আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক মেজবাউল আলম ভুঁইয়া শৈবাল বলেন, রমজান আত্মশুদ্ধি ও পরম করুণাময় আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাস। গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারীর মানবকল্যাণমুখী দর্শনকে বুকে ধারণ করে আমাদের মানবতার সেবায় নিবেদিত হতে হবে। সুফিবাদের এই শিক্ষা সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় অনন্য ভূমিকা রাখে। অনুষ্ঠানে মহানগর কার্যকরী সংসদের কর্মকর্তাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সহ-সভাপতি সফিউর রহমান সাইফু, কোষাধ্যক্ষ আই. আইচ. মুহাম্মদ মিয়া, দারুত-তায়ালীম সম্পাদক মওলানা মুহাম্মদ আলী আছগর, জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক সরওয়ার কামাল, দপ্তর ও পাঠাগার সম্পাদক অধ্যাপক আহমদ কবির, সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মুহাম্মদ নাসের তালুকদার এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ আরিফুল ইসলাম। আলোচনা সভায় নগরীর খুলশী, পাঁচলাইশ, বায়েজিদ, চান্দগাঁও, বাকলিয়া, কোতোয়ালী, ডাবলমুরিং-সদরঘাট, বন্দর-পতেঙ্গা, পাহাড়তলী-হালিশহর ও আকবরশাহ থানা কার্যকরী সংসদসহ বিভিন্ন শাখা কমিটি ও দায়রা শাখার কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন। আলোচনা সভা শেষে দেশ, জাতি ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহর শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। এরপর উপস্থিত সকলে একত্রে ইফতারে অংশগ্রহণ করেন। - [পূর্ব লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত, আঞ্চলিক সংঘাত আরও তীব্রতর হচ্ছে](https://starnews24bd.com/news/10695): স্টার নিউজ ডেস্ক: লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শনিবার পূর্ব লেবাননে ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ৫৫ জন নিহত এবং ৪০ জন আহত হয়েছে, কারণ ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের সাথে যুক্ত লড়াই এই অঞ্চল জুড়ে তীব্রতর হচ্ছে। মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শনিবার ভোরে বালবেক জেলার শমুস্টার শহরে ইসরায়েলি বিমান হামলায় চার শিশু ও এক মহিলাসহ ছয়জন নিহত হয়েছে। মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নবী চিত শহর এবং বালবেকের নিকটবর্তী এলাকায় পৃথক ইসরায়েলি বিমান হামলায় ৪১ জন নিহত হয়েছে, যার মধ্যে তিন সৈন্য রয়েছে এবং ৪০ জন আহত হয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অভিযানের ক্রমবর্ধমান অংশ হিসেবে এই হামলাগুলি তৈরি হয়েছে। লেবাননের দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ইউনিটের মতে, এই হামলাগুলি গত পাঁচ দিনে ইতিমধ্যে ১,১২,৫২৫ জনকে বাস্তুচ্যুত করেছে। বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে ২৬,১৬৩টি পরিবার রয়েছে এবং কর্তৃপক্ষ দেশজুড়ে ৫১৪টি আশ্রয়কেন্দ্র খুলেছে যারা তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়েছে। ইসরায়েলি কমান্ডো অভিযানের ফলে সংঘর্ষ শুরু হয়েছে: লেবানন ও সিরিয়ার মধ্যবর্তী পাহাড়ি সীমান্ত অঞ্চলে রাতভর লড়াইয়ের পর বিমান হামলা চালানো হয়, যা লেবাননের গণমাধ্যম ইসরায়েলি বিমান হামলার প্রচেষ্টা বলে বর্ণনা করেছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থার মতে, পূর্ব পর্বতমালার খরাইবেহ, মা'আরাবুন এবং ইয়াহফুফা শহরের মধ্যবর্তী একটি দুর্গম এলাকায় চারটি অ্যাপাচি হেলিকপ্টার একটি কমান্ডো ইউনিট মোতায়েন করার পর ইসরায়েলি বাহিনী নবী চিতের কাছে বিমান হামলা চালানোর চেষ্টা করে। ইসরায়েলি ইউনিটটি অন্ধকারের আড়ালে নবী চিতের পূর্বাঞ্চলীয় একটি কবরস্থানের দিকে অগ্রসর হয় কিন্তু হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা এবং স্থানীয় বাসিন্দারা তাদের সনাক্ত করে, যার ফলে হালকা ও মাঝারি অস্ত্রের মাধ্যমে সংঘর্ষ শুরু হয়। ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান এবং হেলিকপ্টারগুলি পরবর্তীতে বাহিনী প্রত্যাহার এবং ঘটনাস্থলে শক্তিবৃদ্ধি রোধ করার জন্য এলাকায় প্রায় ৪০টি বিমান হামলা চালায়, সংস্থাটি জানিয়েছে। হিজবুল্লাহ সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছে, হেলিকপ্টার অবতরণ দেখতে পাওয়ার পর তাদের যোদ্ধারা গ্রামের কবরস্থানের কাছে ইসরায়েলি ইউনিটের উপর হামলা চালায়। দলটি আরও জানিয়েছে যে বিশেষ বাহিনীকে প্রত্যাহার নিশ্চিত করার জন্য ইসরায়েলি বাহিনী ভারী বিমান হামলা চালিয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী পরে স্বীকার করেছে যে তাদের বিশেষ বাহিনী নিখোঁজ নাবিক রন আরাদকে খুঁজে বের করার লক্ষ্যে লেবাননে রাতভর অভিযান চালিয়েছিল, কিন্তু অভিযান ব্যর্থ হয়েছে বলে জানিয়েছে। সেনাবাহিনী আরও জানিয়েছে যে কোনও ইসরায়েলি সৈন্য আহত হয়নি। বৃহত্তর আঞ্চলিক যুদ্ধের সাথে সম্পর্কিত ক্রমবর্ধমান সংঘর্ষ: হিজবুল্লাহর সীমিত রকেট হামলার পর সোমবার থেকে লেবাননে ইসরায়েলের সম্প্রসারিত সামরিক অভিযানের মধ্যে সর্বশেষ ঘটনাবলী এসেছে। ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের শুরু হওয়া যুদ্ধের সাথে যুক্ত বৃহত্তর আঞ্চলিক উত্তেজনার পটভূমিতে এই উত্তেজনা দেখা দিচ্ছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরে আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধে পরিণত হওয়ার পর থেকে, লেবাননে ৪,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং ১৭,০০০ জন আহত হয়েছে, লেবাননের পরিসংখ্যান অনুসারে। ২০২৪ সালের নভেম্বরে হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়া সত্ত্বেও, ইসরায়েল প্রায় প্রতিদিনই হামলা চালিয়ে যাচ্ছে যার ফলে শত শত মানুষ নিহত ও আহত হয়েছে। এই চলমান হামলার জবাবে, হিজবুল্লাহ শনিবার জানিয়েছে যে তারা উত্তর ইসরায়েলে ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা এবং সেনাঘাঁটিতে রকেট এবং ড্রোন ব্যবহার করে ২০টি হামলা চালিয়েছে। গোষ্ঠীটি জানিয়েছে যে বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠ সহ "ডজন ডজন লেবাননের শহর ও শহরে ইসরায়েলি হামলার প্রতিক্রিয়ায়" এই হামলা চালানো হয়েছে। লক্ষ্যবস্তুগুলির মধ্যে ছিল উত্তর ইসরায়েলের নাহারিয়া, যেখানে হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে তারা বাসিন্দাদের সরে যাওয়ার সতর্ক করার পরে তিনটি রকেট ব্যারেজ এবং এক ঝাঁক ড্রোন নিক্ষেপ করেছে। গোষ্ঠীটি নাহারিয়া এবং কিরিয়াত শমোনার বাসিন্দাদের অবিলম্বে সেখান থেকে দক্ষিণে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছে, টেলিগ্রামে দুটি শহরের মানচিত্র পোস্ট করেছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে তারা কিরিয়াত এলিজার সাইটে আয়রন ডোম রাডার সিস্টেমকেও লক্ষ্যবস্তু করেছে, এটিকে হাইফার একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান প্রতিরক্ষা ঘাঁটি হিসাবে বর্ণনা করেছে। অতিরিক্ত হামলা হাইফা, কিরিয়াত শমোনা, স্টেলা মারিস ঘাঁটি এবং একরের কাছে রাফায়েল সামরিক শিল্প কমপ্লেক্সকে লক্ষ্য করে চালানো হয়েছে বলে জানা গেছে। এই গোষ্ঠীটি দক্ষিণ লেবাননের খিয়াম এবং হামামিস পাহাড়ের কাছে ইসরায়েলি সেনাদের অবস্থান, ফাতিমা গেট ক্রসিং এবং সাফেদের উত্তর-পশ্চিমে আইন জেইতিম ঘাঁটির কাছে সামরিক অবস্থানে রকেট ও ড্রোন হামলার কথাও জানিয়েছে। হিজবুল্লাহ জানিয়েছে যে তারা লেবাননের সীমান্ত থেকে প্রায় ১২০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত তেল হাশোমার ঘাঁটির দিকে একটি "নির্ভুল ক্ষেপণাস্ত্র" নিক্ষেপ করেছে। ইসরায়েল তেহরানে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলের পাবলিক ব্রডকাস্টারের মতে, ভৌগোলিকভাবে সংঘর্ষ আরও বিস্তৃত হওয়ার সাথে সাথে, ইসরায়েল শনিবার সন্ধ্যায় ইরানে বিমান হামলার একটি নতুন ঢেউ শুরু করেছে, তেহরানের তেল সংরক্ষণাগার এবং পরিশোধনাগারগুলিকে লক্ষ্য করে। ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে যে তারা ইরানের রাজধানীর অবকাঠামো লক্ষ্য করে নতুন করে হামলা শুরু করেছে, যেখানে ৮০ টিরও বেশি ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান রয়েছে। - [শিক্ষার মানোন্নয়নে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় জোরদার করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10692): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার সার্বিক মানোন্নয়ন এবং আধুনিক অবকাঠামো নির্মাণে আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সঙ্গে সমন্বয় আরো জোরদার করার ব্যাপারে গুরুত্বারোপ করেছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ রোববার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক বাংলাদেশ কান্ট্রি ডিরেক্টর হায়ে ইয়ুন জং-এর সাথে এক বৈঠকে তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বৈঠকে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের চলমান ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতা জোরদার করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে শিক্ষার গুণগত মান বৃদ্ধি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, ডিজিটাল শিক্ষা সম্প্রসারণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। মাধ্যমিক শিক্ষা উন্নয়ন ছাড়াও কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা (টিভিইটি) শক্তিশালীকরণ এবং উচ্চশিক্ষায় গবেষণা ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে এডিবির সহযোগিতা বৃদ্ধির সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়। এডিবি দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। বৈঠকে বর্তমানে চলমান প্রকল্পসমূহের অগ্রগতি পর্যালোচনা করা হয় মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন শিক্ষা খাতে সরকারের বিভিন্ন অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ তুলে ধরে এডিবির চলমান সহযোগিতার জন্য ধন্যবাদ জানান। এডিবি কান্ট্রি ডিরেক্টর হায়ে ইয়ুন জং বাংলাদেশের শিক্ষা খাতের উন্নয়নে এডিবির অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সরকারের উন্নয়নমূলক উদ্যোগে পাশে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেন। বৈঠকে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং এডিবির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। - [দুর্বৃত্তের হামলায় আহত সাংবাদিকদের খোঁজ নিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10689): স্টার নিউজ ডেস্ক: কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুর্বৃত্তের হামলায় আহত সাংবাদিকদের খোঁজখবর নিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। তথ্যমন্ত্রী ফোনে আহত সাংবাদিকদের খোঁজখবর নেন। এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলামের সঙ্গেও কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে দোষীদের উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত এবং হামলায় আহত সাংবাদিকদের নিরাপত্তা বিধানের নির্দেশ দেন। ইতোমধ্যে হামলাকারীদের মধ্যে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে মন্ত্রীকে অবহিত করেন জেলা প্রশাসক। গত ৫ই মার্চ সংবাদ সংগ্রহের কাজে পাগলা মসজিদে গেলে দুর্বৃত্তরা সাংবাদিকদের ওপর হামলা করে।   - [১৪ মার্চ সারাদেশে ইমাম মোয়াজ্জিনদের মাসিক ভাতা প্রদান কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10687): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামী ১৪ই মার্চ সারাদেশে ইমাম মোয়াজ্জিনদের জন্য সরকার প্রদত্ত মাসিক ভাতা কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন। আজ রবিবার সচিবালয়ে ধর্ম মন্ত্রণালয়ে ধর্মমন্ত্রীর অফিস কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা ইসমাইল জবিউল্লাহ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই অবগত আছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে নির্বাচনী অঙ্গীকার হিসেবে অন্যতম প্রধান প্রতিশ্রুতি ছিল ধর্মীয় ও সামাজিক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করতে সব ধর্মের উপাসনালয়ের ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের জন্য সম্মানী ও প্রশিক্ষণ ভিত্তিক কল্যাণ ব্যবস্থা চালু করা। