Generated by Rank Math SEO, this is an llms.txt file designed to help LLMs better understand and index this website. # StarNews24: starnews24 ## Sitemaps [XML Sitemap](https://starnews24bd.com/sitemap_index.xml): Includes all crawlable and indexable pages. ## Posts - [জাতিসংঘ সফর শেষে দেশে ফিরছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11615): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে অংশ নিতে পাঁচ দিনের নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশে ফেরার উদ্দেশে নিউইয়র্ক ত্যাগ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী এমিরেটসের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও সফরসঙ্গীরা রয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলী এ তথ্য জানিয়েছেন। ফ্লাইটটি ২৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায় দুবাই পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সেখান থেকে রাত ২টায় ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সফরকালে প্রধানমন্ত্রী প্রথমবারের মতো জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্কে বাংলায় ভাষণ দেন। এতে তিনি বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, মানবিক সংকট, অর্থনৈতিক সহযোগিতা এবং রোহিঙ্গা সংকটসহ বিভিন্ন বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন। পাঁচ দিনের এই সফরে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের পাশাপাশি একাধিক রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং অর্থনৈতিক ও উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন। - [সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্তিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11612): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করে একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও কল্যাণমুখী গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে চায় বাংলাদেশ। তিনি বলেন, দলমত, ধর্ম ও বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের সমান অধিকার, সম্মান ও মর্যাদা নিশ্চিত করাই রাষ্ট্রের লক্ষ্য। বৃহস্পতিবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সাধারণ বিতর্কে বাংলাদেশের পক্ষে বাংলায় দেওয়া তাঁর প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের নাগরিকদের ক্ষমতাহীন রেখে কোনো রাষ্ট্র শক্তিশালী হতে পারে না। গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার মধ্য দিয়েই উন্নয়নের ধারাকে এগিয়ে নিতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সামনে এখন সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে। ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ডের সুযোগ কাজে লাগিয়ে দেশের কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীকে দক্ষ মানবসম্পদে পরিণত করা, ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং বাংলাদেশকে একটি ‘ম্যানুফ্যাকচারিং হাব’ হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে। তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষক ও উদ্ভাবকদের জন্য সুযোগ সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, স্টার্টআপ উদ্যোগে সহায়তার জন্য চলতি অর্থবছরে ৫০ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ রাখা হয়েছে। অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে জোর প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার শুধু ভোটের গণতন্ত্র নয়, অর্থনীতির গণতন্ত্রায়নও নিশ্চিত করতে চায়, যাতে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও সমৃদ্ধির সুফল প্রতিটি পরিবার ও নাগরিকের কাছে পৌঁছায়। তিনি বলেন, দেশের জনসংখ্যার অর্ধেকের বেশি নারী। তাই নারী শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরিকে সরকারের পরিকল্পনার অগ্রভাগে রাখা হয়েছে। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প খাতে নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে নগদ অর্থায়নের সুযোগ সম্প্রসারণ করা হয়েছে এবং স্নাতক পর্যন্ত নারীদের বিনাবেতনে শিক্ষার সুযোগ উন্মুক্ত করা হয়েছে। অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া মানুষের জন্য ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার্স কার্ড, স্পোর্টস কার্ড ও ই-হেলথ কার্ডের মতো বিভিন্ন সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি চালু করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবারের নারী প্রধানের নামে ইস্যু করা ‘ফ্যামিলি কার্ড’ নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রতীক। বিভিন্ন খাতের এসব কার্ডকে সমন্বিত করে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। শিক্ষা ও দক্ষ মানবসম্পদ প্রধানমন্ত্রী বলেন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও খেলাধুলাকে সরকার বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। দেশের ইতিহাসে এবারই শিক্ষাখাতে সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে পর্যায়ক্রমে শিক্ষাখাতে জিডিপির বরাদ্দ ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। কর্মমুখী শিক্ষা নিশ্চিত করতে কারিগরি ও ব্যবহারিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিয়ে শিক্ষা কারিকুলাম প্রণয়ন করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, প্রথম শ্রেণি থেকে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ ও স্কুল ইউনিফর্ম এবং বিনামূল্যে দুপুরের খাবার দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে শিক্ষা সিলেবাসে ‘স্পোর্টস’কে বিষয় হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত জুনে সারাদেশে আয়োজিত মাসব্যাপী ফুটবল টুর্নামেন্টে ২০ লাখের বেশি শিক্ষার্থী অংশ নিয়েছে। তিনি বলেন, সরকার শহর ও গ্রামের উন্নয়ন বৈষম্য কমানো এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। জনগণের কাছে দেওয়া ৩১ দফা কর্মসূচির সঙ্গে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার ‘লিভ নো ওয়ান বিহাইন্ড’ নীতির ৭৩ শতাংশ কার্যক্রমের সরাসরি এবং ২৭ শতাংশের পরোক্ষ মিল রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। প্রযুক্তির বৈষম্য দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিশ্ব কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বায়োটেকনোলজি ও বিজ্ঞানের নতুন যুগে প্রবেশ করছে। কিন্তু প্রযুক্তির সুযোগ এখনো সবার জন্য সমান নয়। তিনি বলেন, ‘আমরা চাই না, আজকের ডিজিটাল বিভাজন আগামী দিনের আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের বিভাজনে পরিণত হোক।’ উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য প্রযুক্তি হস্তান্তর, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং আধুনিক প্রযুক্তিতে সাশ্রয়ী প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী এআই ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিকাশের সুফল ইতিবাচকভাবে কাজে লাগাতে জাতিসংঘের কার্যকর নীতিমালা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন। এলডিসি উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ এলডিসি উত্তরণের অপেক্ষায় রয়েছে। এ উত্তরণকে টেকসই করতে সুনিশ্চিত অর্থায়ন, বাজারে অধিকতর প্রবেশাধিকার, প্রযুক্তি হস্তান্তর ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ধারাবাহিক আন্তর্জাতিক সহায়তা প্রয়োজন। আঞ্চলিক বাণিজ্য, যোগাযোগ ও সহযোগিতা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দিয়ে তিনি বলেন, বর্তমান বিশ্বব্যবস্থায় কোনো দেশ একা এগিয়ে যেতে পারে না। কোভিড-১৯ মহামারির অভিজ্ঞতা থেকেও পারস্পরিক সহযোগিতা, সহমর্মিতা ও নির্ভরতার গুরুত্ব স্পষ্ট হয়েছে। শান্তি ও মানবিক বিশ্বের পক্ষে বাংলাদেশ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সংঘাতের কারণে বাস্তুচ্যুতি, মানবিক সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তাহীনতা ও অর্থনৈতিক চাপ বৃদ্ধির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সংঘাতের সমাধান হতে হবে আলোচনা, কূটনীতি ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে। তিনি বলেন, বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থ এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। জাতিসংঘকে এমন একটি সমঝোতামূলক বিশ্বব্যবস্থা প্রতিষ্ঠায় কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ ও অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠাসহ ফিলিস্তিনি জনগণের ন্যায্য অধিকারের প্রতি সমর্থন জানান। রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধান চান প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ৯ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত ১২ লাখেরও বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দিয়ে আসছে। এতে দেশের সম্পদ, পরিবেশ, নিরাপত্তা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ওপর ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়েছে। ‘রোহিঙ্গা সংকটের উৎস ও উৎপত্তি মিয়ানমারে; তাই এর সমাধানও সেখানেই নিহিত’ উল্লেখ করে তিনি বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদে মিয়ানমারে ফিরিয়ে নেওয়াকে সংকটের একমাত্র সমাধান হিসেবে তুলে ধরেন। জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দৃঢ় ও কার্যকর সমর্থন কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত তাদের জীবন রক্ষাকারী সহায়তা অব্যাহত রাখতে হবে। জলবায়ু ন্যায়বিচারে জোর জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের ঝুঁকির কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী কপ-৩১-এ জলবায়ু ন্যায়বিচার, জলবায়ু অর্থায়ন ও অভিযোজন সহায়তায় আরও জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আগামী পাঁচ বছরে ২৫ কোটি গাছ লাগানো, ক্লিন ও সৌরশক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং বন্যা ও খরা মোকাবিলায় সারাদেশে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খননের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। তিস্তা মহাপরিকল্পনা ও পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পের মাধ্যমে পানি সংরক্ষণ ও মিঠা পানির প্রবাহ বাড়ানোর উদ্যোগ এবং আন্তঃসীমান্ত পানি ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতার প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন তিনি। নিরাপদ অভিবাসন ও শান্তিরক্ষা নিয়মিত, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল অভিবাসনের প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী অভিবাসীদের অধিকার, মর্যাদা ও কল্যাণ নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশের শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মানবতার সেবায় নিয়োজিত রয়েছেন। শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি নারীদের অংশগ্রহণ ‘নারী, শান্তি ও নিরাপত্তা’ কর্মসূচির প্রতি বাংলাদেশের অঙ্গীকারের প্রতিফলন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের প্রতিপাদ্য- ‘রিস্টোরিং ট্রাস্ট, ম্যানেজিং ট্রান্সফরমেশন: অ্যা ইউনাইটেড নেশনস দ্যাট ডেলিভারস ফর অল’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বহুপক্ষীয়তার প্রতি বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, তরুণরা যাতে নিজেদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের সুযোগ পায়, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবন পরিচালনা করতে পারে এবং প্রতিটি শিশু তার সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ পায়- এমন একটি নিরাপদ ও শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ ও অংশীদারিত্বকে স্বাগত জানিয়ে তিনি বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন, জবাবদিহিতা ও স্থিতিশীলতার ভিত্তিতে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে বাংলাদেশ কাজ করছে। ‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’- এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন।-বাসস   - [১ হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ ও নেশনস লিগ জিততে চান রোনালদো](https://starnews24bd.com/news/11608): স্টার নিউজ ডেস্ক: ফিফা বিশ্বকাপের পর আন্তর্জাতিক ফুটবলের ইতি টানার ঘোষণা দিলেও, জাতীয় দলের হয়ে খেলা চালিয়ে যেতে চান পর্তুগালের ফুটবল তারকা ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো। আজ থেকে শুরু হওয়া উয়েফা নেশনস লিগ দিয়ে দেশের জার্সিতে আবারও মাঠে মাতানোর লক্ষ্য স্থির করেছেন তিনি। ২০১৬ ইউরো জয়ী পর্তুগাল অধিনায়ক রোনালদো জানান, ফুটবল ক্যারিয়ারে ১ হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করার পাশাপাশি এবারের নেশনস লিগ জিততে চান। উয়েফা নেশনস লিগে গ্রুপ-এ৪-এ নিজেদের প্রথম ম্যাচে আজ ওয়েলসের মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। এর আগে দুবার নেশনস লিগ জিতেছে রোনালদোর পর্তুগাল। ২০১৮-১৯ সালে ও গত মৌসুমে তার নেতৃত্বেই চ্যাম্পিয়ন হয় পর্তুগাল। দেশের হয়ে তৃতীয়বার নেশনস লিগ জয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি। ওয়েলসের বিপক্ষে ম্যাচকে সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে ৪১ বছর বয়সি রোনালদো বলেন, ‘এক হাজার গোল করার পাশাপাশি জাতীয় দলের হয়ে নেশনস লিগ জিততে চাই। দুটি লক্ষ্যই গুরুত্বপূর্ণ। নতুন এক যুগের সূচনা হতে যাচ্ছে।’ ক্লাব ও জাতীয় দল মিলিয়ে ক্যারিয়ারে এ পর্যন্ত ৯৭৯টি গোল করেছেন রোনালদো। ১ হাজার গোলের মাইলফলক স্পর্শ করতে আর ২১ গোল প্রয়োজন তার। তিনি আরও বলেন, ‘আমি জানি, ১ হাজার গোলের মাইলফলক আমি অর্জন করতে পারবো। কিন্তু এটি অর্জনের জন্য আমি অস্থির নই। আমি ফুটবল উপভোগ করতে চাই। তবে হ্যাঁ, আমি সত্যিই এই রেকর্ড গড়তে চাই।’ অবসর ভেঙে আবারও আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ফেরার বিষয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন রোনালদো। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, অবসরের কথা বলেছিলাম। অবশ্যই আমি সব সময় নিজের সিদ্ধান্ত-ভবিষ্যৎ ও বর্তমান নিয়ে ভাবি। আমি চিন্তাশীল মানুষ, এগুলো নিয়ে ভাবতে হয়। আমি এখনো বিশ্বাস করি, জাতীয় দল যা কিছু অর্জন করতে চায়, সেগুলো অর্জন করার পেছনে অবদান রাখতে আমার সামর্থ্য আছে।’ নেশনস লিগে ফাবিও সিলভা, রেনাটো ভেইগা, নুনো মেন্ডেস, হোয়াও নেভেস এবং ফ্রান্সিসকো কনসেইসাওর মতো তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের নিয়ে দল সাজিয়েছে পর্তুগাল। দেশের তরুণ প্রতিভাবান খেলোয়াড়দের সহায়তা করার জন্য পর্তুগালের হয়ে নিজের খেলা চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে জানান রোনালদো। তিনি বলেন, ‘এটি তরুণ প্রজন্ম। আমার কাছে মূল বিষয় হলো মাঠে নেমে গোল করা এবং দলকে ম্যাচ জিততে সাহায্য করা। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, আমি জানি আমি কে। এই অবস্থানে পৌঁছাতে এবং যে সাফল্য আমি অর্জন করেছি, তার জন্য আমাকে কী করতে হয়েছে, তা আমি জানি।’ তরুণ খেলোয়াড়রা তাকে আদর্শ হিসেবে দেখে বলে মনে করেন রোনালদো, ‘আমি জানি তরুণরা কেন রোনালদোকে এত পছন্দ করে। কারণ তারা আমাকে আদর্শ হিসেবে দেখে। আমি ভবিষ্যতেও সেই ভূমিকা পালন করে যাব। এমনকি অবসর নেওয়ার পরও, অর্থাৎ আগামী ১০ বছর পরও।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজের বর্তমান অবস্থা নিয়ে খুশি। আগামীকাল আমি খেলব কি না, বা পরের ম্যাচে বিশ্রাম নেব কি না, সেটা কোনো বড় বিষয় নয়। আমার কাছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমি যেন ভালো বোধ করি।’   - [চীন-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল : চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও](https://starnews24bd.com/news/11604): স্টার নিউজ ডেস্ক: ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের ‘আরও উজ্জ্বল’ ভবিষ্যতের বিষয়ে দৃঢ় আস্থা প্রকাশ করে বলেছেন, কোনো বাধাই দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার অগ্রযাত্রাকে রোধ করতে পারবে না। বুধবার সন্ধ্যায় গণপ্রজাতন্ত্রী চীনের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন-বাংলাদেশ বন্ধুত্ব উভয় দেশ ও জনগণের মৌলিক স্বার্থের অনুকূল এবং যুগের দাবির সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। কোনো ঝড়-ঝাপটাই আমাদের সম্পর্কের এই সম্মুখযাত্রাকে থামিয়ে দিতে পারবে না। অনুষ্ঠানে সরকার ও বিরোধী দলের বর্তমান ও সাবেক মন্ত্রী, ক্ষমতাসীন ও বিরোধী দলের জ্যেষ্ঠ রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, ঢাকায় নিযুক্ত বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। ইয়াও প্রায় চার বছর দায়িত্ব পালনের পর আগামী মাসের শুরুতে বাংলাদেশ ছাড়তে যাচ্ছেন, তিনি এ সুযোগে বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ করা রূপান্তর এবং তার মেয়াদকালে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অগ্রগতির বিষয় তুলে ধরেন। তিনি বলেন, পেছনের দিনগুলোর দিকে তাকালে মন আবেগাপ্লুত হয়ে ওঠে। আমি বাংলাদেশে তিন বছর নয় মাস দায়িত্ব পালন করেছি এবং কদিন পরই এই কর্মস্থল থেকে বিদায় নেব। রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, যখন চলে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি, তখন মন গভীর মায়া ও বিদায়ের ব্যথায় ভারাক্রান্ত। ইয়াও জানান, তিনি ব্যক্তিগতভাবে বাংলাদেশের রাজনৈতিক রূপান্তর এবং সংকটময় মুহূর্তে দেশটির নেওয়া ‘ঐতিহাসিক সিদ্ধান্তগুলোর’ সাক্ষী। তিনি বাংলাদেশের মানুষের দৃঢ়তা ও জাতীয় মর্যাদাবোধের প্রশংসা করে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশটি সংস্কার ও উন্নয়নের এক নতুন পথে যাত্রা শুরু করেছে। রাষ্ট্রদূত বিশেষ করে বাংলাদেশের তরুণ প্রজন্মের সম্ভাবনার ওপর জোর দেন। তিনি বলেন, গত তিন বছরে আমি ঢাকার অলিগলিতে হেঁটেছি, আর আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করেছে এ দেশের তরুণদের আশাবাদ ও উদ্যম। তরুণরা একটি জাতির সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এবং ভবিষ্যৎ অভিহিত করে ইয়াও বলেন, ‘বাংলাদেশের উজ্জ্বল আগামীর বিষয়ে আমি পুরোপুরি আস্থাশীল।’ রাষ্ট্রদূত জানান, দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশিদের সঙ্গে তার মেলামেশা দুই দেশের জনগণের বন্ধুত্বের অভিজ্ঞতা তাকে সরাসরি উপলব্ধি করিয়েছে। তিনি বলেন, আমি যেখানেই গিয়েছি, সেখানকার আন্তরিক অভ্যর্থনা ও অমলিন হাসি চীনা জনগণের প্রতি বাংলাদেশিদের হৃদয়ের গভীরের বন্ধুত্ব আমাকে অনুভব করিয়েছে। ইয়াও বলেন, বাংলাদেশে কর্মকালীন সময়ে গড়ে ওঠা বন্ধুত্বের স্মৃতি তার সঙ্গে চিরকাল থাকবে। তিনি শুভকামনা জানিয়ে বলেন, চীন-বাংলাদেশের বন্ধুত্ব চিরসবুজ থাকুক, আমাদের উভয় দেশ সমৃদ্ধ হোক এবং আমাদের জনগণ সুখ ও শান্তিতে থাকুক। রাষ্ট্রদূত উল্লেখ করেন, ২০২৬ সাল বাংলাদেশ ও চীনের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫১তম বার্ষিকী এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের অধীনে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতার ১০ বছর পূর্তির বছর। এছাড়া চলতি বছর চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রতিষ্ঠার ১০৫তম বার্ষিকী বলেও তিনি উল্লেখ করেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের জাতীয় স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষায় বেইজিংয়ের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন এবং একই সঙ্গে যেকোনো বাহ্যিক হস্তক্ষেপের বিরোধিতা করে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে ঢাকা বড় ভূমিকা পালন করবে বলে আশা প্রকাশ করেন। রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দায়িত্ব গ্রহণের পর তার প্রথম সরকারি চীন সফরের কথাও বিশেষভাবে তুলে ধরেন। চীন ও বাংলাদেশ গত জুন মাসের সফরে তাদের সমগ্র কৌশলগত সহযোগিতা অংশীদারিত্বকে আরও উচ্চতায় উন্নীত করার বিষয়ে একমত হয়েছে এবং চীনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে তারা যৌথভাবে ‘নতুন যুগে অভিন্ন ভবিষ্যতের জন্য চীন-বাংলাদেশ কমিউনিটি’ গড়ে তুলবে। ইয়াও বলেন, এই উন্নয়ন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের দীর্ঘমেয়াদি অগ্রযাত্রায় নতুন গতি সঞ্চার করেছে। বেইজিং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, অবকাঠামো, কৃষি, ডিজিটাল অর্থনীতি এবং সবুজ জ্বালানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্গে বাস্তবসম্মত সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে চায় বলেও তিনি জানান। এ সময় ইয়াও বলেন, চীন-বাংলাদেশ সম্পর্ক বর্তমানে ইতিহাসের সেরা অবস্থানে রয়েছে। আগামী দিনেও দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। - [মার্কিন রণতরীর ৮ নৌসেনার আত্মহত্যার চেষ্টা](https://starnews24bd.com/news/11600): স্টার নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে একটি মার্কিন বিমানবাহী রণতরীর দীর্ঘমেয়াদি মোতায়েনের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনীর আটজন সদস্য আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন বলে স্বীকার করেছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন। বুধবার এক মার্কিন আইনপ্রণেতা এ তথ্য জানান। বার্তা সংস্থা এএফপির হাতে আসা এক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়। ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের পরিস্থিতি নিয়ে ডেমোক্র্যাট সিনেটর কার্স্টেন গিলিব্র্যান্ডের প্রশ্নের জবাবে নৌবাহিনীর ভারপ্রাপ্ত সেক্রেটারি হাং কাও চিঠিটি পাঠান। ওয়াশিংটন থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, গত বছরের নভেম্বরে রণতরীটি প্রথম সমুদ্রে মোতায়েন হওয়ার পর থেকে সেখানে জীবনযাত্রার অবনতি ও মানসিক স্বাস্থ্যের অবস্থা নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে খবর প্রকাশিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ইরানের বিরুদ্ধে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের যুদ্ধ নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়। নৌবাহিনী সেক্রেটারির ওই চিঠিতে বলা হয়, ‘লিংকনের মোতায়েন শুরুর পর থেকে পুরো স্ট্রাইক গ্রুপে মোট আটটি আত্মহত্যার চেষ্টা হয়েছে।’ ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন ২০২৫ সালের নভেম্বরে দক্ষিণ চীন সাগরে দায়িত্ব পালনের জন্য ক্যালিফোর্নিয়া ছাড়ে। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের হামলা শুরুর আগে রণতরীটিকে মধ্যপ্রাচ্যের দিকে পাঠানো হয়। সমুদ্রে ২৮৬ দিন থাকার পর অবশেষে সেপ্টেম্বরের শুরুতে রণতরীটি থাইল্যান্ডে যাত্রাবিরতি করে। আগস্টে সামরিক বাহিনীর সদস্যদের পরিবার ও আইনপ্রণেতারা আত্মহত্যার চেষ্টা ও অন্যান্য গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, খাদ্যসংকট ও অপরিচ্ছন্নতার খবর নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। - [প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গেটস ফাউন্ডেশনের সিইও মার্ক সুজম্যানের বৈঠক](https://starnews24bd.com/news/11597): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন গেটস ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মার্ক সুজম্যান। আজ মঙ্গলবার স্থানীয় সময় সকালে নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রীর আবাসস্থলে উচ্চপর্যায়ের এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে জনস্বাস্থ্য, শিশুস্বাস্থ্য, টিকাদান কর্মসূচি, সাশ্রয়ী ভ্যাকসিন, প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্যব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এ কে এম নাজমুল হক এ তথ্য জানান। তিনি জানান, বৈঠকে উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার পরিধি সম্প্রসারণ, এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ ও তাদের প্রশিক্ষণ, প্রশিক্ষিত এসব স্বাস্থ্যকর্মীদের আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) সমন্বিত ‘ডিজিটাল পাবলিক হেলথ কেয়ার সিস্টেম’ গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েও ফলপ্রসূ মতবিনিময় হয়।   - [৫১ তম বিশেষ বিসিএসে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি](https://starnews24bd.com/news/11592): স্টার নিউজ ডিস্ক: স্বাস্থ্য ক্যাডারে ৫ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৫১তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)। এর মধ্যে সহকারী সার্জন পদে ৪ হাজার ৭০০ জন এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে পিএসসির ওয়েবসাইটে এ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। বিজ্ঞপ্তির তথ্য অনুযায়ী, আগামী ১ অক্টোবর থেকে আবেদন শুরু হবে। আবেদন করা যাবে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত। বিশেষ বিসিএসে মোট ৩০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে ২০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে এমসিকিউ পদ্ধতিতে এবং ১০০ নম্বর থাকবে মৌখিক পরীক্ষার জন্য। তথ্য অনুযায়ী, ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় প্রার্থী যে বিষয়ের জন্য পরীক্ষা দেবেন, সেই বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বর এবং সাধারণ বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। সাধারণ বিষয়ের ১০০ নম্বরের মধ্যে বাংলায় ২০, ইংরেজিতে ২০, বাংলাদেশ বিষয়াবলিতে ২০, আন্তর্জাতিক বিষয়াবলিতে ২০, গাণিতিক যুক্তিতে ১০ এবং মানসিক দক্ষতায় ১০ নম্বর থাকবে। পরীক্ষার সময় ২ ঘণ্টা। প্রতিটি এমসিকিউ প্রশ্নের সঠিক উত্তরের জন্য ১ নম্বর দেওয়া হবে। ভুল উত্তরের জন্য ০.৫০ নম্বর কাটা যাবে। মৌখিক পরীক্ষায় পাস করতে প্রার্থীকে ন্যূনতম ৫০ নম্বর পেতে হবে। ২০২৫ সালের ২৯ মে বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে ৩ হাজার চিকিৎসক নিয়োগে ৪৮তম বিশেষ বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছিল। ওই বিসিএসের মাধ্যমে সহকারী সার্জন পদে ২ হাজার ৭০০ এবং সহকারী ডেন্টাল সার্জন পদে ৩০০ চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে ৩৯তম ও ৪২তম বিশেষ বিসিএসের মাধ্যমে প্রায় ৯ হাজার চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হয়। - [পারমাণবিক বোমা ইসরায়েলে, অথচ আইএইএ পরিদর্শকরা ইরানে: জাতিসংঘে পেজেশকিয়ান](https://starnews24bd.com/news/11589): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে বলেছেন, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। তবে তারা ‘পারমাণবিক বিজ্ঞান’ এবং ‘শান্তিপূর্ণ প্রযুক্তি’ ত্যাগ করবে না। তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক জ্ঞানে কেবল কয়েকটি দেশের একচেটিয়া অধিকার আছে; এটা ইরান মানে না।’ মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান তার নিজস্ব জলসীমায় নৌপরিবহন তাদের কাছ থেকে কেড়ে নিতে দেবে না। পেজেশকিয়ান তার বক্তব্যের শুরুতে মিনাব স্কুলের হামলায় নিহতদের প্রসঙ্গ, স্টেডিয়ামে বোমা হামলা এবং আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার ঘটনাসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করেন। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, ইরান যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে নিজেকে ‘রক্ষা’ করছিল। তার ভাষায়, আত্মরক্ষার জন্য ইরানের শক্তি প্রয়োজন ছিল। তিনি বলেন, ‘যখন আপনি যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে আত্মরক্ষা করেন, তখন তারা সেটিকে ‘সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘অঞ্চলের অনিরাপত্তা সৃষ্টি’ বলে আখ্যায়িত করে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) পরিদর্শকদের ইরানে প্রবেশ করতে দেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক বোমা ইসরায়েলের কাছে আছে। কিন্তু পরিদর্শকরা রয়েছেন ইরানে।’ মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘ইসরায়েলের নিজস্ব পারমাণবিক বোমা রয়েছে। কিন্তু কখনও সেটি পরিদর্শন করা হয়নি। অথচ তারা ইরানকে পরিদর্শন করছে। ইসরায়েল মানুষ হত্যা করে, কিন্তু নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়ে ইরান। ইরানের প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, শান্তিপূর্ণ বেসামরিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি থেকে তেহরান সরে আসবে না। বুধবার জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্যের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনে এটিকে ‘আধিপত্যবাদী আচরণ’ এবং ‘দম্ভের’ বহিঃপ্রকাশ বলে অভিহিত করেছেন। পেজেশকিয়ান বলেন, এই হুমকি ইরানি জাতিকে আরও ঐক্যবদ্ধ করে তোলে। ইরান ‘আগ্রাসীদের এজন্য অনুতপ্ত হতে বাধ্য করবে। মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেন, ‘এই অঞ্চলে কেউই এককভাবে নিরাপদ থাকবে না। হয় আমরা সবাই মিলে নিরাপত্তা গড়ে তুলব, নয়তো সবাই মিলে নিরাপত্তাহীনতার শিকার হবো।’ - [জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে চট্টগ্রামে এনসিপির বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ](https://starnews24bd.com/news/11586): স্টার নিউজ ডেস্ক: জ্বালানি তেলের দামবৃদ্ধির প্রতিবাদে এবং সাধারণ মানুষের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ কমানোর দাবিতে চট্টগ্রামে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রাম মহানগর। মঙ্গলবার বিকেলে নগরের জামালখান প্রেসক্লাব চত্বরে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে প্রেসক্লাব থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে জামাল খান মোড় প্রদক্ষিণ করে চেরাগি পাহাড় মোড়ে গিয়ে শেষ হয়। সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম মহানগর এনসিপির আহ্বায়ক মীর মোহাম্মদ শোয়াইব। এ সময় বক্তারা সরকারকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অবিলম্বে জ্বালানি তেলের এই অযৌক্তিক ও গণবিরোধী বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করতে হবে। অব্যবস্থাপনা ও লুটপাটের দায় চাপানোর নীতি দেশের জনগণ আর মেনে নেবে না। জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার ফলে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্য থেকে শুরু করে পরিবহন ও কৃষিখাতে যে চরম সংকট তৈরি হয়েছে, তার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে। বক্তারা স্পষ্ট করে বলেন, যদি দ্রুত এই জনস্বার্থবিরোধী সিদ্ধান্ত বাতিল করা না হয়, তবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) চট্টগ্রামের আপামর জনতাকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে লাগাতার ও দুর্বার গণআন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে। জনগণের অধিকার আদায়ের এই লড়াইয়ে আমরা কোনো আপস করব না। প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক রিদুয়ান হৃদয়ের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন— মহানগর এনসিপির সদস্য সচিব আরিফ মঈনুদ্দিন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জাফর আহমদ চৌধুরী, জসিম উদ্দিন ওপেল, শেখ মোহাম্মদ সাজ্জাদ, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব হুজ্জাতুল্লাহ বিন ফারুক, যুগ্ম সদস্য সচিব আজগর আলী আশিক, সাংগঠনিক সম্পাদক জোবাইর হোসেন, ইঞ্জিনিয়ার শাহেদ ইকবাল চৌধুরী, ডা. মোহাম্মদ খান ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক সাদমানুর রহমান চৌধুরীসহ দলের নেতারা।   - [বাংলাদেশ –তুরস্ক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ়করণে এরদোয়ানের সঙ্গে তারেক রহমানের বৈঠক](https://starnews24bd.com/news/11583): স্টার নিউজ ডেস্ক: নিউইয়র্কে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কের তুর্কি হাউসে এ উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। ৮২১ ইউনাইটেড নেশনস প্লাজায় অবস্থিত তুর্কি হাউসে অনুষ্ঠিত বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার ও বহুমাত্রিক করার লক্ষ্যে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতবিনিময় করেন দুই নেতা। বৈঠকে অর্থনীতি, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিদ্যমান সহযোগিতা আরও সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়। এছাড়া আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অঙ্গনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট ইস্যুতে দুই দেশের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা ও সমন্বয় অব্যাহত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বৈঠকে বাংলাদেশ ও তুরস্কের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করে পারস্পরিক স্বার্থ ও অভিন্ন অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র উন্মোচনের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন দুই নেতা। - [জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে নিউইয়র্ক পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11579): স্টার নিউজ ডেস্ক: জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ (ইউএনজিএ)-এর ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে পৌঁছেছেন। ইস্তাম্বুলে সংক্ষিপ্ত যাত্রা বিরতির পর প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলকে বহনকারী টার্কিশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট স্থানীয় সময় সোমবার বিকেল ৬টা ২০ মিনিটে নিউইয়র্কের জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানিয়েছেন। বিমানবন্দরে আনুষ্ঠানিকতা শেষে মোটরশোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে বিএনপি নেতা-কর্মী ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলের সামনে ব্যানার, পোস্টার ও ফেস্টুন হাতে মিছিল এবং স্লোগান দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রধানমন্ত্রীও হাসিমুখে হাত নেড়ে নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছার জবাব দেন। নিউইয়র্ক সফরকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলেই অবস্থান করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলে তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ছাড়াও সফরসঙ্গীদের মধ্যে রয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির ও শামা ওবায়েদ ইসলাম, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক। এদিকে, ক্যালিফোর্নিয়া, ফ্লোরিডা, টেক্সাস, মিশিগান, জর্জিয়াসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্য এবং ইউরোপের কয়েকটি দেশ থেকে আসা নেতাকর্মীসহ নিউইয়র্কস্থ বিএনপি নেতা-কর্মীরা দুপুর থেকেই তাদের প্রিয় নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আশপাশের এলাকায় ভিড় জমাতে থাকেন। এ সময় তারা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত ব্যানার, ফেস্টুন হাতে নিয়ে অপেক্ষা করতে থাকেন। মাঝেমধ্যে স্লোগান ধরেন-‘প্রধানমন্ত্রীর আগমন, শুভেচ্ছা স্বাগতম’। নেতাকর্মীরা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর এই সফর শুধু একটি প্রটোকলভিত্তিক সমাবেশ নয়, বরং বৈশ্বিক নীতিনির্ধারক ও মার্কিন মহলের সামনে গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরার এক উন্মুক্ত মঞ্চ। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। তাঁর ভাষণে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা, আইনের শাসন, জবাবদিহিতা, বৈশ্বিক শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, নারী ও যুব ক্ষমতায়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, রোহিঙ্গা সংকট এবং বহুমুখী আন্তর্জাতিক ব্যবস্থার সংস্কার প্রাধান্য পাবে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি: ২২ সেপ্টেম্বর: এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সদর দফতরে রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্য জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে স্বাগত প্রাতরাশে যোগ দেবেন। এরপর তিনি অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে এবারের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদিন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান, ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট অজয় বঙ্গ এবং হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ার ফিলস-আইমে’র সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপ, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট আন্তোনিও কস্তা, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার বারহাম সালিহ, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার তুর্ক এবং মেটা প্ল্যাটফর্মসের প্রধান বৈশ্বিক বিষয়াবলি কর্মকর্তা জোয়েল কাপলানের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে। সন্ধ্যায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের সহধর্মিণীদের সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২৩ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী এদিন বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে প্রাতরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। তিনি রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ে উচ্চপর্যায়ের সাইড ইভেন্টে অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া ‘জলবায়ু পদক্ষেপ ও ন্যায়সঙ্গত রূপান্তর’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের আলোচনায় অংশগ্রহণ করবেন। তিনি এদিন ক্রোয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আন্দ্রেজ প্লেনকোভিচের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। বোয়িং গ্লোবাল-এর প্রেসিডেন্ট ড. ব্রেন্ডন নেলসনের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। ২৪ সেপ্টেম্বর: প্রধানমন্ত্রী এদিন সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির হুমকি বিষয়ক উচ্চপর্যায়ের সভায় প্রারম্ভিক বক্তব্য প্রদান করবেন। এরপর তিনি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী মুহাম্মদ শাহবাজ শরিফের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া মাতৃ ও নবজাতকের প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যু রোধ সংক্রান্ত উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রারম্ভিক বক্তব্য দেবেন। তিনি এদিন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস এবং থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুলের সাথেও বৈঠক করবেন। নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে (সময় পরিবর্তন হতে পারে)। তাঁর জন্য বরাদ্দকৃত সময় ১৫ মিনিট। এরপর রাতে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনে নৈশভোজে অংশগ্রহণ করবেন। ২৫ সেপ্টেম্বর: জেপিমরগান হেডকোয়ার্টার্সে ওয়াল স্ট্রিটের প্রতিনিধিদের সাথে প্রাতরাশ বৈঠকে যোগ দেবেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি এদিন কুয়েতের যুবরাজ শেখ সাবাহ খালেদ আল-হামাদ আল-সাবাহ’র সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। তিনি ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্ট প্রিন্স জাইদ আল হুসেইনের সাথে মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেবেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতাদের সাথে মতবিনিময় করবেন। রাত ১১ টায় (নিউইয়র্ক সময়) এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইটে দুবাই হয়ে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়ে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। বাবা-মায়ের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে অংশগ্রহণ অনন্য নজির স্থাপন করেছে। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর আন্তর্জাতিক রাজনীতি ও কূটনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।   - [সীতাকুণ্ড উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডার আবুল মুনসুর আর নেই](https://starnews24bd.com/news/11569): স্টার নিউজ ডেস্ক: সীতাকুণ্ড উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সাবেক কমান্ডর, কেন্দ্রীয় মুক্তিযোদ্ধা দলের সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য এবং সীতাকুণ্ড পৌর বিএনপির আহবায়ক কমিটির সদস্য, ১ নং সৈয়দপুর ইউনিয়নের কৃতি সন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধা আবুল মনসুর আজ সকাল ১০ টায় চট্টগ্রাম রয়েল হাসপাতালে আই সি ইউতে চিকিৎসাধীন আবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন) - [দ্বিতীয় স্ত্রীকে নির্যাতন-আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগ, এমপি গাজী নজরুল ও তার প্রথম স্ত্রী গ্রেপ্তার](https://starnews24bd.com/news/11566): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজধানী শেরেবাংলা নগরে আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলায় সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) গাজী নজরুল ইসলাম ও তার প্রথম স্ত্রীকে গ্রেফতার দেখিয়েছে পুলিশ। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দিনগত রাত একটার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন তেজগাঁও বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ইবনে মিজান। তিনি বলেন, আইন অনুযায়ী গ্রেফতার দুজনের বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এর আগে, রোববার সন্ধ্যা ৭টার দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের ন্যাম ভবনের একটি ফ্ল্যাট থেকে সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য গাজী নজরুল ইসলামের দ্বিতীয় স্ত্রী মোছা. মরিয়ম খাতুনের মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়। পরে শেরেবাংলা নগর থানার পুলিশ, সিআইডি, পিবিআই ও ডিবির দল ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গিয়ে পুলিশ জানতে পারে, কক্ষটি সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্যের। পরবর্তীতে লাশ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। গাজী নজরুল ইসলাম জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়নে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সাতক্ষীরা-৪ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। গত জুলাইয়ে ঢাকার মগবাজারের একটি হোটেলে মরিয়মের সঙ্গে এমপি নজরুলের অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে জামায়াতের নেতাকর্মীরা প্রথমে এটি এআই ব্যবহার করে তৈরি করা বলে দাবি করেন। এ ঘটনার পর সংসদ সদস্য তার ফেসবুকে বিষয়টি নিয়ে এক পোস্ট দেন। সেখানে ওই তরুণীকে দ্বিতীয় স্ত্রী বলে দাবি করেন। এরপর ২২ জুলাই জামায়াতে ইসলামী গাজী নজরুল ইসলামকে দল থেকে বহিষ্কার করে। দলটির পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্পিকার ও নির্বাচন কমিশনসহ সংশ্লিষ্টদের কাছে চিঠি দেওয়া হয়। - [ইউক্রেনের ড্রোন হামলার মধ্যেই পার্লামেন্ট নির্বাচনে জয়ের পথে পুতিনের দল ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি](https://starnews24bd.com/news/11563): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাশিয়ার পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষ স্টেট দুমা’র নির্বাচনে সহজ জয়ের পথে রয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক দল ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি। রাশিয়া ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ-মাধ্যমের বরাতে জানা গেছে এ তথ্য। রাশিয়ার জাতীয় নির্বাচন কমিশন এখনও চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা করেনি, তবে কমিশন সূত্র এবং বেসরকারি বিভিন্ন উৎস থেকে জানা গেছে, মোট গণনাকৃত ভোটের ৫৭ দশমিক ৫ শতাংশ পেয়েছে ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টি। স্টেট দুমার মোট আসনসংখ্যা ৪৫০টি। বেসরকারি বিভিন্ন উৎস থেকে যেসব তথ্য আসছে— প্রতিটিতেই ইউনাইটেড রাশিয়া পার্টির প্রার্থীদের এগিয়ে থাকার ইঙ্গিত মিলেছে। এদিকে ভোট গ্রহণ চলাকালে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত থেকে ২০ সেপ্টেম্বর ভোর পর্যন্ত রাজধানী মস্কোতে ব্যাপক আগারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। রুশ প্রতিরক্ষা দপ্তরসূত্রে জানা গেছে, ১৯ সেপ্টেম্বর রাতভর মস্কো লক্ষ্য করে কমপক্ষে ৪৫০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। অর্থাৎ দুমার আসনসংখ্যার সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই হামলাকারী ড্রোনের সংখ্যা নির্ধারণ করেছে ইউক্রেনীয় বাহিনী। রুশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলেছেন, এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমের সাহায্যে অধিকাংশ ড্রোনকে আটকে দিয়ে ধ্বংস করেছে রুশ বিমান বাহিনী, তবে কয়েকটিকে আটকানো সম্ভব হয়নি। সেগুলোর আঘাতে মস্কোতে ২ জন নিহত হয়েছেন বলেও নিশ্চিত করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। - [সেপ্টেম্বরে ১৯ দিনে রেমিট্যান্স এসেছে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ ডলার](https://starnews24bd.com/news/11556): স্টার নিউজ ডেস্ক: চলতি সেপ্টেম্বর মাসের প্রথম ১৯ দিনে দেশে ১৮৭ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। গত বছরের একই সময়ে এসেছিল ১৮৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। ফলে এ সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ০.৪ শতাংশ। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ১৭ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর-এই তিন দিনে প্রবাসীরা দেশে ১৩ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। এদিকে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত দেশে মোট ৭৭০ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। আগের অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিল ৬৭৬ কোটি ৯০ লাখ ডলার। এ হিসাবে এক বছরে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে ১৩ দশমিক ৮ শতাংশ। - [৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে যুক্তরাষ্ট্রের পথে প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11552): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল পৌনে ৬টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে নিউইয়র্কের উদ্দেশে যাত্রা করেন তিনি। হযরত শাহ জালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানানোর জন্য উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আব্দুল মঈন খান, বিএনপি'র ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার সহ সরকারি ঊধর্তন কর্মকর্তাগণ। সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান। এ সফরে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারের কয়েকজন মন্ত্রিপরিষদ সদস্য, রাজনীতিক ব্যক্তিত্ব, ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তা এবং ব্যক্তিগত কর্মকর্তারা রয়েছেন। এর আগে রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় বক্তৃতা দেবেন। নিজ বক্তৃতায় সরকারপ্রধান বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক নবযাত্রা, আইনের শাসন ও জবাবদিহিতা, বিশ্ব শান্তি ও নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন, টেকসই উন্নয়ন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা, আধুনিক প্রযুক্তির ন্যায়সঙ্গত ব্যবহার এবং বহুপাক্ষিক ব্যবস্থার সংস্কারের বিষয়গুলো তুলে ধরবেন। নিউইয়র্ক সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গীর বিষয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হচ্ছেন ৩৫ জন। তাদের মধ্যে অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান, আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত থাকবেন। পররাষ্ট্র সচিব আরও জানান, প্রধানমন্ত্রী সফরসঙ্গী হিসেবে নিউইয়র্ক যাচ্ছেন দুই রাজনৈতিক দলের নেতা। তারা হলেন- বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক এবং জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব গোলাম মহিউদ্দিন। সরকারপ্রধানের নিউইয়র্কের সফরসূচির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে আসাদ আলম সিয়াম বলেন, কার্যকর সফরের জন্য যতক্ষণ সময়ের প্রয়োজন, ততদিনের জন্যই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ যাচ্ছেন। যেখানে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রা এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠা, রোহিঙ্গা সংকটের সমাধানসহ মোট ৫টি উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে অংশ নেবেন তিনি। এ ছাড়াও বাংলাদেশ দু’টি সাইডলাইন ইভেন্টের আয়োজন করেছে। এ সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে সাক্ষাতের বিষয়ে জানতে চাইলে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বহুপক্ষীয় সফরের কর্মসূচিতে অনেক সময় অনেক কিছুই যোগ-বিয়োগ হতে পারে। - [সৌদির রাজধানী রিয়াদে হুথিদের ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা](https://starnews24bd.com/news/11546): স্টার নিউজ ডেস্ক: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুতিরা। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় এ হামলার ঘটনা ঘটে। এর কয়েক ঘণ্টা আগে রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের কাছে আগুন ও আকাশে ধোঁয়ার বিশাল কুণ্ডলী দেখা গেছে। রয়টার্সের ভিডিও ও ছবিতে রিয়াদের ওই এলাকায় কালো ধোঁয়ার বিশাল স্তম্ভ দেখা গেছে। সামনে ছিল বিমানবন্দরের মহাসড়ক, প্রধান টার্মিনাল ভবনসহ বিভিন্ন স্থাপনা। একপর্যায়ে জ্বালানি সংরক্ষণের ট্যাংকের মতো দেখতে স্থাপনার পেছন থেকে আগুনের শিখা উঠতেও দেখা যায়। হুতিরা জানায়, রিয়াদের পাশাপাশি লোহিত সাগরের তীরবর্তী ইয়ানবু শহরের একটি আরামকো স্থাপনাতেও হামলা চালানো হয়েছে। ইয়ানবু সৌদি আরবের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র। তারা জানায়, ইয়েমেনের রাজধানী সানায় চালানো হামলার জবাব হিসেবে তারা এই অভিযান চালিয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুতিরা গত জুলাই থেকে সৌদি আরবে একের পর এক হামলা চালিয়ে আসছে। এদিকে হুতিদের হামলার আগে সৌদি আরব রাতভর সতর্কবার্তা জারি করে রিয়াদে সম্ভাব্য বিপদের বিষয়ে সতর্ক করে। সৌদি নেতৃত্বাধীন হুতিবিরোধী সামরিক জোট জানায়, শনিবার ভোরে রিয়াদ লক্ষ্য করে ইয়েমেন থেকে ছোড়া একটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করেছে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে বিশ, তাইফ, ফারাসান ও ইয়ানবু শহর লক্ষ্য করে চালানো আরও কয়েকটি হামলাও ঠেকানোর দাবি করেছে জোটটি। - [আইফোন ছিনিয়ে নিতেই অপ্রতিমকে পিটিয়ে হত্যা করেছে: পুলিশ](https://starnews24bd.com/news/11542): স্টার নিউজ ডেস্ক: কুমিল্লার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আনিসুজ্জামান জানিয়েছেন, কুমিল্লায় ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) কাছে থাকা আইফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ২টার দিকে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান। পুলিশ সুপার বলেন, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে অপ্রতিমকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। এতে বাধা দিলে তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়। পরে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল বাঁশের শক্ত লাঠি দিয়ে অপ্রতিমের মাথায় উপর্যুপরি আঘাত করেন। একপর্যায়ে তার মৃত্যু নিশ্চিত হলে আইফোন নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তারা তিনি বলেন, ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে প্রাথমিকভাবে আমরা নিশ্চিত হই যে, ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টা থেকে সোয়া ২টার দিকে তুহিন অপ্রতিমকে সঙ্গে নিয়ে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা নামক স্থানে চারপাশে পাহাড়ঘেরা নির্জন জঙ্গলের ভেতরে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে অপ্রতিমের লাশ উদ্ধারের পর আমরা সিসিটিভি ফুটেজ দেখি ও পর্যালোচনা করি। এতে অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা তুহিনকে মৃত্যুর সংবাদ পাওয়ার আগেই আমরা হেফাজতে নেই। আনিসুজ্জামান বলেন, একটানা জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন আমাদের কাছে স্বীকার করে যে, অপ্রতিমের আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশেই পরিকল্পনা করে সে তাকে ওই নির্জন ঘটনাস্থলে নিয়ে যায়। তুহিন আরও জানায়, এ ঘটনায় ফাহাদ এবং ফাহাদের এক বন্ধু জড়িত ছিল। তার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী আমরা তাৎক্ষণিকভাবে অভিযান পরিচালনা করি এবং ফাহাদকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করি। জিজ্ঞাসাবাদে ফাহাদ জানায়, এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার আরেক বন্ধু কামরুলও জড়িত। ফাহাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা কামরুলকে হেফাজতে নেই। জেলা পুলিশ সুপার বলেন, আমরা ইতোমধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িত তুহিন, ফাহাদ ও কামরুলকে এই হত্যা মামলায় গ্রেফতার করেছি। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য বিষয় এবং অন্য কারও সম্পৃক্ততা রয়েছে কিনা, তা আমরা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে যাচ্ছি। হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদ্ঘাটন এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুতই পুলিশ প্রতিবেদন বা চার্জশিট আদালতে দাখিল করা হবে। - [দেশের ১,৪৯৮ পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে মহাপরিকল্পনা চলছে: পর্যটনমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11539): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের বিভিন্ন শ্রেণির ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে অন্তর্ভুক্ত করে পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত। আজ রাজধানীতে ১৩তম এশিয়ান ট্যুরিজম ফেয়ার ২০২৬ উদ্বোধনকালে তিনি বলেন, ‘আমরা ১ হাজার ৪৯৮টি পর্যটন আকর্ষণকে নিয়ে একটি পর্যটন মহাপরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ করছি।’ মন্ত্রী বলেন, সরকার দেশের বিচ্ছিন্ন পর্যটন সম্ভাবনাগুলোকে একটি সুপরিকল্পিত, টেকসই ও আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতামূলক শিল্পে রূপান্তর করতে চায়। তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি অঞ্চলেরই বলার মতো নিজস্ব গল্প রয়েছে।’ এ প্রসঙ্গে তিনি সুন্দরবন, কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, পার্বত্য চট্টগ্রামের পাহাড় ও হ্রদ, সিলেটের চা-বাগান, নদ-নদী ও জলাভূমি, প্রত্নতাত্ত্বিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্য এবং এ দেশের মানুষের আতিথেয়তার কথা তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, সরকার কক্সবাজারকে একটি আঞ্চলিক পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা করছে। আন্তর্জাতিক পর্যটকদের আকৃষ্ট করা নবনির্মিত কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের অন্যতম প্রধান উদ্দেশ্য। তিনি আরো বলেন, সরকারের নতুন পর্যটন নীতিতে বেসরকারি বিনিয়োগ ও সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্বের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার পর্যটন খাতকে অর্থনীতির বহুমুখীকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়নের বৃহত্তর কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিবেচনা করছে বলেও জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দেশের মোট দেশজ উৎপাদনে (জিডিপি) পর্যটন খাতের বর্তমান ২ থেকে ৩ শতাংশ অবদান বাড়িয়ে ৮ থেকে ৯ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। মন্ত্রী বলেন, ‘লক্ষ্যগুলো উচ্চাভিলাষী। তবে সরকার, বেসরকারি খাত ও স্থানীয় জনগোষ্ঠী একসঙ্গে কাজ করলে তা অর্জন করা সম্ভব।’ পর্যটন উন্নয়নকে প্রশাসনিক অগ্রাধিকার ও রাজনৈতিক অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনী ইশতেহারে পর্যটন খাতের উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মন্ত্রী পর্যটন খাতের উন্নয়নে উদ্ভাবনী ও ব্যয় সাশ্রয়ী ধারণা উপস্থাপনের জন্য সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের প্রতি আহ্বান জানান। তিনি বলেন, সরকারি ও বেসরকারি খাতের সম্মিলিত অঙ্গীকার ছাড়া পর্যটন খাতের বিকাশ সম্ভব নয়। বাংলাদেশের পর্যটন শিল্পকে বৈশ্বিক বাজারে নিয়ে যেতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি অংশীজনদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে অব্যাহত সহযোগিতার আশ্বাস দেন। মেলায় ১০টি দেশের ২০০টিরও বেশি প্রতিষ্ঠান অংশ নিচ্ছে। প্রায় ৩০০টি স্টলে বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্য, পর্যটন পণ্য, সেবা ও বিনিয়োগের সুযোগ তুলে ধরা হচ্ছে। মন্ত্রী মেলাটিকে বন্ধুত্ব, ব্যবসা, বিনিয়োগ, সাংস্কৃতিক বিনিময় ও আঞ্চলিক সহযোগিতার একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উল্লেখ করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধি, পর্যটন শিল্পের অংশীজন, উন্নয়ন সহযোগী, বিনিয়োগকারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।   - [চট্টগ্রাম ওয়াসার ২৫৯ কোটি টাকা বকেয়া আদায়ে মাঠে ৮ মনিটরিং টিম](https://starnews24bd.com/news/11536): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রাম ওয়াসা পরপর গত দুই মাসে সর্বোচ্চ পরিমাণ রাজস্ব আদায়ের পরও সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কাছে এখনো ২৫৯ কোটি টাকার রাজস্ব বকেয়া রয়েছে। বিপুল এই বকেয়া আদায়ে আটটি মনিটরিং টিম মাঠে নামিয়েছে চট্টগ্রাম ওয়াসা। এর মধ্যে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কাছে বকেয়া ৭১ কোটি ৫২ লাখ টাকা এবং সাধারণ গ্রাহকদের কাছে পাওনা রয়েছে ১৮৭ কোটি ৪৩ লাখ টাকা। রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের সমন্বয়ে গঠিত এসব টিমের সদস্য হিসেবে রয়েছেন নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজস্ব কর্মকর্তা, রাজস্ব তত্ত্বাবধায়ক ও মিটার পরিদর্শকরা। টিমগুলোর কার্যক্রম তদারকি করছেন ওয়াসার উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (অর্থ)। প্রতিদিন কর্মদিবসে বকেয়াধারী গ্রাহকদের বাড়ি ও প্রতিষ্ঠানে গিয়ে বিল আদায়ের চেষ্টা করছেন তারা। ওয়াসা জানিয়েছে, ২৫ হাজার টাকার বেশি বকেয়া রয়েছে এমন গ্রাহকদের অগ্রাধিকার দিয়ে অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। গ্রাহকদের সঙ্গে আলোচনা করে বকেয়া পরিশোধের আহ্বান জানানো হচ্ছে। কেউ বকেয়া পরিশোধে অস্বীকৃতি জানালে বিধি অনুযায়ী সংযোগ সাময়িক বিচ্ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে। গ্রাহকদের নিয়মিত বিল পরিশোধে উদ্বুদ্ধ করতে গত জুলাই মাস থেকে নগরের প্রতিটি ওয়ার্ডে মাইকিং ও লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে। চট্টগ্রাম ওয়াসায় দীর্ঘদিন থেকে মাসিক রাজস্ব আদায় ১৮ থেকে ২০ কোটি টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলেও গত জুলাই-আগস্টে রাজস্ব আদায়ে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। এরমধ্যে গত জুলাইয়ে ২৬ কোটি ৮০ লাখ এবং আগস্টে ২৬ কোটি ৫৩ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে বলে জানান চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) প্রকৌশলী সেলিম মো. জানে আলম। বকেয়া আদায়ের পাশাপাশি অবৈধ পানির সংযোগ বিচ্ছিন্ন এবং লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপ বন্ধ বা জরিমানার আওতায় আনার কার্যক্রমও জোরদার করা হয়েছে। অনুমতি ছাড়া স্থাপন করা গভীর নলকূপ বন্ধ করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্টদের জরিমানা করে লাইসেন্সের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এতে ওয়াসার রাজস্ব বাড়ার পাশাপাশি ভূগর্ভস্থ পানির ব্যবহার নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। ওয়াসার অনুমতি ছাড়া নেওয়া সংযোগের কারণে সিস্টেম লস বাড়ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি। এসব অবৈধ সংযোগকে জরিমানা আদায়ের মাধ্যমে বৈধ গ্রাহক হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার সুযোগও দেওয়া হচ্ছে। এই ব্যাপারে চট্টগ্রাম ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক জানে আলম বলেন, রাজস্ব আদায়ে বর্তমানে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। রাজস্ব ও প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত আটটি মনিটরিং টিম এলাকাভিত্তিক বকেয়া আদায়ে জোরালোভাবে মাঠে কাজ করছে। এসব টিম গত দুই মাস থেকে সাত কর্মদিবস মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। নির্ধারিত এলাকায় বকেয়া থাকা গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিল পরিশোধে উৎসাহিত করা হচ্ছে। তিনি বলেন, মনিটরিং টিম মোটিভেশনাল কার্যক্রম করছে। এর আগে আমরা ৫০ হাজার টাকার উর্ধ্বে বকেয়া আদায়ে কাজ করেছি এবার ২৫ হাজার টাকার উর্ধ্বে বকেয়াধারীদের নিয়ে সাত কর্মদিবসের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। কার্যক্রম শেষে এর ফলাফল মুল্যায়ন করা হচ্ছে। অফিস আদেশ অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট এলাকার ২৫ হাজার টাকার উর্ধ্বে বকেয়াধারী সব গ্রাহকের সংযোগ সরেজমিনে পরিদর্শন করে বকেয়া আদায় কার্যক্রম তরান্বিত করতে হবে। বকেয়া আদায়ে জোরালো তৎপরতার সুফল ইতোমধ্যে রাজস্ব আদায়েও দেখা যাচ্ছে বলেও জানান তিনি। ওয়াসার এমডি আরও বলেন, গঠিত টিমের সদস্যদেরকে প্রতিদিনের কার্যক্রমের প্রতিবেদন তদারকি কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে বলা হয়েছে। বকেয়াধারী গ্রাহকদের হালনাগাদ তথ্য সংগ্রহ করে ওয়াসার গ্রাহক ডাটাবেজ সমৃদ্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্রতিবেদনে হিসাব নম্বর, নোটিশ প্রদানের তারিখ, মোট বকেয়ার পরিমাণ, আদায়ের পরিমাণ, আদায়ের তারিখ, গ্রাহকের সর্বশেষ মোবাইল নম্বর এবং বকেয়া আদায় না হওয়ার কারণ উল্লেখ করতে হবে। তিনি বলেন, পাশাপাশি লাইসেন্সবিহীন গভীর নলকূপের তথ্যও প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করতে বলা হয়েছে। - [নৌকা স্থগিত রেখে ১২০ প্রতীক চূড়ান্ত করল নির্বাচন কমিশন](https://starnews24bd.com/news/11533): স্টার নিউজ ডেস্ক: আগামী জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের জন্য ১২০টি নির্বাচনী প্রতীক নির্ধারণ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তবে তালিকায় ‘নৌকা’ প্রতীকটি স্থগিত রাখা হয়েছে। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর সংশ্লিষ্ট বিধি সংশোধন করে এ প্রতীক তালিকা চূড়ান্ত করেছে ইসি। এ বিষয়ে ১৫ সেপ্টেম্বর নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে প্রজ্ঞাপন জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, Representation of the People Order, ১৯৭২-এর Article ৯৪-এ প্রদত্ত ক্ষমতাবলে নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮-এর বিধি ৯-এর উপ-বিধি (১) সংশোধন করা হয়েছে। সংশোধিত বিধানে বলা হয়েছে, অনুচ্ছেদ ২০-এর দফা (১)-এর অধীন স্থগিতকৃত প্রতীক ছাড়া তালিকাভুক্ত প্রতীকগুলোর মধ্য থেকে প্রাপ্যতা সাপেক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে একটি প্রতীক বরাদ্দ করা যাবে। চূড়ান্ত তালিকায় মোট ১২০টি প্রতীক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আনারস, আপেল, আম, আলমিরা, ঈগল, উট, উদীয়মান সূর্য, একতারা, কবুতর, কম্পিউটার, কলম, কলস, কাস্তে, কাপ-পিরিচ, কাঁচি, কাঁঠাল, ঘোড়া, চশমা, চাকা, চাবি, চিংড়ি, চেয়ার, ছাতা, জাহাজ, টর্চ লাইট, টেলিভিশন, ট্রাক, ট্র্যাক্টর, ডাব, তারা, বই, বক, বটগাছ, বাইসাইকেল, বাঘ, রকেট, রিকশা, লাঙল, লিচু, সিংহ, সিঁড়ি, সূর্যমুখী ফুল, সেলাই মেশিন, সোনালী আঁশ, হাতি, হাতুড়ি, হারিকেন, হেলিকপ্টার, হ্যান্ডশেক এবং ‘না’ প্রতীকসহ বিভিন্ন প্রতীক। তালিকায় ৬৫ নম্বরে থাকা ‘নৌকা’ প্রতীকের পাশে স্পষ্টভাবে ‘স্থগিত’ উল্লেখ করা হয়েছে। ফলে সংশোধিত তালিকায় মোট ১২০টি প্রতীক থাকলেও নৌকা প্রতীকটি বর্তমানে বরাদ্দযোগ্য প্রতীকের বাইরে রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনার সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ প্রজ্ঞাপনটিতে স্বাক্ষর করেন। নতুন সংশোধিত বিধিমালা অনুযায়ীই সংশ্লিষ্ট নির্বাচনী কার্যক্রম পরিচালিত হবে। - [শেখ হাসিনা ২০০৯ সালের নির্বাচনের পর থেকেই ফ্যাসিবাদের পথে হাঁটেন : আইনমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11530): স্টার নিউজ ডেস্ক: আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, ২০০৯ সালের নির্বাচনের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পরই জানান দিয়েছিলেন তিনি বাংলাদেশে ফ্যাসিবাদ কায়েমের পথে হাঁটছেন। তখন থেকেই দেশে গণতন্ত্র ধ্বংসের প্রক্রিয়া শুরু হয়। ১৬ বছরের নৈরাজ্যের পর গণঅভ্যুত্থানে গণতন্ত্র ফিরেছে। আজ ঢাকা আইনজীবী সমিতির উদ্যোগে ঢাকা আইনজীবী সমিতির মিলনায়তনে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব ২০২৬ উপলক্ষ্যে আয়োজিত আলোচনা সভা ও মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী বলেন, ২০১০ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া একটি সম্মেলনে ‘দেশ বাঁচাও, মানুষ বাঁচাও’ স্লোগান দিয়েছিলেন। তখনও ফ্যাসিবাদের নগ্ন রূপ, নৃশংস উল্লাস, এই নিষ্ঠুরতা এতটা প্রকাশ পায়নি। তখন বোঝা যায়নি, দীর্ঘ এই গণতান্ত্রিক সংগ্রামে আমাদের সাড়ে ৪ হাজারের বেশি সহযোদ্ধাকে হারাতে হবে, যাদের পাখির মতো গুলি করে ক্রসফায়ারের নামে হত্যা করা হয়েছিল। তখনও বোঝা যায়নি, আমাদের ৭ শতাধিক সহযোদ্ধাকে গুম করা হবে, যাদের স্বজনেরা যুগের পর যুগ তাদের ফিরে পাওয়ার জন্য জায়নামাজে বসে তাহাজ্জুদের নামাজে প্রার্থনা করে যাবেন। তখনও বোঝা যায়নি, ৬০ লক্ষের বেশি বিএনপির নেতা-কর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা গায়েবি মামলা দেওয়া হবে। যে মামলার বাদী পুলিশ এবং যে মামলার আসামির তালিকায় রয়েছে ঘটনার ২০ বছর আগে মারা যাওয়া মৃত ব্যক্তিও। এরকম এক নৃশংসতার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ অতিক্রম করেছে। তিনি আরও বলেন, মাত্র ২০ দিন সময়ের মধ্যে রাজপথে ১,৪০০ মানুষকে পাখির মতো গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। এই ২০ দিনে ৩০ হাজার মানুষকে পঙ্গু করা হয়েছে। তারপরও দেখেন কতটা নির্লজ্জ, বেহায়ার মতো তারা ন্যূনতম দুঃখ প্রকাশ তো দূরের কথা, অনুতপ্ত হওয়া তো দূরের কথা, ভাবখানা এমন যে মানুষ মারা কোনো অপরাধ নয়। কংসের মতো আচরণ। আইনমন্ত্রী বলেন, ১৬ বছরের হত্যা, গুম, খুন, নৈরাজ্যের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে করতে মানুষ যখন সংগ্রামরত ছিল, রাজপথ দখলে নিয়েছিল। কোথা থেকে কী হবে কেউ বুঝে উঠতে পারেনি। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন শুরু হলো, তারা সেটিকে হালকাভাবে নিলেন। একদিকে লেলিয়ে দিলেন লাঠিয়াল বাহিনী, আর অন্যদিকে সবাইকে বানিয়ে দিলেন রাজাকার। ‘রাজাকারের নাতি-পুতি’- এই একটা কথাই ওনার পতন নিশ্চিত করেছে। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও সকল রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে একটি সফল গণঅভ্যুত্থান সম্পন্ন হয়। বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে। ‘আমার ভোট আমি দেব, যাকে খুশি তাকে দেব’- বেগম খালেদা জিয়ার এই স্লোগান আজ বাংলাদেশে বাস্তব রূপ নিয়েছে। সে কারণে আমরা বলতে চাই, এই বাংলাদেশ সকল বাংলাদেশির। এই বাংলাদেশ হিন্দুর, এই বাংলাদেশ মুসলিমের, এই বাংলাদেশ খ্রিস্টানের, এই বাংলাদেশ বৌদ্ধের, চাকমা, মারমা- সকলের বাংলাদেশ। আমরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখতে চাই। সাম্প্রদায়িকতাকে পুঁজি করে কোনো রাজনীতি করতে চাই না। আমরা কোনো ব্যবসা করতে চাই না। ধর্ম আমার বিশ্বাসের জায়গা, ধর্ম আমার শ্রদ্ধার জায়গা, ধর্ম আমার ইহকাল-পরকালের জায়গা। সেই ধর্মকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নিয়ে এসে মানুষের রক্তপাত ঘটাতে চাই না। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকার সিনিয়র জেলা ও দায়রা জজ রফিকুল ইসলাম, ঢাকার মহানগর দায়রা জজ শাহজাহান কবির, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোস্তাফিজুর রহমান ও ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (ভারপ্রাপ্ত) মাহবুবুর রহমান।   - [বাংলাদেশিদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া সহজীকরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির](https://starnews24bd.com/news/11527): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের ব্যবসায়ী, কর্মী, শিক্ষার্থী ও পর্যটকদের জন্য ভিয়েতনামের ভিসা প্রক্রিয়া আরো সহজ করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, বাংলাদেশের সাথে ভিয়েতনামের পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিদ্যমান। দুই দেশের এই সম্পর্ককে আরো শক্তিশালী ও উন্নয়ন সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসায়ী, বিনিয়োগকারী ও জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অংশীদারিত্বের ক্ষেত্র আরো সম্প্রসারণ করার জন্য ভিসা প্রক্রিয়া সহজ করা প্রয়োজন। বাংলাদেশে নিযুক্ত ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত গুয়েন ম্যানহ কুঅং আজ সকালে বঙ্গভবনে বিদায়ী সাক্ষাৎ করতে আসলে রাষ্ট্রপতি এ আহ্বান জানান। রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম বাসস-কে এ তথ্য জানান। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন এবং ভিয়েতনামের রাষ্ট্রপতির পক্ষ থেকে তাঁকে ভিয়েতনাম সফরের আমন্ত্রণ জানান ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত। রাষ্ট্রপতি আমন্ত্রণের জন্য তাঁকে ধন্যবাদ জানান। রাষ্ট্রদূত দুই দেশের মাঝে সরাসরি বিমান যোগাযোগ স্থাপন, অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়ন ও উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি ২০০৩ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর ভিয়েতনাম সফরের কথা স্মরণ করেন এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে ঐতিহাসিক বন্ধুত্ব ও দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে শক্তিশালী করার ব্যাপারে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যকে আরো ভারসাম্যপূর্ণ ও পারস্পরিকভাবে লাভজনক করতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। এসময় তিনি বাংলাদেশে উৎপাদিত ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক, বাইসাইকেল, পাট ও পাটজাত পণ্যসহ বিভিন্ন রপ্তানিযোগ্য পণ্যের আমদানি বৃদ্ধির জন্য ভিয়েতনামের প্রতি আহ্বান জানান। বিদায়ী রাষ্ট্রদূতকে তাঁর সফল কর্মকাল এবং বাংলাদেশ-ভিয়েতনাম সম্পর্ক উন্নয়নে অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান রাষ্ট্রপতি। একই সঙ্গে নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার পরেও তিনি দুই দেশের বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবেন বলে রাষ্ট্রপতি আশাবাদ ব্যাক্ত করেন। রাষ্ট্রপতি ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সুস্বাস্থ্য ও সর্বাঙ্গীন মঙ্গল কামনা করেন এবং ভিয়েতনামের জনগণের অব্যাহত শান্তি, অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি কামনা করেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ের সচিববৃন্দ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং ভিয়েতনাম দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।   - [মেধাবীদের সঠিক মূল্যায়নের সুফল ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11520): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মেধাবীদের উৎসাহ ও সঠিক মূল্যায়ন করতে পারলে এর সুফল অবশ্যই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পাবে। এতে দেশ উপকৃত হবে, দেশের মানুষ উপকৃত হবে। মেধাবীদের উৎসাহিত করা ও সঠিক মূল্যায়নের প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘দেশের সন্তানরা মেধা ও যোগ্যতা দিয়ে ভালো যা কিছু অর্জন করবে, সরকার সেই অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়ার চেষ্টা করবে।’ সৌদি আরবে গত আগস্টে অনুষ্ঠিত ৪৬তম কিং আবদুল আজিজ আন্তর্জাতিক পবিত্র কোরআন প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিজয়ী হাফেজদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান। বিজয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা যে পুরস্কারটা জিতে এসেছেন, এটা শুধু আপনাদেরই অর্জন না। আমি মনে করি, এটা বাংলাদেশের সকল মুসলমানের অর্জন।’ হাফেজদের উৎসাহিত ও সম্মান জানানোর প্রসঙ্গ তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আপনারা প্রায় সবাই উল্লেখ করেছেন যে দীর্ঘদিন পর হাফেজদের উৎসাহিত করা হয়েছে, সম্মান জানানো হয়েছে। এটা বর্তমান সরকারের একটি নীতি যে দেশের সন্তান যারা আছে, যারা দেশের ভবিষ্যৎ, তারা তাদের যোগ্যতা দিয়ে, মেধা দিয়ে যা কিছু ভালো অর্জন করবে, সেটাকে সরকার চেষ্টা করবে রাষ্ট্রের অবস্থান থেকে স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য।’ সরকার গঠনের পর থেকে মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন ব্যক্তিদের উৎসাহিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এরই অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় বিজয়ী হাফেজদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। অনুষ্ঠানে পুরষ্কার বিজয়ী মাদ্রাসার শিক্ষকরা তাঁদের কিছু সমস্যার কথা প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করার কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনারা কিছু সমস্যার কথা বলেছেন। এটার সমাধানের কোনো পথ আমাদের কাছে আছে কি না বা থাকলে সেটা কী, যদি সম্ভব হয়, ইনশাআল্লাহ আমরা সেটা দেখব। আমাদের পক্ষে যতটুকু সম্ভব, আমরা সেটা দেখার অবশ্যই চেষ্টা করব।’ ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার ক্ষেত্রেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সামনে হয়তো এ ধরনের আরও প্রতিযোগিতা আসবে। ভবিষ্যতে এসব প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য সরকারের যদি কোনো সহযোগিতা প্রয়োজন হয়, আপনারা নিয়মমতো আমাদেরকে জানাবেন। আমরা সরকারের পক্ষ থেকে যতটুকু করা সম্ভব, সেই ব্যবস্থা করব।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই আমাদের ছেলেমেয়েরা এরকম আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতাতে অংশগ্রহণ করুক এবং অংশগ্রহণ করার মাধ্যমে তাদের নিজেদের জন্য, দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য সম্মান এবং গৌরব নিয়ে আসুক।’দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও পরিবর্তন আনার লক্ষ্যে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের হয়তো কাজের ধরনটা কিছুটা ভিন্ন হতে পারে। কিন্তু লক্ষ্য একই। সেটা হচ্ছে দেশের মধ্যে শান্তি স্থাপন করা, যাতে সকলে মিলে আমরা ভালো থাকতে পারি, শান্তিতে থাকতে পারি। মানুষ যাতে মানুষের মতো করে বেঁচে থাকতে পারে। সেটাই আমাদের চেষ্টা, সেটাই আমাদের উদ্যোগ।’ সরকারের জন্য সবার সহযোগিতা ও দোয়া চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা একসঙ্গে চলতে চাই। সকলকে নিয়ে আমরা দেশের জন্য ভালো কিছু পরিবর্তন আনতে চাই।’ অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বিজয়ীদের বই উপহার দেন। এর আগে তিনি হাফেজরা প্রতিযোগিতায় যে সূরা তিলাওয়াত করে পুরস্কার জিতেছেন, সেই সূরার আয়াত তাদের কণ্ঠে শোনেন। সৌদি আরবে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় বিশ্বের ১৩৩টি দেশের প্রতিযোগীদের মধ্যে বাংলাদেশের হাফেজ মোহাম্মদ জাকারিয়া ১৫ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে প্রথম স্থান অর্জন করেন। হাফেজ শেখ মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসান আশরাফী ৩০ পারা হিফজ, তাজবীদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় হন। এ ছাড়া হাফেজা রাবেতা বিনতে রমজান ১৫ পারা এবং হাফেজা মুসফিরা বিনতে মাহমুদ ৩০ পারা হিফজ, তাজবিদ ও সুন্দর তিলাওয়াত বিভাগে তৃতীয় স্থান অর্জন করেন। অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন কায়কোবাদ, ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শামীম কায়সার, মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার ও মাওলানা রফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। এ সময় পুরস্কার বিজয়ী হাফেজদের শিক্ষক কাইয়ুম মোল্ল্যা, মুঈনুদ্দীন মজুমদার, আবু বকর, সাজেদা খাতুনও উপস্থিত ছিলেন।   - [চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বাড়াতে আলোচনা](https://starnews24bd.com/news/11516): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে ইতালির বিনিয়োগ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও ব্যবসায়িক অংশীদারিত্ব বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্ভাব্য ইতালি সফর নিয়ে আলোচনা করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত ইতালির রাষ্ট্রদূত আন্তোনিও আলেসান্দ্রো। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ তথ্য নিশ্চিত করেন৷ বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, সম্ভাব্য ইতালি সফরের মূল লক্ষ্য হবে নতুন বিনিয়োগকারী আকর্ষণ, প্রযুক্তিগত সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে আন্তর্জাতিক অংশীদারিত্ব সম্প্রসারণ। বৈঠকে ইতালির রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশের চামড়া শিল্পের সক্ষমতা, পরিবেশবান্ধব উৎপাদন ব্যবস্থা ও বিনিয়োগ সম্ভাবনা ইতালির ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরতে মিলান, ফ্লোরেন্স ও রোম সফরের প্রস্তাব দেন। তিনি বলেন, মিলানে ব্যবসায়ী সংগঠনের সঙ্গে বৈঠক, ফ্লোরেন্সে টাসকানি অঞ্চলের চামড়া শিল্প এলাকা পরিদর্শন এবং রোমে সরকারি পর্যায়ের আলোচনার মাধ্যমে সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কার্যকর যোগাযোগ তৈরি করা যেতে পারে। বৈঠকে বাংলাদেশের চামড়া শিল্পে আন্তর্জাতিক মানের সার্টিফিকেশন, পরিবেশ ব্যবস্থাপনা ও বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। ইতালির রাষ্ট্রদূত বলেন, এসব ক্ষেত্রে অগ্রগতি হলে দুই দেশের কোম্পানির মধ্যে পারস্পরিক লাভজনক অংশীদারিত্ব আরও বাড়বে। সাভার চামড়া শিল্প নগরীর বর্জ্য ব্যবস্থাপনাও আলোচনায় গুরুত্ব পায়। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বড় কারখানাগুলোকে নিজস্ব বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সুবিধা গড়ে তুলতে উৎসাহিত করা হবে এবং ছোট কারখানার জন্য কেন্দ্রীয় সুবিধা বজায় রাখা হবে। পাশাপাশি শিল্পবর্জ্য পুনর্ব্যবহারের পরিকল্পনাও নেওয়া হচ্ছে। বৈঠকে বাংলাদেশে ইতালি চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির নিবন্ধন প্রক্রিয়া নিয়েও আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও ইতালির মধ্যে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও শিল্প সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। - [প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে একনেকে ১ লাখ ৬৯ হাজার কোটির ১২ প্রকল্প অনুমোদন](https://starnews24bd.com/news/11512): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজধানীর তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প ও ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটের ইলেকট্রিক ট্রেনসহ মোট ১২টি প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)। এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে মোট ব্যয় ধরা হয়েছে ১ লাখ ৬৮ হাজার ৭৮০ কোটি টাকা। বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত একনেকের বৈঠকে প্রকল্পগুলোর অনুমোদন দেওয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেকের চেয়ারম্যান তারেক রহমান। অনুমোদন পাওয়া তিনটি মেট্রোরেল প্রকল্প হলো-এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন রুট, এমআরটি লাইন-১ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দান রুট। সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, তিনটি প্রকল্প বাস্তবায়নে সব মিলিয়ে ব্যয় হবে প্রায় আড়াই লাখ কোটি টাকা। এর মধ্যে জাপানের আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) অর্থায়িত এমআরটি লাইন-১-এর বিমানবন্দর-কমলাপুর অংশ এবং এমআরটি লাইন-৫ নর্দানের হেমায়েতপুর-ভাটারা অংশের সংশোধিত ব্যয় প্রস্তাব অনুমোদন পেয়েছে। অন্যদিকে, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি) ও দক্ষিণ কোরিয়ার যৌথ অর্থায়নে গাবতলী-দাশেরকান্দি রুটে নতুন এমআরটি লাইন-৫ সাউদার্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ-জয়দেবপুর রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর প্রকল্পও অনুমোদন পেয়েছে। ৩ হাজার ৮২২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের পরিকল্পনা রয়েছে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০৩১ সালে এই রুটে ইলেকট্রিক ট্রেন চলাচল শুরু হতে পারে। - [শিল্পের গ্যাসের সরবরাহ দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে কাল থেকে : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11509): স্টার নিউজ ডেস্ক: শিল্পে গ্যাসের সরবরাহ কাল থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে তিনি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতে সরকারের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমের সহযোগিতা চেয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সবাইকে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি থেকে বিরত থেকে সরকারের মেয়াদে এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের সুযোগ করে দেওয়ার আহ্বান জানান। আজ সোমবার বাংলাদেশ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ব্যবসায়ী নেতা ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন। তিন ঘণ্টার এই আলোচনায় তারা বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু এ কথা জানান। তিনি আরও জানান, সভায় ‘বাংলাদেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের চ্যালেঞ্জ ও ভবিষ্যৎ পথরেখা’ শীর্ষক একটি উপস্থাপনা করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। প্রধানমন্ত্রী দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের বর্তমান সংকটকে ‘উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সমস্যা’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, এই সংকট ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে পুরোপুরি সমাধান করা সম্ভব নয়। তবে সরকার সমস্যা চিহ্নিত করে পরিকল্পনা তৈরি করেছে এবং এখন সেগুলো বাস্তবায়নের পর্যায়ে রয়েছে। তারেক রহমান বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক করতে সরকার একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা ধরে কাজ করছে। পরিকল্পনা বাস্তবায়ন হলে ব্যবসা-বাণিজ্যের পাশাপাশি সামগ্রিক অর্থনীতিও উপকৃত হবে। বর্তমান গ্যাস সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের একটিতে দুর্ঘটনার কারণে সরবরাহ ব্যাহত হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানাসহ বিভিন্ন খাতে। তবে দুর্ঘটনাজনিত সমস্যাটি এরই মধ্যে সমাধান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা আশা করছি, আগামীকাল সন্ধ্যা থেকে গ্যাসের সরবরাহ এক থেকে দেড় মাস আগের অবস্থায় ফিরবে।’ ঘাটতি মোকাবিলায় তৃতীয় একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগের কথাও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জিটুজি ভিত্তিতে গত এক মাসে আরেকটি টার্মিনাল স্থাপনের প্রস্তুতি মোটামুটি সম্পন্ন হয়েছে। দ্রুতই কাজ শুরু হবে। সরকার আগামী ২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে তৃতীয় টার্মিনাল সরবরাহ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত হতে পারবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তারেক রহমান। বিদ্যুৎখাতের সমস্যাও দীর্ঘদিনের বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সমস্যাগুলো পর্যালোচনা করেছে, সংশ্লিষ্টদের নিয়ে বসেছে এবং সেগুলো সমাধানে পরিকল্পনা তৈরি করেছে। এখন তা বাস্তবায়নের কাজ চলছে। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, যেকোনো কিছু পরিকল্পনা এবং সেটি বাস্তবায়ন করতে সময় লাগে। জ্বালানি ও বিদ্যুতের এই সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া। চাইলেই ছয় মাস বা এক বছরের মধ্যে এর সমাধান করা সম্ভব নয়। সরকার কোন কাজ কখন শেষ করতে চায়, তার একটি সম্ভাব্য সময়সীমাও সভায় ব্যবসায়ী নেতাদের সামনে তুলে ধরা হয়। বিষয়টি উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সময় কিছুটা এদিক-সেদিক হতে পারে। তবে সরকারের সামনে একটি সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও সময়সীমা রয়েছে। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সহযোগিতা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ব্যবসা ও শিল্পখাত ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার সামগ্রিক প্রভাব দেশের অর্থনীতির ওপর পড়ে। ফলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান শুধু ব্যবসায়ীদের স্বার্থের বিষয় নয়; এটি দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির সঙ্গে সম্পর্কিত। তিনি আরও বলেন, ২০৩৪ সালের মধ্যে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পৌঁছানোর যে লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে, তা অর্জন করতে হলে নিরবচ্ছিন্ন ও পর্যাপ্ত জ্বালানি এবং বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেই লক্ষ্য সামনে রেখেই সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়েছে। হতাশ হওয়ার কারণ নেই উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সমস্যার ব্যাপ্তি ও জটিলতা সম্পর্কে ব্যবসায়ী সম্প্রদায় আগে থেকেই অবগত। সরকার সমস্যাগুলো আড়াল না করে খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছে। একই সঙ্গে কীভাবে সেগুলোর সমাধান করতে চায়, সেটিও জানিয়েছে। তিনি বলেন, আপনাদের জানাতে চাই যে আমরা এটা নিয়ে কাজ করছি। সে জন্য হতাশ হওয়ার কোনো কারণ নেই। সরকারের পরিকল্পনা যৌক্তিক মনে হলে তা বাস্তবায়নে সহযোগিতা করার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এগুলো বাস্তবায়ন হলে শুধু ব্যবসায়ী সম্প্রদায় নয়, পুরো দেশ ও জাতি উপকৃত হবে। দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি হলে ব্যবসা-বাণিজ্য ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলেও আশঙ্কার প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, জনগণই সময়মতো ঠিক করবে কাকে সরকার পরিচালনার দায়িত্ব দেবে। তবে যে সময় যে সরকার দায়িত্বে থাকে, তাকে তার পরিকল্পিত কাজগুলো সম্পন্ন করার সুযোগ দেওয়া উচিত। আলোচনায় গণমাধ্যমকর্মী ও মিডিয়া ব্যক্তিত্বদের আমন্ত্রণ জানানোর কারণ ব্যাখ্যা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকারের উদ্দেশ্য ও পরিকল্পনা গণমাধ্যমের কাছে পরিষ্কারভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন। তা না হলে বিচ্ছিন্ন তথ্য থেকে বিভিন্ন ধরনের বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে। গণমাধ্যম সরকারের পরিকল্পনা সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা পেলে তা দেশবাসীর কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে পারবে বলে মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, বড় কোনো কাজ সফলভাবে করতে একটি কার্যকর দল প্রয়োজন। সরকারের সংশ্লিষ্ট সবাই একসঙ্গে কাজ করছেন, যাতে পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান উপদেষ্টা মাহদী আমিন, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান, বিদ্যুৎ সচিব মিরানা মাহরুখ এবং জ্বালানি সচিব মো. জিয়াউল হক। ব্যবসায়ী নেতাদের মধ্যে ছিলেন এফবিসিসিআইয়ের প্রশাসক ফজলুল হক, বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান, ইন্টারন্যাশনাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি মাহবুবুর রহমান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম, বাংলাদেশ চেম্বার অব ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আনোয়ার-উল আলম চৌধুরী পারভেজ, বাংলাদেশ জুট মিলস অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবুল কামাল, চিটাগাং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি আমিরুল হক, বাংলাদেশ এগ্রো প্রসেসরস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মাহবুব আনাম প্রমুখ। এ ছাড়াও দৈনিক মানবজমিনের সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী, বিএনপি মিডিয়া সেলের আহ্বায়ক ড. মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল, ইংরেজি দৈনিক ওয়াদার সম্পাদক শফিকুল আলম, সাংবাদিক আশরাফ কায়সার, মোস্তাফা ফিরোজ, আব্দুন নূর তুষার, আকবর হোসেন, শাহেদ আলম, রেজাউল করিম রনি, আজিজুর রহমান রিপন, তরিকুল ইসলাম সৌরভ এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ড. নাহরিন ইসলাম খান উপস্থিত ছিলেন। - [ভেনেজুয়েলার মতো ইরানের তেল নিয়ন্ত্রনে নেওয়ার ইঙ্গিত ট্রাম্পের](https://starnews24bd.com/news/11506): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [ভেঙে যাচ্ছে যুক্তরাজ্য? শিগগির বড় ঘোষণা আসছে](https://starnews24bd.com/news/11503): স্টার নিউজ ডেস্ক: যুক্তরাজ্য থেকে বিচ্ছেদের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার পরিকল্পনা করছে স্কটল্যান্ড, ওয়েলস ও নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের রাজনৈতিক নেতৃত্ব। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফে বৈঠকে বসছেন তিন দেশের ফার্স্ট মিনিস্টার। বৈঠকে তারা একটি যৌথ ঘোষণায় সই করবেন বলে জানিয়েছে প্রভাবশালী ব্রিটিশ সংবাদপত্র দ্য টেলিগ্রাফ। প্রতিবেদনে বলা হয়, স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি, ওয়েলসের ফার্স্ট মিনিস্টার রুন আপ আইওয়ার্থ এবং নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল এই ঐতিহাসিক বৈঠকে অংশ নেবেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেবেন আয়ারল্যান্ডের বিরোধী দল সিন ফেইনের সভানেত্রী মেরি লু ম্যাকডোনাল্ড। বৈঠক শেষে নিজেদের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও স্বাধীনতা গণভোটের অধিকার দাবি করে একটি যৌথ ঘোষণাপত্রে সই করবেন নেতারা। ইতিহাসে এবারই প্রথম যুক্তরাজ্যভুক্ত তিনটি আঞ্চলিক (ডিভলভড) সরকারের নেতৃত্বই স্বাধীনতাপন্থি দলগুলোর হাতে রয়েছে। স্কটল্যান্ডের ফার্স্ট মিনিস্টার জন সুইনি বলেন, তিন দেশেই স্বাধীনতাপন্থি নেতৃত্ব আসা প্রমাণ করে যে বর্তমান কেন্দ্রীয় সাংবিধানিক ব্যবস্থা আর টেকসই নয়। ওয়েস্টমিনস্টারকে এখন ‘যুক্তরাজ্য-পরবর্তী’ ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া শুরু করতে হবে। কার্ডিফের এ বৈঠকে চার প্রধান স্তম্ভ—অর্থনীতি, জ্বালানি, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা এবং আত্মনিয়ন্ত্রণের ওপর ভিত্তি করে একটি সমঝোতা স্মারক সই হওয়ার কথা রয়েছে। স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে স্কটল্যান্ড ও ওয়েলসের ইউরোপীয় ইউনিয়নে (ইইউ) যোগদান এবং আয়ারল্যান্ড পুনরেকত্রীকরণের মাধ্যমে নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডের ইইউতে ফেরার বিষয়ে একমত নেতারা। পাশাপাশি ওয়েলসের কর ও নিজস্ব রাজস্ব আদায়ের ক্ষমতা বাড়ানোর দাবিও তোলা হবে। তবে যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী অ্যান্ডি বার্নহাম জানিয়েছেন, নিকট ভবিষ্যতে কোনো স্বাধীনতা গণভোটের সুযোগ নেই। জন সুইনিকে পাঠানো এক চিঠিতে বার্নহাম উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে নির্বাচিত তার সরকারের ইশতেহার অনুযায়ী স্বাধীনতা বা নতুন গণভোটের প্রস্তাব সরাসরি নাকচ করা হয়েছে। এদিকে বৈঠকের দুদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ডাবলিন সফরে ঐক্যবদ্ধ আয়ারল্যান্ডের পক্ষে প্রকাশ্যে সমর্থন জানিয়ে বিষয়টিতে নতুন মাত্রা যুক্ত করেছেন। যুক্তরাজ্য সরকারের তীব্র আপত্তি সত্ত্বেও তিন দেশের রূপরেখা নির্ধারণের এই পদক্ষেপকে ইউকে বা যুক্তরাজ্যের ভাঙনের স্পষ্ট সংকেত হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা। - [২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে যাবে বাংলাদেশ: তিতুমীর](https://starnews24bd.com/news/11497): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেছেন, জ্বালানি, বিদ্যুৎ ও পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ২০৩৪ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকার কাজ করছে। তিনি বলেন, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় নতুন গ্যাসকূপ খনন, সৌরবিদ্যুতের সম্প্রসারণ এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাপেক্সের সক্ষমতা কাজে লাগানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সম্প্রসারণে পানি সম্পদের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থাপনার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজের বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেন। তিতুমীর বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্রাহকদের শুধু ভোক্তা হিসেবে না দেখে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করা গেলে অনেক সমস্যার সমাধান সম্ভব হতো। সৌরবিদ্যুতের মাধ্যমে গ্রাহক নিজেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারতেন। তিনি বলেন, অতীত সরকারের দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির কারণে বর্তমান জ্বালানি সংকট সৃষ্টি হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি এ সংকটকে আরও ঘনীভূত করেছে। সরকার ইতোমধ্যে অতিরিক্ত দামে গ্যাস কিনে প্রায় ২০ হাজার কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। উপদেষ্টা বলেন, গ্যাসের মাধ্যমে তুলনামূলক সহজে ও কম খরচে বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায়। এ কারণে নতুন গ্যাসকূপ খননের চেষ্টা চালানো হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রায় ১৫০টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা করা হয়েছে। তিনি বলেন, এ কাজে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন অ্যান্ড প্রোডাকশন কোম্পানি লিমিটেড (বাপেক্স)-কে কাজে লাগানো হবে। অতীতের সরকার স্বজনপ্রীতির কারণে প্রতিষ্ঠানটির সক্ষমতাকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারেনি বলেও মন্তব্য করেন তিনি। পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিতুমীর বলেন, নদীতে প্রয়োজনীয় পরিমাণ পানি থাকলে কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সঠিকভাবে বজায় রাখা সম্ভব। এ কারণে বর্তমান সরকার নির্বাচনী ইশতেহারে দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের অঙ্গীকার করেছে। তিনি বলেন, এরই অংশ হিসেবে একনেকে পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। পদ্মা ব্যারেজের মাধ্যমে শুধু পানির আধার তৈরি করা হবে না, সেখানে বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থাও রাখা হবে। উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের পানি সম্পদের সুষ্ঠু ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রয়োজন বলেও উল্লেখ করেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। তিনি বলেন, ৫৪টি নদীর মাধ্যমে বাংলাদেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক পানি প্রবাহের সম্পর্ক রয়েছে। এ ক্ষেত্রে সরকারের প্রধান ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। ন্যায়ের ভিত্তিতে বাংলাদেশের স্বার্থ প্রতিষ্ঠা করতে চায় সরকার। তিতুমীর বলেন, আন্তর্জাতিক আইনের স্বীকৃতির ভিত্তিতে এবং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নীতিমালা অনুসরণ করে ভাটি অঞ্চলে পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তিনি জানান, পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য সরকার ইতোমধ্যে একটি কারিগরি দল গঠন করেছে। দলটি শিগগিরই এ বিষয়ে ভারতকে অবহিত করবে। - [ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সুফিজমের উপর ৮ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত](https://starnews24bd.com/news/11494): স্টার নিউজ ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগ এবং চট্টগ্রামের দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ডিরি) যৌথ উদ্যোগে ‘সুফি সংস্কৃতি: মধ্যপ্রাচ্য, পশ্চিম আফ্রিকা ও বাংলাদেশ’ (আইসিএসসি ২০২৬) শীর্ষক ৮ম আন্তর্জাতিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদস্থ আর সি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে এই কনফারেন্স আয়োজিত হয়। ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের চেয়ারম্যান ড. মো. মুমিত আল রশিদের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী পর্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশালের গ্লোবাল ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর উপাচার্য ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান এবং বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহাদাত হোসাইন। দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের ম্যানেজিং ট্রাস্টি শাহজাদা সৈয়দ ইরফানুল হক অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন এবং কনফারেন্স আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মুহসীন উদ্দীন মিয়া শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আহসানুল হাদী। কনফারেন্সের উদ্বোধনী সেশনে মূল প্রবন্ধ (কী-নোট) উপস্থাপন করেন বাহরাইনের সুন্নী শরীয়াহ বোর্ডের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি ড. ইব্রাহিম আল-শেখ রশিদ আল-মুরাইখী এবং মিশরের আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জামাল ফারুক জিবরিল মাহমুদ। ড. মুরাইখীর প্রবন্ধের বিষয় ছিল “সুফিজম ইন দ্য আরব গালফ স্টেটস: এ কেস স্টাডি অফ দ্য খালিদি নক্সশবন্দী অর্ডার” এবং ড. জামাল ফারুকের প্রবন্ধের বিষয় ছিল “ দ্য জুরিসপ্রুডেন্সিয়াল ভিশন অব আল-আজহার আল-শরীফ অন দ্য ইস্যু অব সেমা”। প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. এম. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, বর্তমান সংকটময় বিশ্বে শান্তি প্রতিষ্ঠায় সুফি সাধকদের মানবপ্রেমের বাণী প্রচার করা জরুরি। সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয় রোধে সুফি সংস্কৃতির চর্চা ও গবেষণা আরও জোরদার করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, মাওলানা জালালুদ্দীন রুমি, মোহাম্মদ হাফিজ শিরাজী ও জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সাম্য এবং মানবপ্রেমের দর্শন এক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা পালন করতে পারে। সমাজে শান্তি ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় এগিয়ে আসার জন্য তিনি গবেষকদের প্রতি আহ্বান জানান। এছাড়া কনফারেন্সে ফরিদউদ্দিন আত্তার নিশাপুরি রচিত গ্রন্থ ‘মুসিবতনামা’র বাংলায় অনূদিত বইয়ের মোড়কও উন্মোচন করা হয়। উদ্বোধনী পর্ব শেষে দুপুর ১২টায় শুরু হয় দ্বিতীয় বা একাডেমিক সেশন। অধ্যাপক ড. শাহ কাওসার মুস্তাফা আবুলউলায়ীর সভাপতিত্বে এই পর্বে আলোচক হিসেবে অংশ নেন অধ্যাপক ড. কে এম সাইফুল ইসলাম খান ও ড. আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ। এই সেশনে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে সুফিবাদের ধর্মতাত্ত্বিক, সামাজিক ও সাহিত্যিক প্রভাব বিষয়ক গবেষণাপত্র উপস্থাপন করেন সিরিয়ার দামেস্ক বিশ্ববিদ্যালয়ের ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. ফেইরোজ আসাদ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মেহেদী হাসান, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কুষ্টিয়ার বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী এবং চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী। ডিরির মেম্বার সেক্রেটারি ও চিটাগং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. কাজী সাইফুল আচফিয়া ছাড়াও বিভিন্ন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, গবেষক ও শিক্ষার্থীরা আন্তর্জাতিক এই কনফারেন্সে অংশগ্রহণ করেন। মাইজভাণ্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহছুফী সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারী দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করেন। ডিরি ইতোমধ্যে দেশে ও দেশের আন্তর্জাতিক কনফারেন্স, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ও সিলেট শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ (ক.) স্মারক বক্তৃতা, আলোকচিত্রের মাধ্যমে সুফিজমকে বর্তমান প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ছবি প্রতিযোগিতা এবং চট্টগ্রাম, খুলনা ও সিলেটে প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে।   - [আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11491): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বিশেষ করে দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা দেশের তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায় তাহলে করা সম্ভব। আমাদের তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারাবিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে।’ তাই তাদের কাছে আমার আহ্বান, ‘আসুন এবার রাষ্ট্রকে, দেশকে আমরা পুনর্গঠন করি। আগামী তিন মাসে আমাদের ডেঙ্গুর সমস্যা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করি। হয়তো আমরা শতভাগ পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০ শতাংশ আমরা পারবো।’ আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন। ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান থাকবে। ঢাকা কেন্দ্রিক উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একযোগে এ সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশের স্কাউটস’র সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি’র সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল, মাদ্রাসা ছাড়াও সারাদেশে হাই স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল ও এবতেদায়ি মাদ্রাসায় রয়েছে আড়াই কোটি শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, এছাড়া আজ অনলাইনে প্রায় সবগুলো জেলা এখানে কানেক্টেড আছে। গার্লস গাইড, বিএনসিসি স্কাউটস, ভলেন্টিয়ারসহ আপনাদের সবার কাছে আমি একটি সাহায্য চাই। সেটি হলো, এই দেশটাকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। আমরা সবাই আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি। আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছি। সেটি হলো দেশ গড়ার লক্ষ্য। তারেক রহমান বলেন, আমরা জানি কিভাবে ডেঙ্গু হয়। ভাঙ্গারি, কাগজপত্র বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকে, প্লাস্টিক ও মাটির বিভিন্ন জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে পরিষ্কার পানি জমে এই ডেঙ্গু বহনকারী এসিড মশার তৈরি হয়। কাজেই আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারব। তিনি বলেন, ‘এই মাঠে আমরা যত মানুষ আজকে উপস্থিত আছি, প্রত্যেকে পানি খাই এবং প্রত্যেকে যদি একটা করে কিছু মাঠে ফেলে দেই এখনে হয়তো কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু এই ময়লাগুলা আস্তে আস্তে জমা হয়ে আবর্জন হবে। সেখান থেকে রোগ জীবাণু তৈরি হবে। আপনি বা আপনার প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে যাবে। ‘তাই আসুন আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি। নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি। নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি। নিজের দেশকে আমরা সুস্থ রাখার চেষ্টা করি। এই কাজটা কিন্তু খুব কঠিন না।’ তারেক রহমান বলেন, আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা যদি আমরা নিজের বাসা, স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য কাজ করি তাহলে অবশ্যই দ্রুত এই পরিবর্তন আনতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি বলেন, আমরা রাস্তাঘাট দিয়ে যখন যাই দেখি বহু মানুষ অসচেতনভাবে যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলছে। তাদের সচেতন করতে হবে। যারা ময়লা করবে, যারা আবর্জনা তৈরি করবে, আমাদের তাদেরকে নিরুৎসাহিত করতে হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটি'র আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম। আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ অনলাইনে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।   - [পিলখানায় বিডিআর হত্যাকান্ডে চকরিচ্যুত ৮৭৯৬ বিডিআর সদস্যের পুনর্বহালের সুযোগ নেই: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11488): স্টার নিউজ ডেস্ক: ২০০৯ সালে পিলখানায় বিডিআর বিদ্রোহ ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় চাকরিচ্যুত এবং বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো ৮ হাজার ৭৯৬ জন সদস্যের চাকরিতে পুনর্বহালের সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ওই ঘটনায় ৬ হাজার ২৮৬ জনকে চাকরিচ্যুত এবং ২ হাজার ৫১০ জনকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামালের সভাপতিত্বে জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তর পর্বে গাইবান্ধা-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আব্দুল ওয়ারেছের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী একথা জানান। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দোষীদের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। কোনো নিরপরাধ বিডিআর সদস্যকে চাকরিচ্যুত করা হয়নি। ফলে চাকরিচ্যুতদের পুনর্বহালের সুযোগ নেই। তিনি আরও বলেন, হত্যা ও বিস্ফোরক মামলার আসামি হওয়া চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যদেরও পুনর্বহালের সুযোগ নেই। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী সরকার ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ক্ষতিপূরণসহ চাকরিতে পুনর্বহালের দাবি তুলেছিলেন চাকরিচ্যুত বিডিআর সদস্যরা। সেসময় তারা রাজধানীতে আন্দোলনেও নেমেছিলেন। তাদের অভিযোগ, ২০০৯ সালে ‘ষড়যন্ত্রের শিকার’ হয়ে তারা চাকরিচ্যুত হয়েছিলেন। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকার দায়িত্ব নেওয়ার দুই মাসের মাথায় ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদরদপ্তরে বিদ্রোহের ঘটনা ঘটে। এতে ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জন নিহত হন। ওই ঘটনার পর সীমান্ত রক্ষা বাহিনী বিডিআরের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এছাড়া পোশাকেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। - [সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোন আইন করা হচ্ছে না: তথ্যমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11485): স্টার নিউজ ডেস্ক: তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেছেন, ‘কোনো অবস্থাতেই মুক্তচিন্তা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা বা সাংবাদিকদের দমনের উদ্দেশ্যে কোনো আইন করা হচ্ছে না।’ বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘সাইবার সুরক্ষা (সংশোধন) আইন, ২০২৬’-এর খসড়া পর্যালোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা বলেন। তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে ডিজিটাল সিকিউরিটি অ্যাক্টসহ বিভিন্ন আইনের মাধ্যমে সংবাদ মাধ্যমকে দমিয়ে রাখা হতো। গণমাধ্যমের ওপর অপব্যবহারের যে প্রবণতা ছিল, বর্তমান সরকার সে বিষয়ে অত্যন্ত সতর্ক। খসড়া আইনে যেন এমন কোনো দ্ব্যর্থবোধক (ডুয়াল মিনিং) শব্দ না থাকে, যা আগামীতে গণমাধ্যমের ওপর অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করতে পারে, সে জন্য অত্যন্ত সতর্কতার সাথে খসড়া পরিমার্জন করা হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বাকস্বাধীনতার নামে বিভিন্ন অনলাইন ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে যে অশালীন গালিগালাজ, সাইবার বুলিং ও কুরুচিপূর্ণ কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা আমাদের সামাজিক মূল্যবোধ ও নীতি-নৈতিকতাকে বিনষ্ট করছে। আমাদের প্রধান কাজ হলো এই সামাজিক অবক্ষয় রোধ এবং সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষা করা। এই দুটো বিষয়কে কোনো ধরনের সংঘাত ছাড়া কীভাবে সমন্বয় করা যায়, তা নিয়ে অংশীজনদের সাথে আলোচনা চলছে।’ আইনের প্রয়োগের পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতার ওপর জোর দিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘কেবল কঠিন আইন করে সব অপরাধ দমন করা সম্ভব নয়। সাইবার স্পেসে সত্যতা যাচাই না করে যে কোনো মানহানিকর তথ্য বা পোস্ট শেয়ার দেওয়াও যে অপরাধের আওতায় পড়ে, সে বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে সরকারের পক্ষ থেকে বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণ করা হবে।’ এর আগে সকালে কন্সালটেশন সভার সূচনা বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান বলেন, ‘সাইবার সুরক্ষা সংশোধন আইন চূড়ান্ত করার আগে তথ্য প্রকাশ, স্বাধীন সাংবাদিকতা এবং মতামত প্রকাশের সুরক্ষার স্বার্থে গণমাধ্যমের সাথে সরাসরি সংলাপ ও মতামত নেওয়া অপরিহার্য। এজন্যই আমরা গণমাধ্যম সংশ্লিষ্টদের সাথে আলোচনা করছি।’ তিনি বলেন, ‘আপনারাই সবচেয়ে ভালো জানেন একটি আইনের ভাষা মাঠপর্যায়ে কীভাবে কাজ করে এবং কোথায় অস্পষ্টতা তৈরি হতে পারে। গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের সাইবার সুরক্ষা ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতা—এই দুটি লক্ষ্য পরস্পরবিরোধী নয়, বরং একে অপরের পরিপূরক হওয়া উচিত।’ গণমাধ্যম সম্পাদকদের আশ্বস্ত করে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা কোনো অসৎ উদ্দেশ্য নিয়ে এই আইন সংশোধন করছি না। প্রিন্ট মিডিয়ার এ নিয়ে উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। আইনের কোথায় অস্পষ্টতা বা জটিলতা আছে, আপনারা মুক্তমনে পরামর্শ দিন। আমরা তা গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করব।’   - [অবাধ, সুষ্ঠ ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন করতে কমিশন বদ্ধপরিকর: সিইসি](https://starnews24bd.com/news/11476): স্টার নিউজ ডেস্ক: ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মতো আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনও অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য করতে নির্বাচন কমিশন (ইসি) পুরোপুরি বদ্ধপরিকর বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন। তিনি বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে আমরা পুলিশের সার্বিক সহায়তা চেয়েছি। এক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে শতভাগ আইনানুগ ও সঠিক নির্দেশনা দেওয়া হবে। আজ বুধবার রাজধানীর রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘নির্বাচনি দায়িত্ব পেশাদারিত্বের সাথে সম্পাদনের লক্ষ্যে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধি সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ’ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা যেমন নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক ও আইনি দায়িত্ব, তেমনি কমিশনকে সহায়তা করাও পুলিশ এবং প্রশাসনের সাংবিধানিক দায়িত্ব বলে উল্লেখ করেন সিইসি। তিনি বলেন, ‘জাতীয় নির্বাচন আমরা যেভাবে সুন্দরভাবে করেছি, একইভাবে স্থানীয় সরকার নির্বাচনও একটি গ্রহণযোগ্য মাপকাঠিতে করতে চাই। এ বিষয়ে আমরা পুলিশের সহায়তা চেয়েছি এবং আইজিপি আমাকে কথা দিয়েছেন, একটি সুন্দর ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করতে তারা যথাযথভাবে কাজ করবেন।’ নির্বাচনে প্রযুক্তির ব্যবহারের কথা উল্লেখ করে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা সিসি ক্যামেরা, বডি ওর্ন ক্যামেরা থেকে শুরু করে সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। নির্বাচনের সময় মাঠের পরিস্থিতি রিয়েল-টাইম ডিজিটাল মনিটরিং করা হবে, যাতে কোথাও কোনো সমস্যা হলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিতে পারি।’ স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তফসিল ও সময়কাল নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অতীতে সারাদেশের স্থানীয় নির্বাচন সম্পন্ন করতে ১০ মাস থেকে এক বছর সময় লাগতো। এবার ইউনিয়ন পরিষদ ছাড়া বাকি সব ভেঙে দেওয়া হয়েছে। তাই সবগুলো নির্বাচন ধাপে ধাপে করতে হবে। তবে কমিশন এই সময় আরও কমিয়ে আনার চেষ্টা করবে। সার্বিক প্রস্তুতি শেষে খুব শিগগিরই উপযুক্ত সময়ে তফসিল ঘোষণা করা হবে বলে জানান তিনি। সিইসি এ. এম. এম. নাসির উদ্দিন বলেন, অতীতে নির্বাচন কমিশনের ওপর মানুষের যে আস্থা নষ্ট হয়ে গিয়েছিল, তা আমরা ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনের মাধ্যমে অনেকাংশে পুনরুদ্ধার করতে পেরেছি। শুধু নির্বাচন কমিশন নয়, আমাদের সিভিল প্রশাসন এবং পুলিশসহ অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপরও মানুষের যে আস্থার সংকট তৈরি হয়েছিল, সেটিও বর্তমানে দূর হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন দলীয় ভিত্তিতে হবে না। তফসিল ঘোষণার পর বিদ্যমান আইন অনুযায়ী যারা যোগ্য বিবেচিত হবেন, কেবল তারাই মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। আর আইনি বাধা থাকলে কেউ নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। অনুষ্ঠানে পুলিশের ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজিপি) মো. আলী হাসান ফকিরের সভাপতিত্বে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (রাজনৈতিক) ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ, অতিরিক্ত আইজি (প্রশাসন) এ কে এম আওলাদ হোসেন, অতিরিক্ত আইজি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) খোন্দকার রফিকুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে বাংলাদেশ পুলিশের ১১৪টি ভেন্যুতে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ শুরু হবে। বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল থেকে তদূর্ধ্ব পর্যায়ের প্রায় ৩৯ হাজার পুলিশ সদস্যকে নির্বাচনি প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে। - [জাতিসংঘের বাইরে কারও নির্দেশনা গ্রহণ করব না: খলিলুর রহমান](https://starnews24bd.com/news/11473): স্টার নিউজ ডেস্ক: - [রাষ্ট্রপতির আগে ‘মহামান্য’ প্রধানমন্ত্রী-মন্ত্রীদের আগে ‘মাননীয়’ ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা](https://starnews24bd.com/news/11469): স্টার নিউজ ডেস্ক: এখন থেকে দাপ্তরিক যোগাযোগে ও নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীদের পদবির আগে ‘মহামান্য’ ও ‘মাননীয়’ বা অন্য কোনো সম্মানজনক শব্দ লিখিতভাবে ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। আজ বুধবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের এক পরিপত্রে এ কথা জানানো হয়। বুধবার থেকেই এই আদেশ কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এতে বলা হয়, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রীয় কাজ ও দাপ্তরিক নথিপত্রে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী এবং উপমন্ত্রীদের পদবির আগে আর ‘মহামান্য’ কিংবা ‘মাননীয়’ লেখা যাবে না। সরকারের সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও এর অধীন সব দপ্তরকে এই সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর করতে বলা হয়েছে। - [অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে চায় বাংলাদেশ: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11466): স্টার নিউজ ডেস্ক: স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে আরো সুসংহত করে জনগণের জীবনমান উন্নয়ন এবং গণতান্ত্রিক ধারাকে শক্তিশালী করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে মন্ত্রীর অফিসকক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইলের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এ অভিমত ব্যক্ত করা হয়। এসময় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রী স্থানীয় সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম এবং সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নে এসব প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা তুলে ধরেন। এসময় তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচন ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক তুলে ধরে বলেন, অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের জন্য সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি জানান, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা পাঁচটি স্থানীয় সরকারসংক্রান্ত অধ্যাদেশ নতুন সরকার আইন হিসেবে জাতীয় সংসদে পাস করেছে। সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ ও ইউনিয়ন পরিষদ-এ পাঁচ আইনে আগে থাকা দলীয় মনোনয়ন এবং জাতীয় প্রতীকে নির্বাচনের বিধান বিলুপ্ত করা হয়েছে। বৈঠকে স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, বিকেন্দ্রীকরণ ও ক্ষমতার ভারসাম্য, নারী ক্ষমতায়ন, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, নিরাপদ পানি সরবরাহ ও পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি উচ্চশিক্ষা ও দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষণ সহযোগিতা এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সম্ভাবনাও উঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার দু’দেশের বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি সুশাসন, নারী ক্ষমতায়নসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা সম্প্রসারণে অস্ট্রেলিয়ার আগ্রহের কথা জানান। বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের ফলে দেশে বর্জ্য ব্যবস্থাপনা একটি গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও কার্যকর ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বর্জ্যকে সম্পদে পরিণত করার পাশাপাশি বর্জ্য থেকে জ্বালানি উৎপাদনের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে। প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। এক্ষেত্রে অস্ট্রেলিয়ার অভিজ্ঞতা, প্রযুক্তি ও বিনিয়োগ বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। প্রতিমন্ত্রী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে দু’দেশের মধ্যে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বৈঠকের বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরেন। বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। - [গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে: রাষ্ট্রপতি](https://starnews24bd.com/news/11463): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণতন্ত্রের মূল শক্তি হচ্ছে গণমাধ্যম। গণতন্ত্রকে বাঁচাতে হলে গণমাধ্যমকেও বাঁচাতে হবে। গণমাধ্যমকে সঠিক পথে থেকে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও সুশাসনের জন্য দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। আজ দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের ম্যানেজিং কমিটির ১২ সদস্যের একটি দল রাষ্ট্রপতির সাথে বঙ্গভবনে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাথে সম্পর্কের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রেস ক্লাবের সঙ্গে আমার সম্পর্ক শুধু রাজনৈতিক নয়, এটি দীর্ঘদিনের আত্মিক সম্পর্ক। আমার সবচেয়ে দুঃসময়ে আপনারা আমার পাশে ছিলেন, যা আমার জন্য বিরাট প্রাপ্তি। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের কল্যাণে সার্বিক সহযোগিতা করার আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আমার জায়গা থেকে আপনাদের জন্য যেটুকু করার আছে, আপনারা নিশ্চিত থাকতে পারেন, আমি সেটুকু করার চেষ্টা করবো। এসময় তিনি দৈনিক বাংলা-সহ বন্ধ থাকা অন্যান্য পত্রিকা পুনরায় চালু করার উদ্যোগের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘সাংবাদিক সমাজের মধ্যে ঐক্য অত্যন্ত জরুরি, বিভক্তি কখনো সাফল্য এনে দিতে পারে না। আপনারা মৌলিক জায়গাগুলোতে এক হতে পারলে সরকার ও বিরোধী দলের সঙ্গেও কার্যকর সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন।’ এ সময় তিনি নিজেদের সুরক্ষার জন্য এবং অনিয়ম ও গণহারে সাংবাদিক ছাঁটাইয়ের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান। একইসাথে রাষ্ট্রপতি সংবাদকর্মীদের কর্মসংস্থানের সংকট নিরসনে বন্ধ হয়ে যাওয়া পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বলেন, ‘বন্ধ পত্রিকাগুলো, বিশেষ ট্রাস্টের অধীনে থাকা পত্রিকাগুলো পুনরায় চালু করা গেলে অন্তত ১ হাজার সাংবাদিকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।’ তিনি এ বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্টদের প্রতি তাগিদ দেন। তিনি দেশে গণতন্ত্রকে সুপ্রতিষ্ঠিত করতে তরুণ প্রজন্মের মন-মানসিকতা পরিবর্তনে সাংবাদিকদের কাজ করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্র হচ্ছে একটা সংস্কৃতি। একে প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে হবে। সেজন্য মন-মানসিকতার ইতিবাচক পরিবর্তন করতে হবে। পুরোনো কর্তৃত্ববাদী চিন্তা-ভাবনা থেকে বেরিয়ে এসে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ধারণ করতে হবে। নতুন প্রজন্মের মধ্যেও গণতান্ত্রিক ভাষা ও মানসিকতা তৈরি করা জরুরি। আন্দোলন করে পরিবর্তন আনার পরও যদি পুরোনো মানসিকতা থেকে যায়, তাহলে প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব হবে না।’ এ সময় তিনি সরকারের যৌক্তিক ও গঠনমূলক সমালোচনার পাশাপাশি সরকারের ভালো কাজগুলো গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে যথাযথভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জনগণের নির্বাচিত সরকারকে কাজ করার জন্য সময় দিতে হবে। এ সময় তিনি মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধসহ বৈশ্বিক কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকটের কথা যথাযথভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। একইসাথে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সুদীর্ঘ ঐতিহ্যের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি এই প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করেন। তিনি দেশের গণমাধ্যমের প্রাণকেন্দ্র এই জাতীয় প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে সরকারের সাথে কার্যকর সমন্বয়ের ওপর জোর দেন। জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ উপস্থিত অন্য সদস্যদের রাষ্ট্রপতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেন এবং সংগঠনের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রপতিকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এ সময় তিনি রাষ্ট্রপতিকে সুবিধাজনক সময়ে প্রেস ক্লাবে আমন্ত্রণ জানান। প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া অতীতের স্মৃতিচারণ করে বলেন, প্রেস ক্লাবে আপনি আমাদের পরিবারের একজন সদস্যের মতো ছিলেন। আমরা গর্বিত ও আনন্দিত যে, প্রেস ক্লাবেরই একজন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। জাতীয় প্রেস ক্লাবের পক্ষে প্রতিনিধিদলে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সভাপতি হাসান হাফিজ, সাধারণ সম্পাদক আইয়ুব ভূঁইয়া, সদস্য কাদের গনি চৌধুরী, সদস্য আবদুল হাই শিকদার, সদস্য সৈয়দ আবদাল আহমদ, সদস্য কাজী রওনাক হোসেন, সদস্য জাহিদুল ইসলাম রনি, সদস্য শাহনাজ বেগম পলি, সদস্য মাসুমুর রহমান খলিলী, সদস্য এ কে এম মহসীন ও মোহাম্মদ মোমিন হোসেন। সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতির সামরিক সচিব, সচিব ও প্রেস সচিবসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।-বাসস - [সমাজবিরোধী অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/11459): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজ বিরোধী অপশক্তি আর যাতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে এবং বিরাজমান সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি কেউ যাতে বিনষ্ট করতে না পারে, সেজন্য দেশবাসীকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শুভ জন্মাষ্টমী উপলক্ষে সনাতন ধর্মাবলম্বী বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় এবং পুরোহিত ও সেবাইতগণের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে আবহমানকাল থেকে দল-মত-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষ পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতি বজায় রেখে নিজ নিজ ধর্ম ও সংস্কৃতি পালন করে আসছে। তবে সময়ে সময়ে ‘কংস’ চরিত্রের মানুষেরা রাষ্ট্র ও সমাজে বিভেদ সৃষ্টির অপচেষ্টা চালিয়েছে। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশেও গণতন্ত্রকামী জনগণের সকল অধিকার কেড়ে নিয়ে ‘কংসের’ মত এক নিষ্ঠুর শাসক জনগণের কাঁধে চেপে বসেছিল। দীর্ঘ দেড় দশকের বেশি সময় পর দলমত, ধমর্, বর্ণ, নির্বিশেষে দেশের গণতন্ত্রকামী জনগণ হাজারো প্রাণের বিনিময়ে কংসরূপী সেই ফ্যাসিস্টদের পতন ঘটিয়েছে। বাংলাদেশে আবারো গণতন্ত্রের যাত্রা শুরু হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, বিভাজিত প্রশাসন,আর অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলার উন্নতি ঘটিয়ে এবার দেশ পুনর্গঠনের পালা।’ একটি রাষ্ট্র এবং সমাজে বিভিন্ন ধর্ম ও মতের মানুষের সম্মিলন থাকে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এটিই বৈচিত্র্যময় সমাজের সৌন্দর্য। আজকের এই অনুষ্ঠানে যারা ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ হিসেবে বিবেচিত, ইউরোপ কিংবা আমেরিকা সফরে গেলে আমরা সবাই কিন্তু কথিত ‘সংখ্যা লঘু’ । সুতরাং, বর্তমান গ্লোবাল ভিলেজে ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ এসব পরিচয় কোনো মুখ্য বিষয় নয়। ‘ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সংখ্যালঘু’ কিংবা ‘সংখ্যাগুরু’ নয়, আসুন সবাই নিজেদেরকে বাংলাদেশী ভাবি। রাষ্ট্র এবং সমাজে দল, মত, ধর্ম, বর্ণ, পরিচয় যেন মানুষের মধ্যে বিভেদ বৈষম্য সৃষ্টির কারণ না হয়, সেই উপলব্ধি থেকেই দেশের সকল নাগরিককে ঐক্যবদ্ধ রাখতে স্বাধীনতার ঘোষকের যুগান্তকারী রাজনৈতিক দর্শন ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ’। - [আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ সোলার সিস্টেমের আওতায় আসবে: প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11456): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে জাতীয় সংসদ সোলার সিস্টেমের আওতায় আসবে। জাতীয় সংসদের বিদ্যুতের চাহিদা সৌরবিদ্যুৎ থেকে পূরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বুধবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এ কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাধারণ মানুষের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহারে আগ্রহ বাড়াতেও সরকার কাজ করছে। সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের জন্য প্রয়োজনীয় পণ্য যেমন, সোলার প্যানেল, ইনভার্টার ও ব্যাটারির ওপর প্রযোজ্য কাস্টমস ডিউটি, রেগুলেটরি ডিউটি, সম্পূরক শুল্ক, আগাম কর এবং ২ শতাংশ অতিরিক্ত অগ্রিম আয়কর থেকে শর্ত সাপেক্ষে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ গত ৮ জুন প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করবেন এবং উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করবেন, সরকার তাদের কাছ থেকে প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ কিনবে। বাল্ক রেটের অতিরিক্ত অর্থ সরকার প্রণোদনা হিসেবে দেবে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রুফটপ সোলার থেকে প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ উৎপাদনে গড় ব্যয় হবে ৬ থেকে ৭ টাকা। ফলে উদ্যোক্তাদের সর্বোচ্চ ৪৫ শতাংশ পর্যন্ত মুনাফার সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে যারা রুফটপ সোলার স্থাপন করে সরকারের কাছে বিদ্যুৎ বিক্রি করবেন, তাদের জন্য প্রতি ইউনিট ১০ টাকা ৫০ পয়সা দরে বিদ্যুৎ বিক্রির সুবিধা তিন বছর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। অর্থাৎ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে স্থাপিত রুফটপ সোলার থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ পরবর্তী তিন বছর সরকার নির্ধারিত ওই দরে কেনা হবে।’ তারেক রহমান বলেন, সরকারি ভবন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতালসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার ছাদে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের জন্য জাতীয় রুফটপ সোলার কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। এ কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য একটি গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে। বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার জন্য ইতিমধ্যে বিশেষ বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। দেশের সব জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে রুফটপ সোলার সিস্টেম স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, জ্বালানি খাত ও বিদ্যুৎ খাতে আগামী ১০ বছরের পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার। কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। কিছুদিনের মধ্যেই ওই সংসদে বিদ্যুৎ ও জ্বালানিমন্ত্রী তা উপস্থাপন করবেন। - [জ্বালানি সংকট থেকে বের হতে সরকার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে: প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11453): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘ফ্যাসিস্ট সরকারের সময় তৈরি করা পরিকল্পনার মাধ্যমে জ্বালানি খাতকে রীতিমতো পঙ্গু করে রেখেছিল। এর ফলে দীর্ঘদিনের যে অপর্যাপ্ত গ্যাস অনুসন্ধান বা আমদানি নির্ভরতার কারণে এই যে সৃষ্ট বর্তমান জ্বালানি সংকট, এর থেকে বের করে আনার জন্য বর্তমান সরকার কতগুলো পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। বুধবার (২ আগস্ট) জাতীয় সংসদ অধিবেশনের শুরুতে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বে সেলিনা সুলতানা (৩৩৫ মহিলা আসন-৩৫) এর এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। বর্তমান জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সরকারের সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির অংশ হিসেবে ১৫০টি কূপ খনন/ওয়ার্কওভার কর্মসূচির আওতায় ৩০টি কূপ খনন ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ১৪০ এমএমসিএফডি গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সংযুক্ত হয়েছে। বর্তমানে চলমান ৭টি কূপ খনন শেষ হলে আরো ৮৫ এমএমসিএফডি গ্যাস যুক্ত হবে। অবশিষ্ট কূপসমূহ খননের জন্য পর্যায়ক্রমে প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে।’ তিনি বলেন, ‘দেশীয় গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানের লক্ষ্যে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি সিসমিক সার্ভে এবং ৪,২০০ বর্গ কিলোমিটার ৩ডি সিসমিক সার্ভে পরিচালনার কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।’ ‘বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম এক্সপ্লোরেশন এন্ড প্রোডাকশন কোম্পানী লি. (বাপেক্স)-কে শক্তিশালীকরণের লক্ষ্যে আরো ২টি নতুন রিগ ক্রয়ের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬ অনুমোদনের পর বিড রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। এছাড়া, অনশোর মডেল পিএসসি অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’ অফশোর এবং অনশোর গ্যাস অনুসন্ধানের মাধ্যমে গ্যাস পাওয়া গেলে তা দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘এলএনজি অবকাঠামো সম্প্রসারণ : কক্সবাজার জেলার মহেশখালীর গভীর সমুদ্রে কুতুবজোমে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে আগ্রহী প্রতিষ্ঠানের সাথে নেগোসিয়েশন চলমান রয়েছে। ডিসেম্বর ২০২৮ সালে উক্ত টার্মিনাল হতে রিগ্যাসিফাইড এলএনজি (গ্যাস) সরবরাহ করা সম্ভব হবে মর্মে আশা করছি।' তিনি বলেন, 'আগামী ২ বছরের মধ্যে এলএনজি আমদানি আরো ৬০০ এমএমসিএফডি বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের সমুদ্র উপকূলে জরুরি ভিত্তিতে নতুন ২-১টি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রস্তাবিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন হলে সামগ্রিকভাবে দেশে জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি পাবে।' এর আগে স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনের প্রথম ৩০ মিনিট প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্নোত্তর পর্বের জন্য নির্ধারিত ছিল।   - [গুমের সাথে জড়িত অপরাধীদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে: রাষ্ট্রপতি](https://starnews24bd.com/news/11450): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গুমের ঘটনার সাথে জড়িত অপরাধী যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন তাকে বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তিনি আরও বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে আর কোনো আয়নাঘর থাকবে না। আর কোনো মাকে সন্তানের জন্য, কোনো স্ত্রীকে স্বামীর জন্য চোখের পানি ফেলতে হবে না। প্রতিটি গুমের ঘটনার সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের-তা সে যত বড় ক্ষমতাবানই হোক না কেন-বিচারের মুখোমুখি করা হবে এবং তাদের আইনের সর্বোচ্চ শাস্তি পেতেই হবে। এ দেশে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার সব পথ চিরতরে বন্ধ করা হবে। রোববার (৩০ আগস্ট) রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ‘আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। বিগত দেড় দশকের ‘ফ্যাসিবাদী’ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে প্রেসিডেন্ট বলেন, ওই সময়ে গুম ও গোপন বন্দিশালা ‘আয়নাঘর’-এর দুঃসহ থাবা বাংলাদেশের বুকে চেপে বসেছিল। অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ, গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের আন্দোলন করলেই তুলে নিয়ে গুম করা হয়েছে। অথচ ফ্যাসিস্টের আজ্ঞাবহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো এ গুরুতর অপরাধ সর্বদা অস্বীকার করে গেছে। - [নেপাল-তিব্বতে বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৪৬৯, নিখোঁজ ১৪০০](https://starnews24bd.com/news/11446): স্টার নিউজ ডেস্ক: নেপাল-তিব্বত সীমান্তে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে ভয়াবহ ধ্বংসযজ্ঞের পর কাদার মধ্যে নেমে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছেন উদ্ধারকর্মীরা। মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৪৬৯ জনে দাঁড়িয়েছে। নিখোঁজ ১ হাজার ৪০০-এর বেশি মানুষের সন্ধান চলছে। শুক্রবার (২৮ আগস্ট) সকালে নেপাল পুলিশের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা এএফপি এ তথ্য জানিয়েছে। এর আগে বুধবার সকালে একটি হিমবাহ ধসে পড়ার পর হিমালয়ের নদীগুলোতে প্রবল স্রোতের সঙ্গে বিপুল পরিমাণ পাথর, বরফ ও কাদা নেমে এলে এই প্রলয়ংকারী বন্যার সৃষ্টি হয়। ভাসিয়ে নিয়ে যায় বহু গ্রাম ও উপত্যকা। ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে স্থানীয় বিদ্যুৎকেন্দ্র, সড়ক ও সেতুর। কাঠমান্ডুর সঙ্গে তিব্বতের লাসাকে যুক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কপথ ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। নিখোঁজদের তালিকায় অন্তত ৫৪০ জন বিদেশি পর্যটক ও তীর্থযাত্রী রয়েছেন বলে জানা গেছে। দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া হাজার হাজার মানুষের কাছে জরুরি ত্রাণ পৌঁছাতে এবং জীবিতদের খুঁজে বের করতে হেলিকপ্টার ব্যবহার করছে প্রশাসন। উদ্ধার কাজে নামানো হয়েছে প্রশিক্ষিত কুকুরও। সমতল এলাকাগুলো থেকে ইতোমধ্যে কয়েক ডজন ভাসমান মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা রাসুয়া থেকে উদ্ধার হওয়া দিবগা তামাং নামের এক ব্যক্তি নিজের হতাশা ব্যক্ত করে বলেন, "আমাদের সব মানুষ চলে গেছে। তারা সবাই মারা গেছে, আমার জন্য অপেক্ষা করার মতো আর কেউ নেই।" এদিকে বন্যার সঙ্গে আসা বিপুল পরিমাণ কাদা ও ধ্বংসাবশেষ জমে নতুন আরেকটি বড় দুর্যোগের ঝুঁকি তৈরি করেছে বলে রয়টার্স জানিয়েছে। নেপালের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষ জানায়, বন্যাকবলিত এলাকার ভোতেকোশি নদীতে ধ্বংসাবশেষ আটকে গিয়ে একটি অস্থায়ী কৃত্রিম হ্রদের সৃষ্টি হয়েছে। হ্রদে দ্রুত পানির উচ্চতা বাড়ায় যেকোনো সময় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। চীন জানিয়েছে, আগামী তিন দিনের মধ্যে ওই হ্রদে প্রায় ৩০ লাখ ঘনমিটার পানি এসে জমা হতে পারে, যা প্রায় ১ হাজার ২০০টি অলিম্পিক সুইমিং পুলের সমান। চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, হ্রদটি উপচে পড়ার ঝুঁকি মারাত্মক এবং আগামী ১ সেপ্টেম্বর পানির প্রবাহ সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। এ বিষয়ে দেশের পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের গবেষক ঝু জিনফেং জানান, সময় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পানি ও ঝুঁকির পরিমাণ দুই-ই আশঙ্কাজনকভাবে বাড়ছে। - [চট্টগ্রামে জশনে জুলুস শুরু লাখো মানুষের অংশগ্রহণ](https://starnews24bd.com/news/11443): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ৫৫তম ঐতিহাসিক জশনে জুলুস শুরু হয়েছে। বুধবার (২৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে নগরের ষোলশহর জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া কামিল মাদরাসা সংলগ্ন আলমগীর খানকা-এ কাদেরিয়া সৈয়্যদিয়া থেকে জুলুসের কার্যক্রম শুরু হয়। জুলুসে নেতৃত্ব দিচ্ছেন দরবারে সিরিকোটের সাজ্জাদানশীন পীর আল্লামা সৈয়্যদ মুহাম্মদ সাবির শাহ। তার সঙ্গে রয়েছেন সাহেবজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ কাসেম শাহ ও শাহজাদা সৈয়্যদ মুহাম্মদ আকিব শাহ। জুলুসটি মুরাদপুর, ২ নম্বর গেট, জিইসি মোড়, ওয়াসা, দামপাড়া, লালখান বাজার ও টাইগারপাসসহ নগরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে জামেয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া মাদরাসা মাঠে গিয়ে শেষ হবে। সেখানে মাহফিল, জোহরের নামাজ ও দেশ-জাতির সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাত অনুষ্ঠিত হবে। এদিকে, জশনে জুলুসে অংশ নিতে ভোর থেকেই চট্টগ্রাম নগর ও আশপাশের বিভিন্ন উপজেলা ছাড়াও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মানুষ নগরে আসতে শুরু করেন। বাস, ট্রাকসহ বিভিন্ন যানবাহনে এবং পায়ে হেঁটে মুরাদপুর ও ষোলশহর এলাকায় জড়ো হন তারা। সকাল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে নগরের বিভিন্ন সড়কে মানুষের ভিড় বাড়তে থাকে। আনজুমানে রহমানিয়া আহমদিয়া সুন্নিয়া ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এবারের জুলুসে লাখো লাখো মানুষের সমাগম হয়েছে বলে দাবি আয়োজকদের। শান্তি, মানবতা, অহিংসা ও মহানবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর আদর্শের বার্তা নিয়ে এ আয়োজন করা হয়েছে। জুলুসকে ঘিরে নগরের বিভিন্ন সড়ক ও গুরুত্বপূর্ণ মোড় তোরণ, ব্যানার, ফেস্টুন ও সবুজ পতাকায় সাজানো হয়েছে। ষোলশহর, মুরাদপুর, জিইসি মোড়, ওয়াসা, লালখান বাজার ও টাইগারপাস এলাকায় নানা আকৃতির তোরণ নির্মাণ করা হয়েছে। জুলুসের শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি আনজুমান ট্রাস্টের প্রায় ১০ হাজার স্বেচ্ছাসেবক দায়িত্ব পালন করছেন। মুসল্লিদের সুবিধার্থে মাদরাসা ও আশপাশের এলাকায় শতাধিক অস্থায়ী শৌচাগারও স্থাপন করা হয়েছে। জশনে জুলুসের পরিধি ও তাৎপর্য তুলে ধরে তিনি আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবছর চট্টগ্রামে আয়োজিত জশনে জুলুসে পবিত্র ও তরিকতভিত্তিক পরিবেশ বজায় রেখে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। বিশ্বের বৃহত্তম এই ধর্মীয় শোভাযাত্রা কেবল বাংলাদেশে নয়, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ১৯৭৪ সালে আওলাদে রাসুল আল্লামা হাফেজ সৈয়্যদ মুহাম্মদ তৈয়্যব শাহ (র.)-এর দিকনির্দেশনায় চট্টগ্রামে প্রথম জশনে জুলুসের আয়োজন করা হয়। এরপর প্রতিবছর ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষ্যে এ আয়োজন হয়ে আসছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী বলেন, জশনে জুলুসের মতো বড় সমাবেশে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের বড় দায়িত্ব। শৃঙ্খলা ও সততার বিষয়ে কোনো ধরনের আপস করা হবে না। - [ঢাকায় ভুটানের রাজার যাত্রাবিরতি, সৌজন্য সাক্ষাৎ করলেন রাষ্ট্রপাতি](https://starnews24bd.com/news/11440): স্টার নিউজ ডেস্ক: ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক-কে আজ ভোরে ঢাকায় হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ভুটানের রাজাকে বহনকারী একটি বিশেষ বিমান সিঙ্গাপুর থেকে ভুটান যাওয়ার পথে বুধবার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রাবিরতি করে। বিমানবন্দরে অবস্থানকালে ভিভিআইপি লাউঞ্জে রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন। তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা করেন। রাষ্ট্রপতি ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় সফরের আমন্ত্রণ জানান। জবাবে ভুটানের রাজা বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে তাঁদের সুবিধাজনক সময়ে ভুটান সফরের আমন্ত্রণ জানান। ভুটানের রাজা জিগমে খেসার নামগে ওয়াংচুক রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা জানান। রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ভুটানের রাজা ও রাজপরিবারের সদস্যদের প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান। আলাপকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে গভীর ও ঐতিহাসিক সম্পর্ক বিদ্যমান। তিনি বলেন, ‘ভুটান সবসময় আমাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে আছে। কারণ, ১৯৭১ সালের ৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া বিশ্বের প্রথম দেশ ভুটান।’ এ সময় রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশের প্রতি ভুটানের বর্তমান রাজার পিতা রাজা জিগমে সিংগে ওয়াংচুকের বিশেষ মমত্ববোধ ও গভীর শ্রদ্ধাবোধের বিষয়গুলো তুলে ধরেন। দুই দেশের অভিন্ন উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষার কথা তুলে ধরে ভুটানের রাজা শিক্ষা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন। এ সময় ভুটানের রাজা তাঁর ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ প্রকল্প সম্পর্কে রাষ্ট্রপতিকে অবহিত করেন এবং এতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি প্রকল্পটির প্রতি আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, পারস্পরিক কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যে এ অঞ্চলের রূপান্তরমূলক উদ্যোগগুলো এগিয়ে নিতে বাংলাদেশ ভুটানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে প্রস্তুত। এ সময় রাষ্ট্রপতির সাথে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং বাংলাদেশ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সিঙ্গাপুর থেকে আসা ভুটানের রাজাকে বহনকারী বিশেষ বিমানটি সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ভুটানের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করে।-বাসস   - [রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম](https://starnews24bd.com/news/11437): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিলেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শুক্রবার (২১ আগস্ট) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বঙ্গভবনের দরবার হলে তাকে শপথ বাক্য পাঠ করান ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিষ্টার কায়সার কামাল। রাষ্ট্রপতির শপথ গ্রহণ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান বিচারপতি, মন্ত্রিসভার সদস্য, বিদেশি কূটনীতিক, সংসদ সদস্য এবং বেসামরিক ও সামরিক বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। গতকাল বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৫৫ ভোট পেয়ে জয়ী হন। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। এদিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এতে ভোটার তালিকাভুক্ত ৩৪৯ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে ৩৪৩ জন ভোট দেন। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর সন্ধ্যায় নির্বাচন কমিশন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১-এর ১১ ধারা অনুযায়ী গেজেট প্রকাশ করে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে আনুষ্ঠানিকভাবে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করে। আজ শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন। - [আজ সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির শপথ](https://starnews24bd.com/news/11434): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। জাতীয় সংসদে অনুষ্ঠিত রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জয়লাভের পর সব আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের গেজেট প্রকাশের মধ্য দিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে। আজ (২১ আগস্ট) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন। সংবিধান অনুযায়ী নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতিকে শপথ বাক্য পাঠ করাবেন জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। আইন মন্ত্রণালয়ের সাংবিধানিক ব্যাখ্যার পর এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়। বর্তমান স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করায় স্পিকারের দায়িত্ব ও এখতিয়ার বর্তমানে কায়সার কামাল পালন করছেন। বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন ফল ঘোষণা করেন। এতে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পান ২৫৫ ভোট। তার একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী, জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ পান ৮৮ ভোট। মোট ৩৪৯ জন ভোটারের মধ্যে ৩৪৩ জন সংসদ সদস্য ভোট দেন এবং ৬ জন ভোটদানে অংশ নেননি। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর দেশে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজকের (২১ আগস্ট) শপথগ্রহণের মধ্য দিয়ে দেশের সাংবিধানিক ইতিহাসে যুক্ত হতে যাচ্ছে নতুন এক অধ্যায়। - [বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী](https://starnews24bd.com/news/11429): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হয়েছেন দলের জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে দলের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিএনপির গঠনতন্ত্রের ৭। খ)৬) ধারা অনুযায়ী বিএনপি জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এই মনোনয়ন অবিলম্বে কার্যকর হবে। - [দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম](https://starnews24bd.com/news/11426): স্টার নিউজ ডেস্ক: গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মোট ৩৪৯টি ভোটের মধ্যে তিনি ২৫৫ ভোট পেয়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হয়েছেন। ভোট পড়েছে মোট ৩৪৩টি। নির্বাচনে তার প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন ১১ দলীয় ঐক্যের প্রার্থী লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রম। তিনি পেয়েছেন ৮৮ ভোট। আজ (বৃহস্পতিবার) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রধান নির্বাচনী কর্তা ও প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ভোট গণনা শেষে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম ঘোষণা করেন। এর আগে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে দুপুর ২টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। বিকেল ৫টায় ভোট গণনা শেষে ঐতিহাসিক এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয়। ভোটগ্রহণের শুরুতে ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম, জাতীয় সংসদের ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও বিএনপির সদ্য সাবেক মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ভোট দেন। এরপর ভোট দেন সংসদ সদস্যরা। সিইসি জানান, এ বিষয়ে দ্রুত গেজেট প্রকাশ করা হবে। - [নতুন রাষ্ট্রপতিকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11423): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে লাল গোলাপ দিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন আজ বিকেলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাঁর পাশে বসে থাকা নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে করমর্দন করেন এবং একটি লাল গোলাপের স্টিক দিয়ে অভিনন্দন জানান। এ সময় সংসদ কক্ষের সকল সংসদ সদস্যরা টেবিল চাপড়ে নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানান। মির্জা ফখরুল তাদের উদ্দেশ্যে হাত তুলে সালম ও অভিবাদন জানান। বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমান ও উপ-নেতা সৈয়দ আবদুল্লাহ মো. তাহের সহ অন্য সংসদ সদস্যরা টেজারি বেঞ্চের দিকে আসলে, নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এগিয়ে এসে প্রথমে ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে কোলাকুলি করেন। পরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিজের আসন থেকে এসে নতুন রাষ্ট্রপতির সঙ্গে কোলাকুলি করেন। এ সময় একে একে সরকারি এবং বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। এমনকি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও বিরোধী দলের নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গেও কোলাকুলি করেন। নতুন রাষ্ট্রপতি এক পর্যায়ে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন পরিচালনাকারী প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিনের সাথে করমর্দন করেন এবং অন্যান্য কর্মকর্তাদের সালাম জানান। এ সময় সংসদ কক্ষে আনন্দঘন মুহূর্তের সৃষ্টি হয়। আজ বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দুপুর ২টা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত ভোট গ্রহন অনুষ্ঠিত হয়। এর পরপরই ভোট গণনা শুরু হয় বিকাল ৫টা ২ মিনিটে। ভোট গণনার সময়ে দুই প্রার্থীর এজেন্ট সরকার দলীয় চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি ও বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলামসহ হুইপ মিয়া নুরুউদ্দিন অপু ও রকিবুল ইসলাম বকুল উপস্থিত ছিলেন। - [পুনরায় চালু হচ্ছে বন্ধ থাকা তিন রাষ্ট্রায়ত্ত পাটকল](https://starnews24bd.com/news/11419): স্টার নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা রাষ্ট্রায়ত্ত তিনটি পাটকল পুনরায় চালুর লক্ষ্যে বেসরকারি দুই প্রতিষ্ঠানের কাছে লিজ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ জুট মিলস কর্পোরেশনের (বিজেএমসি) সঙ্গে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ ও হ্যামকো গ্রুপের এ-সংক্রান্ত চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, চুক্তি অনুযায়ী সিরাজগঞ্জের জাতীয় জুট মিলস লিমিটেড ও খুলনার স্টার জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে প্রাণ-আরএফএল গ্রুপ। আর প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলস লিমিটেড লিজ নিয়েছে হ্যামকো গ্রুপ। চুক্তিতে বিজেএমসির পক্ষে সংস্থাটির চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. কবির উদ্দিন সিকদার স্বাক্ষর করেন। অন্যদিকে, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের পক্ষে কোম্পানি সচিব আমিনুর রহমান এবং হ্যামকো গ্রুপের পক্ষে ব্যবস্থাপনা পরিচালক এ টি এম মোস্তফা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। উপ-প্রেস সচিব জানান, চুক্তির আওতায় দীর্ঘদিন বন্ধ থাকা তিনটি মিল বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় পুনরায় চালু করা হবে। মিল তিনটি চালু হলে কমপক্ষে ১১ হাজার ৬২৯ জনের কর্মসংস্থান হবে। এতে প্রায় ৬১৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। প্রতিষ্ঠানগুলোর সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার হবে প্রায় ১ হাজার ১৭৫ কোটি টাকা। চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জানানো হয়, সিরাজগঞ্জের রায়পুরে জাতীয় জুট মিলে প্রায় ১৫৭ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান হবে। এর বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ৫০০ কোটি টাকা হতে পারে। খুলনার দিঘলিয়ায় স্টার জুট মিলে প্রায় ২৫০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হবে। মিলটি চালু হলে ৫ হাজার ২৩৮ জনের কর্মসংস্থান হবে। বছরে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা টার্নওভারের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। অন্যদিকে, খুলনার খালিশপুরে প্লাটিনাম জুবিলী জুট মিলে প্রায় ২১২ কোটি টাকা বিনিয়োগের পরিকল্পনা রয়েছে। মিলটি চালু হলে কমপক্ষে ১ হাজার ১৫৩ জনের কর্মসংস্থান হবে। প্রতিষ্ঠানটির সম্ভাব্য বার্ষিক টার্নওভার প্রায় ১৭৫ কোটি টাকা। অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বিজেএমসি’র উৎপাদন বন্ধ থাকা ২৫টি মিলের মধ্যে ২০টি ইজারার ভিত্তিতে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় চালুর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে ১৪টি মিলের লিজ সম্পন্ন করে লিজগ্রহীতাদের কাছে দখল হস্তান্তর করা হয়েছে এবং এর মধ্যে ৯টি মিলে উৎপাদন শুরু হয়েছে। - [মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রীর আরোগ্য কামনা করলেন তারেক রহমান](https://starnews24bd.com/news/11416): স্টার নিউজ ডেস্ক: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত আরোগ্য কামনা করে বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ সোমবার রাতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ বার্তা পোস্ট করা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে প্রার্থনা ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘আমি মালয়েশিয়ার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দাতুক সেরি আনোয়ার ইব্রাহিমের দ্রুত ও পূর্ণ সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছি। আল্লাহ তাঁকে দীর্ঘস্থায়ী সুস্বাস্থ্য ও শক্তি দান করুন।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশের এই বিশেষ বন্ধুর প্রতি বাংলাদেশের জনগণ ও আমার পক্ষ থেকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানাচ্ছি।’ - [কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৩২,](https://starnews24bd.com/news/11413): স্টার নিউজ ডেস্ক: কলম্বিয়ায় আঘাত হানা ৭.৪ মাত্রার ভূমিকম্পে প্রাণহানি বেড়ে ১৩২ জনে দাঁড়িয়েছে। এই দুর্যোগে আহত হয়েছেন ৫৭০ জনেরও বেশি মানুষ। কলম্বিয়ান অ্যাসোসিয়েশন অফ ক্যাপিটাল সিটিস (অ্যাসোক্যাপিটালেস)-এর প্রকাশিত একটি প্রাথমিক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ভূমিকম্পটির মূল কেন্দ্রস্থল ছিল দেশটির চোকো প্রদেশের সান হোসে দেল পালমার এলাকায়। তবে সবচেয়ে বেশি ক্ষয়ক্ষতি ও প্রাণহানি ঘটেছে পাশের রিসারালদা বিভাগের রাজধানী পেরেইরাতে। কেবল এই শহরটিতেই অন্তত ৬০ জন মারা গেছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। কলম্বিয়ার ভূতাত্ত্বিক পরিষেবা (এসজিসি)-র তথ্য মতে, স্থানীয় সময় সোমবার (১০ আগস্ট) সকাল ৭:৩৪ মিনিটে এই শক্তিশালী ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ৮২ কিলোমিটার (৫০ মাইল) গভীরে। ভূমিকম্পের পরপরই ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধার কাজ শুরু করেছে উদ্ধারকারী দলগুলো। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরো অনেকে আটকা পড়ে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে, যার ফলে নিহতের সংখ্যা বাড়তে পারে। দেশের প্রধান বিমানবন্দর ও অভ্যন্তরীণ পরিবহন ব্যবস্থার বেশ কয়েকটি রুটে সাময়িকভাবে কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। - [জুলাই স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11408): স্টার নিউজ ডেস্ক: চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের স্মৃতিচিহ্ন ধরে রাখার জন্য গড়ে তোলা জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্য দিয়ে এই স্মৃতি জাদুঘরের দুয়ার সবার জন্য উন্মুক্ত হলো। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করলেন বহুল প্রতীক্ষিত জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর। বুধবার (৫ আগস্ট) সকাল ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে জাদুঘরের ফলক উন্মোচনের মাধ্যমে এর উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। পরে প্রধানমন্ত্রী জাদুঘরের বিভিন্ন গ্যালারি ও প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন। তিনি জাদুঘরের সংরক্ষিত নিদর্শন, আলোকচিত্র, দলিলপত্র ও স্মারকগুলো পরিদর্শনের মাধ্যমে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস সম্পর্কে অবহিত হন। গণঅভ্যুত্থানের ঘটনাপ্রবাহ, গণমানুষের অংশগ্রহণ এবং বিজয়ের ইতিহাসভিত্তিক একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান এবং প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমানও তাঁর সঙ্গে ছিলেন। সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী জানিয়েছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর উদ্বোধনের দিন বিশেষ অতিথি ও শহীদ পরিবারের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। ৬ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে সাধারণ জনগণের জন্য এটা উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনা হয়েছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাসে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মাধ্যমে। পরে আন্দোলন দমনে তৎকালীন শেখ হাসিনা সরকারের কঠোর অবস্থান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযান, গুলি, প্রাণহানি, গণহত্যা, গণগ্রেপ্তার ও দমন-পীড়নের অভিযোগের পর তা দেশব্যাপী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। - [জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে: প্রধানমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11403): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘বাংলাদেশে জুলাই আগস্ট মাসে যে আন্দোলন হয়েছিল তা সম্পূর্ণভাবে ছিল জনগণের আন্দোলন। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছে বলেই জুলাই আন্দোলন সফল হয়েছে। জনগণ যখন সম্পূর্ণভাবে এ আন্দোলনে সম্পৃক্ত হয়েছে, তখনই আন্দোলন সফল হয়েছে। ’ তিনি বলেন, ‘আমরা আমাদের অবস্থান থেকে পরিষ্কারভাবে সাফ বলে দিয়েছি এই জুলাই আন্দোলনের সফলতার ক্রেডিট এই দেশের সর্বস্তরের জনগণের। এর কৃতিত্ব কোন একক ব্যক্তি, একক কোন রাজনৈতিক দলের এটি কোন ক্রেডিট নয়। বিগত ১৭ বছর এই দেশের মানুষ, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের নেতাকর্মী, গণতন্ত্রে বিশ্বাসী আরও অনেকগুলো রাজনৈতিক দল সবাই ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে মাঠে ছিল। মাঠ ছেড়ে আমরা কখনো চলে যাইনি। আমরা কখনোই জনগণকে একা ফেলে মাঠ ছেড়ে চলে যাইনি।’ আজ মঙ্গলবার বিকেলে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন অব বাংলাদেশ-এ (কেআইবি) ‘গণতন্ত্র আদায়ে ১৭ বছরের অনিবার সংগ্রাম ও রক্তঝরা জুলাই জাগরণ’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। সকল রাজনৈতিক দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘অনেক কথা হয়েছে, আন্দোলন হয়েছে, সংগ্রাম কথা হয়েছে, তর্ক-বিতর্ক হয়েছে- এখন সময় হচ্ছে দেশ পুনর্গঠন করার। এখন সময় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার। এখন সময় হচ্ছে যারা ষড়যন্ত্র করতে চায় তাদের ব্যাপারে ধৈর্য সহকারে ঠান্ডা মাথায় তাদের ষড়যন্ত্রের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা। জনগণকে সতর্ক করা এবং ঠিক একইভাবে আমরা যেই পরিকল্পনা জনগণের সামনে দিয়েছি, আমরা জনগণের জন্য যা করতে চাইছি, দেশকে পুনর্গঠনের জন্য আমরা যা করতে চাইছি, সেগুলো ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করা। জনগণের প্রত্যাশাগুলো পূরণ করা।’ বিএনপি জনগণের প্রত্যাশিত রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা নিয়ে এগিয়ে চলছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিএনপিই প্রথম দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে দেশের মানুষের সামনে রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা তুলে ধরেছিল, যা পরবর্তীতে রাজপথের মিত্র দলগুলোর সাথে আলোচনার মাধ্যমে ৩১ দফায় রূপ নেয়। গত সাধারণ নির্বাচনে দেশের জনগণ এই ৩১ দফায় পূর্ণ আস্থা ও ম্যান্ডেট দিয়েছে। ফলে এটি আর কেবল বিএনপির একক রূপরেখা নয়, বরং এটি দেশের সমগ্র জনগণের ৩১ দফায় পরিণত হয়েছে।’ সরকার পরিচালনার সার্বিক চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, ’১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণের পর দেখা গেছে স্বৈরাচারী শাসনামলের বিগত ১৭ বছরে দেশের প্রতিটি খাতকে ধ্বংসস্তূপে পরিণত করা হয়েছিল। বছরে ১৬ বিলিয়ন ডলার বিদেশে পাচার করা হয়েছে। ভঙ্গুর অর্থনীতি, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ও বিভাজিত প্রশাসনের মধ্য দিয়েই বর্তমান সরকার কাজ শুরু করেছে। দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও জনগণের দুর্ভোগ কমাতে সরকার তাতক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। এখনো জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাচ্ছে বিএনপি সরকার।’ জ্বালানি সংকটের সাময়িক কষ্ট স্বীকার করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “শিল্পকারখানা ও বাসাবাড়িতে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করতে মিয়ানমার থেকে গ্যাস আমদানির আলোচনা শুরু হয়েছে। এছাড়া মালয়েশিয়ার ‘পেট্রোনাস’ কোম্পানির সাথে আলোচনা চুড়ান্ত হয়েছে, যার মাধ্যমে দ্রুততম সময়ের মধ্যে কনটেইনারের মাধ্যমে এলএনজি গ্যাস দেশে আনা হবে। এর ফলে বন্ধ থাকা বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে গ্যাস সরবরাহ করে দ্রুততম সময়ে জাতীয় গ্রিডে বাড়তি ৪ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যুক্ত করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি দেশীয় শক্তি বৃদ্ধি করতে দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে অকার্যকর রাখা ‘বাপেক্স’-কে পুনরুজ্জীবিত করে দুটি নতুন রিগ কেনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।” বেকারত্ব দূরীকরণ ও কর্মসংস্থানের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয়েছে। এছাড়া চট্টগ্রাম ও নারায়ণগঞ্জে বিশাল এলাকায় নতুন শিল্পাঞ্চল গড়ে তোলার কাজ চলছে, যেখানে চীনা ও কোরিয়ান বিনিয়োগ আসবে। পাশাপাশি বিটিএমসি-র বন্ধ পড়ে থাকা প্রায় ৫০টি মিল-কারখানা বেসরকারি খাতে চালু করে হাজার হাজার কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা হচ্ছে। তরুণ উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিশেষ ফান্ড চালু করা হয়েছে।’ স্বাস্থ্যখাতের আমূল পরিবর্তনের চিত্র তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী পাঁচ বছরে প্রতিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করা হবে। দুই থেকে তিন বছরের মধ্যে সকল উপজেলা হাসপাতালে ন্যূনতম ১০ শয্যার ডায়ালিসিস ইউনিট চালু করা হবে। ইতিমধ্যেই জেলা ও মেডিকেল কলেজ হাসপাতালগুলোতে ডায়ালিসিস সুবিধা সম্প্রসারণের কাজ চলছে। এছাড়া বাজেটে ডিউটি ও ট্যাক্স কমিয়ে হার্টের রিং (স্টেন্টিং), ডায়ালিসিস, চোখের লেন্স এবং আইটি উপকরণের দাম সাধারণ মানুষের নাগালের মধ্যে আনা হয়েছে।’ শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার ও তরুণদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেওয়ার ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষা কার্যক্রমকে আনন্দের মাধ্যমে শিখন (লার্নিং উইথ হ্যাপিনেস) ধারণায় ঢেলে সাজাতে চাই। আমাদের সন্তানরা কী চায়, তা বুঝতে হবে এবং তাদের জন্য সঠিক পথ তৈরি করতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সর্বদা দেশ ও দেশের মানুষের উন্নয়নের কথা চিন্তা করেছেন; সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারও জনগণের সেবায় নিবেদিত।’ তরুণ প্রজন্মকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে দেশব্যাপী ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক চর্চা বৃদ্ধির তাগিদ দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সম্প্রতি প্রাইমারি স্কুল পর্যায়ে ২২ লক্ষ শিশুর ফুটবল প্রতিযোগিতা এবং ১২-১৪ বছর বয়সীদের জন্য নতুন গতি স্পোর্টস প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়েছে। তরুণদের মেধা ও শক্তি বিকাশে সঠিক পথ তৈরি করাই সরকারের লক্ষ্য।’ জনগণের মৌলিক চাহিদার কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘সাধারণ মানুষ রাজপথে শান্তি চায়, সন্তানের শিক্ষার সুব্যবস্থা চায়, উন্নত চিকিৎসা চায়, নিরাপত্তা চায় এবং নিজ যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থান বা ব্যবসা-বাণিজ্যের সুযোগ চায়। একই সাথে নাগরিকরা সময়মতো তাদের রাজনৈতিক ও গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে চায়। জনগণের এই চাওয়াগুলোকে বাস্তবে রূপ দিতে সরকার সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ জুলাই আন্দোলনে অংশ নেওয়া এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জুলাই আন্দোলনের সময় বিএনপি সহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল ও অসংখ্য অরাজনৈতিক সাধারণ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। সরকার এবং দলের সাধ্যমতো আমরা ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে আছি এবং থাকব।’ তিনি বলেন, ‘ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে যাদের চিকিৎসার প্রয়োজন তাদের সুচিকিৎসা এবং যাদের কর্মসংস্থান প্রয়োজন তাদের জন্য কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।’ পরিশেষে, ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধ, বিগত বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলন এবং জুলাই আন্দোলনে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন। পাশাপাশি দেশের শান্তি, অর্থনৈতিক উন্নতি ও গণতন্ত্রকে চিরস্থায়ী করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। বিএনপি’র মহাসচিব ও স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, জাতীয় পার্টি কাজী জাফর এর সভাপতি মোস্তফা জামান হায়দার, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী প্রতিমন্ত্রী জুনায়েদ সাকি,গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি প্রতিমন্ত্রী মো. নূরুল হক নূর, ন্যাশনাল পিপলস পার্টির চেয়ারম্যান ডক্টর ফরিদুজ্জামান ফরহাদ,জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম এর মহাসচিব মুফতি মহিউদ্দিন, ভাসানি জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএনপির প্রচার সম্পাদক ও মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি, যুবদল, সেচ্ছাসেবকদল,কৃষকদল ও ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য, অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ, স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন ও বিএনপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।-বাসস   - [৫ আগস্ট উপলক্ষে র‌্যাবের নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার](https://starnews24bd.com/news/11400): স্টার নিউজ ডেস্ক: ৫ আগস্ট ‘জুলাই গণ–অভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। দিবসটি ঘিরে কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠী, নিষিদ্ধ সংগঠন কিংবা রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কোনো চক্র যাতে নাশকতা বা অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে না পারে, সে লক্ষ্যে বিশেষ গোয়েন্দা তৎপরতা, টহল ও সাইবার নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিরাপত্তা আয়োজনের এসব তথ্য জানানো হয়। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, রাষ্ট্রের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধ দমনে র‌্যাব নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছে। জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় রেখে সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে। র‌্যাবের প্রতিটি ব্যাটালিয়ন নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকার নিরাপত্তা ঝুঁকি পর্যালোচনা করে পৃথক পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। অনুষ্ঠানস্থল, রোডমার্চ ও পদযাত্রার নির্ধারিত রুট এবং দেশের বিভিন্ন স্থানে থাকা জুলাই স্মৃতিস্তম্ভগুলোতে ৪ আগস্ট রাত থেকেই বিশেষ নজরদারি চালু করা হয়েছে। দায়িত্ব পালনে ইউনিফর্মধারী সদস্যদের পাশাপাশি সাদা পোশাকের র‌্যাব সদস্যরা সক্রিয় থাকবেন। সন্দেহভাজন ব্যক্তি এবং নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের সম্ভাব্য নাশকতা প্রতিরোধে দেশের বিভিন্ন জেলার গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সপ্তাহখানেক আগে থেকেই নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো ধরনের গুজব, অপপ্রচার ও উসকানিমূলক পোস্ট প্রতিরোধে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়। নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ও যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড রোধে বাহিনীটি সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে থাকবে বলে জানানো হয়েছে। - [মালয়েশিয়ার প্রতিনিধিদল ঢাকায়, আলোচনা হবে শ্রমবাজার নিয়ে](https://starnews24bd.com/news/11397): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে জনশক্তি খাতে সহযোগিতা আরো জোরদার করতে মালয়েশিয়ার একটি প্রতিনিধিদল ঢাকায় পৌঁছেছে। সোমবার (৪ আগস্ট) দিবাগত রাত ২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রতিনিধিদলটি পৌঁছে। এ সময় তাদের অভ্যর্থনা জানায় বাংলাদেশ ওভারসিজ এমপ্লয়মেন্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস লিমিটেড (বোয়েসেল)। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বোয়েসেল জানিয়েছে, প্রতিনিধিদলের এ সফর বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে চলমান সহযোগিতাকে আরো এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশেষ করে দক্ষ বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণে এই সফর ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সংস্থাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোহাম্মদ রাশেদুল হক বিমানবন্দরে উপস্থিত থেকে প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানান। এ সময় তিনি প্রতিনিধিদলের প্রধানের হাতে ফুলের তোড়া তুলে দেন। সফরকালে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হবে বলে প্রত্যাশা করছে বোয়েসেল। এসব আলোচনা দুই দেশের জনশক্তি খাতে বিদ্যমান সম্পর্ককে আরো সুদৃঢ় করতে সহায়ক হবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। প্রতিনিধিদলকে অভ্যর্থনা জানানোর সময় বোয়েসেলের মহাব্যবস্থাপক নূর আহমেদ, উপব্যবস্থাপক সাঈদ সালেহীন এবং বিমানবন্দরের ওয়েলফেয়ার ডেস্কের কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। - [আজ থেকে শুরু সরকারি ৫ ভাতার আবেদন, জেনে নিন নিয়ম](https://starnews24bd.com/news/11393): স্টার নিউজ ডেস্ক: বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় শিক্ষাউপবৃত্তিসহ সরকারি ৫ ভাতার আবেদনের সুযোগ দিচ্ছে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সমাজসেবা অধিদপ্তর। আজ শনিবার (১ আগস্ট) থেকে অনলাইনে আবেদন করা যাবে। আবেদন চলবে আগামী ১৫ আগস্ট পর্যন্ত। যেসব বিষয়ে আবেদন করা যাবে— ১. বয়স্ক ভাতা; ২.বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা ভাতা; ৩. প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি; ৪. অনগ্রসর জনগোষ্ঠীসমূহের ভাতা ও উপবৃত্তি; ৫. বেসরকারি নিবন্ধিত এতিমখানাসমূহের ছাত্রদের জন্য ক্যাপিটেশন গ্রান্ট। আবেদন যেভাবে— ১ থেকে ৪ নম্বর পর্যন্ত বিষয়ের জন্য এই লিংকে dss.bhata.gov.bd/online-application আবেদন করতে হবে। আর ক্যাপিটেশন গ্রান্ট-এর জন্য এই লিংকে https://mswservices.gov.bd/auth/login আবেদন করতে হবে। সমাজসেবা অধিদপ্তরের গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিসমূহের আওতা হালনাগাদকরণের লক্ষ্যে যোগ্য ও আগ্রহী ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের নিকট হতে অনলাইনে আবেদনপত্র আহ্বান করা হচ্ছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা-বেষ্টনী কর্মসূচির আওতাভুক্ত ৫টি বিষয়ে ভাতা ও উপবৃত্তি কার্যক্রমসমূহে আবেদন করা যাবে। আগ্রহী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানসমূহকে নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যথাযথ তথ্যাদিসহ অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ করা হলো। নির্ধারিত সময়ের পর কোনো আবেদন গ্রহণযোগ্য হবে না। বিস্তারিত জানতে নিকটস্থ উপজেলা/শহর সমাজসেবা কার্যালয়ে যোগাযোগ করা যেতে পারে। - [প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বিশেষ দূত সার্জিও গরের সাক্ষাৎ](https://starnews24bd.com/news/11389): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় সফররত যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গর। আজ শনিবার সকালে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, আঞ্চলিক সহযোগিতা এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন ও বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন প্রমুখ। এর আগে গত ৩০ জুলাই ঢাকায় পৌঁছান সার্জিও গর। সফরের প্রথম দিনে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।   - [বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ কারার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/11386): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো চালুর প্রক্রিয়া ২০২৬ সালের মধ্যেই শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টায় বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভাকক্ষে বন্ধ সরকারি শিল্পকারখানা পুনরায় চালু, বেসরকারিকরণ কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা এবং এসব কারখানা চালু করতে দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের লক্ষ্যে উচ্চপর্যায়ের একটি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় বলে জানান তাঁর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন। উপ প্রেস সচিব জানান, বৈঠকে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি শিল্পকারখানাগুলো দ্রুত চালুর লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ, আমলাতান্ত্রিক জটিলতা দূর করে কার্যক্রমে গতি আনা এবং এসব শিল্পকারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণের মাধ্যমে দ্রুত উৎপাদন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ২০২৬ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছেন। এছাড়াও বৈঠকে বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন। বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। - [চট্টগ্রামের সন্ত্রাসী ‘ডেভিড ইমন’ গ্রেপ্তার, ক্রিকেট থেকে অপরাধ জগতে প্রবেশ](https://starnews24bd.com/news/11383): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের ক্রিকেটাঙ্গনে সম্ভাবনাময় বাঁহাতি ‘চায়নাম্যান’ স্পিনার মোবারক হোসেন ইমনকে যশোর থেকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তিনি বর্তমানে চট্… - [প্রধানমন্ত্রী প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন](https://starnews24bd.com/news/11380): স্টার নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে তিনজন প্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে সরাসরি নিয়োগপত্র তুলে দেন। এই উ… - [রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আরসা কমান্ডার নিহত](https://starnews24bd.com/news/11377): স্টার নিউজ ডেস্ক: কক্সবাজারের উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুর্বৃত্তদের গুলিতে আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি (আরসা) কমান্ডার জুবায়ের নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতি… - [ঢাকামুখী রোগীর চাপ সামাল দিতে হিমশিম খাচ্ছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ](https://starnews24bd.com/news/11374): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকায় উন্নত চিকিৎসা পেতে সারা দেশ থেকে রোগীরা আসছেন। বিশেষজ্ঞ ডাক্তার ও সঠিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার আশায় রোগীরা সরকারি হাসপাতালগুলোত… - [গুলশানের চামেলিতে বাঁধন-মধুমিতা, কেন্দ্রীয় চরিত্রে আসছেন দুই অভিনেত্রী](https://starnews24bd.com/news/11371): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজনীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অভিজাত সমাজের অন্ধকার বাস্তবতাকে কেন্দ্র করে নির্মিতব্য সিনেমা 'গুলশানের চামেলি'তে যুক্ত হয়েছেন জনপ্রিয়… - [অনুশোচনা: আল্লাহর কাছে বান্দার প্রিয়তা অর্জনের উপায়](https://starnews24bd.com/news/11368): স্টার নিউজ ডেস্ক: বিশিষ্ট সাহাবি হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সা.) তার রব থেকে বর্ণনা করেন যে, যখন কোনো বান্দা একটি পাপ করে এবং আল্লাহর কাছে… - [ইরাকে হামলার পর ট্রাম্পের সঙ্গে সৌদি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর জরুরি বৈঠক](https://starnews24bd.com/news/11365): স্টার নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সৌদি আরবের প্রতিরক্ষামন্ত্রী প্রিন্স খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে জরুরি আলোচনার জন্য বৈঠক করেছেন। ইরাকে দ… - [ইরান যুদ্ধে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র মজুত তলানিতে: সিএসআইএসের প্রতিবেদন](https://starnews24bd.com/news/11362): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র তাদের পেট্রিয়ট ক্ষেপণাস্ত্রের প্রায় এক-তৃতীয়াংশ এবং থাড প্রতিরোধক ক্ষেপণাস্ত্রের প… - [হবিগঞ্জে ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে জেলা প্রশাসন](https://starnews24bd.com/news/11359): স্টার নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জ পৌর এলাকার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় জেলা প্রশাসন ১৪৪ ধারা প্রত্যাহার করেছে। বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) জেলা ম্যাজিস্ট্র… - [আর্জেন্টিনায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় নিহত ৭](https://starnews24bd.com/news/11356): স্টার নিউজ ডেস্ক: আর্জেন্টিনার সান হুয়ান প্রদেশে বুধবার (২৯ জুলাই) একটি হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় সাতজন প্রাণ হারিয়েছেন। স্থানীয় সময় সকাল সাড়ে ১০টার দিকে… - [মাইক্রোপ্লাস্টিকের ঝুঁকি: খাদ্য ও পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে ক্ষুদ্র প্লাস্টিক কণা](https://starnews24bd.com/news/11353): স্টার নিউজ ডেস্ক: মাইক্রোপ্লাস্টিক বর্তমানে মানুষের শরীরে অজান্তেই প্রবেশ করছে। দৈনন্দিন জীবনের নানা অভ্যাসের মাধ্যমে যেমন দাঁত ব্রাশ করা, প্লাস্টিকের বোতল… - [গোলাম রসুলের বাড়িতে হামলার ঘটনা সমাধান করেছে প্রশাসন](https://starnews24bd.com/news/11350): স্টার নিউজ ডেস্ক: যশোর জেলা জামায়াতের আমির ও যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুলের যশোর শহরের নীলগঞ্জ প্রফেসরপাড়া এলাকার বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের… - [পরকীয়ার অভিযোগে জামায়াত নেতাকে মারধরের ঘটনা পটুয়াখালীতে](https://starnews24bd.com/news/11347): স্টার নিউজ ডেস্ক: পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় এক গৃহবধূর সঙ্গে অনৈতিক সম্পর্কের অভিযোগে জামায়াতের এক স্থানীয় নেতা মারধরের শিকার হয়েছেন। আহত অবস্থায় তাকে… - [জুলাই বিপ্লবের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের শপথ আল্লামা মামুনুল হকের](https://starnews24bd.com/news/11344): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেছেন, ‘গণভোটের রায় বাস্তবায়নের লক্ষ্যে আমরা সারা দেশে মানুষের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছি। জ… - [ইয়ামালের স্মারক কার্ড নিলামে নতুন রেকর্ড, পেলে-মেসিকে ছাড়িয়ে গেলেন](https://starnews24bd.com/news/11341): স্টার নিউজ ডেস্ক: বিশ্বকাপ জয়ের পর স্পেনের তরুণ ফুটবলার লামিন ইয়ামাল নতুন ইতিহাস গড়লেন স্মারক সংগ্রহের বাজারে। বার্সেলোনার এই তারকার বিরল ‘ওয়ান অব ওয়া… - [সালমান খান বিক্রি করলেন আরও একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট](https://starnews24bd.com/news/11338): স্টার নিউজ ডেস্ক: বলিউডের সুপারস্টার সালমান খান মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের আরও একটি বিলাসবহুল ফ্ল্যাট বিক্রি করেছেন। এই ফ্ল্যাটটি ৩ কোটি ৫০ লাখ রুপিতে বি… - [খাবার দিতে দেরি হওয়ায় গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ দেবরের বিরুদ্ধে](https://starnews24bd.com/news/11335): স্টার নিউজ ডেস্ক: ভারতের বিহারের জেহানাবাদ জেলায় খাবার পরিবেশন করতে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার দেবরের বিরুদ্ধে। নিহত নার… - [পাকিস্তানে তল্লাশি চৌকিতে হামলা, নিহত ১৫](https://starnews24bd.com/news/11332): স্টার নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি তল্লাশি চৌকিতে সশস্ত্র জঙ্গি হামলায় অন্তত ১৫ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৭ জন পুলিশ কর্ম… - [সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য](https://starnews24bd.com/news/11329): স্টার নিউজ ডেস্ক: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নবম বেতন কমিশন ঘোষণা নিয়ে কাজ চলছে। অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বুধবার (২৯ জুলাই)… - [পটিয়ায় মুখোশধারী নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মিছিলের ঘটনা](https://starnews24bd.com/news/11326): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলায় থানার অদূরে মুখোশ পরে মহাসড়কে মিছিল করেছেন নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। মিছিল শেষে তারা দ্রুত ঘটনাস্… - [১৬ হাজার কোটি টাকায় ১৫ লাখ টন জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত](https://starnews24bd.com/news/11323): স্টার নিউজ ডেস্ক: সরকার ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত ১৫ লাখ ২৫ হাজার মেট্রিক টন পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এ জন্য ব্যয় হবে… - [হবিগঞ্জে বিএনপির বিরুদ্ধে এনসিপির অভিযোগ দায়ের](https://starnews24bd.com/news/11320): স্টার নিউজ ডেস্ক: হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) পদযাত্রা কর্মসূচিতে কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় বিএনপির নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে লিখি… - [আমতলীতে খালে ভাসমান অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার](https://starnews24bd.com/news/11317): স্টার নিউজ ডেস্ক: বরগুনার আমতলীতে খাল থেকে আনুমানিক ৩০ বছর বয়সী অজ্ঞাতপরিচয় এক যুবকের বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার (২৯ জুলাই) সন্ধ্যায় উপ… - [সম্পর্ক নষ্ট করে নতুন সম্পর্ক গড়বে না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী](https://starnews24bd.com/news/11314): স্টার নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান বলেছেন, এক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক নষ্ট করে অন্য দেশের সঙ্গে সম্পর্ক বৃদ্ধি করার চেষ্টা করবে না বাংল… - [যশোরে এমপি গোলাম রসুলের বাড়িতে হামলার ঘটনায় সমঝোতা সভা, বিক্ষোভে অবরুদ্ধ পুলিশ সুপার](https://starnews24bd.com/news/11311): স্টার নিউজ ডেস্ক: যশোর-৪ (বাঘারপাড়া-অভয়নগর) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক গোলাম রসুলের বাড়িতে হামলার ঘটনায় জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে আজ বুধবার বিকেলে এক সমঝোতা… - [পুরান ঢাকার ‘শ্রমিক মিরাজ’ পরিচয়ে সীমান্ত পার হতে চেয়েছিল ডেভিড ইমন](https://starnews24bd.com/news/11308): স্টার নিউজ ডেস্ক: চট্টগ্রামের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোবারক হোসেন, যিনি ডেভিড ইমন নামে পরিচিত, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করার সময় যশোরে… - [ঢাকা সফরে আসছেন ট্রাম্পের বিশেষ দূত সার্জিও গোর](https://starnews24bd.com/news/11305): মার্কিন প্রেসিডেন্টের মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়াবিষয়ক বিশেষ দূত সার্জিও গোর প্রথমবারের মতো ঢাকা সফরে আসছেন। তার ঢাকায় পৌঁছানোর সময় নির্ধারিত হয়েছে বৃহস্পতিবা… - [বিশ্ববিদ্যালয়ে ফ্যাসিবাদের পক্ষে অবস্থানকারীদের শিক্ষকতা নিষিদ্ধের দাবি মাহফুজের](https://starnews24bd.com/news/11302): অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম বলেছেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে এমন বিধান থাকা উচিত, যাতে ফ্যাসিবাদী শাসনের পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিরা শিক্ষকতা ক… - [সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান মামুনুল হকের](https://starnews24bd.com/news/11299): সন্ত্রাস ও মাদকমুক্ত সমাজ গঠনের জন্য সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। বুধবার (২৯ জুলাই) বিকাল সাড়… - [লতিফ সিদ্দিকীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ](https://starnews24bd.com/news/11294): রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশ ঘিরে হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী লতিফ সিদ্দিকীকে গ্… - [গ্যাস সংকটে নাজেহাল দেশ, ভাসমান টার্মিনালে কারিগরি ত্রুটি](https://starnews24bd.com/news/11285): স্টার নিউজ ডেস্ক: দেশের একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল বা এফএসআরইউতে কারিগরি ত্রুটি দেখা দেওয়ায় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কমে গেছে। এর প্রভাব পড়েছে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র, সিএনজি স্টেশন ও অন্যান্য গ্রাহকের ওপর। মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান জানান, ত্রুটিপূর্ণ টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। কয়েকটি এলাকায় গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ সারি ও জনদুর্ভোগ তৈরি হয়েছে। কারিগরি বিশেষজ্ঞরা সমস্যা সমাধানে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছেন। নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে কোন জেলায়?নতুন আরেকটি সিটি করপোরেশন হচ্ছে কোন জেলায়? তিনি জানান, তাৎক্ষণিক সংকটের কারণ এফএসআরইউর ত্রুটি হলেও আমদানিকৃত এলএনজির ওপর বাড়তি নির্ভরতা পরিস্থিতির প্রভাব বাড়িয়েছে। আমদানি অবকাঠামোর কোনও একটি অংশে সমস্যা হলেই পুরো সরবরাহ ব্যবস্থা চাপে পড়ে। কমাতে পর্যায়ক্রমে ১০০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। একনেকে বেগমগঞ্জ ও সুনামগঞ্জ এলাকায় ৭২৯ কোটি টাকা ব্যয়ে তিনটি কূপ খননের প্রকল্প অনুমোদিত হয়েছে। স্থল ও সমুদ্রে অনশোর ও অফশোর মডেল পিএসসির আওতায় দরপত্র আহ্বান এবং দেশি-বিদেশি বিনিয়োগ আনার কার্যক্রমও চলছে। গ্যাস সরবরাহ কবে নাগাদ ঠিক হবে জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রীগ্যাস সরবরাহ কবে নাগাদ ঠিক হবে জানালেন জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী সরকার চতুর্থ এফএসআরইউ স্থাপনের দরপত্র, মালয়েশিয়া থেকে আইএসও ট্যাংকে এলএনজি আমদানির সম্ভাব্যতা যাচাই, ভোলার গ্যাস মূল ভূখণ্ডে আনার বিকল্প, নতুন কূপ খনন ও পুরোনো কূপের ওয়ার্কওভার এবং জ্বালানি আমদানির উৎস বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নিয়েছে। - [এসডোর গবেষণায় বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬ টিতেই ক্ষতিকর মাইক্রোপ্লাস্টিক](https://starnews24bd.com/news/11273): পরীক্ষা করা টুথপেস্টগুলো বাংলাদেশ, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে উৎপাদিত। চারটি দেশের উৎপাদিত টুথপেস্টেই মাইক্রোপ্লাস্টিক পাওয়া গেছে। বাংলাদেশের ২৫টি নমুনার মধ্যে ২২টিতে, ভারতের ৫টির মধ্যে ১টিতে, থাইল্যান্ডের ২টির মধ্যে ১টিতে এবং ভিয়েতনামের ২টির দুটিতেই মাইক্রোপ্লাস্টিক শনাক্ত হয়েছে। একটি টুথপেস্টে প্রতি ১০০ গ্রামে সর্বোচ্চ ৩২০টি মাইক্রোপ্লাস্টিক কণা পাওয়া গেছে। - [পেশাগত দক্ষতা ও সততা ভিত্তিতে সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর](https://starnews24bd.com/news/11270): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক মতাদর্শ ও ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে থেকে পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের গুণাবলি, শৃঙ্খলার মান, সততা, বিশ্বস্ততা ও আনুগত্য দেখে সেনাবাহিনীতে পদোন্নতির নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (২৬ জুলাই) সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে এসব কথা বলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ শান্তি-শৃঙ্খলা, স্থিতিশীলতা ও দুর্যোগ মোকাবিলায় বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছে। এ সময় দেশের প্রয়োজনে সেনাবাহিনীর এই ত্যাগের জন্য সেনাপ্রধান থেকে শুরু করে সেনাবাহিনীর সব সদস্যকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান তিনি। এর আগে সেনাবাহিনী সদর দফতরে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ‘সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬’ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ১ম পর্বের এই পদোন্নতি পর্ষদে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্নেল হতে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এবং লেফটেন্যান্ট কর্নেল হতে কর্নেল পদবির যোগ্য কর্মকর্তাদের পরবর্তী পদোন্নতির জন্য বিবেচিত হবেন। পদোন্নতি পর্ষদের মূল্যবান বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী শুরুতেই স্মরণ করেন মহান স্বাধীনতার ঘোষক, বীর মুক্তিযোদ্ধা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে। মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী সব শহীদ, যুদ্ধাহত ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের, বিশেষ করে সশস্ত্র বাহিনী তথা সেনাবাহিনীর শহীদসহ সব বীর সেনানীদের, যাদের আত্মত্যাগ জাতি চিরদিন কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করবে। এছাড়াও, তিনি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রামে দায়িত্ব পালনকালে সব আহত ও শহীদ সেনা সদস্যদের। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছালে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান সেনাবাহিনী প্রধান এবং চীফ অব জেনারেল স্টাফ (সিজিএস)। শত কর্মব্যস্ততার মাঝেও উপস্থিত হয়ে নির্বাচনী পর্ষদ উদ্বোধন করায় সেনাবাহিনী প্রধান প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। - [দরবার-এ বেতাগী আল্লামা হাফেজ শাহ বজলুর রহমান (রাঃ) কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত পবিত্র মহান ৮ ছফর এর ওরশ শরীফ](https://starnews24bd.com/news/11266): ক্যাপশনঃ পবিত্র মহান ৮ ছফর এর ওরশ শরীফে আখেরী মোনাজাত পরিচালনা করছেন দরবার এ বেতাগী আস্তানা শরীফের সাজ্জাদানশীন পীরে তরিকত মাওলানা মোহাম্মদ গোলামুর রহমান আশরফ শাহ (মাঃজিঃআলী) । - [সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সুফিবাদী সুন্নী মহাসমাবেশ দেশব্যাপী আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার ও খানকায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ বন্ধের দাবি](https://starnews24bd.com/news/11263): স্টার নিউজ ডেস্ক: রাজধানী ঢাকার সোহরাওয়ার্দি উদ্যানে সম্মিলিত সুন্নী পীর মাশায়েখ ফোরামের আয়োজনে সুফিবাদী সুন্নী মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৫ জুলাই) আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান শায়খুল হাদিস আল্লামা কাজী মুহাম্মদ মুঈন উদ্দিন আশরাফীর সভাপতিত্বে এই মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। মহাসমাবেশে দেশব্যাপী আউলিয়ায়ে কেরামের মাজার ও খানকায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটতরাজ বন্ধের পাশাপাশি নারী-শিশু নির্যাতন, খুন, ধর্ষণ এবং মদ, জুয়া, গাঁজাসহ সব ধরনের মাদক ব্যবসা বন্ধের দাবি জানানো হয়। সারা দেশ থেকে আসা হাজার হাজার সুন্নী উলামা-মাশায়েখ, বিভিন্ন দরবারের সাজ্জাদানশিন পীর, আলেম-উলামা এবং সুন্নী ছাত্র-জনতার ঢল নামে এই সমাবেশে। সুফিবাদী সুন্নী মহাসমাবেশে উলামা মাশায়েখ ও সুন্নী নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ‘এদেশসহ সারা বিশ্বে ইসলামের প্রচার-প্রসারে অবদান রাখছেন আউলিয়ায়ে কেরাম। সুফীবাদ ও আধ্যাত্মিকতাই ইসলামের মূল নির্যাস। যারা সুফিবাদী মানববাদী ইসলামকে ধারণ করে না তারাই মূলত বিপথগামী ও উগ্রবাদী। ইসলাম নির্দেশিত শান্তি সাম্য, সৌভ্রাতৃত্ব ও সম্প্রীতির প্রতীক হচ্ছেন ওলী বুজুর্গগণ। তাঁদের মাজার-খানকাহগুলো ইসলামের উদারনৈতিক শান্তির দর্শন সর্বত্র ছড়িয়ে দিচ্ছে।’ তাই প্রকৃত ওলী বুজুর্গদের কোনো শত্রু বা প্রতিপক্ষ থাকতে পারে না। মাজার-খানকাহগুলো দেশবাসীর হৃদস্পন্দন ও অস্তিত্বের নিদর্শন। তাই এসব পবিত্র স্থাপনার ওপর বর্বর হামলা আর বরদাশত করা হবে না। শান্তি, সহিষ্ণুতা, কল্যাণ ও শুভ্রতার প্রতীক ওলী-বুজুর্গ এবং তাঁদের পবিত্র স্থাপনা মাজার খানকার বিরুদ্ধে যারা বিদ্বেষ ও ঘৃণা ছড়ায় এবং ওলী-বুজুর্গদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয় তারাই মূলত ইসলাম ও মানবতার শত্রু। তাদের নগ্ন মুখোশ আজ দেশবাসীর সামনে উন্মোচিত হচ্ছে। বক্তারা উগ্রবাদী সহিংসপন্থী তথাকথিত ইসলামের বিপরীতে নবী ওলীদের প্রদর্শিত মানবিক ইসলামকে বিকশিত করার আহ্বান জানান। সভাপতির বক্তব্যে শাইখুল হাদীস আল্লামা কাযী মুঈন উদ্দিন আশরাফী বলেন, যারা তৌহিদি জনতার স্লোগান দিয়ে মাজার-খানকায় হায়েনার মতো হামলা করেছে জাতির নিকট তাদের মুখোশ উন্মোচিত হচ্ছে। কেবল তৌহিদে বিশ্বাস নয়, শানে রেসালত ও শানে বেলায়তের ওপরও আস্থা বিশ্বাস রাখাই একজন মুসলমানের প্রকৃত পরিচয়। যারা মাজার,খানকা নবী-ওলীবিদ্বেষী ওরা প্রকৃত ইসলামপন্থি নয়, বরং জঙ্গি ও উগ্রবাদী। সুফীবাদী সুন্নী মহাসমাবেশ প্রস্তুতি কমিটির আহ্বায়ক ড. আল্লামা সৈয়দ এমদাদ উদ্দীন নিজামপুরীর স্বাগত বক্তব্যে শুরু সমাবেশে প্রস্তাবনা উত্থাপন করেন পীরে ত্বরিকত আবুল ফারাহ মুহাম্মদ ফরিদ উদ্দিন।মহাসমাবেশে সারা দেশ থেকে আসা সুন্নী দরবারের পীর ও উলামা মাশায়েখের মধ্যে বক্তব্য দেন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের চেয়ারম্যান এম এ মতিন, আল্লামা সৈয়দ অসিয়র রহমান আলকাদেরী, পীর সিরাজুল আমিন রেজভী, স উ ম আব্দুস সামাদ, অধ্যক্ষ ফারাহ মোহাম্মদ ফরিদ উদ্দীন শাইখ আল্লামা উসমান গনী সালেহী, মাও সাইফুল ইসলাম, আবু সুফিয়ান খান আবেদী, উপাধ্যক্ষ আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল হক, গাজী শফিউল আলম নেজামি,পীর ওয়ালিউল্লাহ আশেকি,পীর গোলাম মহিউদ্দিন লতিফি, পীর মাও. আব্দুর রহমান, পীর শাহ হাফেজ মুফতি হাসানুজ্জামান, পীরজাদা মুজাফফর আহমদ মুজাদ্দেদি,পীর গোলামুর রহমান আশরফ শাহ, মাসউদ হোসাইন কাদেরি,পীরজাদা এয়ার মোহাম্মদ পেয়ারু,অধ্যক্ষ সাইদুর রহমান মুনাজেরি,মিসবাহ উদ্দিন লতিফি,কাজি ইসলাম উদ্দিন দুলাল, উপাধ্যক্ষ আব্দুল ওয়াদুদ,অধ্যক্ষ আবু জাফর হেলাল উদ্দিন, ড. ছদরুল আমিন,ড. মাহবুবুর রহমান, পীর শাহ মাখদুর পরান কাদেরি,পীর শামুনুর রশীদ মুনিরি,নুর মুহাম্মদ কাদেরি,পীরজাদা গোলাম দস্তগীর,পীরজাদা আব্দুর রহিম মুনিরি, পীরজাদা কুতুব উদ্দিন বখশি, পীর নাসির বিল্লাহ রব্বানি,পীর সাইফুল্লাহ জালালী পীরজাদা আব্দুল কাদের চানমিয়া, মহিউদ্দিন হামিদি,জসিম উদ্দিন আশরাফি,জসিম উদ্দিন নুরি,পীরজাদা রিয়াজ উদ্দিন ঢালি,ফেরদৌসুল আলম খান কাদেরি,শফিউল আলম আজিজি,এস এম কিবরিয়া মাইজভাণ্ডারি,ইকবাল হোসাইন কাদেরি,আব্দুল মতিন, পীরজাদা জুন নুরাইন,সিদ্দিক আহমদ আজিজি,মুহাম্মদ আব্দুল হাকিম,সৈয়দ আবু আজম , নুরুল্লাহ রায়হান খান, ডা. এস এম সরওয়ার, আজাদ হোসাইন প্রমূখ।   - [ফ্যাসিবাদ কায়েম করলে আপনাদেরও জনগণ তাড়াবে- ডা. শফিক](https://starnews24bd.com/news/11260): স্টার নিউজ ডেস্ক: সরকার ফ্যাসিবাদের পথ দিয়ে হাঁটছে অভিযোগ করে, জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, হাসিনা তাড়িয়েছি, যদি আপনারা ফ্যাসিবাদ কায়েম করেন, তাহলে আপনাদেরও জনগণ তাড়াবে। আপনাদের জনগণ ছেড়ে কথা বলবে না। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে ১১ দলীয় ঐক্যের সিলেট বিভাগীয় সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এমনটি বলেন। ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জনগণ পরিবর্তনের জন্য, সংস্কারের জন্য গণভোটে রায় দিয়েছে। ৭০ ভাগ মানুষ হ্যাঁ ভোট দিয়েছে। গণভোটের রায়কে আমরা অপমান করতে দেবো না। গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করেই আমাদের আন্দোলন সফলতার দ্বারপ্রান্তে পৌঁছবে। বাংলাদেশে আমরা আর কোন ফ্যাসিবাদ চাই না। জামায়াত আমির বলেন, আমরা দুঃখের সাথে বলতে বাধ্য হচ্ছি, তারাও মজলুম ছিলেন, আজ যারা সরকারে আছেন। তারা আজ ফ্যাসিবাদের পথ ধরে হাঁটা শুরু করেছেন। সমাজের সবক্ষেত্রে তারা বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে জাতীয়করণ করতে চাচ্ছেন। আমরা মানবো না। আমরা কিছুতেই মানবো না। লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ বীর বিক্রমের সভাপতিত্বে সমাবেশে ডা. শফিকুর আরও বলের, ভালোয় ভালোয় দাবি মেনে নিন। এদেশের মানুষ জীবন দিয়ে, পঙ্গুত্ব বরণ করে, গুলি খেয়ে শিখে নিয়েছে মুক্তির পথে কীভাবে হাঁটতে হয়। আমরা আমাদের শহীদদের সাথে বেঈমানি করবো না। জুলাইযোদ্ধাদের সাথে বেঈমানি করবো না। ১৮ কোটি মানুষের সাথে বেঈমানি করবো না। ঢাকার সমাবেশে সবাইকে যোগ দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, সবাই প্রস্তুত থাকুন। ঢাকা থেকে ডাক আসবে। দাবি আদায়ে সবাই তাতে অংশ নিতে হবে। সিলেটের বিভিন্ন দাবি-দাওয়ার প্রসঙ্গ তুলে বিরোধীদলীয় এই নেতা বলেন, প্রবাসী অধ্যুষিত এই অঞ্চলের বহু ন্যায্য দাবি বছরের পর বছর ধরে ঝুলে আছে।সিলেট ওসমানী বিমানবন্দরকে এখনও পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর করা হয়নি। এটি দ্রুত পূর্ণাঙ্গ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তর করুন।সিলেট-ঢাকা মহাসড়কের কাজ দ্রুত সম্পন্ন, সিলেট ইঞ্জিনিয়ারিং কলজেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে রূপান্তর, সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রম শুরুর দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, আমরা যদি ক্ষমতায় যেতে পারি তাহলে আপনাদের এসব দাবি পূরণ করা হবে। সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলীয় চীফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেন, ছাত্র জনতার আন্দোলনের মুখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগে বাধ্য হয়েছে। আমরা বাংলাদেশের ছাত্র জনতার পক্ষ থেকে ভারতের আন্দোলনরত ছাত্র-জনতাকে অভিনন্দন জানাই। তিনি বলেন, দেশে দেশে এই যে তরুণরা জেগে ওঠছে, তরুণরা অন্যায়-বৈষম্যের বিরুদ্ধে কথা বলছে, আমরা মনে করি, এটা জুলাই বিপ্লবের ধারাবাহিকতা। জুলই বিপ্লব দেশ থেকে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে। জুলাই বিপ্লবের পর দক্ষিণ এশিয়ার সব সরকার সতর্ক হচ্ছে। তরুণদের ভয় পাওয়া শুরু করছে অথচ আমাদের দেশে সরকার ঠিক উল্টো হাঁটছে। সরকার ক্ষমতায় এসেই জনগণের রায়কে অবজ্ঞা করছে। নাহিদ বলেন, সরকার ৩১ দফার মূলা ঝুলিয়ে দেশের মানুষের সাথে প্রতারণা করেছে। সংস্কার না করায় দেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবেলায় সরকার আন্তর্জাতিক সহায়তা পাচ্ছে না। সংবিধান সংস্কারের দাবি জানিয়ে নাহিদ বলেন, দেশের মানুষ সংস্কারের জন্য জীবন দিয়েছে, কিন্তু বিএনপির কিছু দালাল বুদ্ধিজীবী বলছে, সংস্কার নয়, সংশোধন প্রয়োজন। এতে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক বলেন, আমাদের ঐক্য কেবল ক্ষমতা আর নির্বাচনের জন্য হয়নি। এই ঐক্য হয়েছে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে, জুলাই বিপ্লবের উদ্দেশ্য বাস্তবায়নের লক্ষ্যে। এই লক্ষ্য বাস্তবায়িত না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন চালিয়ে যাবো। শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়ন ছাড়া আমরা রাজপথ ছাড়বো না। সরকারের উদ্দেশে মামুনুল হক বলেন, জুলাই বিপ্লবের সঙ্গে গাদ্দারি করলে ক্ষমতায় থাকার কোন অধিকার আপনাদের থাকবে না। আপনাদের প্রথমে পায়ে ধরে বলবো, পরে হাতে ধরে বলবো, তাতেও যদি কথা না শুনেন, ঘাড় ধরতে আপনাদের এতটুকু হাত কাঁপবে না। বিদায়ী রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে তিনি বলেন, আমরা আগেই বলেছিলাম, চুপ্পুকে রাইখেন না। আপনারা শুনলেন না। কথাটা আপনাদের ভালো লাগলো না। আজকে যখন রাষ্ট্রপতির মসনদে বসে আপনাদের ছোবল দিতে উদ্যত হয়েছে, তখন স্পিকার ২৪ ঘণ্টার নোটিশে হাসপাতাল থেকে ডেকে এনে চুপ্পুকে সরালেন। সে-ই তো পানি খেলেন, ঘোলা করে খেলেন। এতে জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহসভাপতি ও মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, গণভোটের রায়ের আলোকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না হলে আরেকটি বিপ্লব অনিবার্য। এতে অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, আওয়ামী লীগ কোনোভাবেই দেশে ফিরবে না৷ জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বাংলাদেশ বদলে গেছে, দিল্লীর আধিপত্যবাদ এখানে ফিরবে না। পুরাতন আওয়ামী লীগ আর ফিরবে না। এতে আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল হামিদুর রহমান আজাদ, নেজামে ইসলাম পার্টির ভারপ্রাপ্ত আমির আব্দুল কাইয়ুম সুবহানী, এবি পার্টির চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান মঞ্জু, লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জাগপার মুখপাত্র রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এ কে এম আমজাদুল ইসলাম চান।   - [চালুর অপেক্ষায় রংপুরে ৩১ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত শিশু হাসপাতাল](https://starnews24bd.com/news/11257): স্টার নিউজ ডেস্ক: নির্মাণকাজের পর কেটে গেছে দীর্ঘ ছয় বছর। ব্যয় হয়েছে ৩১ কোটি ৪৮ লাখ টাকারও বেশি। তবুও চালু করা যায়নি রংপুরের ১০০ শয্যাবিশিষ্ট শিশু হাসপাতালটি। তবে সম্প্রতি স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে হাসপাতালটি চালু হতে যাচ্ছে বলে আশ্বাস দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। স্থানীয় চাহিদা থাকা সত্ত্বেও সেসময়কার সরকারের উদাসীনতায় পূর্ণাঙ্গ রূপ পায়নি এই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটি। ফলে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ (রমেক) হাসপাতালের শিশু বিভাগে যখন তিল ধারণের জায়গা নেই, নিউমোনিয়া-শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত শিশুরা যখন মেঝেতে চিকিৎসা নিচ্ছে, তখন নবনির্মিত এই বিশাল ভবনের বেশির ভাগ কক্ষেই ধুলোবালি জমে আছে। জং ধরছে কোটি টাকার আধুনিক সরঞ্জামে। স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর (এইচইডি) রংপুর কার্যালয়ের তথ্যমতে, রংপুর সিটি করপোরেশনের সামনে সদর হাসপাতালের ১ একর ৭৮ শতাংশ জমির ওপর তিনতলা হাসপাতাল ভবন ও আবাসিক কোয়ার্টার নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩১ কোটি ৪৮ লাখ ৯২ হাজার ৮০৯ টাকা। নথিপত্র ঘেঁটে জানা যায়, ২০২০ সালের ৮ মার্চ সিভিল সার্জনকে হাসপাতাল ভবনটি বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ঠিক ওই সময়ই দেশে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঘটলে এটি সাময়িকভাবে ‘ডেডিকেটেড করোনা আইসোলেশন ওয়ার্ড’ হিসেবে ব্যবহৃত হয়। মহামারি শেষে ২০২৩ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি তৎকালীন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কোনো ধরনের প্রশাসনিক অনুমোদন, জনবলের পদ সৃষ্টি কিংবা অর্থ বরাদ্দ ছাড়াই হাসপাতালটির ফলক উন্মোচন বা উদ্বোধন করেন। ফলে উদ্বোধনের পর এক বছরেরও বেশি সময় হাসপাতালটি পুরোপুরি অচল হয়ে পড়ে থাকে। গত ৩১ মে হাসপাতালটির অবাকাঠামো পরিদর্শন শেষে স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. নাজমুল হোসেন বলেন, ‘দেশের শুধু ছয়টি শিশু হাসপাতালই নয়, স্বাস্থ্য বিভাগে এ ধরনের আরও অনেক স্থাপনা রয়েছে। যেগুলো চালু হয়নি। বিষয়টি নজরে আসার পর প্রধানমন্ত্রী স্বাস্থ্য মন্ত্রণালায়কে সেগুলো চালু করার নির্দেশ দেন। এ ছাড়াও মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সরেজমিন পরিদর্শন করে রিপোর্ট করার নির্দেশ দিয়েছেন। এরই ধারাবাহিকতায় আমরা রংপুরে পুরো টিম নিয়ে এসেছি। আমরা ভবনটি পরিদর্শন করলাম। এটি একটি সুন্দর স্থাপনা। এটি চালু করা গেলে রংপুর বিভাগের শিশু চিকিৎসায় উন্নতি হবে।’ তিনি বলেন, ‘সরকারি যে কোনো কিছু চালু করতে গেলে প্রশাসনিক কিছু জটিলতা থাকে। কিন্তু কীভাবে সেটি সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথাও বলেছি। এ বিষয়টি নিয়ে ঢাকায় গিয়ে মন্ত্রণালয় ও ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিবেদন দেব। আমি আশাবাদী, যেহেতু সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, প্রধানমন্ত্রী জোরালো ইচ্ছা ব্যক্ত করেছেন, হয়ত খুব অচিরেই আমরা এই প্রতিষ্ঠানটি চালু করতে পারব।’ পূর্ণাঙ্গ হাসপাতাল চালু করতে না পেরে, ২০২৪ সালের ১০ জানুয়ারি স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের নির্দেশে এখানে রমেক হাসপাতালের একটি বর্ধিত বহির্বিভাগ (আউটডোর) চালু করা হয়। বর্তমানে ভবনের নিচতলার মাত্র ৩টি কক্ষ ব্যবহার করে নামমাত্র সেবা দেওয়া হচ্ছে। হাসপাতালটিতে গিয়ে দেখা যায়, মূল ভবনের ওপরের তলাগুলোর সব কক্ষে তালা ঝুলছে। নিচতলার একটি কাউন্টারে একজন নার্স টিকিট কাটছেন, অন্য পাশে আরেকজন নার্স সরকারি ওষুধ দিচ্ছেন। রিসিপশন বা অভ্যর্থনা কক্ষটি বন্ধ। ৪ জন কনসালট্যান্ট ও ২ জন মেডিক্যাল অফিসারসহ মাত্র ৯ জন কর্মী দিয়ে চলছে দৈনিক বহির্বিভাগের কার্যক্রম। প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত এখানে ৭০ থেকে ৮০ জন শিশু শুধু মৌখিক পরামর্শ বা প্রেসক্রিপশন পাচ্ছে। ছেলের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসা রংপুর সদর উপজেলার বাসিন্দা আল-আমিন ইসলাম বলেন, ‘এখানে শুধু ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধের প্রেসক্রিপশন দেওয়া হয়। কোনো পরীক্ষা-নিরীক্ষা কিংবা আইসিইউ সুবিধা নেই। সরকার এত টাকা ব্যয়ে হাসপাতাল নির্মাণ করেছে, কিন্তু আমরা এর সুফল পাচ্ছি না। ভবন ও যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে দ্রুত পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসাসেবা চালু করা উচিত।’ রংপুর বিভাগীয় (স্বাস্থ্য) উপপরিচালক ডা. মো. ওয়াজেদ আলী বাসসকে বলেন, ‘আমাদের শিশু হাসপাতালটি ১০০ শয্যার অনুমোদন পেলেও আমরা এটিকে ২০০ শয্যায় উন্নীত করার পরিকল্পনা নিয়ে মন্ত্রণালয়ে কাজ করছি। ২০০ বেডের অনুমোদন হলে সেই অনুযায়ী বড় আকারে জনবল ও যন্ত্রপাতি আসবে। বর্তমানে এটি রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের শিশু বিভাগের বহির্বিভাগের একটি অংশ হিসেবে কাজ করছে। যখন এটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু হবে, তখন এটি রংপুরের মানুষের জন্য সুফল বয়ে আনবে। রংপুর মেডিক্যাল একমাত্র হাসপাতাল হওয়ায় শিশু বিভাগে ধারণক্ষমতার অনেক বেশি শিশু ভর্তি থাকে।’ তিনি বলেন, ‘এটি ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতাল থাকাকালীন ১০টি আইসিউসহ বেশকিছু যন্ত্রপাতি আছে। আমরা একটি টেকনিক্যাল কমিটি করে যন্ত্রপাতিগুলো দেখেছি, সব ঠিক আছে। এর আগে ৪ বছর পরে থাকার পরেও আমরা আইসিইউ, ভেন্টিলেটারসহ যন্ত্রপাতি সচল অবস্থায় পেয়েছি। এখনও যন্ত্রপাতিগুলো মাঝেমধ্যেই টেস্ট করা হচ্ছে। স্বাস্থ্যমন্ত্রী নিজেই দায়িত্ব নিয়েছেন। তিনি নিজ দায়িত্বে এই হাসপাতালে জনবলের পদ সৃষ্টিসহ সামগ্রিক বিষয়ে কাজ করছেন।’   - [শাহজালালের তৃতীয় টার্মিনালে বসছে অত্যাধুনিক ইনডোর টেলিকম নেটওয়ার্ক](https://starnews24bd.com/news/11254): স্টার নিউজ ডেস্ক: হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (এইচএসআইএ) তৃতীয় টার্মিনালে দেশের অন্যতম অত্যাধুনিক ইনডোর টেলিযোগাযোগ নেটওয়ার্ক স্থাপন করতে যাচ্ছে সরকার। এর ফলে যাত্রী ও কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে কোনো ধরনের নেটওয়ার্ক দুর্বলতা ছাড়াই নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও উচ্চগতির ডেটা সেবা নিশ্চিত হবে। সরকারি নথি অনুযায়ী, এ প্রকল্পের আওতায় একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যাক্টিভ ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যান্টেনা সিস্টেম’ (অ্যাক্টিভ ডাস) বসানো হবে। এর সাথে যুক্ত থাকবে শত শত স্মল সেল ও ওয়াই-ফাই অ্যাক্সেস পয়েন্ট। পুরো টার্মিনাল কমপ্লেক্সজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন ৪জি এবং ভবিষ্যৎ উপযোগী ৫জি সংযোগ দিতে এই ব্যবস্থা ডিজাইন করা হয়েছে। বাসস-এর সঙ্গে আলাপকালে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল মাবুদ চৌধুরী বলেন, এই নেটওয়ার্ক স্থাপন কাজের জন্য ইতোমধ্যে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন, ‘দরপত্র প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কার্যাদেশ দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই কাজ শুরু হবে।’ প্রচলিত মোবাইল নেটওয়ার্ক মূলত আউটডোর টাওয়ারের ওপর নির্ভরশীল হলেও, এই প্রযুক্তি বিশেষভাবে জটিল ইনডোর পরিবেশের জন্য তৈরি করা হয়েছে, যেখানে রি-ইনফোর্সড কংক্রিট, স্টিল কাঠামো ও বিশাল কাঁচের দেয়াল রেডিও সংকেতকে দুর্বল করে দেয়। ৭০০টি স্মল সেল এবং ৬৩৫টি ওয়াই-ফাই ইউনিটের সাহায্যে অ্যাক্টিভ ডাস কাঠামোর মাধ্যমে সংকেত ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এটি কোনো সিগন্যাল ড্রপ ছাড়াই যাত্রী ও কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরবচ্ছিন্ন ভয়েস ও উচ্চগতির ডেটা সেবা দেবে। ভবিষ্যতের বিমান চলাচল প্রযুক্তির কথা বিবেচনা করেই এই ডিজিটাল অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। যাত্রী, এয়ারলাইন্স ও বিমানবন্দর সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই ৪জি ও ৫জি উপযোগী নেটওয়ার্ক আগামী দিনে বিমানবন্দরের আধুনিক পরিচালনায় সহায়তা করবে। এর মাধ্যমে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ কেন্দ্রের জন্য একটি সম্প্রসারণযোগ্য যোগাযোগ কাঠামো তৈরি হবে। ৪৭ কোটি ৬৩ লাখ টাকা ব্যয়ের এই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, যার সম্পূর্ণ অর্থায়ন করছে বাংলাদেশ সরকার। প্রকল্পটির মাধ্যমে পুরো তৃতীয় টার্মিনালে মোবাইল নেটওয়ার্ক ছড়িয়ে দেওয়া হবে। এর মধ্যে রয়েছে ইমিগ্রেশন এলাকা, চেক-ইন কাউন্টার, ভিআইপি লাউঞ্জ, এক্সপোর্ট কার্গো টার্মিনাল (ইসিটি), ইমপোর্ট কার্গো টার্মিনাল (আইসিটি) এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ইনডোর সুবিধা। প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে মূলধনী ব্যয় হিসেবে ৪৩ কোটি ৫৪ লাখ টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই টাকা মূলত মূল নেটওয়ার্ক সরঞ্জাম, ট্রান্সমিশন সিস্টেম, অ্যাক্টিভ ডাস উপকরণ, স্মল সেল ও ওয়াই-ফাই ডিভাইসসহ টেলিযোগাযোগ অবকাঠামো খাতে খরচ হবে। রাজস্ব ব্যয় হিসেবে নির্ধারিত ২ কোটি ২৪ লাখ ৪০ হাজার টাকা বিদ্যুৎ, পরিবহন, প্রশিক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে খরচ হবে। অন্যদিকে দৈব ও মূল্যবৃদ্ধিজনিত সম্ভাব্য খরচের জন্য ২৫ লাখ টাকা রাখা হয়েছে। প্রকল্পের কাজ ২০২৭ সালের জুনের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে যাত্রী সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধির বিষয়টিকে সামনে রেখেই এই বিনিয়োগ করা হচ্ছে। বর্তমানে এই বিমানবন্দর দিয়ে বছরে প্রায় ৯১ লাখ যাত্রী চলাচল করেন। ২০৩৫ সালের মধ্যে এই সংখ্যা ১ কোটি ৮৫ লাখে পৌঁছাবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া প্রতিদিন এখান থেকে প্রায় ১৯০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট পরিচালিত হয় এবং বছরে প্রায় ২ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন কার্গো হ্যান্ডলিং করা হয়। প্রকল্প সংশ্লিষ্ট নথিতে উল্লেখ করা হয়, নবনির্মিত এই টার্মিনালে এখনো ব্যাপক ইনডোর মোবাইল কভারেজের ঘাটতি রয়েছে। ফলে, বিভিন্ন ইনডোর এলাকায় দুর্বল সিগন্যাল, কল বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া এবং ধীরগতির ইন্টারনেট সেবার মতো সমস্যা দেখা দিচ্ছে। পুরো টার্মিনালজুড়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ নেটওয়ার্ক কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করে এসব সীমাবদ্ধতা দূর করাই নতুন এই টেলিযোগাযোগ অবকাঠামোর লক্ষ্য। দেশের প্রধান আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরটি প্রতিবছর লাখ লাখ বিদেশি দর্শনার্থীর প্রথম প্রবেশদ্বার হিসেবে কাজ করে। তাই এই প্রকল্প বাংলাদেশের ডিজিটাল প্রবেশদ্বারকে আরো শক্তিশালী করবে বলে আশা করা হচ্ছে। নিখুঁত ও উচ্চগতির মোবাইল সংযোগ যাত্রীদের অভিজ্ঞতা উন্নত করতে, বিমানবন্দর পরিচালনায় গতি আনতে এবং পর্যটন ও বৈদেশিক বিনিয়োগে সহায়তা করতে অপরিহার্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এই উদ্যোগ সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের সাথেও সামঞ্জস্যপূর্ণ। সেখানে বিমানবন্দর ও অন্যান্য প্রধান জনবান্ধব স্থানে বিনামূল্যে উচ্চগতির ইন্টারনেট সেবা সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।   - [ইরানের বন্দর অবরোধ এড়ানোর চেষ্টা করা ট্যাংকারে গুলি চালানোর দাবি যুক্তরাষ্ট্রের](https://starnews24bd.com/news/11252): স্টার নিউজ ডেস্ক: ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত মার্কিন অবরোধ এড়ানোর চেষ্টা করা একটি তেলবাহী ট্যাংকার জাহাজে গুলি চালিয়ে সেটিকে অচল করে দেওয়ার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী। খবর বার্তা সংস্থা এএফপি’র। যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র মার্কিন নৌবাহিনীর ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স এএফপিকে বলেন, ‘জাহাজটির নাবিকরা এর আগে অন্তত চারবার অবরোধ অতিক্রমের চেষ্টা করার পর আমরা সেটিতে গুলি চালিয়ে অচল করে দিয়েছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘ক্রুদের বারবার সতর্ক করা হয়েছিল, কিন্তু তারা তা মানেনি। পরে ঘটনাস্থলে থাকা মার্কিন বাহিনী জাহাজের ইঞ্জিন কক্ষে গুলি চালিয়ে সেটিকে অচল করে দেয়। জাহাজটি এখন আর ইরানের দিকে যাচ্ছে না।’ ## Pages - [বিজ্ঞাপন](https://starnews24bd.com/%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a7%8d%e0%a6%9e%e0%a6%be%e0%a6%aa%e0%a6%a8) - [ভিডিও আর্কাইভ](https://starnews24bd.com/vc): https://www.youtube.com/embed?listType=playlist&list=UUP66KQs5QuF23sbleDw7Ruw&layout=gallery - [প্রচ্ছদ](https://starnews24bd.com/): সর্বশেষ বিশ্বায়ন, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং আঞ্চলিক সংগঠন: প্রসঙ্গ সীতাকুণ্ড সমিতি হাইতিকে বিদায় করে ব্রাজিলের প্রথম জয় ইসরাইল ও হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি পদ্মা ব্যারাজ প্রকল্পে বদলে যাবে ২৪ জেলার দৃশ্যপট, কৃষি ও কর্মসংস্থানে নতুন সম্ভাবনা মাতারবাড়ী হতে যাচ্ছে মুক্ত বাণিজ্যিক অঞ্চল পরিবেশ দিবস উপলক্ষে চবিতে হচ্ছে গ্রাজুয়েট সিম্পোজিয়াম https://www.youtube.com/embed?listType=playlist&list=UUv-Y_9gegviikJeOT4hWm9g জাতীয়   সারাবিশ্ব মন্ত্রনালয় জাতীয় সংসদ অর্থ বাণিজ্য তথ্য-প্রযুক্তি   সারা বাংলাদেশ ইসলামী দুনিয়া কলাম-ফিচার খেলাধুলা আইন-আদালত   প্রবাসজীবন শিক্ষাঙ্গন পর্যটন বন্দর মানবাধিকার পরিবেশ শিল্প-সাহিত্য শিল্প-সাহিত্য - [TV](https://starnews24bd.com/tv) - [আমাদের কথা](https://starnews24bd.com/%e0%a6%86%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%95%e0%a6%a5%e0%a6%be): অনলাইন নিউজের ক্ষেত্রে starnews24bd.com যেভাবে আস্থা ও স্বচ্ছতা বৃদ্ধিতে কাজ করছে বাংলাদেশ ও সারাবিশ্বে starnews24bd.com এর পরিচয় একটি বিশ্বাসযোগ্য সংবাদ মাধ্যম হিসেবে। আমাদের নিউজ পোর্টালে সাংবাদিকতার যে মান অর্জনের প্রচেষ্টা চালানো হয় তা পক্ষপাতহীন, স্বাধীন,সৎও ন্যায্য। আমরা যা কিছুই করি তার মূল ভিত্তি হচ্ছে পাঠক ও স্রোতা। প্রাসঙ্গিক সব সত্যকে আমরা খোলা মন নিয়ে ও নিরপেক্ষভাবে বিচার করবো।আমরা জানি ও বুঝতে পারি ইন্টারনেট থেকে বিশ্বাসযোগ্য সাংবাদিকতাকে খুঁজে বের করা কঠিন কাজ। starnews24bd.com এর রয়েছে নিজস্ব সম্পাদকীয় নীতিমালা। আমাদের সব কন্টেন্ট এবং সাংবাদিকদের মান কী হবে তা নির্ধারিত হয় এই নীতিমালা থেকে। starnews24bd.com এর উদ্দেশ্য হচ্ছে জনস্বার্থে কাজ করা। জনগণকে তথ্য প্রদান করে বিনোদন সেবা দিয়ে নিরপেক্ষ, উচ্চমানের ও সম্পূর্ণভাবে লক্ষনীয় বিষয়বস্তুর মাধ্যমে সব ধরনের পাঠক শ্রোতার সেবা করা। আমাদের পাঠক শ্রোতা আশ্বস্ত থাকতে পারেন যে কোন স্বার্থের দ্বারা আমাদের সিদ্ধান্ত কোনভাবেই প্রভাবিত হবে না। মানুষ মাত্রই ভুলের দন্ডে দন্ডিত।কোথাও ভুল হলে আমরা খোলা মন নিয়ে তা স্বীকার করে নেব এবং সেই ভুল থেকে শিক্ষা গ্রহণের মানসিকতাকে উৎসাহিত করা হবে। ব্যতিক্রমী পরিস্থিতিতে যেখানে আইনি কারণ, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকি কিংবা সম্পাদকীয় নীতিমালার গুরুতর লঙ্ঘন রয়েছে সেখানে কন্টেন্ট সরিয়ে দিতে আমাদের ব্যাত্যয় ঘটবে না। starnews24bd.com এর সাথেই থাকুন, প্রকৃত সত্যকে জানুন।