মেজর (অব.) মোজাফফরকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ

স্টার নিউজ ডেস্ক:
মেজর (অব.) মোজাফফরকে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট মূলে আগামী ২৩ জুলাই আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে হাজিরের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলামের করা আবেদনের পর আজ বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই আদেশ দেন।
আজকের আদেশের বিষয়ে চিফ প্রসিকিউটর সাংবাদিকদের বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের (মিস কেস) মামলায় গ্রেফতার লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর ‘এক/এগারো’ থেকে শুরু করে মানবতা বিরোধী বিভিন্ন অপরাধের সাথে সম্পৃক্ততা আছে। আর মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর সাথে কথোপকথন এবং বিভিন্ন সম্পৃক্ততা রয়েছে মেজর (অব.) মোজাফফরের। তাদের সম্পৃক্ততা তদন্তের দাবি রাখে। সেই কারণে আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে প্রোডাকশন ওয়ারেন্ট চাইলে ট্রাইব্যুনাল আদেশ দেন।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে ৪৫ বছর ধরে পলাতক মেজর (অব.) মোজাফফরকে গত ১৫ জুলাই রাতে রাজধানীর বনানীর একটি বাসা থেকে গ্রেফতার করার কথা জানায় ডিবি। পরদিন তাকে ঢাকা সেনানিবাসের মিলিটারি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ই), দারিদ্র্য সূচক এবং পরিবেশগত বিপর্যয় সূচকের মতো নির্দেশকগুলোর ওপর ভিত্তি করে প্রকল্পের এলাকাগুলো নির্বাচন করা হয়েছে। এতে গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং নারীর কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী সম্প্রসারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
পরিকল্পনা কমিশন জানায়, প্রকল্পটি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার, বিশেষ করে দারিদ্র্য বিমোচন, কৃষি উন্নয়ন, দেশব্যাপী কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং প্রত্যন্ত অঞ্চলে ‘লাস্ট-মাইল’ বা প্রান্তিক যোগাযোগ নিশ্চিতকরণের প্রতিশ্রুতির সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ।
এছাড়া প্রকল্পটি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি), বিশেষ করে এসডিজি-১ (দারিদ্র্য বিমোচন), এসডিজি-২ (ক্ষুধার অবসান ও টেকসই কৃষির প্রসার) এবং এসডিজি-৯ (শিল্প, উদ্ভাবন ও অবকাঠামো)-এর সাথে সংগতিপূর্ণ।
‘আইডিয়াল ডিজাইন অ্যান্ড কনসালটেন্সি’ কর্তৃক পরিচালিত একটি সম্ভাব্যতা যাচাই সমীক্ষায় প্রকল্পটি বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়েছে এবং এর প্রাপ্ত ফলাফলসমূহ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
প্রকল্পটির সেবাধর্মী প্রকৃতির কারণে কোনো আর্থিক ব্যয়-সুবিধা বিশ্লেষণ (কস্ট-বেনেফিট অ্যানালাইসিস) করা না হলেও পরিকল্পনা কমিশন উল্লেখ করেছে, পূর্ববর্তী আরইআরএমপি প্রকল্পগুলোর চমৎকার সাফল্য নির্দেশ করে যে প্রস্তাবিত এই কর্মসূচিটি থেকে উল্লেখযোগ্য আর্থ-সামাজিক সুবিধা পাওয়া যাবে।
প্রস্তাবিত বার্ষিক ব্যয়ের মধ্যে রয়েছে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৫২২.৮৯ কোটি টাকা, ২০২৭-২৮ অর্থবছরে ৫১৯.৩১ কোটি টাকা, ২০২৮-২৯ অর্থবছরে ৫১৮.৬৫ কোটি টাকা এবং ২০২৯-৩০ অর্থবছরে ৫২০.৭৫ কোটি টাকা। এছাড়া ২০২৫-২৬ অর্থবছরে একটি নামমাত্র বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটি (পিইসি) ২০২৬ সালের ১ মার্চ অনুষ্ঠিত তাদের সভায় বাস্তবায়ন সময়সূচি সংশোধন, ক্রয় ও পরিচালন ব্যয় যৌক্তিকীকরণ, পাবলিক প্রকিউরমেন্ট বিধিমালা নিশ্চিতকরণ, প্রকল্প-পরবর্তী রক্ষণাবেক্ষণের জন্য একটি এক্সিট প্ল্যান প্রণয়ন এবং চলমান অন্যান্য উন্নয়ন কর্মসূচির সাথে দ্বৈততা পরিহার করার শর্তে প্রকল্পটি অনুমোদনের সুপারিশ করে।
পরিকল্পনা কমিশন জানিয়েছে, প্রকল্পটি বছরজুড়ে গ্রামীণ সড়কের যোগাযোগ নিশ্চিত, কৃষিজাত ও অ-কৃষিজাত পণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ সহজতর, ৪৫ হাজার ৭৮০ জন সুবিধাবঞ্চিত নারীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করবে এবং গ্রামীণ বাংলাদেশের দারিদ্র্য বিমোচন ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ২,০৮২.১২ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে ২০২৯ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের জন্য প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদনের সুপারিশ করেছে কমিশন।