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার গঠনের পর থেকেই আমাদের নির্বাচনী ইশতেহারে যে সমস্ত প্রতিশ্রুতির কথা বলা ছিল একে একে সে সমস্ত প্রতিশ্রুতির ফ্ল্যাগশিপ যেসব প্রতিশ্রুতিগুলো আছে সেগুলো বাস্তবায়নের কার্যকরী পদক্ষেপ ইতিমধ্যে নেয়া হয়েছে, আপনারা সেটা দেখেছেন- আমাদের ফ্যামিলি কাডর্, আমাদের কৃষক কার্ড নিয়ে অলরেডি আলোচনা হয়েছে। তিনি বলেন, এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে ঈদুল ফিতরের পূর্বেই মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেম এবং অন্যান্য উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিবর্গের জন্য মাসিক সম্মানী প্রদানের বিষয়ে সরকার সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি বলেন, সরকার প্রথম পর্যায়ে আসন্ন ঈদুল ফিতর ২০২৬ এর পূর্বেই একটি পাইলট স্কিমের আওতায় মাসিক ভাতা চালু করার লক্ষ্যে প্রাথমিক পর্যায়ে প্রতিটি ইউনিয়ন এবং প্রতিটি পৌরসভা হতে একটি করে মোট ৪৯০৮ টি মসজিদ এবং অন্যান্য উপাসনালয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি উপজেলা হতে দুটি করে মোট ৯৯০ টি মন্দির। সারাদেশে ৭২ টি উপজেলায় বৌদ্ধ বিহার অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা হতে দুইটি করে মোট ১৪৪ টি বৌদ্ধ বিহার ও ১৯৮ টি উপজেলায় গির্জা অবস্থিত হওয়ায় প্রতিটি উপজেলা হতে দুইটি করে মোট ৩৯৬ টি গির্জা নির্বাচন করা হয়েছে। তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে পাইলট স্কিমের আওতায় মাসিক ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিটি মসজিদের ইমাম সাহেব পাবেন ৫,০০০ টাকা করে সম্মানী। মুয়াজ্জিন সাহেব পাবেন ৩,০০০ টাকা করে সম্মানী। খাদেম সাহেব পাবেন ২,০০০ টাকা করে সম্মানী। তার মানে প্রতিটি মসজিদে মাসিক ১০,০০০ টাকা করে দেয়া হবে। পুরোহিত মন্দিরের পুরোহিত পাবেন ৫,০০০ টাকা। সেবা সায়েদ পাবেন ৩,০০০ টাকা। বৌদ্ধ বিহারের বিহার অধ্যক্ষ পাবেন ৫,০০০ এবং বিহার উপাধ্যক্ষ পাবেন ৩,০০০। গির্জার যাজক পাবেন ৫,০০০ এবং সহকারী যাজক পাবেন ৩,০০০ টাকা। মানে প্রতিটি গির্জা, মন্দির এবং বুদ্ধ মন্দিরে দেওয়া হচ্ছে ৮,০০০ টাকা করে এবং প্রতি মসজিদে দেওয়া হচ্ছে ১০,০০০ টাকা করে। তিনি বলেন, এছাড়া প্রতিবছর ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহাতে ১,০০০ টাকা করে এবং দুর্গাপূজা বৌদ্ধ মা ও বড়দিনে সংশ্লিষ্ট পুরোহিত সেবায়িত বিহার অধ্যক্ষ বিহার উপাধ্যক্ষ যাজক ও সহকারী যাজকদেরকে ২,০০০ টাকা করে উৎসব ভাতা প্রদান করা হবে। তিনি বলেন, এই সম্মানী প্রদানের জন্য চলতি অর্থবছরে ২৭ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা প্রয়োজন হবে। আগামী ১৫ই মার্চ তারিখের মধ্যে নির্বাচিত সকল উপকার ভোগীর নিকট সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে এই সম্মানী প্রেরণ করা হবে। তিনি বলেন, সম্মানী কোন হাতে হাতে দেয়া হবে না। তাদের ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে এই টাকা তাদের একাউন্টে পৌঁছে যাবে। অতএব কোন ধরনের দুর্নীতির মত সুযোগ আমরা এই সিস্টেমের মধ্যে রাখিনি।   - [দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফে বদর দিবস উদযাপন ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/10684): স্টার নিউজ ডেস্ক: ১৭ রমজান ২য় হিজরি মদিনা হতে ৮০ মাইল দক্ষিণ -পশ্চিমে বদর উপত্যকায় রাসূল (দঃ) এর সেনাপতিত্বে মুসলিম বাহিনী ও কাফির বাহিনীর মধ্যে প্রথম সম্মুখ যুদ্ধ সংঘটিত হয়।।এ যুদ্ধ ছিল অসত্যের বিরুদ্ধে সত্যের লড়াই বাতিলের বিরুদ্ধে হক্বের যুদ্ধ। ইসলাম ও মুসলমানদের অস্তিত্বের সংগ্রাম মহান আল্লাহ কাফের প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে মুসলিম বাহিনীকে বিজয় দান করেন। মহান ১৭ রমজান ঐতিহাসিক শোহাদায়ে বদর দিবস স্মরণে রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিল বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়ার আয়োজনে ও বেতাগী রহমানিয়া জামেউল উলুম সিনিয়র মাদ্রাসার সহযোগিতায় ১৭ রমজান১৪৪৭ হিজরি ০৭ মার্চ '২৬ ইংরেজি দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফ জামে মসজিদ এ অনুষ্ঠিত হয় । মাওলানা আরিফুর রহমান রাশেদ এর সঞ্চালনায় দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফের সাজ্জাদানশীন বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়ার সভাপতি পীরে তরিকত হযরতুল আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ সাহেব মাদ্দাজিল্লুহুল আলী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত । এই মাহফিলে শোহাদায়ে বদরের স্মরণে ও রমজানের তাৎপর্য শীর্ষক বক্তব্য রাখেন বেতাগী রহমানিয়া জামেউল উলুম সিনিয়র মাদরাসার অধ্যক্ষ আল্লামা ইলিয়াছ নুরী, উপাধ্যক্ষ আল্লামা জসিম উদ্দিন আবেদী আলকাদেরী , মাওলানা কাজী হাফিজুর রহমান। অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা আবু জাফর মানিকি , মাওলানা হাফেজ আব্দুল হাই, আহমদ সাঈদ, মোহাম্মদ মমতাজুল হক, মাওলানা আলাউদ্দিন, অধ্যাপক বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়ার কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট শাহজাদা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান পেঠান শাহ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট সৈয়দ রেজাউল করিম বাবর, কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য মুহাম্মদ শাহজাহান খান, আলহাজ¦ মোহাম্মদ আলমগীর, আলহাজ¦ মোহাম্মদ আলমগীর । এতে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরের সভাপতি গাজী মোহাম্মদ জামাল উদ্দিন মোহাম্মদ আলমশাহ, ডাঃ মোহাম্মদ ইউছুফ, নজরুল ইসলাম চৌধুরী মোহাম্মদ হারুন, মাওলানা আবু জাফর বাদশা, মাস্টার মোহাম্মদ সেলিম, মাওলানা মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন, মাওলানা দিদারুল আলম চৌধুরী, মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ জুনায়েদ,মাওলানা তারেকুল ইসলাম, মাওলানা মহিউদ্দিন, মাওলানা জাফর আলম মালেকি,মাওলানা আব্দুস শাকুর,মাওলানা রবিউল হোসেন ও মাওলানা আজিম উদ্দিন ।মধ্য বেতাগী শাখার সভাপতি মাস্টার দেলওয়ার হোসাইন সাইফু,মোহাম্মদ নেছার, জিয়াউদ্দিন খসরু, মাওলানা নুরুল আলম জমির, বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়া ওমান’র সভাপতি মোহাম্মদ বাদশা, শাহজাদা হাফেজ কামরুল আরশ মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান জিলান, । সভাপতির বক্তব্যে দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফের সাজ্জাদানশীন বেতাগী আনজুমানে রহমানিয়ার সভাপতি পীরে তরিকত হযরতুল আল্লামা মাওলানা মুহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ বদরী সাহাবীদের ঈমানী চেতনার অনুসরণ ও যাকাত ভিত্তিক সমাজ উন্নয়নে বিত্তবানদের এগিয়ে আসার আহবান জানান ।   - [আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি : দরিদ্র পরিবার থেকে যেভাবে ক্ষমতার শীর্ষে উঠে এসেছিলেন](https://starnews24bd.com/news/10681): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের একটি ধর্মীয় পরিবারে ১৯৩৯ সালের ১৯শে এপ্রিল জন্ম হয়েছিল আলী খামেনির। আট ভাই-বোনের মধ্যে তিনি ছিলেন দ্বিতীয়। তার বাবা সৈয়দ জওয়াদ খামেনি ছিলেন স্থানীয়ভাবে সুপরিচিত একজন শিয়া পণ্ডিত। মা খাদিজে মির্দামাদীও একজন ধার্মিক নারী ছিলেন। শৈশবে মায়ের কাছেই কোরআন শিক্ষাসহ ইসলাম ধর্মের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রাথমিক জানাশোনা হয় আলী খামেনির। মি. খামেনির বিভিন্ন স্মৃতিকথা থেকে জানা যায়, তার মা খাদিজে মির্দামাদী কোরআন তেলাওয়াতের কণ্ঠ 'খুব ভালো' ছিল। তিনি এটাও উল্লেখ করেছেন যে, শৈশবে তার চরিত্র গঠনে মায়ের ভূমিকা ছিল 'অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ'। আলী খামেনির বয়স যখন চার বছর, তখন বড় ভাই মোহাম্মদের সঙ্গে তিনি স্থানীয় একটি মক্তবে যাওয়া শুরু করেন। নিজের স্মৃতিকথায় মি. খামেনি বলেছেন যে, তিনি মক্তবের শিক্ষককে ভয় পেতেন। কারণ ওই শিক্ষক প্রতি শনিবার শিক্ষার্থীদের সারিবদ্ধভাবে দাঁড় করিয়ে মাথা থেকে পা পর্যন্ত পেটাতেন। আলী খামেনির শৈশব কেটেছে অভাবের সংসারে। দারিদ্র্যের বর্ণনা দিতে গিয়ে তিনি স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন যে, ছোটবেলায় তাকে ও তার পরিবারের অন্য সদস্যদের মাঝে মধ্যেই ক্ষুধার্ত অবস্থায় ঘুমাতে যেতে হতো। এছাড়া মলিন ও পুরোনো পোশাকের জন্য শৈশবে মি. খামেনিকে তার মাদ্রাসার সহপাঠীরা প্রায়ই কটাক্ষ করতো। এ নিয়ে মাঝেমধ্যে তাদের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদও লেগে যেতো। স্মৃতিকথায় মি. খামেনি উল্লেখ করেছেন যে, ছোটবেলায় তার একজোড়া 'ফিতাওয়ালা জুতা'র খুব শখ ছিল। মক্তবের পর স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি হন আলী খামেনি। যদিও তার বাবা সৈয়দ জওয়াদ খামেনি পাশ্চাত্যের শিক্ষাব্যবস্থার বিরোধিতা করতেন। ছোট থেকেই আলী খামেনি চোখে কম দেখতেন। দুর্বল দৃষ্টিশক্তির কারণে তিনি শ্রেণিকক্ষের ব্ল্যাকবোর্ড ও শিক্ষকদের ঠিকমত দেখতে পেতেন না। কিন্তু দীর্ঘদিন পর্যন্ত বিষয়টি কেউ ধরতে পারেনি। ফলে তৃতীয় শ্রেণিতে পড়া পর্যন্ত তাকে 'ভীষণ বোকা ও অলস ছাত্র' হিসেবে বর্ণনা করা হতো। দুর্বল দৃষ্টিশক্তির বিষয়টি ধরা পড়ার পর চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী, মি. খামেনি চশমা ব্যবহার শুরু করেন। এরপর তিনি লেখাপড়ায় নিজের উজ্জ্বল প্রতিভার স্বাক্ষর রাখতে শুরু করেন এবং একপর্যায়ে বিদ্যালয়ের শীর্ষ মেধাবী শিক্ষার্থীদের একজন হয়ে ওঠেন। তবে বাবার বিরোধিতার মুখে উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারেননি আলী খামেনি। তখন ধর্মীয় শিক্ষার জন্য তাকে শিয়া মুসলিমদের পবিত্র নগরী কোমে পাঠানো হয়। স্মৃতিকথায় আলী খামেনি বলেছেন যে, কৈশোরে সাহিত্যের প্রতি তার বিশেষ আগ্রহ জন্মেছিল, বিশেষত উপন্যাস ও কবিতার প্রতি। পরবর্তীতে তিনি কবিদের বিভিন্ন সভা ও কবিতার আসরে যোগ দিতে শুরু করেন। সাহিত্যের প্রতি অনুরোগ এতটাই বেশি ছিল যে, কোমে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার আগেই তিনি এক হাজারেরও বেশি উপন্যাস পড়ে ফেলেছিলেন বলে স্মৃতিকথায় উল্লেখ করেছেন মি. খামেনি। সেসব উপন্যাসের মধ্যে লিও টলস্টয়, ভিক্টর হুগো এবং রোমা রোলার মতো বিখ্যাত লেখকদের বইও ছিল। যৌবনে আলী খামেনি 'আমিন' ছদ্মনামে কবিতাও লেখা শুরু করেন। ছাত্র থাকাকালে মি. খামেনি ১৯৫৫ সালে কোমে একটি সভায় যোগ দেন। সেখানে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির সঙ্গে তার দেখা হয়, যার নেতৃত্বে পরে ইরানে ইসলামী প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হয়। কোমে পড়াশোনা করার সময় আলী খামেনি ইরানের তৎকালীন শাসক শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধাচরণ শুরু করেন। ১৯৬২ সালে তিনি আয়াতুল্লাহ খোমেনির ধর্মীয় আন্দোলনে যোগ দেন। এরপর তরুণ আলী খামেনি ধীরে ধীরে মি. খোমেনির একজন একনিষ্ঠ অনুসারী হয়ে ওঠেন। মৃত্যুর আগে বিভিন্ন স্মৃতিকথায় তিনি উল্লেখ করেছেন যে, তিনি জীবনে যা কিছু শিখেছেন এবং যা বিশ্বাস করেন, সবই খোমেনির ইসলামী ভাবধারা থেকে প্রাপ্ত। শাহ মোহাম্মদ রেজা পাহলভির বিরুদ্ধে সরাসরি বিক্ষোভে জড়িয়ে পড়েছিলেন আলী খামেনি এবং বেশ কয়েকবার গ্রেফতারও হয়েছিলেন। বিপ্লবের আগ পর্যন্ত আলী খামেনির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড মূলত মাশহাদ শহরকেন্দ্রিক ছিল।এরপর ১৯৭৭ সালে তিনি সপরিবারে তেহরানে চলে যান। একই বছরের ডিসেম্বরে গ্রেফতার এড়াতে আলী খামেনি ইরানের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় বৃহত্তম প্রদেশ সিস্তান ও বেলচিস্তানে চলে যান। ১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামি বিপ্লবের পর তিনি পুনরায় তেহরানে ফিরে আসেন। সেসময় বিপ্লবী পরিষদে দায়িত্ব পান আলী খামেনি। পরবর্তীতে তিনি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী হন এবং ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কোরকে সংগঠিত করতে সহায়তাও করেন। এই বিপ্লবী গার্ড ইরানের অন্যতম শক্তিশালী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়। ১৯৮১ সালের জুন মাসে, তেহরানের একটি মসজিদে বোমা হামলায় তিনি গুরুতর আহত হন। তার ওপর ওই হামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ ছিল দেশটির বামপন্থি বিদ্রোহী গোষ্ঠীর ওপর। এই ঘটনায় তার ডান হাত পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়ে। দুই মাস পর, একই বিদ্রোহী গোষ্ঠী ইরানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ-আলী রাজাইকে হত্যা করে। রাজাইয়ের মৃত্যুর পর তার উত্তরসূরি হিসেবে আলী খামেনি ইরানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন। আট বছর ধরে আনুষ্ঠানিক এই পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন তিনি। ওই সময় তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী মির হোসেইন মুসাভির সঙ্গে নানা মতবিরোধে জড়ান। কারণ তিনি মনে করতেন, মুসাভি ইরানের ব্যবস্থায় অতিরিক্ত সংস্কার আনতে চাইছেন। ১৯৮৯ সালের জুনে খোমেনির মৃত্যুর পর বিশেষজ্ঞ পরিষদ (ধর্মীয় আলেমদের একটি পরিষদ) আলী খামেনিকে নতুন সর্বোচ্চ নেতা নির্বাচিত করে। যদিও তিনি সংবিধানে নির্ধারিত শিয়া ধর্মগুরুদের মধ্যে প্রয়োজনীয় পদমর্যাদা বা 'গ্র্যান্ড আয়াতুল্লাহ' উপাধি অর্জন করতে পারেননি। পরে ইরানের সংবিধানে সংশোধন আনা হয়। সংশোধনীনে বলা হয়েছিল যে, সর্বোচ্চ নেতাকে "ইসলামী পাণ্ডিত্য অর্জন করতে হবে এবং আলী খামেনি নির্বাচিত হতে পারবেন। পরে রাতারাতি তাকে হোজ্জাতুল ইসলাম থেকে আয়াতুল্লাহ পদে উন্নীত করা হয়েছিল। ইরানের সংবিধানে তখন আরও একটি পরিবর্তন আনা হয়। প্রধানমন্ত্রী পদ বাতিল করা হয় এবং প্রেসিডেন্টের হাতে অধিক ক্ষমতা অর্পণ করা হয়। নিজের শাসনামলে আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি বর্তমান প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানসহ ছয়জন প্রেসিডেন্ট পেয়েছেন। যাদের অনেকেই খামেনির কর্তৃত্বকে কিছুটা চ্যালেঞ্জ করলেও ইসলামি প্রজাতন্ত্রের কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ করেননি। তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পর গত শনিবার আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন।   - [সৌদি ও পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা প্রধানরা ইরানের আক্রমণ ‘বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা’ নিয়ে আলোচনা করেছেন](https://starnews24bd.com/news/10678): স্টার নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ক্রমবর্ধমান সামরিক সংঘাতের মধ্যে সৌদি আরবের উপর ইরানের আক্রমণ নিয়ে আলোচনা করেছেন সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমান এবং পাকিস্তানের প্রতিরক্ষা বাহিনীর প্রধান আসিম মুনির। আমরা সৌদি আরবের উপর ইরানের আক্রমণ এবং আমাদের যৌথ কৌশলগত প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোর মধ্যে তা বন্ধ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা করেছি,” শনিবার ভোরে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রিন্স খালিদ লিখেছেন। আমরা জোর দিয়েছি যে এই ধরনের পদক্ষেপ আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করবে এবং আশা প্রকাশ করেছে যে ইরানি পক্ষ বিচক্ষণতা ব্যবহার করবে এবং ভুল গণনা এড়াবে।” ২৮শে ফেব্রুয়ারি ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল একটি বৃহৎ পরিসরে সামরিক অভিযান শুরু করে। এরপর থেকে ইরান উপসাগরীয় অঞ্চল জুড়ে বেশ কয়েকটি স্থানে আক্রমণ করেছে। যুদ্ধ তীব্র হওয়ার সাথে সাথে তেহরান মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলি সামরিক সম্পদেও আক্রমণ করেছে, যা শান্তিপূর্ণ আরব উপসাগরীয় উপদ্বীপে জীবনকে প্রভাবিত করেছে এবং ইরান হরমুজ প্রণালী বরাবর জ্বালানি পরিবহন সীমাবদ্ধ করে রাখার ফলে বিশ্ব অর্থনীতিতে কাঁপুনির ঝুঁকি রয়েছে। সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে শনিবার খালি কোয়ার্টারে শায়বা তেলক্ষেত্রকে লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে। মঙ্গলবার রিয়াদে মার্কিন দূতাবাসে একটি ড্রোন হামলার ফলে সামান্য অগ্নিকাণ্ড ঘটে, তবে এই ঘটনায় কেউ আহত হয়নি। সেপ্টেম্বরে সৌদি আরব এবং পাকিস্তান একটি "কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি" স্বাক্ষর করে, যেখানে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয় যে একটি দেশের বিরুদ্ধে আগ্রাসন উভয় দেশের উপর আক্রমণ হিসাবে বিবেচিত হবে। পৃথকভাবে, সৌদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী প্রিন্স আব্দুল আজিজ বিন সৌদ বিন নায়েফ তার পাকিস্তানি প্রতিপক্ষ রাজা নকভির কাছ থেকে একটি ফোন পেয়েছিলেন, যিনি রাজ্যকে লক্ষ্য করে নির্মম হামলার নিন্দা করেছিলেন এবং রাজ্যের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতার জন্য যেকোনো হুমকি মোকাবেলায় তার দেশের সংহতি নিশ্চিত করেছিলেন, সৌদি প্রেস এজেন্সি শনিবার জানিয়েছে। - [আমরা প্রতিবেশীদের উপর নয়, মার্কিন ঘাঁটিতে আক্রমণ করছি](https://starnews24bd.com/news/10675): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী হোসেইনি খামেনীর ভারতে প্রতিনিধি আব্দুল মাজিদ হাকিম এলাহি আসাদ রেহমানের সাথে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে আক্রমণ করে এবং এর সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করার পর থেকে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেছেন। তিনি ইরানের স্থল পরিস্থিতি, জনগণের জন্য কী অপেক্ষা করছে এবং পরিস্থিতির প্রতি ভারতের প্রতিক্রিয়া কীভাবে দেখছেন সে সম্পর্কে একটি অন্তর্দৃষ্টি দিয়েছেন। ইরানের পরিস্থিতি সম্পর্কে আপনি আমাদের কী বলতে পারেন... আয়াতুল্লাহ খামেনীর শাহাদাত বিশ্বজুড়ে মানুষকে নাড়া দিয়েছে - এশিয়া, ইউরোপ, আমেরিকা, আফ্রিকা... কিছু লোক আমাদের বলছিল এটি পুনরুত্থান বা বিচারের দিনের মতো। শাহাদাতের কথা শোনা মাত্রই লোকেরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু করে... কারণ জিজ্ঞাসা করে। সবাই হতবাক... ৮৬ বছর বয়সী একজন বৃদ্ধকে কোনও কারণ ছাড়াই হত্যা করা হয়েছে, তিনি কোনও পাপ বা অন্যায় করেননি। ১ মার্চ থেকে মার্কিন-ইসরায়েল যৌথ হামলার ফলে ইরানে কতটা ধ্বংসযজ্ঞ হয়েছে? রবিবার (১ মার্চ) থেকে এখন পর্যন্ত যারা রাস্তায় নেমেছিল তারা পিছু হটেনি। তারা আয়াতুল্লাহ খামেনির শাহাদাতের প্রতিশোধ নেওয়ার দাবি করছে। দ্বিতীয় বিষয় হল, দুর্ভাগ্যবশত আমাদের শত্রুদের কোনও মানবতা বা নীতিবোধ নেই। তারা একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আক্রমণ করেছিল এবং ৭ থেকে ১২ বছর বয়সী মেয়েদের হত্যা করেছিল। যখন মৃতদেহ সংগ্রহ করা হচ্ছিল, তখন তারা আবার স্কুলে আক্রমণ করেছিল... দুবার তারা একই বিদ্যালয়ে আক্রমণ করেছিল। দুই দিন আগে, তারা অনেক স্কুল, হাসপাতাল, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা কেন্দ্রে আক্রমণ করেছিল... এই জায়গাগুলির কোনওটিই সামরিক ঘাঁটি বা পুলিশ ছিল না... সবই ছিল বেসামরিক স্থান। আমি আমার আত্মীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়েছি যে তাদের দোকানে, স্কুলে, হাসপাতালে মানুষ হত্যা করা হয়েছে... আমরা তাদের কাছ থেকে এটি আশা করি... তাদের পক্ষ থেকে মানবতা এবং নীতিবোধ দেখে আমরা অবাক হব। আক্রমণের কারণ কী ছিল? আমেরিকা আফগানিস্তান, সিরিয়া, ইরাক এবং এখন ইরান আক্রমণ করেছে। তারা লেবানন, লিবিয়া আক্রমণ করেছে এবং খুব শীঘ্রই তারা আরও কিছু দেশে আক্রমণ করবে। এটি এমন কিছু ঘটতে দেখার প্রস্তুতি - ক্ষমতা আমেরিকার কাছ থেকে সরে যাবে ... রাশিয়া ক্ষমতা অর্জন করবে, ভারত এবং চীনও। আমেরিকা বিশ্বে ক্ষমতায় অংশীদারিত্ব চায় না। আমেরিকা বিশ্বের একমাত্র শক্তি কেন্দ্র হতে চায়। ইরানে নতুন সর্বোচ্চ নেতার অভিষেকের ক্ষেত্রে কী ঘটছে? আমেরিকা ইতিমধ্যেই বলেছে যে পরবর্তী সর্বোচ্চ নেতা যিনি হবেন তাকেই তারা অনুসরণ করবে, এই বিবেচনায় কি বিলম্ব কৌশলগত? আমাদের সংবিধান অনুসারে, যখন সর্বোচ্চ নেতা মারা যান বা দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্য না হন, তখন ৮৮ জন নির্বাচিত বিশেষজ্ঞ এবং আইনবিদদের একটি দল পরবর্তী নেতা নির্বাচন করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে, তারা নতুন সর্বোচ্চ নেতার জন্য ভোট দেওয়ার জন্য এক জায়গায় জড়ো হতে পারে না। আগামী সপ্তাহের মধ্যে, তারা কাউকে মনোনীত করবে এবং যদি আমেরিকা নতুন সর্বোচ্চ নেতাকে হত্যা করতে চায়, তাহলে আমরা অন্য একজনকে বেছে নেব ... এবং তারপর অন্য একজনকে। আপনি ৯ কোটি মানুষকে হত্যা করতে পারবেন না। কারণ ৯ কোটি মানুষ তাদের মর্যাদা, দেশ এবং মানবতার জন্য নিহত হতে প্রস্তুত। তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বা ট্রাম্পের কাছে আত্মসমর্পণ করবে না... সর্বোচ্চ নেতার অনুপস্থিতিতে, তিন নেতার একটি কাউন্সিল রয়েছে যারা দেশকে নেতৃত্ব দেয়। (৮৮ জন নেতার) দলকে পরবর্তী নেতা নির্বাচন করার জন্য একত্রিত হতে হবে এবং তা ঘটেনি কারণ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল তাদের আক্রমণ করতে পারে। এখন সংবেদনশীল সময়, তাই বিলম্ব। পশ্চিম এশিয়ায় প্রতিবেশীদের উপর ইরানের আক্রমণকে আপনি কীভাবে রক্ষা করবেন? আপনি জানেন আমেরিকা আমাদের প্রতিবেশী নয়। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ৬,০০০ মাইলেরও বেশি দূরত্ব রয়েছে। যদি আমেরিকা ইরানে আক্রমণ করতে চায়, তাহলে তার ঘাঁটি প্রয়োজন। আমেরিকা পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে - আরব দেশগুলিতে ঘাঁটি স্থাপন করে। আমেরিকা ইরানে আক্রমণ করার জন্য এই ঘাঁটিগুলি ব্যবহার করে। এই যুদ্ধের আগে, ইরান দেশগুলিকে লিখেছিল যে তাদের আমাদের আক্রমণ করার জন্য আমেরিকাকে সমর্থন করা উচিত নয়। তাঁর শাহাদাতের আগে, আয়াতুল্লাহ খামেনি উল্লেখ করেছিলেন যে, যদি যুদ্ধ হয়, তাহলে তা কেবল ইরানের উপরই নির্ভর করবে না, বরং পুরো অঞ্চল জুড়ে ছড়িয়ে পড়বে। সুতরাং, আমাদের উপর আমেরিকার আক্রমণ হয়েছে কিন্তু তাদের বিমান কোথা থেকে উড়েছে? আমেরিকা থেকে নয় আমাদের আশেপাশের ঘাঁটি থেকে। যখন আক্রমণ করা হয়, তখন ইরান কী করতে পারে? তাদের কাছে দুটি বিকল্প ছিল: প্রথমত, আমেরিকার কাছে আত্মসমর্পণ করা; তারা দেশটিকে পাঁচ ভাগে ভাগ করুক, আমাদের সম্পদ চুরি করুক এবং আমাদের বেশিরভাগ জনগণকে হত্যা করুক। দ্বিতীয়টি ছিল শেষ রক্তবিন্দু পর্যন্ত রক্ষা করা। ইরান দ্বিতীয় বিকল্পটি বেছে নিয়েছিল এবং আশেপাশের মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ করেছিল। প্রতিবেশীদের ইরানকে সম্মান করা উচিত এবং আমেরিকাকে তাদের ভূমি ইরানের বিরুদ্ধে ব্যবহার করতে দেওয়া উচিত নয়। আমরা মার্কিন ঘাঁটিগুলিতে আক্রমণ করছি, আমাদের প্রতিবেশীদের উপর নয়। আমাদের কোনও বিকল্প নেই। চলমান সংঘাতের প্রতি ভারতের প্রতিক্রিয়া আপনি কীভাবে দেখেন? ভারতীয়দের প্রতিক্রিয়া ছিল অপ্রতিরোধ্য। সর্বোচ্চ নেতার শাহাদাতের খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথেই আমি আমার অফিসে অনেক ভারতীয়কে পেয়েছি যারা সংহতি প্রকাশ করেছেন; এবং তারা কেবল মুসলিম ছিলেন না। - [অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন বিহারের রাজ্যপাল নিযুক্ত](https://starnews24bd.com/news/10672): স্টার নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের মার্চ মাসের গোড়ার দিকে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু কর্তৃক ঘোষিত একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক নিয়োগের মাধ্যমে, অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইনকে বিহারের নতুন রাজ্যপাল নিযুক্ত করা হয়েছে। গভর্নর এবং লেফটেন্যান্ট গভর্নরদের একটি বৃহত্তর রদবদলের অংশ হিসেবে, এই পদক্ষেপটি আরিফ মোহাম্মদ খানের স্থলাভিষিক্ত, যিনি ২০২৫ সালের জানুয়ারি থেকে এই পদে ছিলেন। এই সিদ্ধান্ত হাসনাইনের বিশিষ্ট সামরিক কর্মজীবন এবং অবসর-পরবর্তী জনসেবায় তাঁর অবদানের স্বীকৃতিকে তুলে ধরে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর একজন সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হাসনাইন প্রায় চার দশক ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। জাতীয় প্রতিরক্ষা একাডেমিতে প্রশিক্ষণের পর কমিশন লাভের পর, তিনি গুরুত্বপূর্ণ কমান্ড ভূমিকা পালন করেন এবং সম্প্রদায়ের সম্পৃক্ততার সাথে অপারেশনাল শক্তির মিশ্রণের জন্য প্রশংসা অর্জন করেন। তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য কার্যকাল ছিল ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত শ্রীনগরে ১৫তম কর্পস (চিনার কর্পস)-এর কমান্ডার হিসেবে। কাশ্মীর উপত্যকার এই সংবেদনশীল সময়ে, তিনি জঙ্গিবাদ-বিরোধী অভিযান তদারকি করেছিলেন এবং যুব মিথস্ক্রিয়া, ক্রীড়া ইভেন্ট এবং নিরাপত্তা বাহিনী এবং বেসামরিক নাগরিকদের মধ্যে আস্থা তৈরির জন্য শিক্ষামূলক প্রচারণার মতো উদ্যোগগুলিকে উৎসাহিত করেছিলেন।একজন প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক উল্লেখ করেছেন, "জেনারেল হাসনাইন বিশ্বাস করতেন যে নিরাপত্তা এবং সামাজিক সম্পৃক্ততা একসাথে চলতে হবে, বিশেষ করে তরুণদের জন্য।" তার দৃষ্টিভঙ্গি সংলাপ, শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং স্থানীয় অনুভূতি বোঝার উপর জোর দিয়েছিল। অবসর গ্রহণের পর, হাসনাইন জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের (এনডিএমএ) সদস্য হিসেবে জাতির সেবা চালিয়ে যান, দুর্যোগ প্রস্তুতি এবং প্রতিক্রিয়া কৌশলগুলিতে অবদান রাখেন। ভারতের ঘন ঘন বন্যা, ভূমিকম্প এবং ঘূর্ণিঝড়ের মধ্যে সংকট পরিকল্পনায় তার সামরিক অভিজ্ঞতা মূল্যবান প্রমাণিত হয়েছে। তিনি জনজীবনেও সক্রিয়ভাবে জড়িত, জাতীয় নিরাপত্তা, নেতৃত্ব এবং নাগরিক কর্তব্য সম্পর্কিত বিশ্ববিদ্যালয় এবং নীতি ফোরামে বক্তৃতা প্রদান করেছেন, তরুণদের জনসেবা বিবেচনা করতে অনুপ্রাণিত করেছেন। ১২ কোটিরও বেশি বাসিন্দা এবং মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের অধীনে জাতীয় রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী বিহার, এমন একজন রাজ্যপালের দাবি করে যিনি সাংবিধানিক রীতিনীতি সমুন্নত রাখবেন। রাজ্যপালের দায়িত্বের মধ্যে রয়েছে বিধানসভা আহ্বান করা, বিলগুলিতে সম্মতি দেওয়া এবং সংবিধানের আনুগত্য নিশ্চিত করা, যেখানে নির্বাহী ক্ষমতা নির্বাচিত সরকারের হাতে থাকবে। এই নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। নেতারা হাসনাইনকে অভিনন্দন জানিয়েছেন, তার শৃঙ্খলা এবং জাতীয় সেবার কথা তুলে ধরেছেন। অনেক পর্যবেক্ষক এটিকে ভারতীয় মুসলিম সম্প্রদায়ের জন্য একটি গর্বের মুহূর্ত হিসেবে দেখেছেন, সশস্ত্র বাহিনী, বেসামরিক পরিষেবা, বিচার বিভাগ এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানে তাদের দীর্ঘস্থায়ী অবদানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছেন। নেতৃত্ব, প্রশাসন এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় হাসনাইনের পটভূমি বিহারকে, বিশেষ করে বন্যা প্রতিক্রিয়া, শিক্ষা প্রচার এবং প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয়ের মতো ক্ষেত্রে, উপকৃত করবে বলে আশা করা হচ্ছে। তার মেয়াদকে একটি অনুকরণীয় ক্যারিয়ারের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক জাতীয় সেবা এবং ঐক্যের প্রতীক হিসেবে দেখা হয়। - [মুসলিম হওয়ার কারণে কি ট্রাক চালক আমিরকে হত্যা](https://starnews24bd.com/news/10669): স্টার নিউজ ডেস্ক: একটি মর্মান্তিক ঘটনায়, যা সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলেছে, হরিয়ানার নুহ জেলার পাল্লা গ্রামের ২৮ বছর বয়সী মুসলিম ট্রাক চালক আমিরকে ২ মার্চ, ২০২৬ রাতে রাজস্থানের ভিওয়াড়ি এলাকায় হত্যা করা হয়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি আমির তার চার মাসের গর্ভবতী স্ত্রী, দুই বছরের এক মেয়ে এবং এক বোনকে রেখে গেছেন, যার ঈদের পরে বিয়ের পরিকল্পনা ছিল। তার পরিবার অভিযোগ করেছে যে বজরং দলের সাথে যুক্ত গো-রক্ষকরা ইচ্ছাকৃতভাবে সারে কালা গ্রামের কাছে তার পিকআপ ট্রাকে তাদের গাড়ি ধাক্কা দিয়েছে, জোর করে থামাতে বাধ্য করেছে এবং তারপর কোনও সতর্কীকরণ বা কথা না বলেই তার মাথায় গুলি করেছে। চাচা জুবাইর ভয়াবহতার বর্ণনা দিয়েছেন: "সে তার পিকআপ ট্রাকে করে কাজের জন্য বাইরে গিয়েছিল। গো-রক্ষক এবং বজরং দলের সদস্যরা তাদের গাড়িটি তার পিকআপ ট্রাকে ধাক্কা দেয়। গাড়িটি থামার পর, কোনও শব্দ না করেই তার মাথায় গুলি করা হয়।" পরিবারটি জোর দিয়ে বলেছে যে আমিরকে কেবল মুসলিম হওয়ার কারণে এবং গরু পাচারের সাথে তার কোনও সম্পৃক্ততার কারণেই লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল - সে সবজি পরিবহনের কাজ করত। তারা দাবি করে যে কর্তৃপক্ষ পরে আক্রমণকে ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য তাকে চোরাচালানকারী হিসেবে চিহ্নিত করে। পুলিশ প্রথমে কোনও গুলি চালানোর কথা অস্বীকার করে, অভিযুক্ত গরু পরিবহনকারী এবং রক্ষীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় পাথর ছোঁড়ার কারণে আহত হওয়ার জন্য দায়ী করে, কিন্তু পরিবার দাবি করে যে তাকে মৃত্যুদণ্ডের মতো গুলি করা হয়েছে। অজ্ঞাত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি এফআইআর দায়ের করা হয়েছে এবং বজরং দলের সদস্যদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে, তবে সেই সময়ে কোনও গ্রেপ্তারের খবর পাওয়া যায়নি। - [মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে আড়াই লাখ টন এলএনজিসহ চট্টগ্রাম বন্দরে ১৫ জাহাজ](https://starnews24bd.com/news/10665): আ ফ ম বোরহন: মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বৃদ্ধি পাওয়ায় নারী ও শিশুসহ কমপক্ষে ৫১ জন নিহত শুক্রবার মধ্যপ্রাচ্যে ভয়াবহ হামলার এক ঢেউয়ের মধ্যে কমপক্ষে ৫১ জন নিহত হয়েছেন, কারণ ইসরায়েল লেবাননে হামলা তীব্র করেছে, ইরানকে লক্ষ্য করে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলা চালিয়েছে এবং ইরান ইসরায়েলি ভূখণ্ডে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। মার্কিন-ইসরায়েল বোমা হামলায় নিহত ইরানির সংখ্যা বেড়ে ১,২৩০ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ২১৭ জন নিহত, ৭৯৮ জন আহত হয়েছেন লেবাননে ইসরায়েলি বোমা হামলায়। ইরাক এবং উপসাগরীয় অঞ্চলে ঘটে যাওয়া ঘটনাগুলি দ্রুত বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর আঞ্চলিক সংঘাতের ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির প্রতি ইঙ্গিত দেয়। লেবাননে মারাত্মক হামলা: লেবাননে সবচেয়ে বেশি হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। লেবাননের জাতীয় সংবাদ সংস্থা (NNA) অনুসারে, দক্ষিণ লেবাননের মাজদাল সেল্মের একটি বাড়িতে ইসরায়েলি বিমান হামলায় নয়জন - বেশিরভাগই নারী ও শিশু নিহত হয়েছেন। নিহতরা সালেহ পরিবারের সদস্য এবং আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। শুক্রবারের শুরুতে, লেবানন জুড়ে পৃথক ইসরায়েলি হামলায় আরও ১৯ জন নিহত হয়, যার ফলে আবাসিক ও ধর্মীয় ভবনগুলিও ধ্বংস হয়ে যায়। দেশজুড়ে বিমান হামলা অব্যাহত থাকায়, বোমা হামলার ফলে বৈরুত এবং দক্ষিণ শহরগুলি সহ ব্যাপকভাবে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। একটি অনুরূপ ঘটনায়, লেবাননে জাতিসংঘের অন্তর্বর্তীকালীন বাহিনী (UNIFIL) -এর সাথে কর্মরত ঘানার কন্টিনজেন্টের সদস্যরা বিনতে জবাইল জেলার কুজায় তাদের অবস্থানে ইসরায়েলি হামলায় আহত হন। আহত শান্তিরক্ষীদের সঠিক সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়নি এবং UNIFIL এখনও কোনও বিবৃতি জারি করেনি। দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণের পর ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত, জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রেজোলিউশন ১৭০১ এর অধীনে ২০০৬ সালের যুদ্ধের পর UNIFIL উল্লেখযোগ্যভাবে সম্প্রসারিত হয়। লিতানি নদীর দক্ষিণে শত্রুতা বন্ধ পর্যবেক্ষণ এবং লেবাননের সেনাবাহিনীকে তার কর্তৃত্ব সম্প্রসারণে সহায়তা করার জন্য বর্তমানে ১০,০০০ জনেরও বেশি শান্তিরক্ষী মোতায়েন করা হয়েছে। ২০২৪ সালের নভেম্বর থেকে হিজবুল্লাহর সাথে যুদ্ধবিরতি চুক্তি সত্ত্বেও, লেবাননে ইসরায়েলের আক্রমণ - যা ২০২৩ সালের অক্টোবরে শুরু হয়েছিল এবং ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পূর্ণ মাত্রার যুদ্ধে রূপ নেয় - ইতিমধ্যেই ৪,০০০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত এবং প্রায় ১৭,০০০ জন আহত হয়েছে, প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি লঙ্ঘন অব্যাহত রয়েছে। হিজবুল্লাহ পাল্টা আক্রমণ: হিজবুল্লাহ শুক্রবার ধারাবাহিক সমন্বিত হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলি অভিযানের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানায়। গোষ্ঠীটি উত্তর ইসরায়েলি সামরিক স্থাপনা এবং দক্ষিণ লেবাননে কর্মরত ইসরায়েলি বাহিনীর উপর ১৮টি ড্রোন এবং রকেট হামলার কথা জানিয়েছে, এই অভিযানগুলিকে "বৈরুতের দক্ষিণ উপকণ্ঠ সহ কয়েক ডজন লেবাননী শহর ও শহরকে লক্ষ্য করে ইসরায়েলি আগ্রাসনের প্রতিক্রিয়া" হিসাবে বর্ণনা করেছে। হামলার মধ্যে, হিজবুল্লাহ অধিকৃত সিরিয়ার গোলানের কাতসাভিয়া ঘাঁটিতে একদল আত্মঘাতী ড্রোন হামলা চালিয়েছে, সাফেদের দক্ষিণে আম্মিয়াদ ঘাঁটিতে লক্ষ্যবস্তু করেছে এবং দক্ষিণ লেবাননে নব প্রতিষ্ঠিত ব্লাট স্থানে ইসরায়েলি সৈন্যদের উপর একটি গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে, যার ফলে "সরাসরি আঘাত" হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। দক্ষিণ লেবাননের মারকাবা স্থানে এবং উত্তর ইসরায়েলের মালকিয়া সামরিক স্থানেও রকেট হামলা চালানো হয়েছে। উত্তর ইসরায়েলের পাঁচটি ইসরায়েলি বসতি - শোমেরা, কিরিয়াত শমোনা, রামোত নাফতালি, মালকিয়া এবং সাসা - এবং দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক যানবাহনের ঘনত্ব এবং খিয়ামের কাছে ওয়াদি আল-আসাফির এলাকায় অতিরিক্ত হামলা চালানো হয়েছে। হিজবুল্লাহ ওয়াদি আল-আসাফিরে অগ্রসরমান ইসরায়েলি বাহিনীর উপর সরাসরি হামলা চালানোর দাবি করেছে, যার ফলে তাদের পিছু হটতে বাধ্য করা হয়েছে। আরও অভিযানের মধ্যে রয়েছে হাইফা নৌ ঘাঁটি এবং মেটুলা, মানারা, মার্জ এবং তেলেত আল-আজলে ইসরায়েলি সেনা ঘনত্বে রকেট হামলা। গোষ্ঠীটি ওয়াদি আল-আসাফির, তালাত আল-হামামিস, কাফার কিলা গেট, মারকাবা এবং দখলকৃত লেবাননের পাহাড়ের কাফার শোবাতে রুওয়াইসাত আল-আলম স্থানেও হামলা চালিয়েছে। সাম্প্রতিক দিনগুলিতে লেবাননের বাসিন্দাদের জন্য ইসরায়েলি স্থানান্তরের নির্দেশের প্রতিক্রিয়ায় হিজবুল্লাহ ইসরায়েলিদের লেবাননের সীমান্তের কাছে অবস্থিত ২৩টি বসতি খালি করে কমপক্ষে পাঁচ কিলোমিটার দক্ষিণে সরে যাওয়ার জন্য সতর্কবার্তা জারি করেছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে যে দক্ষিণ লেবানন থেকে রকেট হামলায় আটজন সৈন্য আহত হয়েছে, যাদের মধ্যে বেশ কয়েকজন গুরুতর। ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে উত্তেজনা: ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষে এই সংঘাত আরও বিস্তৃত হয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে যে ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলি ভূখণ্ডে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করেছে। ইসরায়েল লঞ্চগুলি সনাক্ত করার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা প্রজেক্টাইলগুলিকে বাধা দিয়েছে বলে জানা গেছে, যখন সামেরিয়া, শ্যারন এবং জর্ডান উপত্যকায় ক্ষেপণাস্ত্র ও রকেট হামলার সতর্কতা সাইরেন বাজানো হয়েছে। এদিকে, ইরানের অভ্যন্তরে মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় কমপক্ষে ২৩ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। শিরাজের জিবাশাহরের একটি আবাসিক এলাকায় বোমা হামলায় ২০ জন নিহত এবং ৩০ জন আহত হয়েছে, যার মধ্যে দুইজন প্যারামেডিকও রয়েছে। কাজভিনে, একটি কিশোর বালক তার স্কুলের কাছে বোমা হামলায় নিহত হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের অবকাঠামোও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সংস্কারবাদী দৈনিক সাজানদেগির তেহরানের সদর দপ্তর ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, যদিও সেই হামলায় কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। মার্কিন-ইসরায়েল শনিবার বাণিজ্যিক মেহরাবাদ বিমানবন্দরে বোমা হামলা চালিয়ে ধ্বংস করে দেয়। - [মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে আড়াই লাখ টন এলএনজিসহ চট্টগ্রাম বন্দরে ১৫ জাহাজ](https://starnews24bd.com/news/10661): স্টার নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংঘাত শুরুর আগেই প্রায় আড়াই লাখ টন এলএনজিসহ হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এসব জাহাজে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি), বিভিন্ন ধরনের জ্বালানি তেল ও শিল্পকারখানার কাঁচামাল রয়েছে। আজ শনিবার চট্টগ্রাম বন্দর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। বন্দর সংশ্লিষ্টরা জানান, জাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা হয়েছিল। ওই সময় অঞ্চলটিতে সামরিক উত্তেজনা বাড়তে থাকলেও সংঘাত শুরু হওয়ার আগেই জাহাজগুলো হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে জাহাজগুলো ধাপে ধাপে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাচ্ছে এবং সেখান থেকে পণ্য খালাসের কার্যক্রম চলছে। বন্দর সূত্রে জানা যায়, জাহাজগুলোর মধ্যে অন্তত চারটিতে মোট প্রায় ২ লাখ ৪৭ হাজার টন তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) রয়েছে। এসব এলএনজি মূলত কাতারের রাস লাফান বন্দর থেকে আনা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পকারখানায় গ্যাসের চাহিদা মেটাতে এই এলএনজি ব্যবহার করা হবে। এ ছাড়া, একটি জাহাজে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এসেছে, যা গৃহস্থালি রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার, হোটেল-রেস্তোরাঁ ও ছোট শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত হবে। পাশাপাশি কয়েকটি জাহাজে বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহৃত ফার্নেস ওয়েল, শিল্পখাতে ব্যবহৃত ডিজেলসহ অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্য রয়েছে। অন্যদিকে কয়েকটি কার্গো জাহাজে বিভিন্ন শিল্প কাঁচামাল আনা হয়েছে। এর মধ্যে রাসায়নিক পদার্থ, পেট্রোকেমিক্যাল উপকরণ ও প্লাস্টিক শিল্পের কাঁচামাল রয়েছে, যা দেশের বিভিন্ন উৎপাদনমুখী শিল্পে ব্যবহার করা হবে। বন্দর কর্মকর্তারা জানান, হরমুজ প্রণালি বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে এই পথে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহে প্রভাব পড়তে পারে। সে কারণে সংঘাতের আগে জাহাজগুলো নিরাপদে বাংলাদেশে পৌঁছানো দেশের জ্বালানি ও আমদানি সরবরাহের জন্য স্বস্তির খবর হিসেবে দেখা হচ্ছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মধ্যে সংঘাত শুরুর আগেই হরমুজ প্রণালি পেরিয়ে আসা ১৫টি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাতে শুরু করেছে। এসব জাহাজে এলএনজি, জ্বালানি তেলসহ বিভিন্ন ধরনের শিল্প কাঁচামাল রয়েছে। বন্দরে জাহাজ ভেড়ানো, পণ্য খালাস ও সরবরাহ কার্যক্রম স্বাভাবিক রাখতে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ও ব্যবস্থাপনা জোরদার করা হয়েছে। তিনি জানান, জাহাজগুলোর মধ্যে ‘লুসাইল’ ও ‘আল গালায়েল’ নামের এলএনজি ট্যাংকারও রয়েছে। সামুদ্রিক জাহাজের জ্বালানি, কয়েকটি কার্গো জাহাজে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল এসেছে, প্লাস্টিক বা পেট্রোকেমিক্যাল কাঁচামাল কারখানার বিভিন্ন উপকরণ এগুলো বাংলাদেশের গার্মেন্টস শিল্প, প্লাস্টিক শিল্প, রাসায়নিক শিল্পে ব্যবহৃত হওয়ার পণ্য রয়েছে। এ বিষয়ে শনিবার এলএনজি জাহাজগুলোর স্থানীয় প্রতিনিধি ইউনি গ্লোবাল বিজনেস লিমিটেডের জ্যেষ্ঠ উপমহাব্যবস্থাপক মো. নুরুল আলম বলেন, চারটি জাহাজের চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছানো প্রায় নিশ্চিত। তবে ‘লিবারেল’ নামে আরেকটি এলএনজিবাহী জাহাজ এখনো হরমুজ প্রণালির ভেতরে রয়েছে। জাহাজটিতে এলএনজি বোঝাই করা হয়েছে এবং এটি প্রণালি অতিক্রমের অপেক্ষায় আছে। তবে পরবর্তী চালানগুলো নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জাহাজগুলো মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন বন্দর থেকে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। সম্ভাব্য সংঘাতের আশঙ্কার আগে তারা হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করে নিরাপদে আরব সাগরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়। এরই মধ্যে অধিকাংশ জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে এবং বাকিগুলোও পর্যায়ক্রমে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সংঘাতের আগে জাহাজগুলো নিরাপদে পৌঁছানো দেশের জ্বালানি ও আমদানি সরবরাহের জন্য স্বস্তির বিষয়।   - [তারেক রহমান জাতির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত- তথ্যমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10658): স্টার নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, তারেক রহমান আজ জাতির নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। জনগণের ভোট ও ম্যান্ডেটে তিনি দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে জাতির নেতৃত্ব হাতে নিয়েছেন। আজ ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে (ডিআরইউ) বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে আয়োজিত ইফতার ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ‘বেগম খালেদা জিয়া স্মৃতি সংসদ’। মন্ত্রী বলেন, ২৫ ডিসেম্বর দেশের মাটিতে পা রাখার ৫৭ দিনের মাথায় জনগণের ভোটে ও জাতির ম্যান্ডেটে তারেক রহমান জাতির নেতায় রূপান্তরিত হয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন, এই সময়ে যদি দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া জীবিত থাকতেন, তাহলে তিনি সবচেয়ে বেশি আনন্দিত হতেন। পৃথিবীর সব মা তার সন্তানকে গর্বিত দেখতে চান, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত তার মৃত্যুর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই তার সেই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শ থেকে শুরু করে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বের ধারাবাহিকতায় আজকের এই পর্যায়ে পৌঁছেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। মন্ত্রী আরও বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান স্বল্প সময়ের মধ্যে দেশের অর্থনীতি ও উৎপাদন ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আনেন। দুর্ভিক্ষপীড়িত বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার পথে এগিয়ে নিয়ে যান এবং শিল্প-কারখানাগুলোকে ব্যক্তি মালিকানায় ফিরিয়ে দিয়ে উৎপাদনমুখী অর্থনীতির ভিত্তি তৈরি করেন। বেগম খালেদা জিয়ার রাজনৈতিক জীবন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, তিনি মূলত রাজনীতি করার ইচ্ছা নিয়ে সামনে আসেননি। একজন সাধারণ গৃহিণী হিসেবে পরিবারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। কিন্তু শহীদ জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের প্রয়োজনে তাকে রাজপথে নামতে হয়। তিনি বলেন, সামরিক শাসনের হাত থেকে মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে আনতে বেগম খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া। সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সদস্য সচিব সাইফ মাহামুদ জুয়েল। এ সময় সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ, গণমাধ্যমকর্মী ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।   - [দেশে জ্বালানি তেলের ঘাটতি নেই : বিদ্যুৎমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10655): এ সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমান উপস্থিত ছিলেন। - [পরিকল্পিত যাকাত ব্যবস্থাপনায় দারিদ্র্য বিমোচনে ভূমিকা রাখা সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10652): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র্য বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব।’ তিনি বলেছেন, ধনী-দরিদ্র সবমিলিয়ে দেশে বর্তমানে পরিবারের সংখ্যা কমবেশি ৪ কোটি। এসব পরিবারগুলোর মধ্যে যদি দরিদ্র কিংবা হতদরিদ্র পরিবারগুলোকে চিহ্নিত করে প্রতিবছর পর্যায়ক্রমে ৫ লাখ পরিবারকে ১ লাখ টাকা করে যাকাত দেওয়া হয়, আমার বিশ্বাস— এসব পরিবারগুলোর মধ্যে বেশিরভাগ পরিবারকে পরের বছর আর যাকাত নাও দিতে হতে পারে। লক্ষ্যভিত্তিক এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার মাধ্যমে যাকাত দেওয়া হলে ১০ থেকে ১৫ বছরের মধ্যে শুধু যাকাত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই দেশে দারিদ্র বিমোচনে কার্যকর ভূমিকা রাখা সম্ভব। আজ রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় এতিম শিশু এবং ওলামা-মাশায়েখদের সম্মানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আয়োজিত ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইফতার পূর্ববর্তী সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন তাঁর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি জাহিদুল ইসলাম রনি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘ইসলামের বিধান অনুযায়ী আমাদের সমাজে অনেক বিত্তবান নিজ উদ্যোগেই যাকাত দিয়ে থাকেন। কেউ কেউ সরকারের ‘যাকাত বোর্ডের’ মাধ্যমেও যাকাত পরিশোধ করে থাকেন। বিভিন্ন গবেষণা রিপোর্টে দেখা গেছে, প্রতি বছর বাংলাদেশে এই যাকাতের পরিমাণ ২০-২৫ হাজার কোটি টাকার বেশি হয়ে থাকে। কেউ কেউ এর পরিমাণ আরো অনেক বেশি বলেছেন। তবে, সুপরিকল্পিত এবং সুসংগঠিতভাবে যাকাত বন্টন না করায় বিত্তবান ব্যক্তির যাকাত আদায় হয়ে গেলেও যাকাতের অর্থ দারিদ্র্য বিমোচনে কতটা ভূমিকা রাখতে সক্ষম হচ্ছে এটি একটি বড় প্রশ্ন।’ তিনি বলেন, ‘যতদূর জানি, যাকাত দাতাদেরকে ইসলামী বিধান এমনভাবে যাকাত বন্টনে উৎসাহিত করে, যাতে একজন যাকাত গ্রহীতা প্রথম বছর যাকাত গ্রহণের পর পরের বছর আর যাকাত গ্রহণ করতে না হয়। বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, পরিকল্পিতভাবে যাকাত বন্টন করা গেলে দারিদ্র্য বিমোচনে যাকাত যুগান্তকারী ভূমিকা পালন করতে পারে। এমন বাস্তবতায় সরকার যাকাত ব্যবস্থাপনাকে আরো কার্যকর এবং লক্ষ্যভিত্তিক করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।’আলেম-ওলামা মাশায়েখ এবং এতিমদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের চলমান বাস্তবতায় এবার আমাদেরকে একটু দেরি করেই আপনাদের সঙ্গে নিয়ে ইফতারের আয়োজন করতে হয়েছে। তবে, বৈশ্বিক পরিস্থিতিটির কারণে গ্যাস, বিদ্যুৎ, জ্বালানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যায় সংকোচন এবং কৃচ্ছতা সাধনের অংশ হিসেবে এবারের রমজানে আজ এবং গতকালের ইফতার মাহফিলসহ মোট দু’টি ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেছি।’ বৈশ্বিক পরিস্থিতির উন্নতি না হলে এবারের রমজানে এটিই হয়তো শেষ ইফতার মাহফিল। আজকের এই ইফতার মাহফিলের অংশগ্রহণকারী ‘ইয়াতিম সন্তানেরাই’ আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মেহমান। পবিত্র কোরআন এবং হাদিসে ‘এতিমের হক’ আদায়ের ব্যাপারে মুমিন মুসলমানদের প্রতি ইসলামের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এতিমের প্রতি ‘হক আদায়ে’র গুরুত্ব তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এতিমদের ব্যাপারে রাষ্ট্র এবং সরকারের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরার ক্ষেত্রে এই ইফতার মাহফিলের অবশ্যই প্রতীকী তাৎপর্য রয়েছে। এই ইফতার মাহফিল এতিমদের প্রতি বিত্তবানদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং দায়-দায়িত্ব পালনের ব্যাপারে একটি ইতিবাচক বার্তা দেবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’ তিনি বলেন, ‘প্রতিজন বিত্তবান যদি অসহায় এতিমদের প্রতি পবিত্র কোরআন-হাদিসের নির্দেশনা অনুযায়ী দায়িত্ব পালন করতে সচেষ্ট থাকেন, তাহলে আমি বিশ্বাস করি পিতৃহারা এতিম সন্তানেরা এক বুক বেদনা বুকে নিয়েও রাষ্ট্র এবং সমাজে আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা খুঁজে পাবে।’পবিত্র রমজান ত্যাগ এবং সংযমের মাস উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘অপ্রিয় হলেও সত্য— রমজান আসলেই আমাদের কেউ কেউ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বাড়িয়ে দেন। রমজান মাসকে লোভ-লাভের মাস বানিয়ে ফেলেন। পবিত্র রমজান মাসেও যারা অসাধু পন্থা অবলম্বন করছেন, আপনাদের প্রতি আমার বিনীত আহ্বান, অনুগ্রহ করে আপনারা মানুষের কষ্টের কারণ হবেন না।’ এতিম শিশু ও ওলামা-মাশায়েখদের সঙ্গে ইফতার মাহফিলে ধর্মমন্ত্রী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সমাজ কল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রী প্রফেসর ডা এজেডএম জাহিদ হোসেন, এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী মীর শাহ আলম, জাতীয় সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু, আস-সুন্নাহ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান শায়খ আহমাদুল্লাহ, জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমের খতিব মুফতি আব্দুল মালেক প্রমুখ অংশ নেন। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী ও অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ইফতার মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন। - [ট্রাভেল জোনের খতমে তারাবীহ ও রমজানের তাৎপর্য বিষয়ক দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/10649): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের অন্যতম শীর্ষ স্থানীয় ট্রাভেল সেবা প্রদানকারী এজেন্ট ট্রাভেল জোনের ব্যবস্থাপনায় পবিত্র রমজানুল মোবারক উপলক্ষে খতমে তারাবীহ সমাপনী ও রমজানের তাৎপর্য বিষয়ক দোয়া মাহফিল ট্রাভেল জোনের ম্যানেজিং পার্টনার মোহাম্মদ ইব্রাহিম , কাজী মোহাম্মদ আবদুল হক শাহিদ ও মোঃ মোজাহেদ হোসেন মিঠুর উপস্থিতিতে ট্রাভেল জোনের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয় । ২০২৬ সালে ট্রাভেল জোনের আয়োজনে পবিত্র খতমে তারাবীহ পরিচালনা করেন হাফেজ আতিকুল ইসলাম হানিফ, হাফেজ ইলিয়াছ হোসেন, হাফেজ ঈসমাইল হোসেন হিমেল ও হাফেজ কাজী ওয়াসিফুর রহমান তাশরীফ । সমাপনীতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে পবিত্র খতমে তারাবীহ ও রমজানের তাৎপর্য বিষয়ক দোয়া মাহফিল ও মোনাজাত পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক প্রফেসর ড. এ এস এম বোরহান উদ্দিন । দোয়া মাহফিলে বক্তব্য রাখেন ট্রাভেল জোনের মুয়াল্লিম মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ হেলাল চিশতী, মাওলানা মুহাম্মদ নিজাম উদ্দিন, ও মাওলানা সোহাইল কাদেরী । ট্রাভেল জোনের কর্মকর্তা মিনহাজুল মোস্তফা’র সার্বিক তত্তাবধানে ট্রাভেল জোনের ম্যানেজার (কমিউনিকেশন, সেলস এন্ড মার্কেটিং) মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান এর সঞ্চালনায় সমাপনী পর্বে নাত পরিবেশন করেন ও মিলাদ কিয়াম পরিচালনা করেন বিখ্যাত নাত খাঁ মাওলানা মহিউদ্দিন তানভীর ও মাওলানা মোহাম্মদ আয়াজ হাসান । এছাড়াও ট্র্রাভেল জোনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন - [যানবাহনভিত্তিক জ্বালানি তেল সরবরাহে পরিমাণ নির্ধারণ করেছে সরকার](https://starnews24bd.com/news/10646): স্টার নিউজ ডেস্ক: জনগণের চাহিদা মোতাবেক জ্বালানি তেল সরবরাহ সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ যানবাহনভিত্তিক দৈনিক জ্বালানি তেল সরবরাহের পরিমাণ নির্ধারণ করে দিয়েছে। যানবাহনভিত্তিক দৈনিক সরবরাহের পরিমাণ: অকটেন বা পেট্রোল দৈনিক ট্রিপ প্রতি মোটর সাইকেলে ২ লিটার, প্রাইভেটকারে ১০ লিটার, মাইক্রোবাস, এসইউভি, জিপে ২০ থেকে ২৫ লিটার এবং ডিজেল দৈনিক ট্রিপ প্রতি পিকআপ ও লোকাল বাসে ৭০ থেকে ৮০ লিটার, দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ডভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকে ২০০ থেকে ২২০ লিটার। আজ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রেরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে দেশের জ্বালানি তেলের মজুত নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার না করার জন্য সকলকে অনুরোধ করা হয়। - [গণমাধ্যমকে শিল্প হিসেবে বাঁচাতে সাংবাদিকদের সম্মানজনক ওয়েজবোর্ড জরুরি : তথ্যমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10643): স্টার নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, গণমাধ্যম শিল্পকে একটি সম্মানজনক পর্যায়ে নিতে হলে এবং মেধাবী পেশাজীবীদের এই পেশায় ধরে রাখতে হলে সাংবাদিকদের জন্য সম্মানজনক ওয়েজবোর্ড নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি বলেন, একটা গার্মেন্টস ইন্ডাস্ট্রির শ্রমিকেরও যে পরিমাণ কর্মসংস্থানের নিরাপত্তা (জব সিকিউরিটি) আছে, অনেক ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের সেই নিরাপত্তা নেই। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি (ডিআরইউ) আয়োজিত ইফতার মাহফিল পরবর্তী ডিআরইউ সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, ‘মালিকপক্ষ সাংবাদিকদের বেতন দিতে বাধ্য থাকবে না- এমন কোনো আইনের মধ্যে এই শিল্প চলতে পারে না। মালিকের লাভ হয়নি বলে একজন মেধাবী সাংবাদিকের বেতন হবে না, এটা হতে পারে না। এই সমস্যাগুলোর সমাধান না করলে গণমাধ্যম জগৎ কখনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পাবে না।’ জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ওয়েজবোর্ড বাস্তবায়ন এবং পত্রিকা নিবন্ধনের সামগ্রিক পরিস্থিতির জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জাতীয় স্বার্থেরই অংশ। তিনি বলেন, ‘সরকার কেবল প্রশংসা পকেটে ভরবে আর ভুলের সমালোচনার দায়িত্ব নেবে-তা হতে পারে না। মন্ত্রণালয়ের প্রধান অংশীদার গণমাধ্যম, তাই সমস্যাটা আমাদের একই চশমা দিয়ে দেখতে হবে। রোগের ডায়াগনোসিস রাইটলি না হলে ট্রিটমেন্ট হবে না।’ মন্ত্রী গণমাধ্যম শিল্পের সমস্যা সমাধানে ঐকমত্যের ওপর জোর দিয়ে বলেন, অচিরেই সাংবাদিকদের সকল ইউনিয়ন ও সংগঠনগুলোর সঙ্গে ধারাবাহিক মতবিনিময় শুরু হবে। প্রতিটি সংগঠন থেকে ৩-৫ জন বিশেষজ্ঞ প্রতিনিধি চেয়ে তিনি বলেন, যাদের স্টাডি ও পর্যবেক্ষণ করার গভীরতা আছে, তারা যেন সমস্যার সঠিক চিহ্নিতকরণ ও কার্যকর সমাধান করার প্রস্তাব করতে পারেন। বিজ্ঞাপন ও সরকারি অনুদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, ‘নীতিমালা বহির্ভূতভাবে সরকারি অর্থ খরচ করা যাবে না। আমি জমিদার নই যে, যাকে খুশি তাকে দেব। আমরা খুব দ্রুত একটা নীতিমালার মধ্যে ঢুকবই।’ প্রযুক্তিগত রূপান্তর নিয়ে মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়টি একটি ‘হাইব্রিড সিস্টেম’। কেউ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করছে, কেউ আবার কলম ছাড়া চলতে পারছে না। এই বিবর্তনের যুগে পেশাদারিত্বের মান বজায় রাখা বড় চ্যালেঞ্জ। তিনি সাংবাদিকদের উদ্দেশে বলেন, ‘শুধু নেতিবাচক কথা বললে হবে না, রাষ্ট্রকে ইতিবাচক প্রস্তাব করতে হবে। একাধিক প্রস্তাব থাকলে আমরা সেখান থেকে টেকসই সমাধান বেছে নেব।’ ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল। ডিআরইউ সাধারণ সম্পাদক তথ্যমন্ত্রীর কাছে বেশ কয়েকটি প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সাংবাদিকদের একটি বাস্তবসম্মত ওয়েজবোর্ড কার্যকর, সাপ্তাহিক ছুটি দুইদিন, বছরে দুই ঈদের ছুটি পাঁচদিন করে এবং অবসর ভাতা চালু করা এখন সময়ের দাবি। মন্ত্রী প্রস্তাবের বাস্তব সম্মত সমাধানে সকল অংশীজনের সঙ্গে শিগগিরই বসবেন বলে আশ্বস্ত করেন। মতবিনিময় সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব আবু আবদুল্লাহ এম ছালেহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুহাম্মদ আবদুল্লাহ, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমসহ ডিআরইউ-এর সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ।   - [বিএনপি সংসদ সদস্যদের জন্য প্রশিক্ষণ কর্মশালা উদ্বোধন প্রধানমন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/10640): স্টার নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ অধিবেশনকে সামনে রেখে দলীয় সংসদ সদস্যদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। আজ (শুক্রবার) সকাল সাড়ে ১০টায় গুলশানে দলীয় চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে এই কর্মশালার উদ্বোধন করেন বিএনপি চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, বিএনপি চেয়ারম্যান, সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দলীয় সংসদ সদস্যদের একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালায় আছেন। রুদ্ধদ্বার এই কর্মশালার উদ্বোধনী পর্বে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, এজেডএম জাহিদ হোসেন প্রমুখ জ্যেষ্ঠ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে তারেক রহমান স্বাগত বক্তব্য দেন। অনুষ্ঠানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানও উপস্থিত ছিলেন। বিএনপি নেতারা জানান, কর্মশালায় সংসদের কার্যপ্রণালী; আচরণবিধি; বিল প্রণয়ন ও পর্যালোচনা; বাজেট সংক্রান্ত নথি বিশ্লেষণ ও সংসদীয় কমিটিগুলোর কার্যক্রমসহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের সামনে উপস্থাপন করা হবে। অভিজ্ঞ এমপিরা তাদের অভিজ্ঞতা নতুনদের কাছে তুলে ধরবেন। সরকার এবং সরকারি দলের দক্ষতা বাড়ানোই এই কর্মশালার উদ্দেশ্যে। - [দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10637): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেছেন, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহযোগিতা ও আস্থার ভিত্তিতে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরো শক্তিশালী করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ সব সময় দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্ককে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয় বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী। আজ কূটনীতিকদের সম্মানে আয়োজিত এক ইফতার মাহফিলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সমৃদ্ধি গড়ে ওঠে সহযোগিতা ও সম্পৃক্ততার মাধ্যমে, বিচ্ছিন্নতার মাধ্যমে নয়। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী প্রধানমন্ত্রীর উদ্ধৃতি দিয়ে বাসসকে এসব তথ্য জানান। প্রধানমন্ত্রী আজ সন্ধ্যায় রাজধানীতে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় কূটনীতিকদের সম্মানে ইফতার মাহফিলের আয়োজন করেন। ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূত ও বিদেশি মিশনের প্রতিনিধিরা, মন্ত্রিসভার সদস্য এবং সংসদ সদস্যরা ইফতার মাহফিলে অংশ নেন। ইফতারের পূর্বে দেওয়া বক্তব্যে তারেক রহমান বলেন, আজকের এই ইফতার শুধু একটি আনুষ্ঠানিক আয়োজন নয়; এটি আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়— নানা জাতি, ধর্ম ও সংস্কৃতির মানুষের পারস্পরিক সম্মান, সহমর্মিতা ও ঐক্যের গুরুত্বের কথা। এই মূল্যবোধই একটি শান্তিপূর্ণ ও সহনশীল সমাজ গঠনের ভিত্তি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর সরকার বিচক্ষণ নিয়ন্ত্রণ শিথিলকরণ নীতি অনুসরণ করবে, ব্যবসা পরিচালনার পরিবেশ আরো সহজ করবে এবং দায়িত্বশীল বিনিয়োগ আকর্ষণে প্রতিযোগিতামূলক পরিবেশ গড়ে তুলবে। তিনি আরো বলেন, আমাদের লক্ষ্য আমাদের জনগণ ও বেসরকারি খাতের পূর্ণ সম্ভাবনাকে উন্মোচিত করা। তারেক রহমান বলেন, পারস্পরিক স্বার্থ, আস্থা ও সার্বভৌমত্বের ভিত্তিতে ‘সবার সঙ্গে বন্ধুত’¡ নীতির আলোকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি হবে বাস্তববাদী ও টেকসই। তিনি আরো বলেন, আমরা দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় অংশীদারিত্বকে মূল্যায়ন করি এবং আগামী বছরগুলোতে উন্মুক্ত আলোচনা ও শক্তিশালী সহযোগিতার জন্য উন্মুক্ত রয়েছি। তিনি বলেন, সরকার আইনশৃঙ্খলা নিশ্চিত করা, সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং সমাজের সব স্তরে প্রশিক্ষণ, দক্ষতা উন্নয়ন ও সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে মানবসম্পদ উন্নয়নে অগ্রসর হওয়ার ওপর গুরুত্ব দেবে। তিনি আরো বলেন, উদ্যোগ ও উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করে এমন উদার অর্থনৈতিক নীতিতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রবৃদ্ধির অন্যতম ভিত্তি হিসেবে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জোরদার করা হবে। বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগের সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য একটি বহুমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর ও টেকসই অর্থনীতি গড়ে তোলা, যা আমাদের তরুণদের জন্য কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে, নারীর ক্ষমতায়ন ঘটাবে, উদ্যোক্তা সৃষ্টিকে উৎসাহিত করবে এবং সবার জন্য সমৃদ্ধি নিশ্চিত করবে। তিনি আরো বলেন, সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষা জোরদার করা, পাঠ্যক্রমে তৃতীয় ভাষা অন্তর্ভুক্ত করা এবং গ্রামীণ এলাকায় প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে, যাতে প্রবৃদ্ধির সুফল দেশের প্রতিটি প্রান্তে পৌঁছে যায়। তিনি বলেন, আমরা স্বীকার করি যে, জনগণের আস্থা নির্ভর করে স্বচ্ছতা ও সততার ওপর এবং শাসনের সব স্তরে দুর্নীতি মোকাবিলায় আমরা কঠোর ব্যবস্থা নেব। আমাদের কাছে গণতন্ত্র শুধু ব্যালট বাক্সে সীমাবদ্ধ নয়; এটি অন্তর্ভুক্তি, স্বচ্ছতা ও সংলাপের ধারাবাহিক অঙ্গীকার। তারেক রহমান বলেন, সরকারের অঙ্গীকার দৃঢ়— গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা, আইনের শাসন সমুন্নত রাখা, স্বাধীনতা রক্ষা করা এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। তিনি বলেন, মানবাধিকার সুরক্ষা, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা রক্ষা এবং সহনশীলতা ও বহুত্ববাদের সংস্কৃতি গড়ে তুলতেও আমরা সমানভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, সরকারের উদ্যোগে ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু করা হবে, যাতে প্রতিটি পরিবারের নারী সদস্য এবং কৃষি সম্প্রদায়ের জন্য লক্ষ্যভিত্তিক সামাজিক ও অর্থনৈতিক সহায়তা প্রদান করা যায়। পরিবেশ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে জলবায়ু সহনশীলতা ও টেকসই উন্নয়ন এগিয়ে নিতে আমরা আমাদের বৈশ্বিক অংশীদারদের সঙ্গে গঠনমূলকভাবে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী ২০২৬-২০২৭ মেয়াদের জন্য জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির পদে বাংলাদেশের প্রার্থী হিসেবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে সমর্থনের আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির বক্তব্য রাখেন।   - [হাটহাজারীতে শাহ এমদাদীয়ার শিক্ষা ও ঈদ সামগ্রী বিতরণ](https://starnews24bd.com/news/10634): স্টার নিউজ ডেস্ক: গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর মানবকল্যাণ কর্মসূচির আওতায় চট্টগ্রামের হাটহাজারীর গুমানমর্দ্দনে অসহায় ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা সামগ্রী, ঈদ উপহার ও ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শুক্রবার (০৬ মার্চ) সকালে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) গুমানমর্দ্দন দায়রা শাখার উদ্যোগে এই কর্মসূচি সম্পন্ন হয়। পুরো কার্যক্রমটি সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর পৃষ্ঠপোষকতা এবং নায়েব সাজ্জাদানশীন ও মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারীর সার্বিক তত্ত্বাবধানে পরিচালিত হয়। মুহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মানবিক কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসার সাবেক অধ্যক্ষ ও শায়খুল হাদিস আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ সোলায়মান আনসারী। মুহাম্মদ হাবিবুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) চট্টগ্রাম জেলা কার্যকরী সংসদের সহ-সভাপতি মওলানা মুহাম্মদ আবুল মনছুর, সাধারণ সম্পাদক শেখ শাকিল মাহমুদ, দারুত-তায়ালীম সম্পাদক মওলানা মুহাম্মদ সালাহ উদ্দীন এবং সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক মুহাম্মদ খায়রুল ইসলাম সুজন এবং ব্যাংকার হাফেজ মুহাম্মদ সালামত উল্লাহ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) হাটহাজারী উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ নুরুল আনোয়ার চৌধুরী। অনুষ্ঠানে ১০০ জন শিক্ষার্থীর মাঝে শিক্ষা সামগ্রী ও ঈদ উপহার এবং ১০০ জন দুস্থ মানুষের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা হাফেজ মুহাম্মদ সোলায়মান আনসারী বলেন, মানবসেবাই মাইজভাণ্ডারী ত্বরিকার মূল শিক্ষা। মানবতার কল্যাণে সাজ্জাদানশীন সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী যে মহতী উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন, তা সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য আশীর্বাদ। বিশেষ করে শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দেওয়া একটি উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) রাউজান উপজেলা সভাপতি মুহাম্মদ ইউনুছ মিয়া, হাটহাজারী উপজেলা সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ মওলানা শহিদুল্লাহ ফারুকী, সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ আমিন উল্লাহ, কোষাধ্যক্ষ মুহাম্মদ এনায়েতুল হক মানিক, দপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ হাসান মাহমুদ তামিম, সহ-জনসংযোগ ও প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ সরওয়ার খসরু এবং দারুত তায়ালীম প্রতিনিধি মওলানা শহিদুল আজম হোসাইনী। অনুষ্ঠান শেষে দেশ ও জাতির সমৃদ্ধি কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।   - [আইআরজিসি প্রমিজ ৪-এর ১৯তম তরঙ্গ চালু করেছে: খোররামশাহর-৪ ক্ষেপণাস্ত্র ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে](https://starnews24bd.com/news/10631): স্টার নিউজ ডেস্ক: বুধবারের প্রথম দিকে, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ডস কর্পস (আইআরজিসি) এরোস্পেস ফোর্স ঘোষণা করেছে যে তারা অপারেশন ট্রু প্রমিজ ৪-এর ১৯তম তরঙ্গ পরিচালনা করেছে, উন্নত খোররামশাহর-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে ইসরায়েলি সামরিক অবকাঠামো লক্ষ্য করে। আইআরজিসি বিবৃতি অনুসারে, অতি-ভারী ক্ষেপণাস্ত্রগুলি - প্রতিটি এক টন-শ্রেণীর ওয়ারহেড দিয়ে সজ্জিত - ভোরবেলা ছোড়া হয়েছিল। প্রাথমিক লক্ষ্যবস্তুগুলির মধ্যে ছিল কেন্দ্রীয় তেল আবিব, বেন-গুরিয়ন বিমানবন্দর এবং বিমানবন্দরে অবস্থিত ইসরায়েলি বিমান বাহিনীর স্কোয়াড্রন ২৭। আইআরজিসি দাবি করেছে যে আক্রমণাত্মক ড্রোনের আগে স্ট্রাইক প্যাকেজটি আঞ্চলিক এবং অভ্যন্তরীণ বিমান প্রতিরক্ষার "সাত স্তর" সফলভাবে ভেদ করে তাদের লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছে। খোররামশাহর-৪ ইরানের সবচেয়ে অত্যাধুনিক ব্যালিস্টিক অস্ত্রগুলির মধ্যে একটি: প্রায় ১৩ মিটার লম্বা, যার লঞ্চ ওজন প্রায় ৩০ টনেরও বেশি এবং একটি ম্যানুভারেবল রি-এন্ট্রি ভেহিকেল যা ১,০০০ কেজিরও বেশি বিস্ফোরক বহন করতে সক্ষম। বিবৃতিতে আরও জোর দেওয়া হয়েছে যে পূর্ববর্তী পদক্ষেপে, ইরানি বাহিনী একটি বৃহত্তর, বহু-অক্ষ অভিযানের অংশ হিসাবে বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতে প্রায় ২০টি মার্কিন সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত করেছিল। এতে এই সমন্বিত পদক্ষেপগুলিকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েল উভয়ের প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যাওয়ার বর্ণনা দেওয়া হয়েছে, যা চলমান সংঘাতের গতিশীলতাকে মৌলিকভাবে বদলে দিয়েছে। আইআরজিসি অভিযোগ করেছে যে আমেরিকান সৈন্যরা আঞ্চলিক সামরিক ঘাঁটিগুলি খালি করছে এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে বেসামরিক হোটেলগুলিতে আশ্রয় নিচ্ছে। এটি মার্কিন সেনাবাহিনীকে তাদের অভিযানের জন্য বেসামরিক অবকাঠামো ব্যবহার করার অভিযোগ করেছে এবং সতর্ক করেছে যে এই ধরনের আন্দোলনগুলি ক্রমাগত ইরানি গোয়েন্দা নজরদারির অধীনে রয়েছে। বিবৃতিতে জোর দেওয়া হয়েছে যে প্রয়োজনে ইরানি বাহিনী আক্রমণাত্মক সৈন্যদের উপর আঘাত করার জন্য প্রস্তুত রয়েছে। আইআরজিসি দাবি করেছে যে শনিবার থেকে তাদের প্রতিশোধমূলক অভিযানে কমপক্ষে ৫৬০ জন আমেরিকান নিহত হয়েছে এবং আরও অনেকে আহত হয়েছে। এই ঘোষণাটি আঞ্চলিক উত্তেজনা বৃদ্ধির মধ্যে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অভিযানের ক্রমবর্ধমান তীব্রতার উপর জোর দেয়, উভয় পক্ষই ক্রমবর্ধমান পরিশীলিত হামলা চালাচ্ছে। - [দুবাইয়ের আল খালিজ চিনি শোধনাগার এখনও রপ্তানি ও আমদানির জন্য উন্মুক্ত](https://starnews24bd.com/news/10628): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [যুদ্ধবিরতি না চাওয়া, মার্কিন আক্রমণ তাদের জন্য ‘বড় বিপর্যয়’ হবে বলে সতর্ক করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10625): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৃহস্পতিবার বলেছেন যে তার দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইসরায়েলের কাছ থেকে "যুদ্ধবিরতি চাইছে না", এবং প্রায় এক সপ্তাহের যুদ্ধের পর "আমাদের আলোচনা করার কোনও কারণ আমরা দেখতে পাচ্ছি না"। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন যে, রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি দেশটিতে আক্রমণ করার সিদ্ধান্ত নেন তবে ইরান "আত্মবিশ্বাসী" যে তারা মার্কিন সেনাবাহিনীর মুখোমুখি হতে পারবে। এবং এটি তাদের জন্য একটি বড় বিপর্যয় হবে। - [বিশ্বকাপ নিরাপত্তা নিয়ে ফিফার সঙ্গে বৈঠক করেছে মেক্সিকান কর্তৃপক্ষ](https://starnews24bd.com/news/10622): স্টার নিউজ ডেস্ক: বুধবার মেক্সিকান কর্তৃপক্ষের সাথে বৈঠক করে দেশটিতে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ম্যাচগুলোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন ফিফার প্রতিনিধিরা। গত সপ্তাহে এক সামরিক অভিযানে মাদক সম্রাট নেমেসিও ওসেগুয়েরা কারভান্টেস, ওরফে “এল মেনচো” নিহত হওয়ার পর মেক্সিকোর কয়েকটি অঙ্গরাজ্যে সহিংসতার ঘটনা ঘটে। এরপরই বিশ্বকাপে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। ফেডারেল নিরাপত্তা সচিব ওমর গার্সিয়া হারফুচ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানান, “এই আন্তর্জাতিক ইভেন্ট চলাকালে যে গোয়েন্দা তথ্য, প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা ও অপারেশনাল ব্যবস্থা নেয়া হবে, তার প্রোটোকল আমরা পর্যালোচনা করেছি।” মেক্সিকো, যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা যৌথভাবে বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। মেক্সিকোতে মোট ১৩টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে- মেক্সিকো সিটি, গুয়ারাডালাজারা ও মন্টেরে- এই তিন শহরে। টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচ, মেক্সিকো বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা- আগামী ১১ জুন মেক্সিকো সিটির এস্তাদিও আজটেকাতে অনুষ্ঠিত হবে। প্রায় দুই বছর ধরে সংস্কারের পর আগামী ২৮ মার্চ পর্তুগালের বিপক্ষে একটি প্রীতি ম্যাচ দিয়ে এই ঐতিহাসিক স্টেডিয়াম পুনরায় খুলবে বলে নির্ধারিত রয়েছে। বিশ্বকাপ শুরুর সময় স্টেডিয়ামের ধারণক্ষমতা প্রায় ৮৭ হাজার হবে। বুধবারের বৈঠকে ফিফা প্রতিনিধি ও হারফুচ ছাড়াও সিকিউরিটি ক্যাবিনেটের সদস্য এবং মেক্সিকো সিটি, জালিস্কো ও নুয়েভো লিওন অঙ্গরাজ্যের কর্তৃপক্ষ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে প্রেসিডেন্ট মেক্সিকান প্রেসিডেন্ট ক্লডিয়া শিয়েনবম বলেন, ফেডারেল ও অঙ্গরাজ্য বাহিনীর প্রচেষ্টায় টুর্নামেন্ট চলাকালে দেশটিতে আগত সবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। তিনি বলেন, “নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। পর্যাপ্ত নজরদারি ও তল্লাশি থাকবে যাতে কোনো সমস্যা না হয়। এটি একটি শান্তিপূর্ণ বিশ্বকাপ হবে, যেখানে দর্শনার্থীরা আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন।” এছাড়া মার্চে পর্তুগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ এবং বিশ্বকাপের খেলাগুলোর পাশাপাশি গুয়াডালাজারা ও মন্টেরেতে ছয় দলের আন্ত:মহাদেশীয় প্লে-অফ অনুষ্ঠিত হবে। এতে জ্যামাইকা, ইরাক, ডিআর কঙ্গো, সুরিনাম, নিউ ক্যালেডোনিয়া ও বলিভিয়া অংশ নেবে। গত বৃহস্পতিবার প্রেসিডেন্ট শিয়েনবমের সঙ্গে ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনোর টেলিফোনে কথা হয়। ইনফান্তিনো সহিংস ঘটনার পরও মেক্সিকোর বিশ্বকাপ সহ-আয়োজক হওয়ার সক্ষমতার ওপর “পূর্ণ আস্থা” প্রকাশ করেন।     - [পাকিস্তান সিরিজের জন্য দল ঘোষণা বিসিবির](https://starnews24bd.com/news/10619): স্টার নিউজ ডেস্ক: ঘরের মাঠে পাকিস্তানের বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের জন্য ১৫ সদস্যের দল ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। গত বছরের অক্টোবরে হওয়া সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজের সিরিজের দল থেকে বাদ পড়েছেন নুরুল হাসান সোহান, জাকের আলি ও শামিম হোসেন। ইনজুরির কারণে দলে রাখা হয়নি দুই পেসার হাসান মাহমুদ ও তানজিম হাসান সাকিবকে। ওয়ানডে দলে ফিরেছেন লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। এরমধ্যে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে সর্বশেষ দেশের হয়ে ওয়ানডে খেলেছেন আফিফ। ২০২০ সালে অভিষেকের পর ৩৪ ওয়ানডেতে ৬৬৭ রান করেছেন তিনি। সদ্য শেষ হওয়া বাংলাদেশ ক্রিকেট লিগে (বিসিএল) সাউথ জোনের হয়ে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন তিনি। ঐ প্রতিযোগিতায় ৩ ইনিংসে ৬৪ গড়ে ১২৮ রান করেন আফিফ। লিটন সর্বশেষ ওয়ানডে খেলেছেন গেল বছরের জুলাইয়ে শ্রীলংকার বিপক্ষে। ওয়ানডেতে ফর্মহীনতায় ভুগলে, টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে হাফ-সেঞ্চুরির দেখা পান তিনি। এমনকি টেস্টে ১টি করে সেঞ্চুরি ও হাফ-সেঞ্চুরি হাকিয়েছেন লিটন। আগামী ১১ মার্চ থেকে পাকিস্তানের বিপক্ষে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ। পরের দুই ওয়ানডে হবে যথাক্রমে- ১৩ ও ১৫ মার্চ। সিরিজের সবগুলো ম্যাচই হবে মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে। বাংলাদেশ দল : মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), সৌম্য সরকার, সাইফ হাসান, তানজিদ হাসান, নাজমুল হোসেন শান্ত, তাওহিদ হৃদয়, লিটন কুমার দাস, আফিফ হোসেন, মাহিদুল ইসলাম, রিশাদ হোসেন, তানভীর ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান, তাসকিন আহমেদ, শরিফুল ইসলাম ও নাহিদ রানা। - [বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৫.৪৯ বিলিয়ন ডলার](https://starnews24bd.com/news/10616): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। আজ বাংলাদেশ ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)-এর ব্যালেন্স অব পেমেন্টস অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল ইনভেস্টমেন্ট পজিশন ম্যানুয়াল (বিপিএম-৬) পদ্ধতি অনুসারে, বাংলাদেশের নিট রিজার্ভ বর্তমানে ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।   - [নগরে মশার উপদ্রব কমাতে ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ : চসিক মেয়র](https://starnews24bd.com/news/10613): স্টার নিউজ ডেস্ক: নগরে মশার উপদ্রব কমাতে আগামী সপ্তাহ থেকে ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে মশক নিধনে বিশেষ ‘ক্রাশ প্রোগ্রাম’ চালু করবেন বলে জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। তিনি বলেন, মশার বিরুদ্ধে যুদ্ধে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনে যুক্ত হলো আরও ৬টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন। প্রিমো হেলথ কেয়ারের দেওয়া এসব শক্তিশালী ইঞ্জিনচালিত প্রফেশনাল গ্রেড স্প্রে মেশিনের মাধ্যমে দ্রুত ও কার্যকরভাবে লার্ভিসাইড বা কীটনাশক ছিটানোর সম্ভব। প্রতিটি মেশিনে বড় ধারণ ক্ষমতার ট্যাংক এবং শক্তিশালী স্প্রে ব্যবস্থা রয়েছে, যার সাহায্যে প্রায় ১২ মিটার দূর পর্যন্ত ওষুধ ছেটানো যায়। এতে অ্যান্টি-ভাইব্রেশন প্রযুক্তি ও আরামদায়ক কাঁধের বেল্ট থাকায় দীর্ঘসময় কাজ করলেও অপারেটরদের জন্য ব্যবহার সহজ হয়। বৃহস্পতিবার নগরীর টাইগারপাসের চসিক কার্যালয়ে আমেরিকান প্রযুক্তির বিটিআই মেডিসিন ছিটানোর জন্য ৬টি হ্যান্ড স্প্রে মেশিন হস্তান্তর অনুষ্ঠানে এসব তথ্য জানান মেয়র। মেয়র ডা. শাহাদাত বলেন, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়াসহ মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে চসিক এখন আমেরিকান প্রযুক্তির লার্ভিসাইড বিটিআই ব্যবহার করছে। এই প্রযুক্তি মশার লার্ভা ধ্বংসে অত্যন্ত কার্যকর এবং পরিবেশবান্ধব। ইতোমধ্যে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় হঠাৎ করেই মশার বংশ বিস্তার বেড়ে যায়। নগরবাসী যাতে মশার কারণে দুর্ভোগে না পড়েন, সে জন্য আগামী সপ্তাহ থেকে ৪১টি ওয়ার্ড জুড়ে সমন্বিত ক্রাশ প্রোগ্রাম পরিচালনা করা হবে। মেয়র বলেন, এই কর্মসূচির আওতায় নিয়মিত ফগিং কার্যক্রমের পাশাপাশি লার্ভিসাইড ছেটানো, নালা-নর্দমা পরিষ্কার, আবর্জনা অপসারণ এবং জনসচেতনতা কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে। নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে সমন্বিতভাবে কাজ করে মশার বংশবিস্তার নিয়ন্ত্রণে আনা হবে। মশা নিয়ন্ত্রণে কেবল সিটি করপোরেশনের উদ্যোগই যথেষ্ট নয়, নাগরিকদেরও সচেতন হতে হবে। বাসাবাড়ি, ছাদ, ফুলের টব বা পানির পাত্রে কোথাও যাতে পরিষ্কার পানি জমে না থাকে সেদিকে সবার নজর দিতে হবে। নগরবাসীর সম্মিলিত সহযোগিতা থাকলে ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হবে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির চৌধুরী, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. শরফুল ইসলাম মাহি, প্রিমো হেলথ কেয়ারের জাহেদ ঠাকুর, নাহিয়ান, পাভেল প্রমুখ।   - [এমপিদের দুই দিনের প্রশিক্ষণ দেবে বিএনপি](https://starnews24bd.com/news/10611): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) দলীয় এমপিদের, বিশেষ করে প্রথমবার নির্বাচিতদের সংসদীয় কার্যক্রম, বিল-বাজেট, স্থায়ী কমিটির কাজসহ বিভিন্ন বিষয়ে ধারণা দিতে দুই দিনের কর্মশালার আয়োজন করেছে। অভিজ্ঞ সাবেক আমলা, একাডেমিশিয়ান ও সাবেক সংসদ সদস্যদের মাধ্যমে এমপিদের দায়িত্ব, মন্ত্রিসভার সদস্যদের সংসদীয় রেওয়াজ ও মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষ করে তুলতে কৌশলগত ভূমিকা কেমন হবে, তা তুলে ধরা হবে এই কর্মশালায়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবীর খান। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আগামী ১২ মার্চ বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন। এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করেই মূলত নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের জন্য এই নিবিড় প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। ৬ ও ৭ মার্চ দুই দিনব্যাপী বিশেষ এ প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হবে। গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিতব্য এই কর্মশালার উদ্বোধন করবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামীকাল শুক্রবার ৬ মার্চ দুটি সেশনে কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। সকাল সাড়ে ১০টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপদেষ্টারা অংশ নেবেন। মধ্যাহ্ন ভোজের বিরতির পর দ্বিতীয় সেশন শুরু হবে বিকেল আড়াইটায়, যা চলবে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এতে অংশ নেবেন রংপুর, রাজশাহী, ঢাকা ও ফরিদপুর বিভাগের কিছু সংসদ সদস্য। দ্বিতীয় দিন ৭ মার্চ একই নিয়মে সকালের সেশনে ঢাকা জেলা, ময়মনসিংহ ও ঢাকা বিভাগের এবং ফরিদপুর জেলার বাকি সংসদ সদস্যরা অংশ নেবেন। বিকেলের সেশনে সিলেট, কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলের সংসদ সদস্যরা উপস্থিত থাকবেন। বিএনপির সিনিয়র নেতারা জানিয়েছেন, বিএনপির নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে সংসদ সদস্যদের স্থানীয় উন্নয়ন, নীতিমালার কার্যকর প্রয়োগ এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের তদারকিতে গুরুত্ব দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া মন্ত্রীদের দুর্নীতি প্রতিরোধ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সরকারি কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার কৌশল নিয়েও আলোচনা হবে।   - [বিদেশে যাওয়া-আসার সময় রাষ্ট্রাচার সীমিত করলেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10608): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ সফর ও স্বদেশে প্রত্যাবর্তনকালে বিমানবন্দরে অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচারে পরিবর্তন আনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর বিদেশযাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় অনুসরণীয় রাষ্ট্রাচার নিয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে আজ বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রীর বিদেশ যাত্রা এবং দেশে ফেরার সময় মাত্র চারজন কর্মকর্তাকে বিমানবন্দরে থাকতে হবে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উপস্থিত থাকবেন মন্ত্রিসভার জ্যেষ্ঠতম একজন মন্ত্রী, বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব এবং প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব। এ পরিবর্তনের মাধ্যমে পূর্ববর্তী বিস্তৃত প্রটোকল ব্যবস্থা সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। এর আগে, ২০২৪ সালের ২৮ আগস্ট প্রধান উপদেষ্টার বিদেশযাত্রা ও ফেরার সময় বিমানবন্দরে রাষ্ট্রাচার নিয়ে নির্দেশনা জারি করে অন্তর্বর্তী সরকার। এখন ওই নির্দেশনা বাতিল করা হয়েছে।   - [জিয়াউর রহমান শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহিতার ভিত্তি তৈরি করেছিলেন: শিক্ষামন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10605): স্টার নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতার প্রকৃত ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের (ডিআইএ) কর্মকর্তাদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান অল্প সময়ের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালনকালেই শিক্ষকদের জন্য ৫০ শতাংশ বেতন চালু করেছিলেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে অডিট ব্যবস্থার সূচনাও ছিল তাঁর এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। তাঁর এই দূরদর্শী উদ্যোগের মাধ্যমেই শিক্ষা প্রশাসনে শৃঙ্খলা ও জবাবদিহিতার একটি শক্ত ভিত তৈরি হয়।’ মন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, তাঁরই সুযোগ্য সন্তান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের শিক্ষাখাত বাস্তবমুখী পরিকল্পনার মাধ্যমে আরও সামনে এগিয়ে যাবে। বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ ও জ্বালানি সংকটের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী সরকারি দপ্তরসমূহকে মিতব্যয়ী হওয়ার আহ্বান জানান। তিনি সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী অফিসিয়াল কাজে গাড়ি শেয়ারিং, বিদ্যুৎ ব্যবহারে সংযম এবং এয়ার কন্ডিশনারের (এসি) তাপমাত্রা নির্ধারিত মাত্রায় রাখার নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ড. এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘শিক্ষা ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও অনিয়ম প্রতিরোধে এই অধিদপ্তরের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তদারকি ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অন্যতম পবিত্র দায়িত্ব।’ এসময় তিনি কর্মকর্তাদের সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান। শিক্ষার মানোন্নয়নে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ইতিবাচক প্রতিযোগিতার পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে স্কুল ও কলেজের জন্য একটি র্যাংকিং সিস্টেম চালু করা হবে। গুণগত মান, পরিচালনা ব্যবস্থা, শিক্ষার পরিবেশ এবং ফলাফলের সূচকের ভিত্তিতে এই র্যাংকিং নির্ধারণ করা হবে। সভায় শিক্ষামন্ত্রী কর্মকর্তাদের কাজের স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রত্যেকের বর্তমান কর্মকাণ্ড ও ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা এবং শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে নিজস্ব মতামত লিখিত আকারে মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি নিয়মিত অধিদপ্তর পরিদর্শন এবং কর্মকর্তাদের সাথে সরাসরি আলোচনার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানেরও আশ্বাস দিয়েছেন। সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।   - [দক্ষ জনশক্তি গড়তে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/10602): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদেশে কর্মসংস্থানে দক্ষ জনশক্তি গড়তে দেশে ভাষা প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার নির্দেশ দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে বৈদেশিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি ও প্রবাসী কল্যাণে গঠিত কমিটির বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তাঁর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। তিনি জানান, ‘বৈঠকে বেকার যুবক-যুবতীদের বিদেশে কর্মসংস্থানের জন্য দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহনে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছেন। তিনি দেশী-বিদেশী শিক্ষকদের সমন্বয়ে দেশের ভাষা শিক্ষা কেন্দ্র খুলতে বলেছেন। যাতে বেকার যুবক-যুবতীরা বিভিন্ন দেশের ভাষা শিখে বিদেশে চাকুরির সুযোগ পায়।’ দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এই বৈঠকে কিভাবে বিদেশে কর্মসংস্থানের দ্রুত সুযোগ সৃষ্টি করা যায় এবং তার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে শ্রম ও কর্মসংস্থান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নূর, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমীন, মুখ্য সচিব এবিএম আবদুস সাত্তারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ উধর্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে বিদেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পেতে যাতে কাউকে নিজের সহায়-সম্পত্তি বিক্রি করে যেতে না হয় সেজন্য স্বল্প সুদে ব্যাংক ঋণ ব্যবস্থা এবং ঋণ পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজীকরণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। তিন আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে ফ্রি ওয়াইফাই ঢাকা হয়রত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর, চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর ও সিলেটে এমএজি ওসমানি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের টার্মিনালে অন্যান্য উন্নত দেশের বিমান বন্দরের মতো ফ্রি ওয়াইফাই চালু করতে বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রীকে নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী বলে জানান অতিরিক্তি প্রেস সচিব। ‘ঢাকা-১৭ আসনে ভঙ্গুর মন্দির সংস্কার’ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার নিজ নির্বাচনী আসনে দেয়া প্রতিশ্রুতি দ্রুত বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছেন বলেও জানান অতিরিক্তি প্রেস সচিব। তিনি জানান নির্বাচনের প্রচারণার সময়ে ঢাকা-১৭ আসনে মহাখালী ক্যান্সার হাসপাতালে কাছে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের একটি মন্দির রয়েছে তা সংস্কারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সেই মন্দিরের সংস্কার কাজ আগামী শনিবার শুরু করতে বলেছেন তিনি। আগামী শনিবার সকাল ১১টায় ঢাকার দুই সিটির প্রশাসক যথাক্রমে আবদুস সালাম ও শফিকুল ইসলাম মিল্টন এবং ঢাকা-১৭ আসনে তারেক রহমানের নির্বাচন সমন্বয়কারী অধ্যাপক ফরহাদ হালিম ডোনার এতে উপস্থিত থাকবেন। - [সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াসহ ২০ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান পাচ্ছে স্বাধীনতা পুরস্কার](https://starnews24bd.com/news/10599): স্টার নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জ্বল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও গণতন্ত্রের আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়াসহ ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয় মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষাসহ দেশগঠনে সার্বিক অবদানের জন্য বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে মন্ত্রিসভা। এছাড়াও, মুক্তিযুদ্ধে বিশেষ অবদানের জন্য ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ ও প্রয়াত মেজর মোহাম্মদ আবদুল জলিল (মরণোত্তর), অধ্যাপক ড. জহুরুল করিম (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি), ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (চিকিৎসাবিদ্যা), সাহিত্যে ড. আশরাফ সিদ্দিকী (মরণোত্তর), এ কে এম হানিফ (হানিফ সংকেত) (সংস্কৃতি), বশির আহমেদ (মরণোত্তর) (সংস্কৃতি), জোবেরা রহমান লিনুকে (ক্রীড়া) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। পল্লী উন্নয়নে পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশন (পিকেএসএফ), সমাজসেবা/জনকল্যাণের জন্য ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী (মরণোত্তর), এস ও এস চিলড্রেন্স ভিলেজ ইন্টারন্যাশনাল ইন বাংলাদেশ, মো. সাইদুল হক, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র, মাহেরীন চৌধুরী (মরণোত্তর) এ পুরস্কার পাচ্ছেন। এছাড়াও জনপ্রশাসনে স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন কাজী ফজলুর রহমান (মরণোত্তর)। গবেষণা ও প্রশিক্ষণে অবদানের জন্য মোহাম্মদ আবদুল বাকী, পিএইচডি, অধ্যাপক ড. এম এ রহিম ও অধ্যাপক ড. সুকোমল বড়ুয়া এবং পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য আবদুল মুকিত মজুমদার (মুকিত মজুমদার বাবু) স্বাধীনতা পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন। - [ডিরি’র সেক্রেটারি জেনারেল সাইফুল আচফিয়ার পদোন্নতি ও পিএইচডি অর্জন](https://starnews24bd.com/news/10596): স্টার নিউজ ডেস্ক: দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি)-এর সেক্রেটারি জেনারেল ড. কাজী মো. সাইফুল আচফিয়া চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) স্কুল অব লিবারেল আর্টস অ্যান্ড সোশ্যাল সায়েন্সেস-এর সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে পদোন্নতি লাভ করেছেন। একইসাথে তিনি সম্প্রতি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তাঁর পিএইচডি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। তার এই অনন্য সাফল্যে দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি)-এর পক্ষ থেকে চেয়ারম্যান এবং ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এক অভিনন্দন বার্তায় শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী বলেন, ড. কাজী মো. সাইফুল আচফিয়া একজন নিবেদিতপ্রাণ গবেষক এবং দক্ষ শিক্ষাবিদ। ডিরি’র সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে তিনি যেমন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন, তেমনি শিক্ষা ও গবেষণাক্ষেত্রে তাঁর এই সাফল্য আমাদের গর্বিত করেছে। তাঁর এই পদোন্নতি এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন তাঁর নিরলস পরিশ্রম ও মেধারই প্রতিফলন। আমি তাঁর ভবিষ্যৎ জীবনের আরও সাফল্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি।" উল্লেখ্য যে, ড. কাজী মো. সাইফুল আচফিয়া গত ৭ বছর ধরে চট্টগ্রাম ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির (সিআইইউ) ইংরেজি বিভাগে অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষকতা করে আসছেন। একজন প্রথিতযশা একাডেমিক হিসেবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পিয়ার-রিভিউড জার্নালে তাঁর অসংখ্য গবেষণামূলক প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘ দিন ধরে দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট (ডিরি)-এর সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে গবেষণা ও সামাজিক কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।   ## Pages - [বিজ্ঞাপন](https://starnews24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8) - [ভিডিও আর্কাইভ](https://starnews24bd.com/vc): https://www.youtube.com/embed?listType=playlist&list=UUP66KQs5QuF23sbleDw7Ruw&layout=gallery - [প্রচ্ছদ](https://starnews24bd.com/): সর্বশেষ বিশ্বায়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং আঞ্চলিক সংগঠন: প্রসঙ্গ সীতাকুণ্ড সমিতি হাইতিকে বিদায় করে ব্রাজিলের প্রথম জয় ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে বদলে যাবে ২৪ জেলার দৃশ্যপট, কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা মাতারবাড়ী হতে যাচ্ছে মুক্ত বাণিজ্যিক অঞ্চল পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চবিতে হচ্ছে গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম https://www.youtube.com/embed?listType=playlist&list=UUv-Y_9gegviikJeOT4hWm9g জাতীয়   সারাবিশ্ব মন্ত্রনালয় জাতীয় সংসদ অর্থ বাণিজ্য তথ্য-প্রযুক্তি   সারা বাংলাদেশ ইসলামী দুনিয়া কলাম-ফিচার খেলাধুলা আইন-আদালত   প্রবাসজীবন শিক্ষাঙ্গন পর্যটন বন্দর মানবাধিকার পরিবেশ শিল্প-সাহিত্য শিল্প-সাহিত্য - [TV](https://starnews24bd.com/tv) - [আমাদের কথা](https://starnews24bd.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be): অনলাইন নিউজের ক্ষেত্রে starnews24bd.com যেভাবে আস্থা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বাংলাদেশ ও সারাবিশ্বে starnews24bd.com এর পরিচয় একটি বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ মাধ্যম হিসেবে। আমাদের নিউজ পোর্টালে সাংবাদিকতার যে মান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানো হয় তা পক্ষপাতহীন, স্বাধীন,সৎও ন্যায্য। আমরা যা কিছুই করি তার মূল ভিত্তি হচ্ছে পাঠক ও স্রোতা। প্রাসঙ্গিক সব সত্যকে আমরা খোলা মন নিয়ে ও নিরপেক্ষভাবে বিচার করবো।আমরা জানি ও বুঝতে পারি ইন্টারনেট থেকে বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিকতাকে খুঁজে বের করা কঠিন কাজ। starnews24bd.com এর রয়েছে নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতিমালা। আমাদের সব কন্টেন্ট এবং সাংবাদিকদের মান কী হবে তা নির্ধারিত হয় এই নীতিমালা থেকে। starnews24bd.com এর উদ্দেশ্য হচ্ছে জনস্বার্থে কাজ করা। জনগণকে তথ্য প্রদান করে বিনোদন সেবা দিয়ে নিরপেক্ষ, উচ্চমানের ও সম্পূর্ণভাবে লক্ষনীয় বিষয়বস্তুর মাধ্যমে সব ধরনের পাঠক শ্রোতার সেবা করা। আমাদের পাঠক শ্রোতা আশ্বস্ত থাকতে পারেন যে কোন স্বার্থের দ্বারা আমাদের সিদ্ধান্ত কোনভাবেই প্রভাবিত হবে না। মানুষ মাত্রই ভুলের দন্ডে দন্ডিত।কোথাও ভুল হলে আমরা খোলা মন নিয়ে তা স্বীকার করে নেব এবং সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতাকে উৎসাহিত করা হবে। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে যেখানে আইনি কারণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকি কিংবা সম্পাদকীয় নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন রয়েছে সেখানে কন্টেন্ট সরিয়ে দিতে আমাদের ব্যাত্যয় ঘটবে না। starnews24bd.com এর সাথেই থাকুন, প্রকৃত সত্যকে জানুন।